ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শ্রীলঙ্কার কারাগারে ভারতের বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার, জানুন ঘটনার নেপথ্য


শ্রীলঙ্কার কারাগারে ভারতের বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার, জানুন ঘটনার নেপথ্য

লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগের দলের জাফনা কিংসের অন্যতম মালিক, ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার মনজ্যোৎ কালরা। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তিনি ম্যাচ ছেড়ে দেওয়ার জন্য নিজের দলের একজন ক্রিকেটারকে টাকা দিতে গিয়েছিলেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি বর্তমানে শ্রীলঙ্কার জেলে বন্দি রয়েছেন। পাশাপাশি, তাঁর জামিনের আবেদনও খারিজ হয়ে গেছে।

কলম্বোর প্রধান ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জামিনের আবেদন করেছিলেন কালরা এবং তাঁর সহকারী যুবরাজ পুষ্প। তাদের আইনজীবী আদালতে জানিয়েছিলেন, দুজনেরই শরীর খারাপ। সে কারণে মানবিক কারণে তাদের জামিন দেওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন।

তবে এই আবেদনের বিরোধিতা করেছেন শ্রীলঙ্কা পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল। পুলিশের দাবি মেনে নিয়ে প্রধান ম্যাজিস্ট্রেট দুজনকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার কারণে এসপি তানিয়া বরখাস্ত

কালরার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন শ্রীলঙ্কার জাতীয় দলের তিন ক্রিকেটার ভানুকা রাজাপখ, আবিষ্কা ফের্নান্দো এবং দুনিথ ওয়েল্লালাগে। এ ছাড়া আরও দুজন ঘরোয়া ক্রিকেটারও কালরার বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন।

ভারত ২০১৮ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। পৃথ্বী শ’র নেতৃত্বাধীন সেই দলে ওপেনার হিসেবে ছিলেন কালরা। তিনি পৃথ্বীর সঙ্গে ইনিংস শুরু করতেন এবং তিন নম্বরে ব্যাট করতেন শুভমান গিল। ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে অপরাজিত ১০১ রান করে দলকে জয় এনে দিয়েছিলেন কালরা।

তবে পরবর্তী সময়ে, কালরা ক্রিকেটে নিজের জায়গা ধরে রাখতে পারেননি। ক্রিকেটে ভবিষ্যৎ গড়তে না পেরে স্পোর্টস কমিউন নামের একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন। এই সংস্থাই ছিল জাফনা কিংসের অন্যতম মালিক।

কিন্তু ম্যাচ গড়াপেটার সঙ্গে নাম জড়ানোর পর, লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ কালরার সঙ্গে সব চুক্তি বাতিল করে দিয়েছে। সবমিলিয়ে কালরার সমস্যা ক্রমেই বাড়ছে।

আরও পড়ুন: দুর্গাপূজায় বাড়তি যানবাহনের চাপ সামলে নির্বিঘ্ন চলাচল সেতুতে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাড়ির ফুলের টবে গাঁজা চাষ করতেন লোকমান, গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১৭ পি.এম


বাড়ির ফুলের টবে গাঁজা চাষ করতেন লোকমান, গ্রেপ্তার

বাসার ছাদে, বেলকনিতে কিংবা আঙিনায় ফুল ও শাকসবজির দেখা মেলে প্রায় সব জায়গাতেই। তবে চট্টগ্রাম নগরের এক ব্যক্তি তার নিজস্ব বসতঘরে ফুলের টবের মধ্যে রীতিমতো গাঁজার চাষ শুরু করেছেন। র‌্যাবের একটি টিম খবর পেয়ে এ বিষয়ে অভিযান চালিয়ে তার কর্মকাণ্ডের সত্যতা প্রমাণিত করেছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) রাতে নগরের বায়েজিদ বোস্তামি থানার পশ্চিম শাজিনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে র‌্যাব ১২টি গাঁজা গাছসহ ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে।

গ্রেপ্তার হওয়া লোকমান হোসেন (৪৪) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় বসবাস করেন। চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদে তার বাসস্থান অবস্থিত।

র‌্যাব-৭ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, লোকমান হোসেন তার বসতঘরের টিনের চালে দুটি প্লাস্টিকের টবে ৬টি করে মোট ১২টি গাঁজার গাছ লাগিয়েছেন। তিনি গাছ থেকে কুড়ানো গাঁজা শুকিয়ে নিষিদ্ধ মাদক তৈরি করেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে তিনি গাঁজার চাষ করে আসছিলেন। এবিষয়ে মাদক আইনে একটি মামলা করে তাকে বোস্তামি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে র‌্যাবের পক্ষ থেকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জরিপ অধিদপ্তর পরিদর্শনে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১৯ পি.এম


