বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:৪০ পি.এম
বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ভাষা পিএইচপিতে ‘পিএইচপি২শেল’ নামে পরিচিত দুটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ নিরাপত্তা ত্রুটি চিহ্নিত করা হয়েছে। এই ত্রুটির মাধ্যমে হ্যাকাররা ইউজারনেম বা পাসওয়ার্ড ছাড়াই দূর থেকে সার্ভারের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করতে সক্ষম হন।
এই পরিস্থিতিতে, সরকারি ও বেসরকারি সব ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আজ উচ্চ সতর্কতা জারি করেছে বাংলাদেশ সরকারের কম্পিউটার ইনসিডেন্ট রেসপন্স টিম (বিজিডি ই-গভ সার্ট)।
সংস্থাটি জানায়, ত্রুটি দুটির সিভিই আইডি হচ্ছে সিভিই-২০২৬-১০৯৬১৮ ও সিভিই-২০২৬-১০৯৬১৯। সার্বিক ঝুঁকি বিবেচনায় এর সিভিএসএস (সিভিএসএস) স্কোর ৯.২, যা সর্বোচ্চ মাত্রার বিপজ্জনক বা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
সার্টের জারি করা সতর্কবার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, এই জটিল সমস্যাটি মূলত পিএইচপির মেমোরি ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সম্পর্কিত। সার্ভারের মেমোরি শেষ হয়ে গেলে কিংবা মেমোরি খালি করার পরও পুরনো রিকোয়েস্টের ডেটা থেকে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে হ্যাকাররা বিশেষভাবে তৈরি এইচটিটিপি রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সহজেই সার্ভারে ক্ষতিকর কোড এক্সিকিউট করতে পারে।
এর ফলে সর্বাধিক ঝুঁকিতে রয়েছে পিএইচপি-এফপিএম এবং অ্যাপাচির ‘মড_পিএইচপি’ ব্যবহারকারীরা। এছাড়া, পিএইচপি-সিজিআই, ফ্র্যাঙ্কেনপিএইচপি, লাইটস্পিড, ডকার কন্টেইনার এবং শেয়ার্ড হোস্টিংয়ে পরিচালিত দেশের সব সরকারি পোর্টাল, ব্যাংক, ই-কমার্স, ওয়ার্ডপ্রেস ও লারাভেল ভিত্তিক ওয়েবসাইটগুলোও চরম হুমকির সম্মুখীন।
সতর্কতায় বলা হয়েছে, সফল আক্রমণের ফলে পুরো সার্ভারের দখল চলে যাওয়া, ডেটা ও ফাইল চুরি, ডাটাবেসের পাসওয়ার্ড ও এপিআই কি ফাঁস এবং ওয়েবসাইট অচল হয়ে যাওয়ার মতো বড় ক্ষতি হতে পারে।
সমাধান হিসেবে সার্ট অবিলম্বে পিএইচপি হালনাগাদ করার জন্য পরামর্শ দিয়েছে। নিরাপদ সংস্করণগুলো হলো- ৮.৫.১২, ৮.৪.২৭, ৮.৩.৩৬ এবং ৮.২.৩৫। শুধু ফ্রেমওয়ার্ক নয়, সার্ভারের মূল পিএইচপি রানটাইম হালনাগাদ হয়েছে কি না তা নিশ্চিত করার জন্যও বলা হয়েছে।
সতর্কবার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, যারা এখনই প্যাচ দিতে পারবেন না, তাদের জন্য সাময়িকভাবে সার্ভার ভিপিএন এর পেছনে রাখা, আইপিভিত্তিক অনুমোদন তালিকা তৈরি করা এবং লগ পর্যবেক্ষণ বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে হালনাগাদ করাই একমাত্র স্থায়ী সমাধান বলে জানিয়েছে সার্ট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গহীন সুন্দরবনের একটি দর্শনার্থীর ক্যামেরায় বিরল প্রজাতির মাছ মুরাল ঈগল ধরা পড়েছে। এক সময় এই পাখিটি সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় দেখা যেত, তবে বর্তমানে এটি আর দেখা যায় না। বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞদের ধারণা, আবাসস্থল এবং খাদ্য সংকটের কারণে এটি লোকালয় থেকে হারিয়ে গেছে।
২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার, বন্ধুদের সাথে সুন্দরবন ভ্রমণে গিয়ে পাখিটি ক্যামেরাবন্দী করেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর আমিরুল ইসলাম কাগজী। তিনি বলেন, "আমার জন্মস্থান খুলনার পাইকগাছা উপজেলায়। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে এলাকায় এসে বন্ধুদের নিয়ে সুন্দরবন ভ্রমণে গিয়েছিলাম।"
তিনি আরও জানান, "সেখানে আমার ক্যামেরায় ধরা পড়ে পাখিটি। পাখিটির নাম মাছমুরাল ঈগল (Osprey) যার বৈজ্ঞানিক নাম Pandion Haliaetus।"
বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ। জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ সুন্দরবনে বিভিন্ন প্রজাতির পাখির সমাহার রয়েছে। সূত্রভেদে এই সংখ্যার কিছুটা তারতম্য দেখা যায়। তবে সাধারণ ও প্রাতিষ্ঠানিক হিসাব অনুযায়ী সুন্দরবনে ২৭০ থেকে ৩২০ প্রজাতির পাখি রয়েছে। আন্তর্জাতিক গবেষণা ও বোটানিক্যাল সার্ভার অনুযায়ী (যেমন ভারতের জুলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া বা জেডএসআই-এর তথ্যমতে পুরো সুন্দরবন অঞ্চলে) এই সংখ্যা ৪২৮ থেকে ৪৩০ প্রজাতির কাছাকাছি রয়েছে। এর মধ্যে স্থানীয় স্থায়ী পাখি ছাড়াও শীতকালে আসা অসংখ্য পরিযায়ী বা অতিথি পাখিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক নিখিল চন্দ্র ভদ্র বলেন, "ঈগল পরিচিত পাখি গুলোর মধ্যে অন্যতম। এক সময় সুন্দরবন উপকূলীয় লোকালয়ে প্রচুর ঈগল পাখি দেখা যেত। কালের বিবর্তনে ঈগল পাখি হারিয়ে যেতে বসেছে। লোকালয়ের বিপন্ন প্রজাতির পাখিদের মধ্যে ঈগল অন্যতম।"
তিনি আরও বলেন, "নতুন প্রজন্মের ছেলে মেয়েরা ঈগল পাখি শুধুমাত্র বইয়ের পাতায় দেখে। বাস্তবে দেখতে পাইনা। খাদ্যাভাব এবং নিরাপদ আবাসস্থল সংকটের কারণে ঈগল লোকালয় থেকে হারিয়ে গেছে। ঈগল সহ বিপন্ন বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে বাস্তবসম্মত সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার বৈকুণ্ঠপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শহীদ মিনার ভাঙা অবস্থায় পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ের মাঠে শহীদ মিনারটি ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয়রা। তবে এ ঘটনার পেছনে কে বা কারা রয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের মতে, ১৯০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টির মাঠে ২০১৬ সালে শহীদ মিনারটি নির্মাণ করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সকালে গ্রামের মুদি দোকানি সেকেন্দার আলী বিদ্যালয়ের মাঠে পানি নিতে গিয়ে শহীদ মিনারটি ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান। এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
খবর পেয়ে বদলগাছী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান ও উপপরিদর্শক (এসআই) কামরুলের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
এসআই কামরুল মন্তব্য করেন, ‘প্রাথমিকভাবে ভাঙচুর বলে মনে হচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা শুক্লা রানী জানান, শহীদ মিনার ভাঙা অবস্থায় পাওয়ার খবর পেয়ে তিনি বিদ্যালয়ে যান। তার বক্তব্য অনুযায়ী, স্থাপনাটি আগে থেকেই নড়বড়ে ছিল। তবে কে বা কারা এটি ভেঙেছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
বিদ্যালয়ের দপ্তরি রাতে দায়িত্ব পালন করেন কি না, জানতে চাইলে তিনি জানান, নতুন পরিপত্র অনুযায়ী তাদের রাতে দায়িত্ব পালনে শিথিলতা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তারা রাতে দায়িত্ব পালন করেন না।
