০৩:৩৮ পি.এম
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ জানিয়েছেন, ফারাক্কা চুক্তির নবায়ন এবং অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করার মাধ্যমে ভারতকে প্রকৃত বন্ধুত্বের প্রমাণ দিতে হবে, যা আগামী ১২ ডিসেম্বরে মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে।
রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে পঞ্চগড় সদর উপজেলার মীরগড় এলাকায় দ্বিতীয় করতোয়া সেতু পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ফরহাদ হোসেন বলেন, ফারাক্কা চুক্তির মেয়াদ ১২ ডিসেম্বরে শেষ হবে। ইতোমধ্যে আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে এবং আমার পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে যোগাযোগের বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কলকাতায় টেকনিক্যাল কমিটির একটি সভা ইতোমধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আরও পড়ুন: দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, এক পয়সাও নয়ছয় সহ্য করা হবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
তিনি আরও বলেন, আমাদের বন্ধুপ্রতিম প্রতিবেশী দেশকে আহ্বান জানাবো। বিশেষ করে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে যে চুক্তিটি করেছিলেন, পানি পাওয়ার ক্ষেত্রে গ্যারান্টি ক্লজ- সেই গ্যারান্টি ক্লজকে সামনে রেখে আমরা চাই আগামীতে আমাদের ফারাক্কা চুক্তি নবায়ন হবে এবং সেটাকে বাস্তবায়ন করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বিগত ১৭ বছরে একপাক্ষিক সমর্থনের কারণে দুই দেশের জনগণের মধ্যে যে প্রশ্নের উদ্ভব হয়েছিল, গ্যারান্টি ক্লজসহ ন্যায্য পানি বণ্টন নিশ্চিতের মাধ্যমে ভারতের বন্ধুত্বের প্রমাণ দেওয়া সম্ভব। শুধু ফারাক্কা চুক্তি নয়, সীমান্তজুড়ে বিস্তৃত ৫৪টি নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা এবং সেগুলোর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতেও ইতিবাচক ভূমিকার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
এ সময় পঞ্চগড় সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জাকির হোসেন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহিরুল ইসলাম কাচ্চু, জেলা যুবদলের সভাপতি ফেরদৌস ওয়াহিদ রাসেল, সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান বাবুসহ সড়ক বিভাগের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: দিল্লিতে জাতীয় পতাকা হাতে মিছিলের প্রস্তুতিতে অভিজিৎ দীপকেকে আটক
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন