ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

রাজধানীর দক্ষিণ খিলগাঁও এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার


রাজধানীর দক্ষিণ খিলগাঁও এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার

ঢাকা, ৯ আগস্ট, ২০২৬ : রাজধানীর শাহজাহানপুর থানার দক্ষিণ খিলগাঁও এলাকা থেকে সংগৃহীত পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি পিস্তল, একটি রিভলবার এবং ৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশনস বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী আজ (রোববার) জানায়।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল (শনিবার) রাতে, দক্ষিণ খিলগাঁও বাগিচাস্থ ঝিলপাড় পাবলিক টয়লেটের পশ্চিম পাশের ময়লার ভাগাড় থেকে এইসব অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করে শাহজাহানপুর থানা পুলিশ।

আরও পড়ুন: ‘ঋণের ফাঁদে’ দেশ, নতুন পে-স্কেলে সংকট বাড়ার আভাস

এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৩১ পি.এম


রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ

ঢাকা, ৯ আগস্ট, ২০২৬ : রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বীর বিক্রম ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।

আজ (রোববার) সকালে রাজধানীর মিন্টো রোডে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ বৈঠকে নিয়ে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিরোধীদলীয় নেতা এবং জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। এই সময় ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন এবং তারা বৈঠকে আলোচনা করেন।

বৈঠক শেষে এক ব্রিফিংয়ে ডা. শফিকুর বলেন, ‘গণতন্ত্রের সৌন্দর্যের জন্য আমরা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব। সবক্ষেত্রে রাজনীতি স্বচ্ছ হওয়া উচিৎ। আমরা চাই বাংলাদেশে গণতন্ত্রের গতি ও সুস্থধারা ফিরে আসুক। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য আমরা সর্বসম্মতক্রমে বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ এবং এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করেছি।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মীরসরাইয়ে দুর্ঘটনাকবলিত ফুটবলার ইমাম হাসানের পাশে ফখরুল ইসলাম খান সিআইপি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

​সাকিব চৌধুরী চট্টগ্রাম

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৩১ পি.এম


মীরসরাইয়ে দুর্ঘটনাকবলিত ফুটবলার ইমাম হাসানের পাশে ফখরুল ইসলাম খান সিআইপি

ফুটবল খেলতে গিয়ে মারাত্মক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন চট্টগ্রাম মীরসরাইয়ের জনপ্রিয় ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব ও উদীয়মান ফুটবলার ইমাম হাসান।

গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় থাকা এই ক্রীড়াবিদে পাশে এবার চিকিৎসার মানবিক সহায়তা নিয়ে এগিয়ে এসেছেন বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জনাব ফখরুল ইসলাম খান সিআইপি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি একটি ফুটবল ম্যাচে অংশ নেওয়ার সময় ইমাম হাসান মারাত্মক দুর্ঘটনার মুখোমুখি হন।

এতে তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ায় তাঁকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

যেভাবে চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করা তাঁর পরিবারের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছিল, বিষয়টি ফখরুল ইসলাম খানের নজরে আসে।

খবর পাওয়ার পরপরই তিনি ইমাম হাসানের চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন।

ফখরুল ইসলাম খান সিআইপি-র এই সময়োপযোগী ও মানবিক সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ইমাম হাসানের পরিবার, স্থানীয় ক্রীড়ামোদীরা এবং মীরসরাইয়ের সর্বস্তরের জনসাধারণ।

প্রতিক্রিয়ায় স্থানীয়রা জানান, সমাজ ও ক্রীড়াঙ্গনের যেকোনো বিপদে ফখরুল ইসলাম খান সবসময়ই নিরবচ্ছিন্নভাবে মানবিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন।

তাঁর এই সাহায্য ইমাম হাসানের দ্রুত সুস্থতার পথকে সুগম করবে বলে তারা আশা ব্যক্ত করেন।

এদিকে, মীরসরাইয়ের ক্রীড়াঙ্গনের প্রিয় মুখ ইমাম হাসানের দ্রুত ও পূর্ণ সুস্থতা কামনা করে সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন তাঁর সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি সামাজিক আন্দোলন গড়ার আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৩৩ পি.এম


পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি সামাজিক আন্দোলন গড়ার আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের

ঢাকা, ৯ আগস্ট, ২০২৬ : ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেছেন, পরিবেশ রক্ষার ক্ষেত্রে গাছ লাগানো যথেষ্ট হবে না; নদী, খাল, ড্রেন এবং রাস্তা পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি সামাজিক পরিবেশ আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

তিনি আরও জানান, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ পৃথিবী সুনিশ্চিত করতে সকলকে এই পরিবেশ রক্ষার আন্দোলনে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।

