ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় আটক ৫১৮ জন


রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় আটক ৫১৮ জন

রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫১৮ জনকে আটক করা হয়েছে। এই ঘটনায় ৫৮টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বুধবার (২১ অক্টোবর) ডিএমপি মিডিয়া বিভাগ কর্তৃক এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

আটকদের মধ্যে রমনা বিভাগ থেকে ৪৮ জন, লালবাগ বিভাগ থেকে ৬১ জন, ওয়ারী বিভাগ থেকে ৫৪ জন, মতিঝিল বিভাগ থেকে ৩৫ জন, তেজগাঁও বিভাগ থেকে ৯৩ জন, মিরপুর বিভাগ থেকে ১৪৮ জন, গুলশান বিভাগ থেকে ৩৭ জন, উত্তরা বিভাগ থেকে ৩২ জন, গোয়েন্দা বিভাগ থেকে ৯ জন এবং সিটিটিসি বিভাগ থেকে ১ জনকে আটক করা হয়েছে। অভিযানের সময় ১১৭০১ পিস ইয়াবা, ২ কেজি ৮৫০ গ্রাম গাঁজা, ২ গ্রাম হেরোইন, মাদক বিক্রির নগদ ৪৬৩৬ টাকা, ১টি মোটরসাইকেল, ৫টি মোবাইলফোন এবং একজন ভুক্তভোগী উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত মুক্তার দাফন সম্পন্ন

রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন আলামত ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ আটক করা হয়েছে।

ডিএমপি জানিয়েছে, আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁদাবাজির সঙ্গে আমার ছেলে জড়িত থাকলেও যেন ছাড় না দেয়: মন্ত্রী আবদুল আওয়াল মিন্টু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:১২ পি.এম


চাঁদাবাজির সঙ্গে আমার ছেলে জড়িত থাকলেও যেন ছাড় না দেয়: মন্ত্রী আবদুল আওয়াল মিন্টু

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এমপি মন্তব্য করেছেন, ‘চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, মাদক ব্যবসায় যারা জড়িত তাদেরকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। যদি আমার ছেলে চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত হয়, তাহলে প্রশাসন যেন তাকে ছাড় না দেয়।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য শান্তি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ অপরিহার্য। যদি পরিবেশ ভালো না হয়, তাহলে ব্যবসায় বিনিয়োগের আগ্রহ থাকে না। এর ফলে কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হয় না। কর্মসংস্থান না হলে বেকারত্ব বাড়তে থাকে।’

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় জেলার দাগনভূঞায় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মাদক ও কিশোর গ্যাং প্রসঙ্গে আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিষয়টি উপলব্ধি করে শিশু-কিশোরদের খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চায় ব্যস্ত রাখতে চান।

তিনি ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ প্রকল্পের সূচনা করছেন। প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। তিনি শিশু-কিশোরদের শারীরিক বিকাশের পাশাপাশি মানসিক ও মনস্তাত্ত্বিক বিকাশকেও গুরুত্ব দিচ্ছেন।’

পরিবেশ মন্ত্রী আরো বলেন, ‘শিশু-কিশোরদের সঠিকভাবে গড়ে তুলতে প্রশাসন ও শিক্ষকদের পাশাপাশি সামাজিক নেতৃবৃন্দ ও অভিভাবকদেরও দায়িত্ব রয়েছে। সবাইকে সম্মিলিতভাবে এ দায়িত্ব পালন করতে হবে।’

তিনি দাগনভূঞা ও সোনাগাজীর উন্নয়নে সবার সহযোগিতা কামনা করেন এবং এলাকার বিভিন্ন সমস্যা পর্যায়ক্রমে সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন।

বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন লিটনের সভাপতিত্বে ও গোলাম রসুল মেননের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি শফিকুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীদুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আকবর হোসেন, দাগনভূঞা থানার ওসি ফয়েজুল আজিম নোমান, সমিতির উপদেষ্টা এএসএম নূর নবী দুলাল ও ইসমাঈল কেরানি, ডা: মো: হানিফ, সাবেক ছাত্রদল নেতা কাজী জামসেদুল আলম ফটিক, সাবেক পৌর কাউন্সিলর আবুল কাশেম ও গিয়াস উদ্দিন, ব্যবসায়ী নিজাম উদ্দীন হায়দার ও সাইফুল ইসলাম বাহাদুর প্রমুখ।

পরে তিনি দাগনভূঞা উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।

এমএইচ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিষ্ণোইয়ের গ্যাংস্টার হওয়ার নেপথ্যে কী, কেন সালমানের সঙ্গে দ্বন্দ্ব?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:১২ পি.এম


বিষ্ণোইয়ের গ্যাংস্টার হওয়ার নেপথ্যে কী, কেন সালমানের সঙ্গে দ্বন্দ্ব?

ভারতের কুখ্যাত গ্যাংস্টার ও অপরাধী চক্র ‘বিষ্ণোই গ্যাং’-এর প্রধান লরেন্স বিষ্ণোই। গোটা বলিউড গত কয়েক বছর ধরে তার আতঙ্কে রয়েছে। বিশেষ করে সালমান খানকে হুমকি দিয়ে সংবাদ শিরোনামে জায়গা করে নেয় এই বিষ্ণোই গ্যাং। সম্প্রতি বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফের উপর হামলা করে তারা আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে।

কিন্তু লরেন্স বিষ্ণোই কে? তার গ্যাংস্টার হয়ে ওঠার পেছনের কাহিনী কী? সালমান খানের সঙ্গে তার দীর্ঘ বৈরিতার সূত্রপাত কীভাবে হয়েছিল?

পাঞ্জাব পুলিশের ধাওয়া খেয়ে একসময় ঘরছাড়া হতে হয়েছিল গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইকে। সেই ধাওয়া তাকে প্রথমে টেনে নিয়ে যায় জয়পুরে; যেখানে ক্যাম্পাস রাজনীতির হিংসাত্মক কর্মকাণ্ড থেকে তিনি মদের ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন। পরে রাজস্থানের এক প্রভাবশালী চিকিৎসকের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগে তিনি যোধপুর জেলে বন্দি হন। সেই জেলেই তার পরিচয় হয় বর্তমান ‘বিষ্ণোই’ সম্প্রদায়ের বন্দিদের সঙ্গে।

একটি হত্যা মামলার সূত্রে ২০১৮ সালের ৪ জানুয়ারি তাকে যোধপুরের একটি আদালতে হাজির করা হয়। কাকতালীয়ভাবে, একই দিনে কৃষ্ণসার হরিণ শিকার মামলার শুনানির জন্য ওই আদালত চত্বরে উপস্থিত ছিলেন বলিউড সুপারস্টার সালমান খান।

সেদিনই প্রথমবারের মতো সালমান খানকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দিয়েছিলেন বিষ্ণোই। যদিও এই সময়ের মিলটা কাকতালীয়, কিন্তু যে শত্রুতার কারণে আজও সালমান খানকে কঠোর নিরাপত্তায় থাকতে হচ্ছে এবং প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে—তার সূচনা বহু বছর আগে হয়েছিল। ভাগ্য ও লোভের বশবর্তী হয়ে বিষ্ণোইয়ের পাঞ্জাব থেকে রাজস্থানে পা রাখার মাধ্যমে মূলত এই সংঘাতের বীজ রোপিত হয়েছিল।

হরিণ শিকার থেকে যে সংঘাতের শুরু

১৯৯৮ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ০২ অক্টোবরের মধ্যে সালমান খান যোধপুরের কাছে কৃষ্ণসার হরিণ শিকার করেন বলে অভিযোগ ওঠে, তখন লরেন্স বিষ্ণোইয়ের বয়স ছিল মাত্র পাঁচ বছর। সে সময় তিনি পাঞ্জাবের ফাজিলকা জেলার একটি গ্রামে বাস করতেন।

গত এক দশকে বিষ্ণোই বারবার এই অভিনেতাকে হত্যার হুমকি দিয়েছেন, কারণ রাজস্থানের বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের কাছে কৃষ্ণসার হরিণ অত্যন্ত পবিত্র।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পুলিশ সালমানের নিরাপত্তা জোরদার করেছে এবং অভিনেতার বান্দ্রার বাসভবনের বাইরে অস্ত্র জোগাড় ও নজরদারিসহ বিভিন্ন ঘটনায় বিষ্ণোইয়ের সহযোগীদের গ্রেফতার করেছে।

এমনকি ২০২৪ সালে এনসিপি নেতা বাবা সিদ্দিকীকেও হত্যা করে বিষ্ণোই গ্যাং; অভিযোগ রয়েছে, সালমানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা এবং মুম্বাইয়ে নিজেদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতেই এই হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছিল।

