মোঃ তুহিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
০৩:৩৪ পি.এম
গোমস্তাপুর উপজেলার চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে গাঁজার গাছ উদ্ধার করা হয়েছে এবং এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে গোমস্তাপুর থানা পুলিশ।
শনিবার (১ আগস্ট) রাত ৮টার সময় গোমস্তাপুর থানার রাধানগর ইউনিয়নের সিদ্ধিগ্রাম মুসলমানপাড়া এলাকায় পুলিশের অভিযান পরিচালিত হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস-এর নির্দেশনা এবং গোমস্তাপুর থানার অফিসার ইনচার্জের তত্ত্বাবধানে এসআই (নিরস্ত্র) মো. আলমগীর এবং সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযানে অংশ নেয়।
এ সময় মাহবুবুর রহমান (৩৫), পিতা—মৃত শামসুদ্দিন, সাং-সিদ্ধিগ্রাম মুসলমানপাড়া, থানা-গোমস্তাপুর, জেলা-চাঁপাইনবাবগঞ্জকে গ্রেফতার করা হয়।
অভিযানকালে, তার নিজ দখলীয় জমিতে থাকা প্রায় ৪ ফুট উচ্চতার একটি গাঁজার গাছ উদ্ধার হয়। পরে, তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদকমুক্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জ গড়তে মাদকসংক্রান্ত যেকোনো তথ্য পুলিশকে জানাতে অনুরোধ করা হচ্ছে। তথ্যদাতার পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া বোমা-আতঙ্ক এবং সন্দেহজনক বস্তু উদ্ধারের ঘটনার প্রেক্ষাপটে সারা দেশে পুলিশ সদস্যদের সতর্ক থাকার যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, তা কোনো সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নয়। এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, এটি মূলত নিয়মিত নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসাবে জারি করা একটি ‘রিমাইন্ডার’ প্রমাণ।
শফিকুল ইসলাম রবিবার দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বক্তব্য দেন। তিনি আরও বলেন, ‘পুলিশ জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিজেদের নিরাপত্তার বিষয়েও সমানভাবে সচেতন থাকে। তাই আমরা সবসময় সতর্ক থাকি। সম্প্রতি কয়েকটি বোমা-সংক্রান্ত ঘটনা এবং কিছু ভুয়া গুজব ছড়িয়ে পড়েছে। এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে আমরা তৎপর রয়েছি। আমাদের সদস্য, যানবাহন ও স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই সময়ে সময়ে এমন সতর্কতা জারি করা হয়।’
তিনি বলেন, ‘আগেও এ ধরনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পুলিশের ব্যবহৃত সব যানবাহন ও স্থাপনা যেন নিরাপদ থাকে, সেজন্য সদস্যদের আবারও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। এটি মূলত একটি রিমাইন্ডার।’
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলার সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্য আছে কি না—এমন এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘না, তেমন কোনো নির্দিষ্ট তথ্য নেই। তবে আমরা সবসময় সতর্ক থাকি। আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নিয়মিত তদারকি করছেন। মাঠপর্যায়ে কর্মরত সদস্যদের আরও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।’
মতিঝিলে উদ্ধার হওয়া ছাতাবোমা সম্পর্কে ডিবি প্রধান বলেন, ‘ঘটনাটির তদন্ত করছে সিটিটিসি। আমরা সমান্তরালভাবে ছায়া তদন্ত করছি। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তদন্ত চলমান থাকায় এই মুহূর্তে এর বেশি কিছু বলা সম্ভব নয়।’
ঘটনার পেছনে কোনো সংগঠনের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনায় সাধারণত এককভাবে কেউ জড়িত থাকে না। কোনো না কোনো উদ্দেশ্য বা মতাদর্শ প্রচারের জন্য সংগঠিতভাবে এ ধরনের কর্মকাণ্ড সংঘটিত হয়। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না।’
এর আগে গতকাল শনিবার পুলিশ সদর দপ্তরের অপারেশন্স কন্ট্রোল রুম থেকে মাঠপর্যায়ের সব ইউনিটে একটি জরুরি বার্তা পাঠিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়।
বার্তায় বলা হয়, উগ্রবাদী সংগঠনের সদস্য বা দুর্বৃত্তরা পুলিশের ব্যবহৃত জিপ, পিকআপ, বাসসহ বিভিন্ন যানবাহনকে হামলার লক্ষ্যবস্তু করতে পারে। এ কারণে দায়িত্ব পালনকালে কোনো যানবাহন সাময়িকভাবে থামাতে হলে নিরাপদ স্থানে পার্ক করতে হবে এবং তা পুলিশের নজরদারির মধ্যে রাখতে হবে। পাশাপাশি দায়িত্ব শেষে থানা, পুলিশ লাইনস ও অফিস প্রাঙ্গণে রাখা যানবাহনের নিরাপত্তা জোরদার করতে নিয়মিত টহল, নজরদারি এবং সন্দেহজনক ব্যক্তি বা বস্তু শনাক্তে বিশেষ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়।
যদিও এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন গণমাধ্যমকে বলেন, পুলিশ সদস্যদের সক্রিয় ও সতর্ক রাখতে নিয়মিত এ ধরনের নির্দেশনা দেওয়া হয়। এতে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে সুরক্ষা বৃদ্ধি এবং প্রকৃতিনির্ভর কার্যক্রমের অগ্রাধিকার নির্ধারণে দুই দিনের জাতীয় কারিগরি পরামর্শ সভা শুরু হয়েছে।
