ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিমান পরিবহন ও পর্যটন খাত নারী উদ্যোক্তাদের জন্য সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র: মন্তব্য


বিমান পরিবহন ও পর্যটন খাত নারী উদ্যোক্তাদের জন্য সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র: মন্তব্য

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেছেন, বিমান পরিবহন ও পর্যটন খাত নারী উদ্যোক্তাদের জন্য একটি সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র। আতিথেয়তা, পর্যটনসেবা, বিমান পরিবহন, ট্রাভেল টেকনোলজি এবং সৃজনশীল শিল্পে নারীরা ইতোমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান দিয়েছেন।

এসব খাতে নারীদের জন্য আরো সুযোগ তৈরি করা হলে দেশের টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আরো ত্বরান্বিত হবে।

রবিবার (২৬ জুলাই) রাজধানীতে জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (জেবিসিসিআই) আয়োজিত ‘জাপান-বাংলাদেশ বিজনেস উইমেন কনফারেন্স ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সম্মেলনের আয়োজনের সহযোগিতা করেছে জেট্রো ঢাকা ও জাপানিজ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন ইন ঢাকা (জেসিআইএডি)।

আরও পড়ুন: রিজভী: বিএনপি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করে, এবারের দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ

মন্ত্রী বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন শুধুমাত্র সমতা প্রতিষ্ঠার বিষয় নয়; এটি উদ্ভাবন, উৎপাদনশীলতা এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম চালিকাশক্তি।

নারীরা এগিয়ে গেলে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র—সবাই উপকৃত হয়। আর বাংলাদেশ ও জাপান একসঙ্গে কাজ করলে উভয় দেশের জন্য নতুন নতুন অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি হবে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ এবং জাপান কেবল উন্নয়ন সহযোগী নয়, বরং পারস্পরিক আস্থার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা দীর্ঘদিনের বন্ধু। অবকাঠামো, শিল্পায়ন, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতিতে জাপানের সহযোগিতা বাংলাদেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

বর্তমানে দুই দেশের সম্পর্ক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক সহযোগিতার মাধ্যমে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। এ সময় মন্ত্রী জাপান সরকার, জাপান দূতাবাস, জাইকা, জেট্রো এবং জেবিসিসিআইর সহযোগিতার প্রশংসা করেন।

আরও পড়ুন: বগুড়ার অবকাঠামো খাতে মেগা উন্নয়ন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার

মন্ত্রী আরো জানান, নারীর শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং উদ্যোক্তা বিকাশে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। তবে এখনও বিভিন্ন ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ রয়েছে। বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব জোরদার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি বক্তব্যে উল্লেখ করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময় নারীর ক্ষমতায়নের যে ভিত্তি তৈরি হয়েছিল, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সেই উদ্যোগকে আরো এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ডিগ্রি পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা সম্প্রসারণের মাধ্যমে নারীদের উচ্চশিক্ষা এবং দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সম্মেলনে জেবিসিসিআইর সভাপতি তারেক রফি ভূঁইয়া বলেন, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নকে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা এবং দীর্ঘমেয়াদি সমৃদ্ধির অন্যতম কৌশল হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। তিনি নারী উদ্যোক্তাদের ক্ষুদ্র উদ্যোগ থেকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতামূলক ব্যবসায় এবং কর্মসংস্থান থেকে নির্বাহী নেতৃত্বে পৌঁছাতে আরো সহায়তা দেওয়ার আহ্বান জানান।

সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি এবং সম্মানিত অতিথি ছিলেন জাইকা বাংলাদেশের প্রধান প্রতিনিধি তাকাহাশি জুনকো।

আরও পড়ুন: প্রটোকল ভেঙে জনগণের সঙ্গে কুশল বিনিময় করলেন প্রধানমন্ত্রী

অনুষ্ঠানে জেবিসিসিআইর মহাসচিব মারিয়া হাওলাদার এবং ইউগ্লেনা জিজি লিমিটেডের কো-প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শিওরি ওনিশি মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। পরে অনুষ্ঠিত প্যানেল আলোচনায় নারী উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন, প্রযুক্তি, করপোরেট ক্রয়-সুযোগ, নিরাপদ কর্মপরিবেশ, দক্ষতা উন্নয়ন, শীর্ষ ব্যবস্থাপনা এবং পরিচালনা পর্ষদে নারীর প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

সম্মেলন থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের জাতীয় রোডম্যাপ প্রণয়ন, নারী উদ্যোক্তাদের জন্য প্রবৃদ্ধিমুখী অর্থায়ন সম্প্রসারণ, করপোরেট ব্যবস্থাপনা এবং পরিচালনা পর্ষদে নারীর প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত এবং ডিজিটাল দক্ষতা উন্নয়ন এবং বাংলাদেশ-জাপান উইমেন এন্টারপ্রেনার্স অ্যাক্সিলারেটর প্রতিষ্ঠার সুপারিশ করা হয়।

এছাড়া নারী উদ্যোক্তাদের মেন্টরশিপ, বিনিয়োগ, করপোরেট ক্রয়-সুযোগ এবং জাপানি ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযুক্ত করার জন্য একটি স্থায়ী বাংলাদেশ-জাপান উইমেন ইন বিজনেস প্ল্যাটফর্ম গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে জেবিসিসিআই।

আরও পড়ুন: মাদানীর ওয়াজ মাহফিলে এমপিকে পাগড়ি পরিয়ে দিলেন আলেমরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রখ্যাত টেলিভিশন প্রযোজক মুস্তাফিজুর রহমান আর নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৫ পি.এম


প্রখ্যাত টেলিভিশন প্রযোজক মুস্তাফিজুর রহমান আর নেই

বাংলাদেশের টেলিভিশন অঙ্গনের অন্যতম প্রযোজক ও বিটিভির সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) মুস্তাফিজুর রহমান আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

রোববার (২৬ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে, রাজধানীর উত্তরায় নিজ বাসভবনে বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন তিনি। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজন হাসান, যিনি একসময়ের সহকর্মী।

রাজন হাসান জানিয়েছেন, মুস্তাফিজুর রহমান আজ বিকেল ৩টায় উত্তরার বাসায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন। বর্তমানে তার মরদেহ সিএমএইচের হিমঘরে রাখা রয়েছে। বিদেশে অবস্থানরত তার দুই ছেলে দেশের ফিরে আসার পর আগামী ৩০ জুলাই জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে এবং পরবর্তীতে তাকে দাফন করা হবে।

জানা গেছে, মুস্তাফিজুর রহমান ছিলেন বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) স্বর্ণযুগের অন্যতম সফল প্রযোজক। তিনি জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের কালজয়ী ধারাবাহিক ‘এইসব দিনরাত্রি’-এর প্রযোজক হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। এছাড়াও, তিনি হুমায়ূন আহমেদের ‘শঙ্খনীল কারাগার’-সহ বহু জনপ্রিয় নাটক ও টেলিভিশন প্রযোজনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

মুস্তাফিজুর রহমানের নির্মাণশৈলী ও সৃজনশীল দৃষ্টিভঙ্গি বাংলা টেলিভিশন নাটকের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। কর্মজীবনে তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে তিনি বেসরকারি টেলিভিশন ‘বাংলাভিশন’-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

মুস্তাফিজুর রহমান কেবল একজন সফল প্রযোজক ছিলেন না, বরং তিনি নতুন প্রজন্মের অসংখ্য গণমাধ্যমকর্মীকে গড়ে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। তার মৃত্যুতে সাংস্কৃতিক ও গণমাধ্যম অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সম্প্রতি, সহকর্মী, শিল্পী, কলাকুশলী ও শুভানুধ্যায়ীরা তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই: পরিবেশমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৫ পি.এম


পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই: পরিবেশমন্ত্রী

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই পরিবেশ রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলার জন্য। গাছ কেবল অক্সিজেন দেয় না, এটি মানুষের জীবন, জীববৈচিত্র্য এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই, প্রত্যেক নাগরিকের উচিত অন্তত একটি করে গাছ রোপণ করা এবং এর পরিচর্যা করা।

রবিবার বিকালে ফেনীর সোনাগাজী পৌরসভা অডিটোরিয়াম হলে অনুষ্ঠিত জেলাব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন প্রধান অতিথি হিসেবে।

কৃষকদলের উদ্যোগে চলতি মৌসুমে দেশব্যাপী একযোগে ৮ লাখ বৃক্ষরোপণের কর্মসূচির অংশ হিসেবে ফেনী জেলা কৃষকদলের উদ্যোগে এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন পরিবেশমন্ত্রী।

এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদল দেশব্যাপী কাজ করছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে কেবল গাছ লাগানো নয়, বরং একটি সবুজ, নিরাপদ এবং জলবায়ু সহনশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলার ভিত্তিও তৈরি হবে।

ফেনী জেলা কৃষকদলের সভাপতি জসিম উদ্দিন চেয়ারম্যানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক শামছুদ্দিন খোকন চেয়ারম্যানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ফেনী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার, সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল, সোনাগাজী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জয়নাল আবেদীন বাবলু, সদস্য সচিব সৈয়দ আলম ভূঁঞা, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মঞ্জুর হোসেন বাবর, সদস্য সচিব নিজাম উদ্দিন এবং উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক খুরশিদ আলম ভূঁঞাসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা বলেছেন, বৃক্ষরোপণ শুধু পরিবেশ রক্ষার জন্যই নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য অন্যতম কার্যকর উদ্যোগ। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে বেশি বেশি বৃক্ষরোপণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ আনুষ্ঠানিকভাবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন এবং দলীয় নেতা-কর্মীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রেসক্রিপশন ছাড়াই যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রির অভিযোগ, অতঃপর...

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৭ পি.এম


প্রেসক্রিপশন ছাড়াই যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রির অভিযোগ, অতঃপর...

ঝালকাঠির রাজাপুরে চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রির দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত একটি ওষুধ ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ করেছে।

রোববার (২৬ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার দিকে, উপজেলার হরিসভা মন্দির সড়কে অবস্থিত মেসার্স ময়না মেডিকেল হলে অভিযান পরিচালনা করে এই জরিমানা প্রদান করা হয়।

জরিমানা প্রাপ্ত ব্যক্তি মো. মহিউদ্দীন ভান্ডারী নামে পরিচিত। তিনি উপজেলার সদর ইউনিয়নের মনোহরপুর এলাকার মরহুম মোবারক ফকিরের ছেলে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র থেকে জানা গেছে, মহিউদ্দীন ভান্ডারী দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রি করে আসছিলেন।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে হাতেনাতে আটক করা হয় এবং পরে ভোক্তা অধিকার ও ওষুধ বিক্রয়-সংক্রান্ত বিধি লঙ্ঘনের দায়ে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযোগিত মহিউদ্দীন ভান্ডারী বলেন, আমি একজন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কবিরাজি চিকিৎসক। রোগী দেখাসহ ওষুধ দেওয়ার অনুমতি আমার রয়েছে। আমার সব ধরনের বৈধ কাগজপত্র রয়েছে। তবুও কেন আমাকে ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানা করেছে, তা আমি ঠিক বুঝতে পারছি না।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিফাত আরা মৌরি বলেন, চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশনের অভাবে যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রির সময় এক ব্যক্তিকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে।

তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে এবং সতর্ক করা হয়েছে। এর আগে মহিউদ্দীনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ ছিল। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমার সামনে একজনকে গুলি করেছিলেন জিয়াউল আহসান: মেজর সাজ্জাদুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৮ পি.এম


আমার সামনে একজনকে গুলি করেছিলেন জিয়াউল আহসান: মেজর সাজ্জাদুল

পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে গুম ও হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন মেজর (অব.) খোন্দকার মোহাম্মদ সাজ্জাদুল ইসলাম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে।

রোববার (২৬ জুলাই) ট্রাইব্যুনাল-১-এ তার সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এই সময় প্রসিকিউটর শাইখ মাহদী এবং আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী সাহিদুর রহমান।

জবানবন্দিতে সাজ্জাদুল ইসলাম উল্লেখ করেন, ২০১১ সালে সরকারি আদেশে তাকে র‌্যাবে বদলি করা হয় এবং ৫ জুলাই র‌্যাব সদর দপ্তরে যোগদান করেন। সেখানে ছয়দিনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শেষে ১১ জুলাই তাকে র‌্যাব-৩-এ পদায়ন করা হয়। সেসময় র‌্যাবের গোয়েন্দা বিভাগের পরিচালক ছিলেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল জিয়াউল আহসান।

র‌্যাব-৩-এ যোগদানের দিনই তৎকালীন কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল রফিকুল ইসলাম তাকে জানান, সেদিন রাতে একটি অভিযানে অংশ নিতে হবে, যা নির্দেশ দিয়েছিলেন জিয়াউল আহসান। রাত ১১টার দিকে সাদা পোশাকে কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে তিনি র‌্যাব সদর দপ্তরের সামনে পৌঁছান। পরে চারটি গাড়ির বহর টঙ্গী হয়ে একটি নির্জন এলাকায় চলে যায়।

সাজ্জাদুল ইসলামের দাবি, একটি সেতুর (আহসান উল্লাহ মাস্টার এমপি ব্রিজ) ওপর গাড়ি থামানোর পর চোখ ও হাত বাঁধা একজন বন্দিকে নামানো হয়। তার ভাষ্য অনুসারে, জিয়াউল আহসান ওই ব্যক্তিকে সেতুর রেলিংয়ের কাছে নিয়ে গিয়ে মাথার পেছনে গুলি করেন এবং পরে নিচে ফেলে দেন। ঘটনার ফলে তিনি হতবিহ্বল হয়ে পড়েন বলে ট্রাইব্যুনালকে জানান।

তিনি বলেন, কিছু দূর এগিয়ে আরেকটি সেতুর ওপর গাড়ি থামানো হলে জিয়াউল আহসান তাকে একটি 'সন্ত্রাসবিরোধী অপারেশন' পরিচালনার নির্দেশ দেন। একারণে তিনি জিজ্ঞাসা করলে জিয়াউল আহসান ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে ইংরেজিতে তিরস্কার করেন এবং গাড়ির ভেতরে গিয়ে বসতে বলেন।

তিনি ট্রাইব্যুনালকে জানান, নির্দেশ অমান্য করার পর তিনি আশঙ্কা করেছিলেন, তাকে হয়তো ভুয়া বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় হত্যা করা হবে, চাকরি হারাতে হবে কিংবা দুর্গম এলাকায় বদলি করা হতে পারে।

তার ভাষ্য, গাড়ির ভেতরে বসে থাকা অবস্থায় তিনি গুলির মতো একটি শব্দ শুনতে পান। পরে আরেকটি স্থানে চোখ বাঁধা একজন ব্যক্তিকে কয়েকজনকে টেনে নিয়ে যেতে দেখেন, কিন্তু পরে তাকে আর ফিরে আসতে দেখা যায়নি। এরপর আরও কয়েকটি স্থানে গাড়ি থামলেও তিনি আর গাড়ি থেকে নামেননি। অভিযানের শেষে তাকে ক্যান্টনমেন্টের স্টাফ রোডে নামিয়ে দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, পরদিন, ১২ জুলাই, র‌্যাব-৩-এ যাওয়ার পথে তিনি জানতে পারেন যে তাকে র‌্যাব থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ফেরত পাঠানো হয়েছে। র‌্যাব-৩-এ পৌঁছানোর পর তাকে সরাসরি কুমিল্লা সেনানিবাসের অর্ডন্যান্স ডিপোতে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী র‌্যাব থেকে ফেরত আসা কর্মকর্তাদের আগে সেনা সদরে রিপোর্ট করার কথা থাকলেও তার ক্ষেত্রে সেই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি।

এই সাক্ষী দাবি করেন, ঘটনার তিন থেকে চারদিনের মধ্যে একটি জাতীয় দৈনিকে গাজীপুরের জয়দেবপুর এলাকায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তিনটি লাশ উদ্ধারের সংবাদ প্রকাশিত হয়।

সাজ্জাদুল ইসলাম ট্রাইব্যুনালে জানান, ওই ঘটনার পর সেনাবাহিনীতে তাকে একজন অবিশ্বস্ত ও অবাধ্য কর্মকর্তা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। তার দাবি, সৎ ও যোগ্য কর্মকর্তা হওয়া সত্ত্বেও এরপর আর পদোন্নতি পাননি এবং অবসরের নির্ধারিত সময়ের প্রায় ১২ বছর আগেই ২০১৩ সালে স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%