এস এম সাহান,ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি
০৮:৫৩ পি.এম
ফরিদপুরে মো. রনি মোল্যা (২২) নামে এক যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়ার পর থেকে তার সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন তার মা রওশন আরা বেগম। এ ঘটনায় গত ১৯ আগস্ট কোতয়ালী (ফরিদপুর) থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-১৫৮৬) করা হয়েছে।
নিখোঁজ রনি মোল্যা ফরিদপুর সদর উপজেলার গেরদা ইউনিয়নের পশড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি রওশন আরা বেগমের ছেলে। রনির নিখোঁজ হওয়ার কারণে মায়ের কান্না থামছেই না।
জিডিতে রওশন আরা বেগম উল্লেখ করেন, গত ১৩ আগস্ট সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রনি কাজের কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর তিনি আর বাড়িতে ফিরে আসেননি। রনি কোনো মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন না। পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়স্বজনের বাড়ি ও অন্যান্য স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি।
তবে রনির পরিবারের অভিযোগ, নিখোঁজ হওয়ার আগে মিলন খান নামে এক ব্যক্তি তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। এরপর থেকেই রনির কোনো খবর পাওয়া যাচ্ছে না।
পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর পুলিশ একটি দল মিলন খানের বাড়িতে গিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে যেতে চাইলে স্থানীয় মুরাদ মাতব্বর নামের এক ব্যক্তি পুলিশের কাছে ২৪ ঘণ্টা সময় চান বলে পরিবারের অভিযোগ। এরপর পুলিশ মিলন খানকে তার বাড়িতে রেখেই ফিরে যায় বলে দাবি করা হয়েছে।
রনির মা রওশন আরা বেগমের অভিযোগ জানান, ২৪ ঘণ্টা পরে তিনি মুরাদ মাতুব্বরের কাছে গেলে বিষয়টি নিয়ে তাকে বিভিন্নভাবে আশ্বস্ত করা হয় এবং ‘আজ-কাল’ করে সময়ক্ষেপণ করা হয়।
রনির পরিবারের পক্ষ থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দ্রুত তাকে খুঁজে বের করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে কোতয়ালী (ফরিদপুর) থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. মাসুদ আলম বলেন, “রনি নিখোঁজের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তার নিখোঁজ হওয়ার প্রকৃত কারণ ও অবস্থান শনাক্ত করতে পুলিশ প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাই করছে। বিষয়টি আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছি এবং রনিকে উদ্ধারে পুলিশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য 'বিশ্ববিদ্যালয়-মেডিকেল মোড়-টি.টি. কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়' রুটে বিকেল ৫টা ১০ মিনিট ও সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটের ট্রিপে অতিরিক্ত বাস চালুর দাবিতে পরিবহন পুলের পরিচালক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
সোমবার (২৪ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন পুলের পরিচালক মো. মাসুদ রানার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে এ স্মারকলিপি প্রদান করেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়মিত যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন ব্যবস্থা। বিশেষত বিকেল ৫টা ১০ মিনিট ও সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটের বাসগুলোতে অতিরিক্ত শিক্ষার্থীর চাপ রয়েছে, যার ফলশ্রুতিতে অনেক শিক্ষার্থী সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন না। এর ফলে তাদের যাতায়াতে ভোগান্তির পাশাপাশি নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হচ্ছে।
শিক্ষার্থীদের স্বার্থ ও নিরাপদ যাতায়াতের বিষয়টি মাথায় রেখে রুট নম্বর ৪-এ উল্লিখিত সময়ে একটি করে অতিরিক্ত বাস চালানোর দাবি জানান তারা। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন ব্যবস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও দাবি জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহিন আহমেদ বলেন, "আমরা সবসময় শিক্ষার্থীদের পাশে আছি। শিক্ষার্থীদের কল্যাণে বেরোবি ছাত্রদল সবসময় কাজ করবে। অনেক শিক্ষার্থীর বিকেলে টিউশনসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজ থাকে। বিষয়টি বিবেচনা করে বিকেলের বাসের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য আজ আমরা পরিবহন পুলের পরিচালকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছি।"
তিনি আরো জানান, পরিচালক তাদের আশ্বস্ত করেছেন যে, রুট নম্বর ৪-এ একটি বাসের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হবে।
পরিবহন পরিচালক আগামীকাল থেকেই অতিরিক্ত বাস চালু করার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানান তারা।
এ সময় ছাত্রদল যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সালমান ইমতিয়াজ সাকিব, মাহিন আহমেদ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিরাজ আলমসহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বেশকিছু ছাড়পোকা দলের ভেতরে থেকে বিভাজনের চেষ্টা করছে বলেও মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
বিএনপির বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ব্যারিস্টার আবদুস সালাম তালুকদারের ২৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার (২৪ আগস্ট) রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনিস্টিটিউটে আয়োজিত সভায় এই মন্তব্য করেন তিনি।
গয়েশ্বর চন্দ্র বলেন, ‘দলের মধ্যে বেশকিছু ছাড়পোকা বাস করছে, যারা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দলে বিভাজনের চেষ্টা করছে। দৃশ্য মান না হলেও ষড়যন্ত্র হচ্ছে, সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘যারা সরকারে রয়েছেন কাজ করুন, নিজেদের আখের গোছাইয়েন না। তারেক রহমানকে সফল করতে কাজ করতে হবে। রাজপথে আমরা আছি, রাজপথ আমরা সামলে নেবো।’
একই সভায় স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘মানুষ অনেক কষ্টে আছে। জনগণ সবকিছুর দ্রুত সমাধান চায়। কিন্তু একটি বিশৃঙ্খল ও অর্থনৈতিকভাবে ধ্বংসপ্রায় রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে তারেক রহমানের সরকার। রাষ্ট্র মেরামত করতে একটু সময় তো লাগবেই, কিন্তু বিরোধী দল সেটা চায় না।’
তিনি বলেন, রাজনীতি শুরু করেছি বিএনপি দিয়ে। কখনো এদিক-ওদিক যাইনি। সবসময় বিএনপির সঙ্গেই ছিলাম, এখনো আছি। ১৭ বছর বিএনপি লড়াই করেছে আপস করেনি। অনেকে অনেকভাবে প্রভাবিত করতে চেয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবদুস সোবাহান-এর সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন ব্র্যাক রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের সিরাজগঞ্জের জেলা কো-অর্ডিনেটর মাহফুজুর রহমান।
আজ সোমবার (২৪ আগস্ট) বেলা ১১:০০ টায় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে মাননীয় উপ-উপাচার্য মহোদয়ের কার্যালয়ে এ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও মেধা বিকাশ, দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির সুযোগ সৃষ্টি, তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ ও সফল উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জনের বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
এ সময় মাহফুজুর রহমান ব্র্যাকের বিভিন্ন সামাজিক ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগের সঙ্গে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করার বিষয়ে মতামত ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, অ্যাকাডেমিক সাফল্যের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তাশক্তি, নেতৃত্বগুণ, উদ্যোক্তা মনোভাব ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির সক্ষমতা বৃদ্ধিতে পারস্পরিক সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