২০১৩-১৪ সাল পর্যন্ত এই পাঞ্জাবভিত্তিক গ্যাংস্টারের অপরাধের জাল কেবল ছাত্ররাজনীতি, ক্যাম্পাসের সহিংসতা এবং পাঞ্জাবের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল।

রাজস্থানে তার সাম্রাজ্য বিস্তার এবং সালমান খানকে কেন্দ্র করে তার অন্ধ জেদের সূচনা হয় ২০১৪ সালে, যখন তিনি পাঞ্জাব পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে পলাতক আসামি হিসেবে প্রথম রাজস্থানে প্রবেশ করেন।

২০২০ সালে পুলিশের কাছে দেওয়া লরেন্স বিষ্ণোইয়ের ৩৫ পাতার জবানবন্দির সূত্রে তার অপরাধ জীবনের অজানা এসব তথ্য উঠে এসেছে।

২০১৪: ক্যাম্পাসের গণ্ডি পেরিয়ে অপরাধের বড় দুনিয়ায়

২০০৮ সালে পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী এক প্রার্থীকে মারধরের অভিযোগে লরেন্স বিষ্ণোই প্রথম গ্রেফতার হন। ২০১০ সাল পর্যন্ত ক্যাম্পাসে বিভিন্ন সহিংসতার ঘটনায় তার নাম আসে এবং তার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কেবল রাজ্যের কলেজগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল।

২০০৮ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন।

তার জীবনের দ্বিতীয় খুনও (২০১৪ সালে) প্রথমটির মতো বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্ররাজনীতিরই রেষারেষির ফল ছিল। একের পর এক হত্যা ও সহিংসতার একাধিক মামলার কারণে বিষ্ণোইয়ের পক্ষে আর পাঞ্জাবে থাকা সম্ভব হয়নি। তাই পুলিশের নজর এড়াতে তিনি পালিয়ে রাজস্থানে চলে যান।

তার জবানবন্দি অনুযায়ী, তিনি ২০১৪ সালের শুরুর দিকে প্রথমে জয়পুরে পালিয়ে যান এবং সেখানে তিন-চার মাস অবস্থান করেন। তখন তার এক বন্ধু রবীন্দ্র পুনিয়া নিয়মিত তার খরচের জন্য টাকা পাঠাতেন।

এ ছাড়া পুনিয়ার মাধ্যমেই অমদীপ ওরফে সনু নামের এক মদের দোকান মালিকের সঙ্গে বিষ্ণোইয়ের পরিচয় হয়। অমদীপ বিষ্ণোইয়ের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক চরিত্র; কারণ তিনিই বিষ্ণোইকে ক্যাম্পাস রাজনীতির গণ্ডি পেরিয়ে অস্ত্র ও মদের ব্যবসার দুনিয়ায় প্রবেশ করান।

২০১৫: নতুন জোট ও প্রতিশোধমূলক খুন

২০১৪ সালের কোনো এক সময়ে রাজস্থানের মদ মাফিয়াদের হাতে অমদীপ খুন হওয়ার পর বিষ্ণোই তার গ্যাংকে রাজস্থানে প্রসারিত করেন এবং প্রতিশোধ নেওয়ার শপথ নেন। তার জবানবন্দিতে এই সময়ে অন্তত দুটি প্রতিশোধমূলক হত্যাকাণ্ডের বিবরণ রয়েছে।

২০১৪ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে বিষ্ণোই ও তার সহযোগীরা অমদীপ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ধন্না ও খান পহেলওয়ানসহ তিনজনকে হত্যা করেন। বিষ্ণোইকে জিজ্ঞাসাবাদকারী পুলিশ কর্মকর্তাদের বিশ্বাস, এই সময়কালেই তিনি রাজস্থানের আরও অনেক অপরাধীর সঙ্গে জোট গড়ে তুলেছিলেন।

পরবর্তীতে ২০১৭ সালের দিকে তার এই সহযোগীরাই যোধপুরের এক প্রভাবশালী চিকিৎসকের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের জন্য তার সাহায্য চায়—ঠিক যে যোধপুর জেলায় সালমানের হরিণ শিকারের মামলার বিচার চলছিল।

২০১৭: সাম্রাজ্যের বিস্তার ও যোধপুর সংযোগ

২০১৭ সালের মধ্যে লরেন্স বিষ্ণোই বিভিন্ন রাজ্যে গ্যাংয়ের সদস্য রয়েছে এমন একজন সুপরিচিত গ্যাংস্টার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। ওই বছরের শুরুর দিকে ফরিদকোট জেলে বন্দি থাকা অবস্থায় যোধপুরের দুজন ব্যক্তি তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তারা যোধপুরের এক বিশিষ্ট চিকিৎসকের বাড়িতে হামলা চালিয়ে চাঁদা আদায়ের পরিকল্পনা করেন।

পরবর্তীতে ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে যোধপুর পুলিশ বিষ্ণোইকে গ্রেফতার করে যোধপুর সেন্ট্রাল জেলে পাঠায়।

জবানবন্দি অনুসারে, এই কারাগারেই তিনি মূলত পাচার সংক্রান্ত মামলায় বন্দি থাকা বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গে একই সেলে সময় কাটিয়েছেন।

পুলিশ কর্মকর্তাদের ধারণা, যোধপুর জেলে বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের লোকজনের সঙ্গে আলাপচারিতাই তাকে বিষ্ণোই সমাজের ‘আন্দোলন’ বা স্বার্থরক্ষার ছদ্মবেশে এই কাণ্ডে জড়িয়ে পড়তে উদ্বুদ্ধ করে থাকতে পারে। তাছাড়া, ২০১৭ সালের আগস্টের দিকে তার এই কারাবাস যোধপুরের স্থানীয় আদালতে সালমান খানের মামলার শেষ ধাপের শুনানির সঙ্গেই মিলে গিয়েছিল।

৪ জানুয়ারি, ২০১৮: আদালত চত্বরে প্রথম হুমকি

লরেন্স বিষ্ণোইয়ের মোবাইল ফোন ব্যবহার করে অপরাধ কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি ফাঁস হওয়ার পর ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে তাকে কড়া নিরাপত্তার জেলে স্থানান্তর করা হয়। সেখান থেকেই তিনি যোধপুরের ব্যবসায়ী বাসুদেব ইরানিকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিলেন; যে মামলায় রাজস্থান পুলিশ তাকে আবারও গ্রেফতার করে।

এই মামলাটিই তাকে পুনরায় যোধপুরে ফিরিয়ে আনে এবং কয়েক মাস পর তাকে ঠিক সেই একই আদালত চত্বরে নিয়ে আসে, যেখানে সালমান খান উপস্থিত ছিলেন।

সে সময় যোধপুর আদালত নিয়মিত সালমান খানের মামলার শুনানি পরিচালনা করছিল। পুলিশের রেকর্ড অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ৪ জানুয়ারি ইরানি হত্যা মামলার শুনানির জন্য তাকে যোধপুরে আনা হয়—ঠিক যে দিনটিতে কৃষ্ণসার হরিণ মামলার সমাপনী যুক্তিতর্কের শুনানির জন্য সালমান খানও আদালত চত্বরে এসেছিলেন।

যোধপুরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বাইরে সালমানের শুনানি কভার করতে আসা সাংবাদিকদের সামনে সেদিনই প্রথম প্রকাশ্যে লরেন্স বিষ্ণোই সালমান খানকে হত্যার হুমকি দেন।

লরেন্স বিষ্ণোইয়ের জবানবন্দির ওপর ভিত্তি করে পুলিশ জানায়, আদালত থেকে বের হওয়ার সময় সালমান খানকে দেখে বিষ্ণোই হুমকি দিয়ে বলেছিলেন যে—সালমান খান কৃষ্ণসার হরিণ শিকার করা সত্ত্বেও আদালত থেকে কোনো শাস্তি পাননি, যা বিষ্ণোই সম্প্রদায়কে গভীরভাবে আহত করেছে।

সেদিন দুপুরে বিষ্ণোই যখন সাংবাদিকদের সামনে ওই হুমকি দেন, তখন তিনি আর পাঞ্জাবের গ্রামের সেই সাত বছরের বালক কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের সাধারণ কোনো ছাত্রনেতা ছিলেন না। তখন তিনি ২৬ বছর বয়সি লরেন্স বিষ্ণোই—যার ঝুলিতে ডজনখানেক খুন এবং বিভিন্ন রাজ্যে ছড়িয়ে থাকা বিশাল এক অপরাধ চক্রের নেতৃত্ব ছিল।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খাদ্য ব্যবসায় নিবন্ধন ও লাইসেন্স ১ নভেম্বর থেকে বাধ্যতামূলক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:১৩ পি.এম