রবিবার, রাজধানী ঢাকায় দ্য ওয়েস্টিন হোটেলে ‘সহনশীল উপকূলীয় বাংলাদেশের জন্য প্রকৃতিনির্ভর কার্যক্রমের অগ্রাধিকার নির্ধারণ’ শীর্ষক সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
এই অনুষ্ঠানের আয়োজন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এবং ফ্রেন্ডশিপ ও কনজারভেশন ইন্টারন্যাশনালের যৌথ উদ্যোগে করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব শাহ্রিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং সম্মানীয় অতিথি হিসেবে প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ফ্রেন্ডশিপের প্রতিষ্ঠাতা রুনা খান। এছাড়াও, কনজারভেশন ইন্টারন্যাশনালের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৌরভ মালহোত্রা অনুষ্ঠানে বক্তব্য উপস্থাপন করেন।
প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম মন্তব্য করেন, ‘কনজারভেশন ইন্টারন্যাশনাল ও ফ্রেন্ডশিপের যৌথ উদ্যোগকে আমি আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই। উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রা দেশের অন্যান্য এলাকার তুলনায় অনেকটাই আলাদা। এদের জীবিকা নির্বাহের জন্য প্রকৃতির প্রতিকূলতার মোকাবিলা করতে হয় প্রতিনিয়ত।’
তিনি আরো উল্লেখ করেন, ‘আমি দেখতে পাচ্ছি, সংশ্লিষ্ট সবার মধ্যে এ বিষয়ে গভীর আগ্রহ রয়েছে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কার্যকর সমন্বয় কিভাবে নিশ্চিত করা যায়। উপকূলীয় অঞ্চলে অনেক বেসরকারি এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা কাজ করছে। কিন্তু সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করলে এবং কেবল তাতেই এসব উদ্যোগ স্থানীয় জনগণের জন্য অধিক কার্যকর এবং ফলপ্রসূ হবে।’
ফ্রেন্ডশিপের প্রতিষ্ঠাতা রুনা খান বলেন, ‘অর্থ, পরিকল্পনা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, কৃষি এবং স্থানীয় সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সব গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানকে একটি সম্মিলিত কাঠামোর আওতায় নিয়ে নীতি, পরিকল্পনা, অর্থায়ন, বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণের কার্যক্রম সমন্বিতভাবে করতে হবে। এই কাঠামোর নেতৃত্বে একটি সুস্পষ্ট প্রতিষ্ঠান থাকতে হবে এবং কোন সংস্থা ঠিক কী দায়িত্ব পালন করবে, সেটিও স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা জরুরি।’
কনজারভেশন ইন্টারন্যাশনালের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৌরভ মালহোত্রা জানান, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে উপকূলীয় জনগণকে খাপ খাইয়ে নিতে সহায়তার জন্য বাংলাদেশ ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ করেছে। ম্যানগ্রোভ বন পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণ এই প্রচেষ্টার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি একদিকে জলবায়ুজনিত ঝুঁকি কমিয়ে আনে, অপরদিকে জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও স্থানীয় জনগণের জীবিকা টিকিয়ে রাখতে সহায়তা করে।’
এই দুই দিনব্যাপী কর্মশালার সময় জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় অঞ্চলগুলো চিহ্নিত করা হচ্ছিল এবং ম্যানগ্রোভ পুনরুদ্ধার যা সবচেয়ে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে সেগুলো বৈজ্ঞানিকভাবে উল্লেখ করা হবে।
অংশগ্রহণকারী ও কারিগরি বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন ভৌগোলিক মানচিত্র, বৈজ্ঞানিক তথ্য ও উপাত্ত পর্যালোচনা করছেন। তাদের সমীক্ষার ভিত্তিতে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এলাকা নির্ধারণ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, প্রতিবেশভিত্তিক জীবিকা, স্থানীয় জনগণের প্রস্তুতি, প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং প্রয়োজনীয় তথ্যের প্রাপ্যতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করছে।
এই কর্মশালাটি ‘মাউন্টেনস টু ম্যানগ্রোভস’ উদ্যোগের অংশ হিসাবে পরিচালিত হচ্ছে। এর শেষ পর্বে প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব, পরবর্তী কার্যক্রম, সমন্বয় কাঠামো এবং ভবিষ্যৎ কারিগরি সহযোগিতার অগ্রাধিকার নির্ধারণের মাধ্যমে একটি সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের আশা করছেন সংশ্লিষ্ট সকলে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ তার বক্তব্যে জানিয়েছেন, দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধাপে ধাপে ‘স্কুল মিল’ কর্মসূচি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রতিটি প্রাথমিক শিক্ষার্থীর জন্য পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।