মতবিনিময়কালে মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবদুস সোবাহান ব্র্যাকের প্রস্তাবিত সহযোগিতামূলক উদ্যোগসমূহকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় একটি মানসম্মত, দক্ষতা ও উদ্ভাবনভিত্তিক শিক্ষা পরিবেশ গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের শুধু প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান অর্জন নয়, বরং বাস্তবমুখী দক্ষতা, সৃজনশীলতা, নৈতিক মূল্যবোধ ও উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের বিকশিত করার সুযোগ সৃষ্টি করাই বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম লক্ষ্য। এ ক্ষেত্রে ব্র্যাকের মতো উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।
মতবিনিময় সভায় উভয় পক্ষ ভবিষ্যতে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীবান্ধব ও উন্নয়নমুখী বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। এ-সময় ব্রাকের মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচির সহকারী এলাকা ব্যবস্থাপক শিফা আক্তার বৃষ্টি উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির লক্ষ্যে কংগ্রেসে নতুন ‘লিভিং ওয়েজ ফর অল অ্যাক্ট’ বিলটি উত্থাপন করা হয়েছে। বর্তমান ফেডারেল ন্যূনতম মজুরি ৭.২৫ ডলার এবং এটি ২০০৯ সাল থেকে অপরিবর্তিত রয়েছে। নতুন এ প্রস্তাবে মজুরি বাড়িয়ে ঘণ্টায় ২৫ ডলারে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
বিলটি প্রথম ২৮ এপ্রিল প্রতিনিধি পরিষদে এবং পরে ২৫ জুন সিনেটে উত্থাপন করা হয়। সিনেটে এই বিলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ডেমোক্র্যাট সিনেটর ক্রিস মারফি, আর প্রতিনিধি পরিষদের প্রধান উদ্যোক্তা হলেন কংগ্রেসওম্যান ডেলিয়া রামিরেজ। বর্তমানে উভয় কক্ষে বিলটি সংশ্লিষ্ট কমিটিতে পাঠানো হয়েছে।
প্রস্তাব অনুসারে, ধাপে ধাপে ফেডারেল ন্যূনতম মজুরি ঘণ্টায় ২৫ ডলারে উন্নীত করা হবে। প্রতিনিধি পরিষদে বিলের সংস্করণ অনুযায়ী, বড় ও লাভজনক কোম্পানিগুলোকে ২০৩১ সালের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামোয় যেতে হবে। ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য কর্মীদের মজুরি সমন্বয়ের ক্ষেত্রে ২০৩৮ সাল পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে।
সিনেটের সংস্করণে বড় কোম্পানির জন্য সময়সীমা ২০৩২ এবং অন্যান্য ব্যবসায়ের জন্য ২০৩৯ সাল পর্যন্ত রাখা হয়েছে। অর্থাৎ, দুই কক্ষের সংস্করণে সময়সীমার ক্ষেত্রে কিছুটা পার্থক্য দেখা যাচ্ছে।
বর্তমান ফেডারেল ন্যূনতম মজুরি ৭.২৫ ডলার। যদি প্রস্তাবটি কার্যকর হয়, তবে এটি এক ধাপে নয়, বরং কয়েক বছরের মধ্যে বৃদ্ধির মাধ্যমে ২৫ ডলারে নেওয়া হবে।
এছাড়াও, বিলটিতে ভবিষ্যতে জাতীয় মধ্যম ঘণ্টাপ্রতি মজুরির দুই-তৃতীয়াংশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিয়মিত ন্যূনতম মজুরি সমন্বয়ের ব্যবস্থা রাখার প্রস্তাব রয়েছে। পাশাপাশি টিপসনির্ভর, তরুণ ও প্রতিবন্ধী কর্মীদের জন্য বিদ্যমান কিছু সাবমিনিমাম ওয়েজ ধীরে ধীরে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
তবে, বিলটির পথে কতটুকু বাধা আসবে সে সম্পর্কে এখনও নির্দিষ্ট কিছু বলা সম্ভব নয়। কংগ্রেসের বর্তমান অবস্থায় এটি কমিটির পর্যায়ে রয়েছে, এবং বাস্তবায়নের জন্য প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের অনুমোদন এবং প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষর প্রয়োজন হবে। এ কারণে প্রস্তাবটি আইন হতে পারে কি না, তা এখনও অনিশ্চিত।
বিলের সমর্থকরা বলছেন, জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণে কর্মীদের মজুরি বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। অন্যদিকে ব্যবসায়িক মহলে উদ্বেগ রয়েছে ফেডারেল পর্যায়ে এত বড় মজুরি বৃদ্ধির সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রে ন্যূনতম মজুরি কিভাবে হওয়া উচিত, এ নিয়ে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিতর্ক বাড়তে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