ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বরিশালে আওয়ামী লীগ নেতাদের বাড়িতে মামলা ছাড়াই রাতভর পুলিশের অভিযান


বরিশালে আওয়ামী লীগ নেতাদের বাড়িতে মামলা ছাড়াই রাতভর পুলিশের অভিযান

বরিশালের আগৈলঝাড়া ও গৌরনদী উপজেলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতাদের বাড়িতে রাতভর থানা ও জেলা ডিবি পুলিশের সদস্যরা যৌথ অভিযান পরিচালনা করেছে। এই অভিযানের মধ্যে আগৈলঝাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফরহাদ তালুকদারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রাত দুইটার দিকে রত্নপুর এলাকার নিজ বাড়ি থেকে ফরহাদ তালুকদারকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, ফরহাদ দীর্ঘদিন ধরে শারীরিকভাবে অসুস্থ। তার বিরুদ্ধে কোন মামলা নেই। তবুও, অসুস্থ ফরহাদ তালুকদারকে হয়রানির উদ্দেশ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আগৈলঝাড়া থানার ওসি মো. মাসুদ খান জানিয়েছেন, সন্ত্রাস বিরোধী আইনের একটি মামলায় ফরহাদ তালুকদারকে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে, একই রাতে গৌরনদী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মনির হোসেন মিয়া, মাহিলাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সৈকত গুহ পিকলু, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জুবায়ের ইসলাম সান্টু ভুঁইয়ার বাড়িতে থানা ও জেলা ডিবি পুলিশের সদস্যরা অভিযান চালান। তবে অভিযানের সময় উল্লেখিতরা বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন না। পুলিশের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, এলাকায় নাশকতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে গোপন বৈঠকের সংবাদ পাওয়ার পর এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

আরও পড়ুন: ধর্মীয় উৎসবে কেউ যেন অশান্তি সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে আমরা সজাগ: খোকন তালুকদার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হয়রানীমূলক মামলায় ইতালী ফরহাদের আট দিন পর জামিন লাভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:২২ এম


হয়রানীমূলক মামলায় ইতালী ফরহাদের আট দিন পর জামিন লাভ

হয়রানীর উদ্দেশ্যে দায়ের করা মামলায় আটদিন কারাভোগের পর বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) আদালত থেকে জামিন লাভ করেছেন আওয়ামী লীগ নেতা ফরহাদ হোসেন, যিনি ইতালী ফরহাদ নামেও পরিচিত। ফরহাদ হোসেন বরিশালের গৌরনদী পৌর শাখার সদস্য এবং উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত।

ফরহাদ হোসেনের আইনজীবীরা জানান, জনৈক নয়ন প্যাদা কর্তৃক দায়ের করা হয়রানীমূলক মামলায় আইনের প্রতি সম্মান জানিয়ে ফরহাদ হোসেন গত ১৭ সেপ্টেম্বর বরিশালের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। আদালতের বিচারক ফরহাদ হোসেনের জামিন আবেদন মঞ্জুর না করে তাকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। আইনজীবীরা আরও জানিয়েছেন, ওই মামলার পরবর্তী শুনানীর দিন বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) আদালতের বিচারকের কাছে জামিনের আবেদন করলে বিচারক জামিন মঞ্জুর করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলাপাড়ায় বন্দোবস্ত পাওয়া জমিজমার দখল ঠেকাতে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:২২ এম


কলাপাড়ায় বন্দোবস্ত পাওয়া জমিজমার দখল ঠেকাতে মানববন্ধন

পটুয়াখালীর কলাপাড়ার ধানখালীতে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে ভূমিহীন এবং স্থানীয় ভুক্তভোগী অসংখ্য পরিবারের সদস্যরা মানববন্ধন করেছেন। সরকারের দ্বারা বন্দোবস্তকৃত ভূমির অবৈধ দখল প্রতিরোধ এবং মালিকানা নিশ্চিত করার দাবিতে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে স্থানীয় মেম্বারসহ বিভিন্ন শ্রেণির অসংখ্য মানুষ অংশগ্রহণ করেন। বক্তব্য রাখেন ইউপি সদস্য মো: শাহীন মৃধা, ভূমিহীন পরিবারের সদস্য (কার্ডধারী) নুরজাহান বেগম, খোকন চৌকিদার, হানিফ মৃধা, শাহআলম হাওলাদার, জবুনা বেগম, সোহেল হাওলাদার, জাহাঙ্গীর হাওলাদার, রুবেল সিকদার, রুহুল আমিন হাওলাদার এবং স্থানীয় বাসিন্দা তানিয়া আক্তার প্রমুখ।