আজ (রোববার) রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে ডিএসসিসির ৫৬ নম্বর ওয়ার্ডের বড়গ্রাম ব্যাটারিঘাট সড়ক ও বুড়িগঙ্গা নদীসংলগ্ন এলাকায় ‘বৃক্ষবৃত্তি ও সবুজ নগর গঠন’ কর্মসূচির আওতায় ১০ হাজার বৃক্ষরোপণের উদ্বোধন অনুষ্ঠান চলাকালে তিনি এ বক্তব্য দেন। ডিএসসিসির আয়োজনে এবং প্লান্ট স্কলারের সহযোগিতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, দায়িত্ব নেওয়ার আগ থেকেই পরিবেশ সুরক্ষায় গাছ লাগানোর উপর বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করে আসছেন।

তিনি উল্লেখ করেন, আগামী পাঁচ বছরে পুরো দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। সুন্দরবনের মতো, যা ঘূর্ণিঝড়সহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে উপকূলীয় অঞ্চলকে রক্ষা করে, তেমন ভাবে সারা দেশে বৃক্ষরোপণ করা হলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের প্রতি নিজ নিজ অবস্থান থেকে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান।

আবদুস সালাম আরও জানিয়েছেন, নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনার জন্য আগামী শুষ্ক মৌসুমে বুড়িগঙ্গা নদীর চ্যানেল খননের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি ড্রেন এবং নদীতে পলিথিন ও বর্জ্য ফেলা না করার জন্য নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, পরিবেশ সুরক্ষার সঙ্গে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা আবশ্যক। একটি স্বাস্থ্যবান ও সুন্দর নগর গড়ে তুলতে সরকারী উদ্যোগের পাশাপাশি নাগরিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা অত্যন্ত জরুরী।

কামরাঙ্গীরচরের অবকাঠামোগত উন্নয়নের প্রসঙ্গে প্রশাসক বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার যানবাহন পদ্মা সেতু দিয়ে ঢাকায় প্রবেশের সুবিধার্থে কামরাঙ্গীরচর এলাকায় আট লেনের সড়ক নির্মাণের কাজ চলছে। চলতি অর্থবছরে এ প্রকল্পে ২৩৬ কোটি ৪৮ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রকল্পটির ৪৮ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, ২০২৭ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ণ হবে।

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদ।

অনুষ্ঠানে বক্তাগণ বৃক্ষরোপণ, নদী রক্ষা, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘ইসলামিক ন্যাটো’ বদলে দিতে পারে মুসলিম বিশ্বের নিরাপত্তা ভাবনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৩৬ পি.এম


‘ইসলামিক ন্যাটো’ বদলে দিতে পারে মুসলিম বিশ্বের নিরাপত্তা ভাবনা

নিজেদের সুরক্ষার জন্য সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলো এতদিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওপরই নির্ভর করতো। কিন্তু ৫ মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা ইরান যুদ্ধ সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে বুঝিয়ে দিয়েছে যে এ নির্ভরতা আসলে ফাঁকা বুলি।

বরং অতিরিক্ত যুক্তরাষ্ট্র নির্ভরতা এবং সংশ্লিষ্টতার কারণেই তারা বারবার ইরানের হামলার শিকার হচ্ছে। ইরান সমর্থিত হুতিদের অন্যতম টার্গেটও সৌদি আরব। তারচেয়ে বড় কথা হলো, হরমুজ প্রণালী প্রায় বন্ধ থাকায় তেল সরবরাহ কমে যাওয়ায় সৌদি আরবের আয়েও বড় ধাক্কা লেগেছে। ইরান যুদ্ধ আসলে সৌদি আরবের এতদিনের নিশ্চিন্তিকেই দুশ্চিন্তায় পরিণত করেছে।

সৌদি আরবকে বদলে দিতে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা 'ভিশন ২০৩০'কেও ঝুঁকির মুখে ফেলেছে ইরান যুদ্ধ।

অর্থ এবং যুক্তরাষ্ট্র কোনোটাই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে না, এটা বুঝে যাওয়ার পর সৌদি আরব নিজেদের সুরক্ষায় বিকল্প ভাবনা শুরু করে। সে ভাবনারই ফল হলো নতুন ইসলামী প্রতিরক্ষা জোট। গত শুক্রবার পবিত্রভূমি মক্কায় সৌদি আরব, পাকিস্তান এবং তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়েছে নতুন এই প্রতিরক্ষা জোট।

ন্যাটো স্টাইলে গঠিত এই জোটটি বলা হচ্ছে 'ইসলামিক ন্যাটো'। নতুন জোটের তিন দেশই মুসলিম বিশ্বের তিনটি শক্তিশালী ও প্রভাবশালী দেশ। সামরিক সক্ষমতায় কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও সৌদি আরবের আছে অঢেল অর্থ। আর ন্যাটো জোটে যুক্তরাষ্ট্রের পরেই সামরিক সক্ষমতায় তুরস্কের অবস্থান। পাকিস্তান হলো মুসলিম বিশ্বের একমাত্র পারমাণবিক শক্তির অধিকারী।