খাদ্য ব্যবসায় নিবন্ধন ও লাইসেন্স ১ নভেম্বর থেকে বাধ্যতামূলক

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ এবং খাদ্য ব্যবসায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ দেশের নির্ধারিত শ্রেণির খাদ্য ব্যবসা ও খাদ্যপণ্যের ক্ষেত্রে নিবন্ধন ও লাইসেন্স গ্রহণকে বাধ্যতামূলক করেছে।

গত ১৬ জুলাই প্রকাশিত ‘নিরাপদ খাদ্য (রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা, ২০২৬’ নামে নতুন এই প্রবিধানমালার পর, সংশ্লিষ্ট সব খাদ্য ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানকে ১ নভেম্বর থেকে প্রয়োজনীয় নিবন্ধন ও লাইসেন্স গ্রহণের জন্য আবেদন করার আহ্বান জানানো হয়েছে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে।

নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ এবং নিরাপদ খাদ্য (রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা, ২০২৬ অনুযায়ী নির্ধারিত ৪ শ্রেণির খাদ্য ব্যবসার ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক লাইসেন্স, প্রিমিসেস লাইসেন্স, উৎপাদন ও আমদানিকৃত পণ্যের লাইসেন্স এবং লাইসেন্সপ্রাপ্ত পণ্যসমূহের নিবন্ধন গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একই সঙ্গে নির্ধারিত ১৬টি শ্রেণির খাদ্য ব্যবসা ও খাদ্য স্থাপনার ক্ষেত্রে নিবন্ধন গ্রহণের বিধানও রয়েছে।

এ নিয়মের আওতায় পথের ধারে ভ্রাম্যমাণ বা অস্থায়ী খাবারের দোকান, ছোট রেস্তোরাঁ, আমদানিকারক এবং বড় আকারের খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান, খাবারের ব্যবসায় জড়িত সব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ থেকে রেজিস্ট্রেশন নিতে হবে।

প্রবিধানের তফশিলে খাদ্য ব্যবসাকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। প্রচলিত ১৬ ধরনের খাদ্যব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য শুধুমাত্র নিবন্ধনই যথেষ্ট হবে। তবে যারা বিশেষ ধরনের বা সুপার ফুড পণ্য নিয়ে কাজ করে, তাদের লাইসেন্স নিতে হবে।

রেস্তোরাঁ, বেকারি, ফলের রসের দোকান, পেস্ট্রি শপ এবং ক্যাটারিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ থেকে নিবন্ধন নিতে হবে। প্যাকেটজাত বা মোড়কজাত খাবার উৎপাদনকারী, মিষ্টির দোকান, দুগ্ধপণ্য প্রস্তুতকারী এবং আমদানিকারকদেরও (কাঁচা ও তাজা খাবার বাদে) নিবন্ধন করতে হবে। এমনকি রাস্তার পাশে যারা পিঠা, পুরি ও পেঁয়াজুর মতো খাবারের ব্যবসা করেন, তাদেরও নতুন এই নিয়মের আওতায় নিবন্ধন নিতে হবে।

এছাড়া পাইকারি মুদি খাদ্য ব্যবসা, কাঁচা ও তাজা খাদ্য আমদানি, খাদ্য সংরক্ষণাগার ও কোল্ড স্টোরেজ, ভোজ্যতেল ও ভোজ্য লবণ উৎপাদন, বিশেষ খাদ্য, পুষ্টিসমৃদ্ধ (Fortified) খাদ্য, স্বাস্থ্য সহায়ক ও সম্পূরক খাদ্য, বিশেষ পথ্য, চিকিৎসাসংক্রান্ত বিশেষ পথ্য, প্রোবায়োটিক ও প্রিবায়োটিক খাদ্য, জৈব-খাদ্য, কিরণ-সম্পাতকৃত খাদ্য, স্বতাত্ত্বিকভাবে পরিবর্তিত খাদ্য, অভিনব খাদ্য, ব্যবহারিক খাদ্য, একাধিক ধাপে প্রক্রিয়াজাত খাদ্য এবং খাদ্য সংযোজন দ্রব্যের উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ, মজুত, আমদানি, রপ্তানি ও বিপণন সংশ্লিষ্ট নির্ধারিত ব্যবসার জন্য নিবন্ধন বা রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

