ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

মাকে মৃত দেখিয়ে জমি বিক্রি করলেন ছেলে


মাকে মৃত দেখিয়ে জমি বিক্রি করলেন ছেলে

মাকে মৃত দেখিয়ে জমি বিক্রি করলেন ছেলে

 

একটি অভিযোগ উঠেছে যে, ছেলে তার জীবিত মাকে কাগজে-কলমে মৃত বানিয়ে নিজের পৈতৃক বসতভিটাসহ জমি বিক্রি করে দিয়েছেন। এই ঘটনা ঘটেছে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার শেরপুর ইউনিয়নের রাজাবাড়িয়া গ্রামে।

আরও পড়ুন: গাইবান্ধায় ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় মাদরাসার পরিচালক হাসান আলী গ্রেপ্তার

 

এমন নজিরবিহীন প্রতারণার ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর পুরো এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজাবাড়িয়া গ্রামের মৃত জমসেদ আলীর ছেলে আব্দুল জলিল, জুয়ার টাকার জোগান দিতে, গত প্রায় সাত মাস আগে তার জীবিত মা রহিমাকে মৃত দেখিয়ে বসতঘরের ভিটেসহ ২১ শতক জমি প্রতিবেশীর কাছে বিক্রি করে দেন।

সম্প্রতি ক্রেতা মজিবুর রহমান তার লোকজন নিয়ে ওই বাড়ির আশপাশের পানের বরজ ও বড় পুকুরসহ সবকিছু নিজের দাবি করে দখল নিতে গেলে এই জালিয়াতির ঘটনা ফাঁস হয়ে যায়।

আরও পড়ুন: জামালপুরে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় ১৮ বছরের মোটরসাইকেলচালকের মৃত্যু

ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর ভুক্তভোগী পরিবার নান্দাইল সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে দলিলের নকল (কপি) উত্তোলন করলে জালিয়াতির সত্যতা তারা খুঁজে পান।

 

নথি অনুযায়ী, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি নান্দাইল সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে ১১৫৪ ও ১১৫৫ নম্বরসহ মোট তিনটি দলিলের মাধ্যমে মোট ২১ শতক জমি রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে।

জমির ক্রেতা হলেন, পাশের পূর্ব রাজাবাড়িয়া গ্রামের মৃত আমির হোসেনের ছেলে মজিবুর রহমান। এই জালিয়াতির দলিলে সাক্ষী হিসেবে সই করেছেন একই গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে মো. হোসেন মিয়া। আর এই বিতর্কিত দলিলটি সম্পাদন করেছেন ঝন্টু সরকার নামের এক দলিল লেখক।

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় মাটি খুঁড়তে গিয়ে মিলল অবিস্ফোরিত মর্টার শেল

 

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজাবাড়িয়া গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, যাকে দলিলে মৃত দেখানো হয়েছে, সেই বৃদ্ধা রহিমা নিজের বাড়ির সামনেই বসে আছেন। নিজের বেঁচে থাকার প্রমাণ দিয়ে ক্ষোভ ও অশ্রুসজল চোখে তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন, "আমি তো মরছি না। তা অইলে কেরে আমারে মরা বানাইয়া জমি বেচছে? আমি এইডার কঠিন বিচার চাই।"

এসময় তার পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন অভিযুক্ত আব্দুল জলিলের স্ত্রী নাছিমা বেগম, তার ছোট ছেলে অলি মিয়া, ছোট ছেলের স্ত্রী হাফছা বেগম এবং একমাত্র মেয়ে রোকিয়া বেগম।

জলিলের স্ত্রী নাছিমা বেগম স্বামীর এই হীন কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, "আমার স্বামী নিজের মাকে জীবিত রেখে যেভাবে মৃত বলে জমি বিক্রি করে দিয়েছেন, তা কোনোভাবেই মানা যায় না।"

আরও পড়ুন: বান্দরবানে গ্রাম পুলিশ সদস্যদের মাসব্যাপী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ শুরু

 

তিনি জানান, জলিল জুয়া খেলায় আসক্ত। জুয়া খেলতে গিয়ে এর আগেও সে পরিবারের আরো অনেক জমি বিক্রি করে দিয়েছে।

অভিযুক্ত জলিলের ছোট ভাই অলি মিয়া জানান, তার বড় ভাই জলিল মূলত একটি জুয়াড়ি চক্রের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। দিনের পর দিন ধারদেনা করে জুয়া খেলে বিপুল পরিমাণ টাকা হারান তিনি। একপর্যায়ে জুয়ার আসরেই জমি বিক্রি করার কথা বলে ওই চক্রের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের নগদ টাকা নেন। সেই দেনা শোধ করতেই গোপনে মাকে মৃত দেখিয়ে এই জমি বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে।

তবে অলি মিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রশ্ন তোলেন, মা যে মারা গেলেন, সেই ভুয়া মৃত্যু সার্টিফিকেট কে দিল? আর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসই বা কিভাবে এত বড় জালিয়াতির দলিল রেজিস্ট্রি করল? এই ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত আব্দুল জলিল ও দলিল জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত চক্রটি পরিবারের ওপর ভিন্ন ধরনের অত্যাচার চালিয়ে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন: নারায়ণগঞ্জ জেলা দাবা চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬-এর সনদপত্র বিতরণ

জানতে চাইলে দলিল লেখক ঝন্টু সরকার জানান, "আমাকে মৃত সার্টিফিকেট ও ওয়ারিশান দিয়েছে। তা দেখে দলিল সম্পন্ন করে দিয়েছি। যাচাই করার দায়িত্ব আমার না।"

স্থানীয় ইউপি সদস্য (মেম্বার) মো. হামিদুল মৃত সার্টিফিকেট ও ওয়ারিশ দেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, "আসলে আমার ভুল হয়ে গেছে। এখন বিষয়টি দেখছি।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেপালে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩৪৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৩৮ পি.এম


নেপালে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩৪৪

নেপালের ভোতেকোশি নদীতে আকস্মিক বন্যার কারণে নিহতের সংখ্যা ১ হাজার ৩৪৪ জনে পৌঁছেছে। নেপাল পুলিশ জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধার কার্যক্রম এবং নিখোঁজদের সন্ধানে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

২৬ আগস্ট তারিখে নেপালে একটি ভয়াবহ বন্যা সংঘটিত হয়। ধারণা করা হচ্ছে, হিমালয়ে হিমবাহ ধসের ফলে উপত্যকাজুড়ে একাধিক হ্রদ সৃষ্টি হয়েছে। পরে ওই হ্রদের পানি তিব্বত সীমান্তবর্তী বিভিন্ন গ্রামের ওপর দিয়ে প্রবল বেগে প্রবাহিত হয়। এই ঘটনায় বিপুল সংখ্যক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয় এবং অনেক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই ভয়াবহ বন্যার ফলে নেপালের জনজীবন সম্পূর্ণরূপে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বাসিন্দারা তাদের ঘরবাড়ি পুনর্গঠনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। একইসাথে, পানিদূষণ এবং সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।

দ্য কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বিদুরে পানীয় জলের ১৫টি উৎসের মধ্যে পাঁচটিতে ই-কোলাই ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। এই ব্যাকটেরিয়া সাধারণত মানুষের বা প্রাণীর মলে পাওয়া যায়। ভোটেকোশি নদীর বন্যায় নেপালের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে বিদুর অন্যতম।

নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করতে ব্যাপকভাবে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের কাজ চলছে। বন্যা-পরবর্তী উদ্ধার অভিযান, ত্রাণ বিতরণ, মরদেহ ব্যবস্থাপনা এবং সড়ক যোগাযোগ পুনরুদ্ধারের জন্য ৭ হাজার ৯১২ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি,

দ্য হিন্দু

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভোলায় মাদক বিরোধী সমাবেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৩৯ পি.এম


ভোলায় মাদক বিরোধী সমাবেশ

ভোলা, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : জেলায় আজ পুলিশের উদ্যোগে মাদক, ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতামূলক সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ শনিবার বেলা ১২ টায় জেলা পুলিশের উদ্যোগে ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের সামনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন ভোলা জেলার পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার। 

শিবপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি নুর হোসেনের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সোহান সরকার, ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এমদাদুল হক, জিয়া উদ্দিন, তালহা তালুকদার বাঁধন প্রমুখ। 

এ সমাবেশে ইউনিয়নের বিভিন্ন স্কুল ও মাদ্রাসার শিক্ষক, ইমাম, কাজী, ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ, ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য ও সচিব এবং সংবাদ কর্মি সহ বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার শতাধিক মানুষ অংশ নেন।

এসময় বক্তরা শিবপুর ইউনিয়নকে মাদক, ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ মুক্ত করার ঘোষণা দেন।

প্রধান অতিথি পুলিশ সুপার শহিদুল্লাহ কাওছার বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ ও দেশ গড়া বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের একটি অঙ্গীকার। তাই মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সকলকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে পরিবার থেকেই সচেতন করার কাজ শুরু করতে হবে। পুলিশের একার পক্ষে সমাজ থেকে মাদক নির্মূল করা সম্ভব নয়। তাই মাদক নির্মূলে সকলকে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহায়তা করতে হবে। 

পুলিশ সুপার জানান, ভোলা জেলার ১০টি থানার আওতায় বিভিন্ন  উপজেলা ও ইউনিয়নে মাদকবিরোধী জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনাসহ মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা অব্যাহত রয়েছে এবং তা চলমান থাকবে। 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাড়িতে কাজ না করায় কর্মচারীকে চাকরিচ্যুতির অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৪১ পি.এম


বাড়িতে কাজ না করায় কর্মচারীকে চাকরিচ্যুতির অভিযোগ

ভোলার মনপুরায় অধ্যক্ষের বাড়িতে ব্যক্তিগত কাজ করতে রাজি না হওয়ায় মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজের তৃতীয় শ্রেণির এক কর্মচারীকে (এমএলএস) চাকরিচ্যুত করার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে চাকরি ফিরে পেতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী মো. সেলিম।

 

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মনপুরা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কলেজটির সাবেক অধ্যক্ষ মো. মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে সেলিম এসব অভিযোগ উত্থাপন করেন। তিনি একই সঙ্গে চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে সেলিম লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেন, ২০০২ সালে কলেজ প্রতিষ্ঠার পর থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি অফিস সহায়ক (এমএলএস) পদে কর্মরত ছিলেন। এই সময়ে তিনি নিয়মিত বেতন-ভাতা গ্রহণ করেছেন।

 

তবে, সেলিম অভিযোগ করেন যে, কলেজের দাপ্তরিক কাজের পাশাপাশি অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন তাকে জোরপূর্বক ব্যক্তিগত গৃহস্থালি কাজ করাতেন। সেলিমের দাবি, অধ্যক্ষের ব্যক্তিগত বিরোধের কারণে কলেজের প্রভাষকসহ বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে অসদাচরণ করার নির্দেশও দেওয়া হতো তাকে। এসব অন্যায় ও ব্যক্তিগত কাজে অসম্মতি জানালে অধ্যক্ষ তার ওপর ক্ষিপ্ত হন।

এই পরিস্থিতির পর কলেজের তৎকালীন গভর্নিং বডির সভাপতি ও তৎকালীন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ কে এম শাহাজান মিয়া এবং অধ্যক্ষ মহিউদ্দিনের যোগসাজশে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশ অমান্য করে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয় বলে অভিযোগ করেন সেলিম।

 

পরে তার পদে কলেজ কমিটির সভাপতির ভাতিজাকে নিয়োগ দেওয়া হয় বলেও দাবি করেন তিনি। সেলিম জানান, চাকরিচ্যুতির বিষয়টি জানিয়ে তিনি বরিশাল শিক্ষা বোর্ড ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে অভিযোগ করেন। পরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে তাকে কলেজে স্বপদে বেতন-ভাতাসহ বহাল রাখার নির্দেশ দেয়।

তবে, ওই নির্দেশ অমান্য করে ২০২২ সালের ১২ ডিসেম্বর অধ্যক্ষ তাকে সাময়িক বরখাস্তের চিঠি দেন বলে অভিযোগ করেন সেলিম। ওই চিঠিতে তাকে নৈশপ্রহরী হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

 

পরে ২০২৩ সালের ১০ আগস্ট তাকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হয়। সেলিম দাবি করেন, তিনি ২০০২ সালের ১ সেপ্টেম্বর এমএলএস পদে কলেজে যোগ দেন এবং ২০০৪ সালের ১ নভেম্বর ওই পদে এমপিওভুক্ত হন। ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি এমএলএস পদেই চাকরি করে বেতন-ভাতা উত্তোলন করেছেন। কখনো নৈশপ্রহরী হিসেবে কর্মরত ছিলেন না বলেও দাবি করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে অবৈধভাবে চাকরিচ্যুতির অভিযোগ তদন্ত করে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং তাকে চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি জানান সেলিম। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. নুরুল ইসলাম নয়নের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এ ঘটনার পর ২০২৪ সালে মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজের অধ্যক্ষের পদ থেকে পদত্যাগ করে ভোলার নাজিউর রহমান ডিগ্রি কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দেন মো. মহিউদ্দিন। বর্তমানে মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সহকারী অধ্যাপক মো. মাহবুবুল আলম শাহীন।

এ বিষয়ে কলেজটির তৎকালীন গভর্নিং বডির সভাপতি এ কে এম শাহাজাহান মিয়ার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তিনি আত্মগোপনে থাকায় এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।

অভিযোগের বিষয়ে মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও বর্তমানে ভোলা নাজিউর রহমান ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. মহিউদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, নৈশপ্রহরী সেলিম দায়িত্ব পালন না করায় তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। তিনি এমএলএস পদে নয়, নৈশপ্রহরী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বিধি অনুযায়ী তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।

অন্যদিকে, মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. মাহবুবুল আলম শাহীন বলেন, অধ্যক্ষের ব্যক্তিগত রোষানলে পড়ার কারণেই এমএলএস সেলিমকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। সেলিমকে বাদ দিয়ে তৎকালীন অধ্যক্ষ ওই পদে তাৎক্ষণিকভাবে আরেকজনকে নিয়োগ দিয়ে গেছেন। বর্তমানে ওই পদটি খালি নেই। আইনি প্রক্রিয়ায় সেলিম ওই পদে পুনর্বহাল হতে পারবেন কি না, তা ভুক্তভোগীই বলতে পারবেন।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুক্তির প্রথম দিনেই বাজিমাত, ‘আওয়ারাপন ২’-এর রেকর্ড ছাড়াল ‘মির্জাপুর’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৪১ পি.এম


মুক্তির প্রথম দিনেই বাজিমাত, ‘আওয়ারাপন ২’-এর রেকর্ড ছাড়াল ‘মির্জাপুর’

ওটিটির সীমা অতিক্রম করে এবার বড় পর্দায় ‘মির্জাপুর’-এর সিংহাসন দখলের লড়াই শুরু হয়েছে। বহু প্রতীক্ষার পর শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) মুক্তি পেয়েছে ‘মির্জাপুর : দ্য মুভি’।

 

মুক্তির প্রথম দিনেই সিনেমাটি বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে। উদ্বোধনী আয়ের দিক থেকে ২০২৬ সালের সর্বোচ্চ ব্যবসা করা সিনেমাগুলোর তালিকায় সেরা চারটি সিনেমার মধ্যে স্থান করে নিয়েছে কালীন ভাইয়া, গুড্ডু ও বাবলু পণ্ডিতদের এই নতুন অধ্যায়।

সিনেবাণিজ্য বিশ্লেষক স্যাকনিল্কের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে, মুক্তির প্রথম দিনে শুধুমাত্র হিন্দি সংস্করণ থেকেই ‘মির্জাপুর : দ্য মুভি’ ২৪ কোটি ৬০ লাখ রুপি আয় করেছে। তেলুগু সংস্করণ থেকেও এসেছে ১৫ লাখ রুপি।

সব মিলিয়ে ভারতের বক্স অফিসে প্রথম দিনে সিনেমাটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ২৯ কোটি ৭০ লাখ রুপি। এই আয়ের ফলে সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া ইমরান হাশমির ‘আওয়ারাপন ২’-কে পিছনে ফেলে দিয়েছে ‘মির্জাপুর : দ্য মুভি’। প্রথম দিনে ‘আওয়ারাপন ২’ প্রায় ২২ কোটি রুপি আয় করেছিল। অর্থাৎ ওপেনিংয়ের দিক থেকে পঙ্কজ ত্রিপাঠী অভিনীত সিনেমাটি প্রায় ৮ কোটি রুপি এগিয়ে রয়েছে।

তবে ২০২৬ সালের সেরা ওপেনিংয়ের তালিকায় শীর্ষ তিনে স্থান পেতে পারেনি ‘মির্জাপুর : দ্য মুভি’। বক্স অফিস রিপোর্ট অনুযায়ী, ৯৯ কোটি রুপি আয় করে তালিকার শীর্ষে রয়েছে রণবীর সিং অভিনীত ‘ধুরন্ধর : দ্য রিভেঞ্জ’। দ্বিতীয় স্থানে যশের ‘টক্সিক’, যার প্রথম দিনের আয় ৫৫ কোটি রুপি। আর ৩০ কোটি রুপি উদ্বোধনী ব্যবসা নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে সানি দেওলের ‘বর্ডার ২’।

প্রথম দিনে ২৯ কোটি ৭০ লাখ রুপি আয় করে ‘মির্জাপুর : দ্য মুভি’ চতুর্থ স্থানে অবস্থান করছে।

 

সিনেমাটির সাফল্য নিয়ে দর্শক এবং অনুরাগীদের মধ্যে নতুন উন্মাদনা সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে পঙ্কজ ত্রিপাঠীর জন্মদিনের ঠিক আগের দিন এই সাফল্য অভিনেতার জন্য বাড়তি আনন্দের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

‘মির্জাপুর’ বললেই দর্শকদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে কালীন ভাইয়ার চরিত্র। এই চরিত্রে শুরু থেকেই নিজের দাপট দেখিয়েছেন পঙ্কজ ত্রিপাঠী। এবার সিনেমাটির জন্য পারিশ্রমিকের দিক থেকেও নাকি অন্যদের টেক্কা দিয়েছেন তিনি।

খবর অনুযায়ী, কালীন ভাইয়ার চরিত্রে অভিনয়ের জন্য পঙ্কজ ত্রিপাঠী প্রায় ১৫ কোটি রুপি নিয়েছেন। পারিশ্রমিকের দিক থেকে তিনি হলিউডে কাজ করে ফেরা অভিনেতা আলি ফজলকেও পিছনে ফেলেছেন। অর্থাৎ ‘মির্জাপুর : দ্য মুভি’-তে কালীন ভাইয়ার দাপট কেবল গল্পেই নয়, পারিশ্রমিকের হিসাবেও।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%