বক্তারা জানান, ১৯৯৭ সালে আমতলীর পূর্বচিলা ও ধানখালীর মধ্য ধানখালী মৌজার জমি ভূমিহীন হিসেবে বন্দোবস্ত পেয়েছেন। তবে, ওই জমি দখল করার চেষ্টা চালাচ্ছে ধানখালীর প্রভাবশালী রহিম সিকদার ও খোকন মৃধাসহ একটি চক্র। এমনকি সরকারি খাস জমি পর্যন্ত দখল করা হয়েছে। এসব সমস্যার সমাধান চেয়ে এই মানববন্ধন আয়োজন করা হয়।

ভূক্তভোগী খোকন চৌকিদার জানান, তারা খাস জমি সরকারের কাছ থেকে পেয়েছেন। কিন্তু দখলদার চক্রের কবল থেকে জমিজমা উদ্ধার করতে স্থানীয় মেম্বার শাহীন মৃধা ভূমিহীনদের পক্ষে সঠিক পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করছেন, যার জন্য তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

বক্তারা বলেন, ভূমিহীনদের ন্যায্যতা রক্ষায় কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী হুমায়ুন সিকদার নির্দেশনা দিয়েছেন। তবুও ওই নির্দেশনা উপেক্ষা করে দখলদার মহলটি তাঁদের জমিজমা দখল করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। তারা নানা ধরনের অরাজক পরিস্থিতি তৈরি করছে। এ বিষয়ে স্থানীয়রা এখন মধ্য ধানখালীতে নাশকতার শঙ্কা প্রকাশ করছেন। কারণ, একটি হত্যা মামলার দণ্ডিত সাজাপ্রাপ্ত আসামি এর পেছনে কাজ করছে বলেও বক্তারা জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুলাদীতে আব্দুল কাদির জিলানীর জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:২৩ এম


মুলাদীতে আব্দুল কাদির জিলানীর জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা সভা

বরিশালের মুলাদীতে বড় পীর আব্দুল কাদির জিলানীর (রহ.) জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির মুলাদী উপজেলা শাখার উদ্যোগে আজ বুধবার বেলা ১১টায় মুলাদী প্রেসক্লাবের মিলনায়তনে এ সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন উপজেলা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন হাওলাদার।

এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জাতীয় ইমাম সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুফতি মাওলানা মো. রফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মুলাদী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল হক, প্রভাষক মাওলানা মো. নিজাম উদ্দীন, উপজেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মডেল কেয়ারটেকার মাওলানা মো. দেলোয়ার হোসাঈন, মুলাদী দারুল হিকমাহ মডেল মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা মো. নাজমুল আকন, মুলাদী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রোকনুজ্জামান মোল্লা এবং সহসভাপতি নজিবুর রহমান ভুইয়া কামাল। এ সময় উপজেলার বিভিন্ন মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনেরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বড় পীর হযরত আবদুল কাদির জিলানী (রহ.)-এর জীবন, কর্ম এবং ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহমের গুরুত্ব ও তাৎপর্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বক্তারা উল্লেখ করেন, সমাজে ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং ভ্রাতৃত্ববোধ সুসংহত করার জন্য বড় পীর হযরত আবদুল কাদির জিলানী (রহ.)-এর শিক্ষা অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি। আলোচনা সভার শেষে দেশ, জাতি এবং মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ, সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিতে ইলিশ শিকারে চাপ বাড়ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:২৩ এম


জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিতে ইলিশ শিকারে চাপ বাড়ছে

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলের জেলেরা সাগরে ইলিশসহ সামুদ্রিক মাছ শিকারে বাড়তি ব্যয়ের চাপ অনুভব করছেন। তেলের দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় আলিপুর-মহিপুর মৎস্যবন্দর থেকে সাগরে যাওয়া মাছ ধরার ট্রলারের জ্বালানি খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই অবস্থায় জেলে ও ট্রলার মালিকরা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আলিপুর-মহিপুর মৎস্যবন্দর পরিদর্শন করে জেলে, ট্রলার মালিক ও ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে এই তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। সূত্র অনুযায়ী, আলিপুর ও মহিপুর দেশের দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ মৎস্য অবতরণকেন্দ্র। এই বন্দর থেকে প্রতিদিন শত শত ট্রলার বঙ্গোপসাগরে ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ শিকারে যায়। সাগরে যাওয়ার আগে প্রতিটি ট্রলারে প্রয়োজন অনুযায়ী হাজার হাজার লিটার জ্বালানি তেল মজুত করতে হয়। সাগরে অবস্থানকালীন জ্বালানি খরচই অন্যতম প্রধান ব্যয়।

জেলেরা জানিয়েছেন, সাগরে মাছ ধরতে যাওয়ার পূর্বে জ্বালানি তেলের পাশাপাশি বরফ, খাবার, পানি, জাল ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি ক্রয় করতে হয়। এর সাথে রয়েছে মাঝি ও জেলেদের মজুরি। তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় মাছ ধরার শুরুতেই বাড়তি খরচ যুক্ত হচ্ছে। পাশাপাশি সাগরে প্রত্যাশিত পরিমাণ মাছ না পেলে অথবা বাজারে মাছের দাম কম থাকলে লোকসানের আশঙ্কা বৃদ্ধি পেয়েছে।

