ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

২০১৯ সালে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী


২০১৯ সালে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম. এ. মুহিত জানিয়েছেন, ২০১৯ সালে ডেঙ্গুর প্রকোপ এবং মৃত্যুর সংখ্যা ছিল সর্বাধিক। ২০২০ এবং ২০২১ সালেও পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত ভয়াবহ। তবে বর্তমান সরকারের সমন্বিত পদক্ষেপের ফলে ডেঙ্গু অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে রাজশাহী নগরীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত সমন্বিত ইপিআই, এইচপিভি টিকাদান, ই-ট্র্যাকার ও স্বাস্থ্য কর্মসূচি পর্যালোচনা বিষয়ক কর্মশালায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এই মন্তব্য করেন।

প্রতিমন্ত্রী খুলনা ও বরিশাল বিভাগে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি বললেও রাজশাহী বিভাগে আক্রান্তের সংখ্যা কম জানিয়ে বলেন, মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হচ্ছে; তবে যথাযথ চিকিৎসা ও প্রকোপ কমানোর জন্য কাজ চলছে।

আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ

তিনি আরো বলেন, অতীতে গণমাধ্যমে লেখালেখি হলে তবেই সরকার কার্যকরী পদক্ষেপ নিত। কিন্তু এবার তিন মাস আগে থেকেই তথ্য সংগ্রহ করে কাজ শুরু করা হয়েছে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সারাদেশে স্বেচ্ছাসেবীদের সঙ্গে পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি চলছে এবং ডেঙ্গু চিকিৎসায় দুই হাজার চিকিৎসক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। তিনি অতীতের তুলনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুহার কম বলেও দাবি করেন।

হামের প্রকোপ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় টিকা না দেয়ার কারণে পরিস্থিতি এ পর্যায়ে এসেছে। হাম করোনার চেয়ে অধিক সংক্রামক, একবার শুরু হলে থামানো কঠিন। তাই শত চেষ্টাতেও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়নি। টিকাদান ক্যাম্পেইন চলছে এবং এ পর্যন্ত দুই কোটি শিশুকে টিকা প্রদান করা হয়েছে।

উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা ঢেলে সাজানোর কাজ চলছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, এসব কমপ্লেক্সে রোগ নির্ণয়ের সুবিধা থাকবে এবং ল্যাব স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। হাসপাতালের চিকিৎসকদের উপস্থিতি বেড়ে ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ হয়েছে। রোগীর তুলনায় চিকিৎসক কম থাকায় পাঁচ হাজার নতুন চিকিৎসক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। গত ছয় মাসে চিকিৎসক, নার্স এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রতি আস্থা ফিরেছে বলে তিনি দাবি করেন।

আরও পড়ুন: বিয়ের ১৫ দিনের মাথায় সড়কে প্রাণ গেল ইতালি প্রবাসী তানভীরের

সেমিনারে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিল্লিতে আটক ত্রিপুরার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৫ পি.এম


দিল্লিতে আটক ত্রিপুরার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে যন্তর মন্তরের বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে ত্রিপুরা রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারকে দিল্লিতে আটক করা হয়েছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) তার আটকাদেশ কার্যকর হয়। মানিক সরকার ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী)—সিপিআই(এম)-এর একজন নেতা এবং ত্রিপুরার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে পরিচিত।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, যন্তর মন্তরে সিইসির বিরুদ্ধে আয়োজিত বিক্ষোভের কারণে এ পর্যন্ত সাবেক ৪ মুখ্যমন্ত্রীকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও আম আদমি পার্টির (এএপি) নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন।

দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) আয়োজিত বিক্ষোভ কর্মসূচির কারণে এসব ঘটনার সূত্রপাত ঘটে। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভকারীরা দেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করে আসছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরগুনায় প্রাথমিক শিক্ষায় শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের অভাব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৫ পি.এম


বরগুনায় প্রাথমিক শিক্ষায় শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের অভাব

শিক্ষার্থীর সংখ্যা দুইজন, আর শিক্ষক পাঁচজন। কোথাও দেখা যাচ্ছে, পাঁচ শিক্ষার্থীর জন্য একাধিক শিক্ষক নিয়োজিত আছেন, আবার কোথাও দুপুরের পর শ্রেণিকক্ষ একেবারেই ফাঁকা। কোনো বিদ্যালয়ে হাজিরা খাতায় শিক্ষকদের স্বাক্ষর থাকলেও কর্মস্থলে তাদের উপস্থিতি নেই। বরগুনার সরকারি প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে শিক্ষকের অনুপস্থিতি, একাধিক শ্রেণির শিক্ষার্থীদের একই কক্ষে পাঠদান এবং শিক্ষার নিম্নমানের অভিযোগের কারণে। বিদ্যালয় ভবন রয়েছে, শিক্ষক পদও মঞ্জুর হয়েছে; কিন্তু শিক্ষার্থী ধরে রাখা এবং মানসম্মত পাঠদান নিশ্চিত করতে পারছে না অনেক প্রতিষ্ঠান। ফলে অভিভাবকদের একটি বড় অংশ সরকারি বিদ্যালয় ত্যাগ করে কিন্ডারগার্টেন ও মাদ্রাসার দিকে ঝুঁকছেন।

সম্প্রতি জেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চিত্রে এমন উদ্বেগজনক বাস্তবতা উঠে এসেছে। বরগুনা সদর উপজেলার মধ্য পাঠাকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, সুনসান সুন্দর ভবন ও সাজানো শ্রেণিকক্ষ থাকলেও শিক্ষার্থী মাত্র দুজন। পাঁচজন শিক্ষকের মধ্যে তিনজন উপস্থিত ছিলেন। প্রধান শিক্ষক বা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে পাওয়া যায়নি। পাশের চরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ছিল পাঁচজন। সেখানে দুই শিক্ষিকা উপস্থিত থাকলেও প্রধান শিক্ষক অনুপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষার্থী ও শিক্ষকসংখ্যার এই অসামঞ্জস্য কেবল জনবল ব্যবস্থাপনার প্রশ্ন নয়, বরং বিদ্যালয়ের কার্যকারিতা, পাঠদানের পরিবেশ এবং সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই। তবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা জানিয়েছেন, এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী কমে যাওয়ার পেছনে যোগাযোগব্যবস্থার দুর্বলতা, আশপাশে বিকল্প শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠা এবং অভিভাবকদের পছন্দ পরিবর্তনের বিষয়ও রয়েছে।

আরও উদ্বেগজনক চিত্র দেখা গেছে বেতাগীর পূর্ব হোসনাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। চারজন শিক্ষকের মধ্যে দুজন উপস্থিত ছিলেন। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকাকে খালি শ্রেণিকক্ষে বেঞ্চের ওপর ঘুমিয়ে থাকতে দেখা যায়। অথচ হাজিরা খাতায় চারজন শিক্ষকের স্বাক্ষর ছিল। তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির পাঁচ শিক্ষার্থীকে একই কক্ষে একসঙ্গে পাঠদান করছিলেন একজন শিক্ষক। এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীরা শ্রেণিভিত্তিক পাঠ্যক্রম কতটা আয়ত্ত করতে পারছে, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে।

দুপুর আড়াইটার দিকে উত্তর দেশান্তরকাঠী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোনো শিক্ষার্থী ছিল না। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মাত্র একজন শিক্ষক। পাশের চানমিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েও শিক্ষার্থী উপস্থিতির চিত্র ছিল প্রায় একই রকম। দিনের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে শ্রেণিকক্ষ শিক্ষার্থীশূন্য থাকার ঘটনা নিয়মিত কি না, তা যাচাই করে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি অভিভাবক মহলের।

বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থী কমে যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে শিক্ষকদের কেউ যোগাযোগব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা, কেউ মাদ্রাসার প্রসার, আবার কেউ কিন্ডারগার্টেনের প্রতি অভিভাবকদের আগ্রহের কথা বলেছেন। তাঁদের মতে, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রাক্‌-প্রাথমিক থেকেই ইংরেজি শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান নিয়ে নেতিবাচক ধারণা এবং দরিদ্র পরিবারের সন্তানদের প্রতিষ্ঠান হিসেবে সরকারি স্কুলকে দেখার প্রবণতাও অভিভাবকদের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলছে।

অভিভাবকদের অভিযোগ আরও সরাসরি। তাঁদের মতে, শিক্ষকদের অনিয়মিত উপস্থিতি, দুর্বল পাঠদান, নির্ধারিত সময়ের আগে বিদ্যালয় ত্যাগ এবং তদারকির ঘাটতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতি আস্থা কমিয়ে দিয়েছে। সন্তানের ভালো শিক্ষার প্রত্যাশায় বাড়তি খরচ করেও কিন্ডারগার্টেনে ভর্তি করছেন অনেকে। কিছু অভিভাবককে সন্তানদের পড়াতে কয়েক কিলোমিটার দূরের প্রতিষ্ঠানে ছুটতে হচ্ছে। তাঁদের মতে, সরকারি বিদ্যালয়ে মানসম্মত পাঠদান নিশ্চিত করা গেলে এভাবে শিক্ষার্থী হারানোর প্রবণতা কমানো সম্ভব।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা-সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, বরগুনায় সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে ১ হাজার ৪৫টি। এর মধ্যে সরকারি বিদ্যালয় ৭৯৯টি। এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী প্রায় ৮১ হাজার ৯০০ জন। শিক্ষক পদ মঞ্জুর রয়েছে ৫ হাজার ৪৭টি।

মধ্য পাঠাকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কামরুন নাহার বলেন, এলাকার যোগাযোগব্যবস্থা ভালো না হওয়ায় অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসতে পারে না। নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠায় শিক্ষার্থীরাও ভাগ হয়ে যাচ্ছে। চরপাড়া বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোছা. পারভীন জানান, শিক্ষার্থী কম হলেও শিক্ষকদের পুরো সময় বিদ্যালয়ে থাকতে হয়, পাশাপাশি শিক্ষকসংকটের সমস্যাও রয়েছে।

সচেতন এলাকাবাসী জানান, শিক্ষার্থী ধরে রাখতে এখন শুধু ভর্তি কার্যক্রম বা অবকাঠামো উন্নয়ন যথেষ্ট নয়। প্রতিটি বিদ্যালয়ে শিক্ষক উপস্থিতি নিশ্চিত করা, নিয়মিত ও শ্রেণিভিত্তিক পাঠদান, শূন্য পদ পূরণ, শিক্ষার্থীদের শেখার অগ্রগতি মূল্যায়ন এবং কার্যকর তদারকি জোরদার করতে হবে। হাজিরা খাতা ও বাস্তব উপস্থিতির মধ্যে অসংগতি থাকলে তদন্ত করে দায় নির্ধারণ করতে হবে। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ভিত্তিক শিক্ষার্থী উপস্থিতি, ঝরে পড়ার হার এবং শিখনফল প্রকাশের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

তারা বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দরিদ্র পরিবারের শিশুদের জন্য শিক্ষার প্রধান ভরসা। সেই প্রতিষ্ঠানেই যদি শিক্ষার্থী অনুপস্থিতি, দুর্বল পাঠদান ও জবাবদিহির ঘাটতি নিয়মিত চিত্র হয়ে ওঠে, তবে একটি প্রজন্মের শিক্ষার ভিত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বরগুনার প্রাথমিক শিক্ষায় সংকট তাই শুধু শিক্ষার্থী কমে যাওয়ার নয়, এটি শিক্ষার মান, প্রশাসনিক তদারকি ও জনআস্থার সংকট। এখন প্রশ্ন, বিদ্যালয়ের এই বাস্তবতা বদলাতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রশাসন কত দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এসএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রস্তুত হবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৬ পি.এম


এসএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রস্তুত হবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহাদী আমিন জানিয়েছেন, সরকার অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের জন্য এক বছর অপেক্ষা না করে, তিন মাসের মধ্যে পুনঃপরীক্ষা নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে ভাবনা-চিন্তা করছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘চ্যালেঞ্জ শিক্ষার্থী সম্মেলনে’ তিনি এ তথ্য প্রকাশ করেন।

মাহাদী আমিন উল্লেখ করেন, "এসএসসির ফলাফলই জীবনের সফলতা বা ব্যর্থতা নয়।" প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ বছর এসএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রস্তুত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

তিনি আরও জানান, শিক্ষার্থীদের আগ্রহের ভিত্তিতে কাউকে ট্রেনিং প্রদান, কাউকে ব্যবসার জন্য ঋণ সহায়তা এবং কাউকে তৃতীয় ভাষায় দক্ষ করে বিদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তবে, লেখাপড়া চালিয়ে যেতে ইচ্ছুকদের জন্যও সেই সুযোগ থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাবেক রাষ্ট্রদূত আব্দুল মুত্তাকিম চৌধুরী ৯৭ বছর বয়সে ইন্তেকাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৬ পি.এম


সাবেক রাষ্ট্রদূত আব্দুল মুত্তাকিম চৌধুরী ৯৭ বছর বয়সে ইন্তেকাল

রাজনীতিবিদ, সাবেক রাষ্ট্রদূত এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ব্যারিস্টার আব্দুল মুত্তাকিম চৌধুরী ইন্তেকাল করেছেন।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৯৭ বছর।

আব্দুল মুত্তাকিম চৌধুরী বাংলাদেশের সংবিধানের অন্যতম প্রবক্তা ছিলেন। ১৯৭৩ সালে তিনি জাপান এবং ১৯৭৬ সালে জার্মানিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিযুক্ত হন।

সিলেটের কানিহাটিতে জন্মগ্রহণ করেন আব্দুল মুত্তাকিম চৌধুরী। তার পুরো নাম আবু তাহের আব্দুল মুত্তাকিম চৌধুরী। আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চৌধুরী আইএ পাস করেন। এ ছাড়া তিনি শান্তিনিকেতন, সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এবং লন্ডনের লিংকনস ইনে পড়াশোনা করেছেন।

পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ ও গণপরিষদের সদস্য ছিলেন আব্দুল মুত্তাকিম চৌধুরী। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে সিলেটের কুলাউড়া–বড়লেখা আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%