আজ রোববার সচিবালয়ে প্রতিমন্ত্রীর কার্যালয়ে যখন বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)-এর বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ও আবাসিক প্রতিনিধি কোকো উশিয়ামা সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে আসেন, তখন তথাপি তিনি এ কথা বলেন।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল মিল কর্মসূচি সম্প্রসারণ, পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিতকরণ, ভবিষ্যতে পরীক্ষামূলকভাবে রান্না করা গরম খাবার চালুর সম্ভাবনা, কর্মসূচির কার্যকর পর্যবেক্ষণ এবং ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা জোরদার বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো প্রতিটি প্রাথমিক শিক্ষার্থীর পুষ্টি নিশ্চিত করা। স্কুল মিল কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নের জন্য স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং প্রযুক্তিনির্ভর মনিটরিং ব্যবস্থা অপরিহার্য।’
আলোচনার সময় প্রতিবেশী দেশ ভারতের স্কুল মিল কর্মসূচির অভিজ্ঞতা এবং বাংলাদেশের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বাস্তবতার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার বিষয়টিও উঠে আসে। তাছাড়া দেশের শহর ও গ্রামাঞ্চল, ভৌগোলিক বৈচিত্র্য এবং আর্থসামাজিক অবস্থার ভিন্নতা বিবেচনা করে প্রয়োজনভিত্তিক পৃথক পরিকল্পনা গ্রহণের গুরুত্বের ওপরও জোর দেওয়া হয়।
বৈঠককালে ডব্লিউএফপির কান্ট্রি ডিরেক্টর কোকো উশিয়ামা বলেন, স্কুল মিল শুধুমাত্র শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করে না; বরং বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়াতে, ঝরে পড়া রোধ করতে, শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ডব্লিউএফপি বিভিন্ন দেশে স্কুল গার্ডেন, পুষ্টি শিক্ষা এবং স্থানীয় কৃষি ব্যবস্থার সঙ্গে স্কুল মিল কর্মসূচির সমন্বয়ের মাধ্যমে ইতিবাচক সাফল্য অর্জন করেছে।
সাক্ষাৎকালে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বিদ্যমান সমন্বিত প্রাথমিক শিক্ষা তথ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং ভবিষ্যতে সমন্বিত তথ্য ব্যবস্থাপনা তৈরিতে ডব্লিউএফপির কারিগরি সহযোগিতার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। স্কুল মিল কর্মসূচির কার্যকারিতা বাড়ানোর উপর উভয় পক্ষই একমত পোষণ করেন।
বৈঠকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ডব্লিউএফপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর নেতার দায়ের করা মামলায় জেলা ছাত্রদল সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন সহ ১১ জন নেতাকর্মীর জামিন দিয়েছেন আদালত।
আজ রবিবার দুপুরে হবিগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১ এর বিচারক মো. আব্দুল মন্নান এই জামিন মঞ্জুর করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন আসামি পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট কুতুব উদ্দিন জুয়েল।
তিনি জানান, রবিবার আসামিরা আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করেন। এসময় আদালতে মামলাটি পুরোপুরি ভিত্তিহীন হওয়া সম্পর্কে তারা বিচারকদের বোঝাতে সক্ষম হন। কারণ মামলায় ঘটনার তারিখ, সময় এবং আসামিরা কাদের উপর আঘাত করেছে তার কোনো সুনির্দিষ্ট বর্ণনা নেই। ফলে আদালত এসব বিবেচনা করে আসামিদের জামিন মঞ্জুর করেছেন।
জামিনপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে রয়েছেন হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন, বৃন্দাবন কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব আশরাফুজ্জামান রিয়াজ, জেলা ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আসিফুল ইসলাম ইমন, কলেজ ছাত্রদল নেতা মোজাক্কির হোসেন ইমন, এম এইচ শিমুল, আল সাইমুন, মাহফুজ চৌধুরী, ইসতিয়াক রহমান ইফতি, শেখ সাব্বির, নাজমুল হোসেন অনি ও রক্সি ইসলাম।
এর আগে গত বুধবার রাতে এনসিপি’র ছাত্র সংগঠন হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক তন্ময় তাহের রুবেল বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় উল্লেখ করা হয় গত মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) হবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রা শেষ হওয়ার পর ছাত্রদল নেতাকর্মীরা তাদের গাড়ি বহরে হামলা চালিয়েছিল। এতে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাসহ বেশ কয়েকজন আহত হন।
এ বিষয়ে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন জানান, ‘আমাদের উপর মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা দায়ের করা হয়েছে। যেটির কোনো ভিত্তি নেই।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