আর্থিক ও সামরিক সক্ষমতা মিলিয়ে নতুন এই জোট মুসলিম বিশ্বে নিরাপত্তা ভাবনায় বড় পরিবর্তন আনতে পারে। পরিবর্তন আসবে বৈশ্বিক ভাবনায়ও। যখন ইসরায়েল পুরো অঞ্চলে তার সামরিক প্রভাব বিস্তার করছে এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাথে রিয়াদয়ের সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে, ঠিক তখনই এই জোট আঞ্চলিক সম্পর্কেও নতুন মেরুকরণ আনতে পারে।

মক্কা চুক্তির প্রধান অঙ্গীকার হলো- তাদের যেকোনো একটি দেশের ওপর আক্রমণ সবার ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে। এই অঙ্গীকার পাকিস্তান ও তুরস্ককে এমন একটি যুদ্ধের মধ্যে টেনে আনতে পারে, যা তারা এ পর্যন্ত বেশ সতর্কতার সাথে এড়িয়ে চলছিল। তিন দেশের পক্ষ থেকে দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই চুক্তির আনুষ্ঠানিক যৌক্তিকতা হলো যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধকে শক্তিশালী করা এবং তিনটি রাষ্ট্রের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সব দিকের আরও উন্নতি করা। জোটের তিনটি দেশই সুন্নী নেতৃত্বাধীন। তাদের প্রাথমিক মূল লক্ষ্য হচ্ছে যে শিয়া নেতৃত্বাধীন ইরান, তা নিয়ে কারোই কোনো সন্দেহ নেই।

কিন্তু এ জোটের মানেই যে পাকিস্তান ও তুরস্ক ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে, এই বিষয়টি এমনও নয়। বরং পাকিস্তান আর তুরস্ক ইরান যুদ্ধ বন্ধে দীর্ঘদিন ধরেই মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করছে। সৌদি আরবের যুবরাজ সালমান নিজেও হামলা থেকে বিরত থাকতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অনুরোধ করেছেন। পাকিস্তান ও তুরস্ক উভয়ের সাথেই ইরানের সীমান্ত রয়েছে এবং এই সংঘাত যাতে আরও ছড়িয়ে না পড়ে তা ঠেকানোর জন্য উভয় দেশেরই জোরালো কারণ রয়েছে। পাকিস্তানকে তার দেশের বড় আকারের শিয়া জনগোষ্ঠী এবং তেহরানের সঙ্গে তার সংবেদনশীল সম্পর্ক সামাল দিতে হবে। অন্যদিকে, তুরস্ক ও ইরান অঞ্চলের অন্যান্য জায়গায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদ নিয়ে উভয়েরই সাধারণ উদ্বেগ রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তাৎক্ষণিক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়া হতেই নতুন এই জোটের আশু লক্ষ্য নয়। নিজেদের সক্ষমতাকে বাড়িয়ে ইরানের দিক থেকে আক্রমণের হুমকি কমিয়ে রাখতেই নতুন এই জোটের যাত্রা।

তুরস্কের একজন কর্মকর্তা সিএনএন-কে জানিয়েছেন, এই জোট কোনো নির্দিষ্ট পক্ষকে লক্ষ্য করে করা হয়নি। পাশাপাশি সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও স্পষ্টভাবে বলেছে যে, এটি কোনো সামরিক অক্ষ বা কোনো উপদলীয় ব্লক তৈরির প্রচেষ্টা নয়। তুরস্কের ওই কর্মকর্তা আরও যোগ করেন, অন্যান্য আঞ্চলিক দেশগুলোও এতে যোগ দিতে পারে, যা ন্যাটো-র মতোই এই জোটে নতুন সদস্য যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে তুলেছে।

এই জোট নিয়ে ইরানের সন্তুষ্ট হওয়ার কোনো কারণ নেই। নিজেদের অসন্তোষ গোপনও করেনি ইরান। ইরানি পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি কমিটির সদস্য ইব্রাহিম রেজায়ি এক্স (সাবেক টুইটার)-এ লিখেছেন, 'সৌদিদের বোঝা উচিত, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সাথে একটি কাগজের চুক্তি তাদের নিরাপত্তা এনে দেবে না। ঠিক যেভাবে আমেরিকানদের ওপর দশকের পর দশক ধরে একতরফা নির্ভরতাও ব্যর্থ হয়েছে।'

মুখে যাই বলুক, নতুন এই জোটের ফলে ইরানের নেতৃত্বের কপালে দুশ্চিন্তার ভাজের সংখ্যা আরো বাড়বে, এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। এখন সৌদি আরবের ওপর হামলার আগে ইরান নিশ্চয়ই নতুন করে ভাববে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%