০৭:১৩ এম
মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুনের একটি হোটেল থেকে একটি মার্কিন কূটনীতিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় পুলিশ প্রাথমিক আলামত ও পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে এই ঘটনাকে হত্যাকাণ্ড হিসেবে সন্দেহ করছে। সে অনুযায়ী তদন্তও চলছে।
ইয়াঙ্গুনের কূটনৈতিক মহল সূত্রে জানা গেছে যে, পুলিশ ইতোমধ্যে একটি থাই নারীকে আটক করেছে। তবে আটক নারীর পরিচয় বা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার সম্পর্কিত সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও প্রকাশ্যে আনা হয়নি।
এ বিষয়ে থাইল্যান্ডে নিযুক্ত মার্কিন কর্মকর্তা এবং মিয়ানমারে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস সরাসরি কোনো মন্তব্য করেনি। তারা বলছে, এই মামলা সম্পর্কিত সকল প্রশ্ন ওয়াশিংটনের মূল পররাষ্ট্র দপ্তরের কাছে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না
এদিকে, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ইয়াঙ্গুনে তাদের দূতাবাসে নিযুক্ত সরকারি কর্মচারীর মৃত্যুর বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে। তবে এর চেয়ে বেশি কোনো তথ্য তারা দেয়নি।
বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) এক প্রশ্নের জবাবে স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, ‘নিহত ব্যক্তির পরিবার ও প্রিয়জনদের গোপনীয়তার প্রতি সম্মান জানিয়ে এই মুহূর্তে আমাদের কাছে প্রকাশ্যে জানানোর মতো আর কোনো তথ্য নেই।’
মিয়ানমারের কূটনৈতিক মহলের তিনজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি এই মামলার বিষয়ে কথা বলেছেন। তবে বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় তাদের নাম প্রকাশ না করার শর্তে কিছু তথ্য দিয়েছেন। তাদের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে ইয়াঙ্গুনের ‘সাকুরা রেসিডেন্স’ নামক একটি হোটেল থেকে ওই মার্কিন কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এই আবাসিক প্রতিষ্ঠানটি বিদেশি কূটনীতিক, আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী এবং উচ্চপদস্থ দর্শনার্থীদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় ও নিরাপদ হিসেবে পরিচিত। উল্লেখ্য, হোটেলটি ইয়াঙ্গুনে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস থেকে মাত্র দেড় কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন