ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

উপকূলে ২ কোটি কেওড়া গাছ লাগানো হবে: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী


উপকূলে ২ কোটি কেওড়া গাছ লাগানো হবে: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন উপকূলের মানুষ। উপকূলীয় অঞ্চলকে ঝড়-জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষা করতে বেশি বেশি গাছ লাগানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। গাছপালা লাগালে তাপমাত্রা কমে আসবে, বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। বিভিন্ন রোগবালাইসহ মহামারি কমিয়ে আনতেও আমরা ভূমিকা রাখতে পারব।

বুধবার বিকেলে মোংলায় কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন সদর দপ্তরে ১০ হাজার গাছের চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশজুড়ে বৃক্ষরোপণের মহোৎসব চলছে। অঞ্চলভেদে উপযোগী বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানো হবে। এ পর্যন্ত সারা দেশে ৩ কোটি ৫ লাখ গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। আগামী ডিসেম্বর মাসে আরও ২ কোটি গাছের চারা রোপণ করা হবে।

আরও পড়ুন: ৬৭ পুলিশ পরিদর্শক এসএসপি পদে পদোন্নতি পেলেন

তিনি বলেন, বীজ সংগ্রহ করে সেই বীজ থেকে চারা তৈরি করা হচ্ছে। উপকূলীয় এলাকাজুড়ে ২ কোটি কেওড়া গাছ রোপণ করা হবে। তাহলে এ বছরেই আমাদের ৫ কোটির বেশি গাছ লাগানো হয়ে যাবে।

শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, পরিবেশ সুরক্ষায় বর্তমান সরকার অত্যন্ত আন্তরিক। তাই বৃক্ষরোপণের ক্ষেত্রে উপকূলীয় অঞ্চলকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কারণ ঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ক্ষতি থেকে উপকূলের মানুষকে রক্ষায় ম্যানগ্রোভ বন ও গাছপালা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

তিনি আরও বলেন, তরুণ প্রজন্ম বৃক্ষরোপণে আগ্রহী হয়ে উঠছে, যা পরিবেশ সুরক্ষার জন্য ইতিবাচক দিক।

অনুষ্ঠানে কোস্ট গার্ড সদর দপ্তর, ঢাকার কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন মো. মেহেদী হাসান, কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন সদর দপ্তর, মোংলার ভারপ্রাপ্ত জোনাল কমান্ডার ক্যাপ্টেন মো. মহসিন রেজা এবং রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের কর্মকর্তা আনোয়ারুল আজিম উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: বিশ্বজয়ে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা ও শিল্প-সংস্কৃতিতে দক্ষ হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান যুদ্ধের পরিণতি আগেই আঁচ করেছিলেন তুলসী গ্যাবার্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৪৮ পি.এম


ইরান যুদ্ধের পরিণতি আগেই আঁচ করেছিলেন তুলসী গ্যাবার্ড

তুলসী গ্যাবার্ড পূর্বেই ইরান যুদ্ধের ফলাফল সম্পর্কে ধারণা করেছিলেন।

ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পূর্বে, মার্কিন জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক তুলসী গ্যাবার্ড মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সম্ভাব্য যুদ্ধের ফলাফল সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। যুদ্ধ শুরুর কয়েক দিন আগে, তুলসী গ্যাবার্ড ট্রাম্পকে এক ব্রিফিংয়ে জানিয়েছিলেন, ইউএস ইন্টেলিজেন্স সঠিকভাবে পূর্বাভাস দিয়েছে যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যা করা হলে সম্ভবত একটি আরো কট্টরপন্থী শাসনব্যবস্থার সূচনা হবে, যারা পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনে আগ্রহী।

 

মঙ্গলবার মার্কিন গণমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি প্রতিবেদনে গোয়েন্দাদের পূর্বাভাসের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। তবে মার্কিন গোয়েন্দাদের পূর্বাভাসকে উপেক্ষা করে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর উস্কানিতে ট্রাম্প ইরান যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন। নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে বোঝাতে সক্ষম হন যে, ইরান বর্তমানে সবচেয়ে দুর্বল অবস্থানে রয়েছে। হামলা করলে ইরানের শাসনব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা সম্ভব এবং ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির প্রক্রিয়া থেকে সরিয়ে আনা সম্ভব।

 

এতে ডোনাল্ড ট্রাম্প শান্তির দূত হিসেবে বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হবেন।

২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু করার সময় ট্রাম্পের ধারণা ছিল যে, ছয় সপ্তাহের মধ্যে যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটানো সম্ভব হবে। কিন্তু ছয় মাস পরেও যুদ্ধের সমাপ্তির কোনো চিহ্ন দেখা যাচ্ছে না। বরং সময়ের সাথে সাথে মার্কিন গোয়েন্দাদের পূর্বাভাসগুলো সত্যি প্রমাণিত হচ্ছে।

 

এখন যুক্তরাষ্ট্র একের পর এক ভুলের জালে জড়িয়ে পড়ছে।

ট্রাম্প ইসরায়েলের যুদ্ধের লক্ষ্যকে সমর্থন করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার কয়েক দিন আগে, তার তৎকালীন গোয়েন্দা প্রধান তুলসী গ্যাবার্ড আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থার মূল্যায়নগুলো তুলে ধরে ট্রাম্পকে সতর্ক করেছিলেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের পক্ষ থেকে সামরিক উত্তেজনা বাড়ালে ইরান বিশ্ব জ্বালানি বাজারকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করবে এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধ করতে তৎপর হবে। গ্যাবার্ড সতর্ক করেছিলেন যে, তেহরান মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন সেনা এবং তাদের অংশীদারদের ওপর আঘাত হানার পথ বেছে নেবে, যা মিত্রদের কাছে আমেরিকার সংকল্প ও নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলবে।

ট্রাম্পের অন্যান্য শীর্ষ সামরিক নেতাদের কাছ থেকেও অনুরূপ সতর্কবার্তা তিনি পেয়েছিলেন। তারা তাকে জানিয়েছিলেন যে, একটি যুদ্ধের ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হবে, অস্ত্রের মজুদ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হবে এবং অতিরিক্ত চাপের মধ্যে থাকা বাহিনীর প্রস্তুতিতে সমস্যা দেখা দেবে।

 

মার্কিন গোয়েন্দাদের সকল সতর্কবার্তা এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অচলাবস্থায় পরিণত হয়েছে।

ইরানে কট্টরপন্থী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস-আইআরজিসি দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন এবং হরমুজ প্রণালীর মধ্য দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। হামলার প্রথম দিনেই ইরানের শীর্ষ ধর্মীয় নেতা আলী খামেনি মারা গেলেও তার ছেলে মোজতবা খামেনির নেতৃত্বাধীন নতুন শাসনব্যবস্থায় নতি স্বীকারের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এই দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থার কারণে ট্রাম্প প্রশাসন এখন কোনো পারমাণবিক চুক্তি ছাড়াই, কেবল এই হরমুজ প্রণালী খুলে দিতে পারাকেই নিজেদের বিজয় হিসেবে মনে করছে, যদিও সেটাও এখন সুদূর পরাহত মনে হচ্ছে।

গোয়েন্দাদের সতর্কবার্তা উপেক্ষা করার পরিণতি এখন কড়ায় কন্ডায় গুনতে হচ্ছে ট্রাম্পকে। প্রায় ছয় মাস ধরে চলা এই যুদ্ধ আমেরিকার গোলাবারুদের মজুদও খালি করে ফেলেছে বলে জানা গেছে। ফলে ট্রাম্প এখন ইরানের অর্থনীতিকে গুঁড়িয়ে দিতে নিষেধাজ্ঞা এবং স্থায়ী অবরোধের ওপর নির্ভর করে একটি 'অপেক্ষা করো এবং দেখো' কৌশল অবলম্বন করছেন। তিনি যুক্তি দেখাচ্ছেন যে, তার এই কৌশল ইসলামিক শাসনব্যবস্থাকে তার পায়ে এসে লুটিয়ে পড়তে বাধ্য করবে।

তবে এই যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তেলের মজুদ কমে গেছে। যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ১৮ জন মার্কিন সেনাসহ ৩ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এটি এখন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে রিপাবলিকানদের জয়ের সম্ভাবনাকে কঠিন করে তুলছে। ট্রাম্পের আর শান্তির দূত হওয়া হয়নি বরং ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা এখন প্রেসিডেন্ট মেয়াদের সর্বনিম্ন স্তরে নেমে এসেছে।

হোয়াইট হাউসের কিছু প্রাক্তন কর্মকর্তা এবং জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের বিশ্বাস, ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি চিরতরে পুরোপুরি বন্ধ করার কোনো সহজ চুক্তি পাওয়ার পথ নেই। নিউক্লিয়ার থ্রেট ইনিশিয়েটিভ-এর ডেপুটি ভাইস প্রেসিডেন্ট এরিক ব্রুয়ার, যিনি ডেমোক্র্যাট এবং রিপাবলিকান উভয় প্রশাসনেই কাজ করেছেন, ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে বলেন, ‘এসব কিছুরই পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব ছিল এবং পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘কোনো স্পষ্ট রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছাড়াই এই যুদ্ধ শুরু করা হয়েছিল; এই অকাট্য সত্য থেকে শুরু করে যুদ্ধ শেষ করার প্রচেষ্টায় ভুলভাবে পরিচালিত কূটনীতি পর্যন্ত আপনি একটি স্পষ্ট যোগসূত্র খুঁজে পাবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: কোটি টাকার এস্কাফসহ প্রাইভেট কার জব্দ করল ডিবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শাহিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৪৯ পি.এম


মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: কোটি টাকার এস্কাফসহ প্রাইভেট কার জব্দ করল ডিবি

মাদকের ভয়াবহ প্রভাব থেকে জনগণকে রক্ষা করার এবং জেলায় মাদক-চোরাচালান নির্মূলের প্রতিশ্রুতি নিয়ে পরিচালিত এক অভিযানে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ বিপুল পরিমাণ অবৈধ মাদকদ্রব্যসহ এক যুবককে গ্রেফতার করেছে। এ সময় মাদক পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেট কারও জব্দ করা হয়েছে।

ডিবি সূত্রে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাসের নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই (নিঃ) মো. ফয়সাল হাসানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দক্ষ দল আজ ২৬ আগস্ট ২০২৬ তারিখ রাত ৩:৪০ ঘটিকায় সদর মডেল থানাধীন মহানন্দা সেতুর টোলঘরের সামনে অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযানের সময় পুলিশ ১,১২৫ (এক হাজার একশত পঁচিশ) বোতল কোডিন ফসফেট মিশ্রিত অবৈধ মাদকদ্রব্য ‘এস্কাফ’ (ESkuf) সিরাপ উদ্ধার করে এবং মাদক পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত একটি সিলভার রঙের টয়োটা প্রাইভেট কার (রেজিঃ নং- ঢাকা মেট্রো-গ ১৭-৮৯২৫) জব্দ করে।

ঘটনাস্থল থেকে গ্রেফতারকৃত আসামীর নাম মোঃ সামি (২১)। সে নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও থানার সোনাপুর (বর্তমান) এলাকার মৃত বদু ও হনুফার ছেলে।

ডিবি পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

জেলা পুলিশের আহ্বান:

মাদক ও চোরাচালানমুক্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জ গড়তে সাধারণ জনগণকে তথ্য দিয়ে পুলিশের পাশে থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে। তথ্য প্রদানকারীর পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নদীতে ঝাঁপ দেওয়া নারীকে সাঁতরে উদ্ধার, সেই পুলিশ সদস্যকে পুরস্কৃত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৫০ পি.এম


নদীতে ঝাঁপ দেওয়া নারীকে সাঁতরে উদ্ধার, সেই পুলিশ সদস্যকে পুরস্কৃত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদীতে ঝাঁপ দেওয়া এক নারীকে জীবন বাজি রেখে সাঁতরে উদ্ধার করা পুলিশ সদস্য অমিত হাসানকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) জেলা পুলিশ সুপার শাহ মো. আব্দুর রউফ তাঁর কার্যালয়ে অমিত হাসানের হাতে প্রশংসাপত্র ও নগদ অর্থ তুলে দেন।

এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে পৌর এলাকার শিমরাইল সেতুর কাছে এ ঘটনা ঘটে। ২৪ বছর বয়সী ওই নারী বিবাহিত। পারিবারিক বিষয়ে অভিমান করে তিনি আত্মহত্যার উদ্দেশে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্র জানায়, মঙ্গলবার রাতে ওই নারী শিমরাইল কান্দি এলাকার প্রথম সেতু থেকে তিতাস নদীতে ঝাঁপ দেন।

বিষয়টি দেখতে পেয়ে সেখানে এক ব্যাচমেটকে নিয়ে ঘুরতে যাওয়া পুলিশ লাইন্সের কনস্টেবল অমিত হাসান তাৎক্ষণিকভাবে পানিতে ঝাঁপ দেন। পরে সাঁতরে ওই নারীকে উদ্ধার করেন তিনি। পরে একটি নৌকার সহায়তায় তাঁকে নদীর তীরে এনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের পুলিশ বক্সে দায়িত্বে থাকা কনস্টেবল মঞ্জুর আলম ফারাবী বলেন, এক নারী সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার পর কনস্টেবল অমিত হাসান সঙ্গে সঙ্গে পানিতে লাফিয়ে পড়েন।