জরিপ অধিদপ্তর পরিদর্শনে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

বাংলাদেশ জরিপ অধিদপ্তর পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম। এই পরিদর্শনের সময় অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আজিজুর রউফ তাঁকে স্বাগত জানান।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে এ পরিদর্শন অনুষ্ঠিত হয়।

পরিদর্শনকালে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা জাতীয় মানচিত্র প্রণয়ন ও হালনাগাদ, আন্তর্জাতিক সীমানা জরিপ, ভূস্থানিক তথ্য সংগ্রহ, স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ, এবং ডিজিটাল এলিভেশন মডেল প্রস্তুত কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত হন।

তিনি বলেন, নির্ভুল ও হালনাগাদ মানচিত্র উন্নয়ন পরিকল্পনা, অবকাঠামো নির্মাণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং জাতীয় নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ভূস্থানিক তথ্যের সমন্বয় ও নিয়মিত হালনাগাদের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেছেন, প্রশিক্ষণে জরিপ ও ভূস্থানিক জ্ঞানের ব্যবহার বৃদ্ধি, দেশীয় ডিজিটাল ম্যাপিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরির সম্ভাবনা যাচাই, এবং ভূকৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ এলাকার হালনাগাদ তথ্য নিয়মিত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের জন্য তিনি নির্দেশনা প্রদান করেন।

এছাড়া তিনি ঢাকা ও চট্টগ্রামের ডিজিটাল এলিভেশন মডেল আগামী চার মাসের মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন এবং পরবর্তী পর্যায়ে সিলেট ও কুমিল্লায় কাজ শুরু করার জন্যও নির্দেশনা দেন।

পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, ‘উন্নত ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে সঠিক তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনার বিকল্প নেই। নির্ভুল মানচিত্র ও আধুনিক ভূস্থানিক তথ্য সেই পরিকল্পনার পথ নির্দেশক।’

এ সময় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফ উদ্দিন এবং বাংলাদেশ জরিপ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নলতায় ফারজানার লাশ দেখে অজ্ঞান হন হত্যা মামলার সাক্ষী হামিদুল মোড়ল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কালিগঞ্জ (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২০ পি.এম


নলতায় ফারজানার লাশ দেখে অজ্ঞান হন হত্যা মামলার সাক্ষী হামিদুল মোড়ল

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা ইউনিয়নের কাশিবাটি গ্রামে ফারজানা সুলতানার মরদেহ উদ্ধারের সময় এ বিষয়ে সাক্ষ্যদানকারী হামিদুল ইসলাম (হামিদুল মোড়ল) তা দেখে অজ্ঞান হয়ে পড়েন। তিনি কাশিবাটি গ্রামের এন্তোফ মোড়লের সন্তান এবং ফারজানা হত্যা মামলার অন্যতম প্রধান সাক্ষী।

হামিদুল ইসলামের দাবি, ফারজানা গত ২০ জুলাই নিখোঁজ হওয়ার পর তিনি এবং তার স্বজনরা কালিগঞ্জ থানায় গিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে সন্ধ্যা ৭টার দিকে যখন তাঁরা খোঁজাখুঁজি করছিলেন, তখন সুমাইয়া খাতুনের ঘরের তালা খুলে পুলিশ এবং স্থানীয়রা ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে একটি ওয়ারড্রবের ভেতর ভাঁজ করা অবস্থায় ফারজানার মরদেহ দেখা যায়।

হামিদুল ইসলাম বলেন, কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে তিনি ঘরে প্রবেশ করেন। যখন তিনি ওয়ারড্রবের ভেতরে ফারজানার মরদেহ দেখেন, তখন তিনি জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাঁকে বাড়িতে নিয়ে যান।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় এক ঘণ্টা পর তিনি জ্ঞান ফিরে জানতে পারেন, সুমাইয়া খাতুনকে জনতা পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে গণপিটুনি দিয়েছে। এরপরে যেই ঘরে সুমাইয়ার মরদেহ রাখা হয়েছিল, সেখানে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভানোর জন্য আহ্বান জানান এবং স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে ফারজানার মরদেহ ঘর থেকে বের করা হয়।

হত্যার পেছনে একজোড়া সোনার দুলই কারণে রয়েছে এবং কারণ হিসেবে সুমাইয়া ফারজানাকে হত্যা করেছে—এমন তথ্য কিভাবে তিনি জানলেন, এ বিষয়ে হামিদুল ইসলাম সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।

পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার হওয়া আব্দুল্লাহ আল মামুন জানিয়েছেন, প্রায় চার বছর আগে হামিদুল ইসলামের উদ্যোগে তার বোন সুমাইয়া খাতুনের বিয়ে একই গ্রামের আমিরুল ইসলামের সঙ্গে হয়েছিল। বিয়ের পর তাঁরা জানতে পারেন, আমিরুল মাদকাসক্ত ও জুয়ায় আসক্ত ছিলেন। এ নিয়ে দাম্পত্য কলহ, নির্যাতন এবং একাধিক সালিস বৈঠকের ঘটনা ঘটে।

মামুনের দাবি, একটি সালিস বৈঠকে হামিদুল ইসলাম তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁকে মারধর করে, ফলে উভয় পরিবারের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। তবে ফারজানা সুলতানার পরিবার এবং সুমাইয়া খাতুনের পরিবারের মধ্যে ভালো সম্পর্ক বজায় ছিল। তারা একে অপরের বাড়িতে যাতায়াত করতেন, রান্না করা খাবার বিনিময় করতেন এবং পারিবারিক লেনদেনও ছিল।

মামুন আরও জানান, ঘটনার দিন সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তিনি ভাগনি আমেনাকে খাবার কিনে দিয়ে বাড়ি ফেরেন। পরে দুপুর সোয়া ১টার দিকে কয়েকজন মোবাইল ফোনে জানতে চান, সুমাইয়া এবং ফারজানা তাদের বাড়িতে গেছে কি না।

হামিদুল ইসলামের বক্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম তার দাবি নাকচ করেন। তিনি বলেন, "হামিদুল মোড়ল নামে কাউকে আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি না। নিহত সুমাইয়া খাতুন ফারজানা হত্যাকাণ্ডে জড়িত—এমন কোনো বক্তব্য তিনি পুলিশকে দেননি। এছাড়া যে ঘরে ফারজানার মরদেহ পাওয়া যায়, সেখানে সুমাইয়ার কাছ থেকে চাবি নিয়ে প্রবেশ করা হয়নি। স্থানীয় লোকজন তালা ভেঙে ঘরে ঢুকেছিলেন। হামিদুল নামে কেউ সেখানে অজ্ঞান হয়েছিলেন কি না, সে বিষয়ে আমার জানা নেই।"

ফারজানা সুলতানা হত্যা মামলার তদন্ত এখনও চলছে। মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঘটনার প্রকৃত কারণ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা এবং বিভিন্ন পক্ষের বক্তব্য যাচাই করে দেখছেন। ঘটনার বিষয়ে হামিদুল ইসলাম এবং পুলিশের বক্তব্যে অসঙ্গতি থাকায় তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্দর অবকাঠামো উন্নয়নে কাতার সরকারকে বিনিয়োগের আহ্বান নৌপরিবহন মন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২১ পি.এম


বন্দর অবকাঠামো উন্নয়নে কাতার সরকারকে বিনিয়োগের আহ্বান নৌপরিবহন মন্ত্রীর

নৌপরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সঙ্গে বাংলাদেশে কাতারের রাষ্ট্রদূত সারাইয়া আলি আল-কাহতানি সাক্ষাৎ করেছেন।

সাক্ষাৎকালে, যা গতকাল সন্ধ্যায় সচিবালয়ের মন্ত্রীর অফিস কক্ষে হয়ে ছিল, বাংলাদেশ এবং কাতারের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার উদ্দেশ্যে বন্দর উন্নয়ন, সামুদ্রিক বাণিজ্য, লজিস্টিকস, বিনিয়োগ এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

নৌপরিবহন মন্ত্রী উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার দেশের বন্দর অবকাঠামোর আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়নের কাজ করছে। তিনি জানান, চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রা বন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে সরকার কাজ করছে। এই প্রেক্ষাপটে, বাংলাদেশের বন্দর অবকাঠামো উন্নয়ন, টার্মিনাল নির্মাণ, লজিস্টিকস এবং সংশ্লিষ্ট খাতে বিনিয়োগের জন্য কাতারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, কাতার বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু এবং উভয় দেশের মধ্যে বিদ্যমান চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আগামীতে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতার মাধ্যমে আরও বিস্তৃত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

কাতারের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের বন্দর ও নৌপরিবহন খাতের উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং তিনি এ খাতে সহযোগিতা ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে ইতিবাচক আগ্রহ প্রকাশ করেন।

সাক্ষাৎ শেষে, উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও কাতারের জনগণের পারস্পরিক কল্যাণে বন্দর, নৌপরিবহন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এছাড়া, দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে নিয়মিত যোগাযোগ ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকারিয়া এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণও সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%