ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

তোর বাবাকে মারতে চাইনি কিন্তু ছুরিকাঘাত বেশি হয়ে গেছে


তোর বাবাকে মারতে চাইনি কিন্তু ছুরিকাঘাত বেশি হয়ে গেছে

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে আব্দুল বারেক আকন্দ ওরফে মজনু মুন্সি (৫৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

এদিকে হত্যাকাণ্ডের পরপরই নিহত মজনু মুন্সির ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে তার মেয়ের নম্বরে কল করে এক দুর্বৃত্ত বলেন, ‘তোর বাবাকে মারতে চাইনি। কয়েকটা ছুরিকাঘাত করেছি, কিন্তু বেশি হয়ে গেছে। তোর বাবা মারা গেছে।’ এই কথা বলেই সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে ফোনটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

রোববার (৫ জুলাই) রাতে উপজেলার বয়ড়া বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে চন্দ্রপাড়া সড়কে এ ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত মুক্তার দাফন সম্পন্ন

নিহত মজনু মুন্সি উপজেলার ৯ নং ভাংনামারী ইউনিয়নের দুর্বারচর গ্রামের মৃত আব্বাস আলী আকন্দের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাত ১০টার দিকে বয়ড়া বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিলেন মজনু মুন্সি। পথে চন্দ্রপাড়া সড়কে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা তার গতিরোধ করে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত সাড়ে ১১টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের ছেলে মাজহারুল ইসলাম আকাশ বিজিবি কুমিল্লা ব্যাটালিয়নের গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত। তিনি জানিয়েছেন, তার বাবা বাজার থেকে ফেরার পথে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েন। তিনি হামলাকারীদের চিনে ফেলায় তাকে হত্যা করা হয়েছে। মৃত্যুর আগে তিনি তার পরিবারের কাছে স্থানীয় পশ্চিম পাড়ার তিন কিশোর এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।

বর্তমানে মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি ও ময়নাতদন্তের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করছে।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: সকাল হলে ভাগ্য নির্ধানের পালা

গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান জানান, ঘটনার পরপরই পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থার প্রক্রিয়া চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খামেনির শোকানুষ্ঠান উপলক্ষে তেহরানের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:১১ পি.এম


খামেনির শোকানুষ্ঠান উপলক্ষে তেহরানের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষ বিদায় উপলক্ষে তেহরানে একটি রাষ্ট্রীয় শোক মিছিল অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ শোকযাত্রা শেষে সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য মরদেহ রাখা হবে আজাদি স্কয়ারে। সেখানে এক দফা জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে তেহরানের আকাশসীমা।

আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর শোক, শ্রদ্ধা ও স্মৃতিচারণের মাধ্যমে ইরান চেষ্টা করছে তাকে শেষ বিদায় জানাতে। প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতার রাষ্ট্রীয় শোক মিছিলে অংশ নিতে ভোর বেলায় কালো পোশাক পরা লাখো মানুষ রাজধানীর রাজপথে জড়ো হন। এই কর্মসূচি চলবে প্রায় ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা।

প্রায় ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ শোকযাত্রা শুরু হয়েছে ইমাম হোসেইন স্কয়ার থেকে, এরপর ইনকিলাব স্ট্রিট, ইনকিলাব স্কয়ার, আজাদি স্ট্রিট এবং আজাদি স্কয়ার অতিক্রম করে মেহরাবাদ বিমানবন্দরের কাছে শহীদ লাশগারি মহাসড়ক পর্যন্ত পৌঁছাবে। শোকযাত্রার সময় অংশগ্রহণকারীরা জাতীয় পতাকাসহ ফিলিস্তিন এবং হিজবুল্লাহর পতাকাও বহন করছেন।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মরদেহ কোম শহরে নিয়ে যাওয়া হবে। এরপর বুধবার (৮ জুলাই) প্রতিবেশী ইরাকের নাজাফ ও কারবালা শহরে শোক যাত্রা এবং জানাজার আয়োজন করা হবে, যেখানে অসংখ্য মানুষ প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাবেন। পরে মরদেহ ইরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চল মাশহাদে নেয়া হবে। জন্মস্থান মাশহাদে আগামী বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় খামেনিকে দাফন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এর আগে গত ২ দিন ধরে তেহরানের গ্র্যান্ড খামেনি মোসাল্লামে খামেনি ও তার পরিবারর কিছু সদস্যের মরদেহ সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হয়েছিল। সেখানে কোটি মানুষের অংশগ্রহণে প্রথম দফার জানাজা সম্পন্ন হয়।

এদিকে শোকানুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য একদিনের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে তেহরানের আকাশসীমা। সাথে মেহরাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সব নিয়মিত ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাজিলের হারে কুষ্টিয়ায় সমর্থকের আত্মহত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এস.এম.রিয়াদুল ইসলাম,কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:১৩ পি.এম


ব্রাজিলের হারে কুষ্টিয়ায় সমর্থকের আত্মহত্যা

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় রাতে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখে ঘুমাতে যাওয়ার পর সকালে নিজ ঘর থেকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ব্রাজিল সমর্থক এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার (৬ জুলাই) সকালে উপজেলার কয়া ইউনিয়নের পশ্চিম গট্রিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রতন (২০) একই গ্রামের হোসেন মিস্ত্রীর ছেলে। তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রীর সহকারী ছিলেন। তার দুই মাস বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।

পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রোববার দিবাগত গভীর রাতে ব্রাজিল ও নরওয়ের মধ্যকার বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ দেখে নিজ ঘরে ঘুমাতে যান রতন। সোমবার সকালে দীর্ঘ সময় ঘুম থেকে না ওঠায় পরিবারের সদস্যরা জানালার ফাঁক দিয়ে তাকে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলতে দেখেন। পরে দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

খবর পেয়ে কুমারখালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে।

নিহতের বাবা হোসেন মিস্ত্রী বলেন, তার ছেলে ব্রাজিলের সমর্থক ছিলেন। রাতে খেলায় ব্রাজিল হেরে যাওয়ার পর তার মন খারাপ ছিল। এরপর তিনি নিজ ঘরে ঘুমাতে যান। সকালে অনেক ডাকাডাকির পরও সাড়া না পেয়ে জানালা দিয়ে তাকিয়ে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়। তবে আত্মহত্যার নির্দিষ্ট কোনো কারণ তিনি জানাতে পারেননি।

স্বজনদের ভাষ্য, প্রায় এক বছর আগে রতন বিয়ে করেন। বাড়ির পাশেই তার শ্বশুরবাড়ি। কন্যাসন্তান জন্মের পর থেকে স্ত্রী সেখানেই অবস্থান করছিলেন। ঘটনার সময় রতন ঘরে একাই ছিলেন।

কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামাল উদ্দিন বলেন, আত্মহত্যার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কেউ একটি দলকে সমর্থন করতেই পারেন, তবে প্রিয় দলের পরাজয়ের কারণেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন—এমনটি নিশ্চিতভাবে বলা যাবে না।

তিনি আরও জানান, নিহতের পরিবার ও স্থানীয়দের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এবং মৃত্যুর বিষয়ে কারও আপত্তি না থাকায় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কিশোরীকে অপহরণ: প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখান করায় অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:১৫ পি.এম


কিশোরীকে অপহরণ: প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখান করায় অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয় মাওয়া খন্দকার (১৪) নামের এক কিশোরীকে অপহরণ করার অভিযোগ উঠেছে সাব্বির (৩০) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে।

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে সোমবার (৬ জুলাই) ভুক্তভোগী কিশোরীর মামা খন্দকার সোহাগ সোনারগাঁ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ (জিডি) দায়ের করেছেন।

এর আগে রোববার (৫ জুন) বিকেলে উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের পেরাব এলাকা থেকে ওই কিশোরী নিখোঁজ হয়ে যায়।

অভিযোগ সূত্রে জানা যাচ্ছে, পেরাব গ্রামের খন্দকার মকবুলের মেয়ে মাওয়া খন্দকার ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে প্রস্তুত ছিল। একই এলাকার বাসিন্দা সাব্বির বেশ কিছুদিন ধরে রাস্তাঘাটে মাওয়াকে উত্ত্যক্ত করতৰ নাম স তারা প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। সাব্বির তার বাবা লিটন মিয়া (৫০) এর সঙ্গে এলাকায় মাদক সেবন, বিক্রি এবং বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত। কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সাব্বির মাওয়াকে প্রতিনিয়ত ইভটিজিং এবং ক্ষয়ক্ষতির হুমকি প্রদান করতেন।

অভিযোগে উল্লেখ আরও করা হয়েছে যে, রোববার বিকেল অনুমানিক সাড়ে ৫টার একটু পর মাওয়া নিজ বাড়ি থেকে বাইরে বের হওয়ার পর সে আর ফিরে আসেনি। পরে আত্মীয়-স্বজনসহ সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে অভিযুক্ত সাব্বিরও এলাকা থেকে গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে।

পরিবারের ধারণা, সাব্বির অজ্ঞাতনামা আরও ৩-৪ জনের সহায়তায় পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ওই কিশোরীকে অপহরণ করেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সারোয়ার জানান, নিখোঁজ কিশোরীকে উদ্ধার করা এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধুপুরে গাঁজা-ইয়াবাসহ আটক ৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:১৭ পি.এম


মধুপুরে গাঁজা-ইয়াবাসহ আটক ৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড

টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয় লোকজন ও পুলিশের সহযোগিতায়
সোমবার (৬ জুলাই) স্থানীয় জনগণ ও পুলিশের সমন্বয়ে মাদকবিরোধী কার্যক্রম পরিচালিত হয়
মাদকবিরোধী পরিচালিত অভিযানে গাঁজা ও ইয়াবাসহ তিনজন মাদক কারবারি ও সেবীকে আটক করা হয়েছে। বিকেলে পৃথক পৃথক ভাবে দুটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন মধুপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ জুবায়ের হোসেন এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নঈম উদ্দিন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— উপজেলার অরণখোলা গ্রামের নায়েব আলীর ছেলে রিপন (২০)। তাকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, দুর্গাপুর পূর্বপাড়া গ্রামের মো. কাদেরের ছেলে মো. লাল মিয়া (২২)কে ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
একইভাবে উপজেলার নাগবাড়ী গ্রামের মো. হাফিজুর রহমানের ছেলে কায়ছার (২৩)কে ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%