অন্যদিকে যেসব প্রতিষ্ঠান বিশেষায়িত খাদ্যপণ্য নিয়ে কাজ করে, যেমন: শিশুদের ফর্মুলা দুধ এবং বয়স্ক বা নির্দিষ্ট রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য তৈরিকৃত বিশেষ ধরনের খাবার, তাদের বাধ্যতামূলক লাইসেন্সের আওতায় আনা হবে এ প্রবিধানের মাধ্যমে। এর মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্য সহায়ক ও সম্পূরক খাদ্য, বিশেষ পথ্য ও চিকিৎসাসংক্রান্ত বিশেষ পথ্য, প্রোবায়োটিক ও প্রিবায়োটিক খাদ্য এবং নিউট্রাসিউটিক্যালসহ অনুরূপ খাদ্যের উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, মজুদ, আমদানি ও বিপণন।

এছাড়া বংশগত বৈশিষ্ট্য পরিবর্তিত বা সংশোধিত খাদ্য, জৈব-খাদ্য, কিরণ-সম্পাতকৃত খাদ্য, স্বতাত্ত্বিকভাবে পরিবর্তিত খাদ্য, অভিনব খাদ্য, ব্যবহারিক খাদ্য, পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য এবং নিরাপদ খাদ্য (বিজ্ঞাপন ও দাবি) প্রবিধানমালা, ২০২৫ অনুযায়ী স্বাস্থ্য সহায়ক দাবি বা রোগের ঝুঁকি হ্রাস-সংক্রান্ত দাবি-সম্পন্ন খাদ্যের ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্ট বিধান অনুসারে প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ও নিবন্ধন গ্রহণ করতে হবে।

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ জানায়, নিরাপদ খাদ্য (রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা, ২০২৬-এর তফশিল-১০-এ নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে সংশ্লিষ্ট প্রবিধানে বর্ণিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে আবেদন করতে হবে। বাধ্যতামূলক লাইসেন্সের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ফরম ৬.১, ৭.১, ৮.১ ও ৯.১ এবং নিবন্ধনের ক্ষেত্রে ফরম ৫.১ অনুযায়ী আবেদন দাখিল করতে হবে।

কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, নিবন্ধন বা লাইসেন্স গ্রহণের বাধ্যবাধকতা থাকা সত্ত্বেও নিবন্ধন বা লাইসেন্স ছাড়া খাদ্য ব্যবসা পরিচালনা করা নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। এ কারণে সংশ্লিষ্ট খাদ্য ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত সময় থেকে প্রযোজ্য নিবন্ধন ও লাইসেন্স গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

নিবন্ধন ও লাইসেন্সের মেয়াদ হবে তিন বছর এবং এরপর এটি নবায়ন করতে হবে।

বিধিমালা অনুযায়ী, প্রচলিত ১৬ ক্যাটাগরির খাদ্যব্যবসার প্রথমবার নিবন্ধন বিনামূল্যে করা হয়েছে। সুপারফুড প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের প্রিমিসেস লাইসেন্স ফি ফ্লোরের আকারের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা হবে। ১০০ বর্গমিটার বা তার নিম্নে প্রতিষ্ঠানের জন্য এই ফি ১০ হাজার টাকা এবং ১০ হাজার বর্গমিটারের চেয়ে বড় প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে নতুন লাইসেন্স নিতে ৬০ হাজার টাকা ফি দিতে হবে।

প্রতিটি খাদ্যপণ্যের প্যাকেটে বিএফএসএ রেজিস্ট্রেশন নম্বর উল্লেখ করতে হবে। এতে ভোক্তারা পণ্য দেখেই প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন রয়েছে কি না, তা বুঝতে পারবে এবং যে কোনো অভিযোগ রেজিস্ট্রেশন নম্বর উল্লেখ করেই করতে পারবে।

প্রাথমিক অবস্থায় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, সংশ্লিষ্ট জেলা কার্যালয় থেকে লাইসেন্স ও রেজিস্ট্রেশনের জন্য আবেদন করা যাবে। তবে কর্তৃপক্ষ ধাপে ধাপে শতভাগ অনলাইন আবেদন গ্রহণের কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে, এ উদ্যোগের মাধ্যমে খাদ্য ব্যবসার নিবন্ধন ও লাইসেন্সিং কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠিত হবে, খাদ্যপণ্যের উৎপাদন ও বিপণন কার্যক্রম আরও সুশৃঙ্খল হবে এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ কার্যক্রম অধিকতর কার্যকর হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোয়েন্দা সংস্থাকে বিরোধী দলের পেছনে লাগানো বিপজ্জনক: হাসনাত আবদুল্লাহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:১৩ পি.এম


গোয়েন্দা সংস্থাকে বিরোধী দলের পেছনে লাগানো বিপজ্জনক: হাসনাত আবদুল্লাহ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এবং কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ মন্তব্য করেছেন, রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে ব্যবহার করে বিরোধী রাজনৈতিক দলের ওপর নজরদারি চালানোর বার্তা দেওয়া একটি বিপজ্জনক এবং ফ্যাসিবাদী চিন্তাধারার প্রকাশ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং তার সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে তিনি এসব কথা বলেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ পোস্টে উল্লেখ করেন, বিরোধী রাজনৈতিক দলের ওপর গোয়েন্দা সংস্থা দিয়ে নজরদারি চালানোর বার্তা অত্যন্ত বিপজ্জনক। রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে তাদের মৌলিক দায়িত্ব থেকে সরিয়ে বিরোধী দলের পেছনে লাগানো এবং নজরদারি প্রযুক্তির অপব্যবহার ফ্যাসিবাদী চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ। এই ধরনের কর্মকাণ্ড অতীতের স্বৈরাচারী শাসনামলের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।

এনসিপির এই নেতা ফ্যামিলি কার্ড ও ফার্মার কার্ড প্রকল্পের ব্যয় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তার অভিযোগ, গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সরকার বড় প্রকল্পগুলোতে উন্মুক্ত দরপত্রের পরিবর্তে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতির দিকে ঝুঁকছে। এ ক্ষেত্রে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং আন্তঃবাহিনী পরিচালিত প্রতিষ্ঠান বিএমটিএফকে সামনে রেখে পেছনে দলীয় ব্যক্তিদের সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

কার্ড তৈরির ব্যয়ের হিসাব তুলে ধরে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড ১২৫ থেকে ১৩০ টাকায় সরবরাহ করা সম্ভব হলেও ফ্যামিলি কার্ড ও ফার্মার কার্ডের ক্ষেত্রে প্রতিটির ব্যয় প্রায় ৩০০ থেকে ৩৬৫ টাকা ধরা হচ্ছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোসহ (বিবিএস) বিভিন্ন সরকারি ও বিদ্যমান তথ্যব্যবস্থা ব্যবহার করে দরিদ্র মানুষের একটি কার্যকর ডেটাবেজ তৈরি করা সম্ভব। মোবাইল ব্যাংকিং, বিদ্যুৎ-পানি-গ্যাসের বিল, মোবাইল রিচার্জ এবং খানা আয়-ব্যয় জরিপের তথ্য কাজে লাগিয়েও এ উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। তার মতে, এ জন্য নতুন করে বিপুল অর্থ বরাদ্দের যৌক্তিকতা নেই।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অজান্তে এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে—এমনটি বিশ্বাস করার কারণ নেই বলেও মন্তব্য করেন হাসনাত আবদুল্লাহ। তার দাবি, প্রধানমন্ত্রী নিজেই বিভিন্ন সভা-সেমিনারে ফ্যামিলি কার্ড ও ফার্মার কার্ডের প্রচারণা চালাচ্ছেন। কার্ড কেনার নামে অনিয়মের দায় সামরিক বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপানোর চেষ্টা হলে তা তাদের ভাবমূর্তির জন্য ক্ষতিকর হবে।

অতীতের রাজনৈতিক অপব্যবহারের প্রসঙ্গ টেনে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, শেখ হাসিনার শাসনামলে গুম, খুন, ক্রসফায়ার ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে বিভিন্ন বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা দেশ-বিদেশে সমালোচনার মুখে পড়ে। তিনি সতর্ক করে বলেন, রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোকে কোনো রাজনৈতিক দলের স্বার্থে ব্যবহার করা হলে তা দেশের জন্য নতুন করে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় বাহিনী কোনো সরকারি দলের সম্পত্তি নয়। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো ১৮ কোটি মানুষের সেবা করার জন্য গঠিত হয়েছে। সরকার ও বিরোধী দলসহ দেশের সব নাগরিকের প্রতি তাদের দায়িত্ব রয়েছে। জনগণের স্বার্থের পরিবর্তে কোনো দলের রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত স্বার্থে এসব প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করা জনগণের অর্পিত দায়িত্বের সঙ্গে প্রতারণার শামিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%