পরে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। খবর পেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১ নম্বর শহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক নাছির উদ্দিন হাসপাতালে ছুটে যান। তিনি ওই নারীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি জানান এবং তাঁর চিকিৎসার খোঁজ নেন।

ওই নারীর মা জানান, প্রায় ছয় মাস আগে সদর উপজেলার রাধিকা-জগতসার গ্রামে তাঁর মেয়ের বিয়ে হয়। বিয়ের পর স্বামীর সঙ্গে তিনি নারায়ণগঞ্জে থাকতেন।

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বনিবনা না হওয়ায় প্রায় তিন মাস আগে তিনি বাবার বাড়িতে চলে আসেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১ নম্বর শহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক নাছির উদ্দিন বলেন, ‘মেয়েটি আত্মহত্যার উদ্দেশে ব্রিজ থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। আমাদের এক পুলিশ সদস্য পানিতে ঝাঁপ দিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরে রাত ১২টায় তাঁকে তাঁর মা ও বোনের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।’

পুলিশ সদস্য অমিত হাসানের তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত, সাহসিকতা ও মানবিক ভূমিকার প্রশংসা করেছেন স্থানীয়রা। নিজের জীবনের ঝুঁকি উপেক্ষা করে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে একজনের জীবন রক্ষার ঘটনায় তাঁর পরিবারের সদস্যরাও পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে জশনে জুলুসে লাখো জনস্রোত, উৎসবমুখর নগরী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৫৪ পি.এম


চট্টগ্রামে জশনে জুলুসে লাখো জনস্রোত, উৎসবমুখর নগরী

চট্টগ্রাম, ২৬ আগস্ট, ২০২৬ : পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হলো বিশ্বের বৃহত্তম মিলাদ শোভাযাত্রা ‘জশনে জুলুস’। বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল থেকে লাখো মানুষের অংশগ্রহণে হামদ, নাত, তাকবির, দরুদ শরিফ ও জিকিরে উৎসব মুখর বন্দরনগরী। চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো মানুষের স্রোত নগরের ষোলশহর জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে সমবেত হন। 

বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নগরের ষোলশহর জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদরাসা সংলগ্ন আলমগীর খানকা-এ কাদেরিয়া সৈয়্যদিয়া থেকে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে ৫৫তম ঐতিহাসিক জশনে জুলুসের কার্যক্রম শুরু হয়। 

জুলুসে (শোভাযাত্রা) নেতৃত্ব দেন দরবারে সিরিকোটের সাজ্জাদানশীন পীর আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ সাবির শাহ। তার সঙ্গে ছিলেন সাহেবজাদা সৈয়্যদ মুহাম্মদ কাসেম শাহ ও শাহজাদা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আকিব শাহ। 

জুলুস শুরুর আগে দরবারে সিরিকোটের সাজ্জাদানশীন পীর আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ সাবির শাহ সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন। 

পরে দোয়া ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে জুলুসের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। 

শোভাযাত্রাটি মুরাদপুর, ২ নম্বর গেট, জিইসি মোড়, ওয়াসা, দামপাড়া, লালখান বাজার ও টাইগারপাসসহ নগরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া মাদরাসা মাঠে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে মাহফিল, জোহরের নামাজ ও দেশ-জাতির সমৃদ্ধি কামনায় মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ধর্মীয় শোভাযাত্রায় অংশ নিতে সকাল থেকেই নগরের বিভিন্ন সড়কে ছিল মানুষের ঢল। 

আনজুমানে রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এবারের জুলুসে লাখো মানুষের সমাগম হয়েছে বলে দাবি আয়োজকদের। শান্তি, মানবতা, অহিংসা ও মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আদর্শের বার্তা নিয়ে এ আয়োজন করা হয়েছে।

জুলুসকে ঘিরে নগরের বিভিন্ন সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ মোড় তোরণ, ব্যানার, ফেস্টুন ও সবুজ পতাকায় সাজানো হয়েছে। 

ষোলশহর, মুরাদপুর, জিইসি মোড়, ওয়াসা, লালখান বাজার ও টাইগারপাস এলাকায় নানা আকৃতির তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে। জুলুসের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি আনজুমান ট্রাস্টের প্রায় ১০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করেন। 

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭৪ সালে আওলাদে রাসুল আল্লামা হাফেজ সৈয়্যদ মুহাম্মদ তৈয়্যব শাহ (র.)-এর দিকনির্দেশনায় চট্টগ্রামে প্রথম জশনে জুলুসের আয়োজন করা হয়।

এরপর প্রতিবছর ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষ্যে এ আয়োজন হয়ে আসছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%