মৎস্য শিকারী আব্দুল কলিম মাঝি বলেন, "সাগরে মাছ ধরতে গেলে একটি ট্রলারে বিপুল পরিমাণ তেল লাগে। তেলের দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় সাগরে যাওয়ার আগেই আমাদের খরচ অনেক বেড়ে গেছে। মাছ ভালো না পেলে এই বাড়তি খরচ তুলে আনা কঠিন হয়ে যাবে। ফলে আমরা এখন চরম দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছি।"

মৎস্য ব্যবসায়ী লোকমান হোসেন জানান, আলিপুর-মহিপুর মৎস্যবন্দর থেকে প্রতিদিন শত শত ট্রলার সাগরে মাছ ধরতে যায়। প্রতিটি ট্রলারে হাজার হাজার লিটার জ্বালানি তেল প্রয়োজন হয়। তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় মাছ আহরণের খরচও বৃদ্ধি পেয়েছে। এর প্রভাব মাছের বাজারদর এবং জেলে ও ব্যবসায়ীদের ওপর পড়ছে। ট্রলার মালিকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, সাগরে মাছ ধরার অভিযানে জ্বালানি খরচ বড় ব্যয়। তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় একটি ট্রলারে সাগরে পাঠাতে আগের তুলনায় বেশি মূলধন প্রয়োজন হচ্ছে। মাছ আহরণ কম হলে অথবা কাঙ্খিত দামে বিক্রি করা সম্ভব না হলে, বাড়তি ব্যয়ের কারণে লোকসানের ঝুঁকিও বাড়বে।

মহিপুরের এফবি সাইমুন ট্রলারের মালিক রেজাউল মাতুব্বর বলেন, "আগে ২০০ লিটারের এক ব্যারেল জ্বালানি তেলের দাম ছিল ২৩ হাজার ৫০০ টাকা, এখন তা কিনতে ২৭ হাজার ৫০০ টাকা লাগছে। একটি ট্রলারে সাগরে যেতে প্রায় চার ব্যারেল তেল প্রয়োজন হয়। শুধু জ্বালানি তেলেই এখন বাড়তি প্রায় ২০ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। অথচ সাগরে আগের তুলনায় মাছও কম পাওয়া যাচ্ছে। আগে কিছু টাকা সঞ্চয় থাকতো, এখন সেটাও নেই। এর সাথে স্টাফের বেতন, জাল, বরফ, খাবারসহ সবকিছুর দাম বেড়েছে। এভাবে খরচ বাড়তে থাকলে মাছ কম পাওয়ার মৌসুমে ট্রলার চালানো আমাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়বে।"

কুয়াকাটা ঝাউবন এলাকার জেলে নুরুল হক বলেন, "প্রতিবছর সাগরে মাছ ধরতে নামার আগে একটি ট্রলারে দুই থেকে তিন লাখ টাকার জাল, দড়ি, বরফসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম ক্রয় করতে হয়। এরসাথে দিন দিন জ্বালানি তেলের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। মাছের দাম বা আয় সেই অনুপাতে বাড়ছে না। এখন আমাদের চিন্তা, ট্রলারের জন্য তেল কিনবো, নাকি সেই টাকা দিয়ে সংসার চালাবো? এভাবে খরচ বাড়তে থাকলে সংসার চালাবো কীভাবে?"

মহিপুরের মৎস্য আড়ত মালিক সমিতির সভাপতি রাজু আহম্মেদ রাজা বলেন, "জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব শুধু জেলে ও ট্রলার মালিকদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; মাছ আহরণ থেকে শুরু করে ঘাটে আনা, পরিবহন ও বাজারজাতকরণ, পুরো মৎস্য সরবরাহ ব্যবস্থায় এর প্রভাব পড়ছে। শেষপর্যন্ত এর প্রভাব ভোক্তা পর্যায়ে মাছের দামেও পড়ছে।"

কুয়াকাটা মেয়র বাজারের ক্রেতা রেদওয়ানুল ইসলাম রাসেল বলেন, "জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার অযুহাতে মাছের দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। যেকারণে সাধারণ ক্রেতাদের ওপর বাড়তি চাপ পড়ছে।" তিনি আরও বলেন, "আমরা সাধারণ পরিবারের মানুষ। প্রতিবছর অন্তত বর্ষার সময়ে ইলিশ মাছ ক্রয় করে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খাওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু এবছর একদিকে ইলিশের আকার তুলনামূলক ছোট, অন্যদিকে দাম আকাশচুম্বী। আবার জেলেরাও প্রত্যাশিত পরিমাণ মাছ পাচ্ছেন না। সবমিলিয়ে মনে হচ্ছে, ধীরে ধীরে আমাদের রিজিক থেকে ইলিশ উঠে যাচ্ছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%