বদলগাছী উপজেলার ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইদুর রহমান বলেন, ঘটনাটি জানার পর আইনি ব্যবস্থা নিতে প্রধান শিক্ষককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বদলগাছী থানার ওসি হাবিবুর রহমান জানান, ঘটনাটি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথি দাবি করেছে যে, তারা সউদী আরবে সামরিক ও বেসামরিক অবকাঠামোর বিরুদ্ধে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। এই ধারাবাহিক হামলাগুলি ইয়েমেনের উপকূলীয় এবং অভ্যন্তরীণ এলাকা থেকে পরিচালিত হয়, যেখানে দেশটির রাজধানী রিয়াদের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়সহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।
হুথির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারে জানিয়েছেন, গত ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সউদী আরবের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে একযোগে হামলা চালানো হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, রাজধানী রিয়াদের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ভবনের পাশাপাশি লোহিত সাগরের তীরে অবস্থিত ইয়ানবু অঞ্চলের সউদী আরামকোর (Saudi Aramco) জ্বালানি স্থাপনা, আবহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে নিশানা করা হয়েছে।
এদিকে, দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার বিষয়টি সউদী কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে। সউদী কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, বিমানবন্দরে আঘাত হানা হামলায় দুজন প্রাণ হারিয়েছেন। তবে রিয়াদের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ইয়ানবুর আরামকো স্থাপনায় হামলার বিষয়ে সউদী কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
মধ্যপ্রাচ্য এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই তীব্র হামলাকে বড় ধরনের সামরিক সংঘাতের বৃদ্ধি হিসেবে বিশ্লেষকরা দেখছেন। সূত্র: রয়টার্স, এএফপি|
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি মন্তব্য করেছেন, জনগণ যাদের বিচার ও ফাঁসির রায় কার্যকর করার জন্য চায়, সেই পলায়িত খুনি ও স্বৈরাচারী চক্র আবারও দ্বিগুণ ভয়ঙ্কর রূপে ফিরে আসার চেষ্টা করলেও দেশের জনগণ তাদের প্রতিরোধ করবে। তিনি উল্লেখ করেন, "বাংলাদেশের মানুষ দায়িত্ব দিয়েছেন দেশ পরিচালনার। জনগণেরকে যারা হত্যা করেছে, গুলি করেছে, পালিয়ে গেছে, তারা আবার বলে যে দ্বিগুণ ভয়ঙ্কর হয়ে নাকি তারা বাংলাদেশে আসবে। বাংলাদেশের জনগণই তাদেরকে প্রতিরোধ করবে, প্রতিহত করবে। এবং তাদের যে বিচার হয়েছে, জনগণ সেই বিচার কার্যকর করবে, ফাঁসির রায় কার্যকর করবে ইনশাআল্লাহ।"
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেল টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জেলা বিএনপির উদ্যোগে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম হামিদুল হক মোহনের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা ও বিশ্বাস রেখেছে। দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা সম্পূর্ণ নিরাপদ। স্বাধীনতা-বিরোধী একাত্তরের রাজাকার কিংবা নব্য ফ্যাসিবাদ-কারো কাছেই দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নিরাপদ নয়। গণহত্যা চালিয়ে পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচারী চক্র কিংবা একাত্তরের ঘাতক-কারোরই ন্যূনতম কোনো অনুশোচনা নেই। একটি দল আছে স্বাধীনতার বিরুদ্ধে তারা কাজ করেছে, তাদেরকে রাজাকার বলা হয়। আরেকটি দল নব্য ফ্যাসিবাদ হিসেবে বিদায় নিয়েছে। অসংখ্য মানুষকে হত্যা করেছে, খুন করেছে। তাদের কোনো অনুশোচনা নেই। এবং একাত্তরে যারা রাজাকার ছিল তাদেরও কিন্তু কোনো অনুশোচনা নেই। তারা দেশে ষড়যন্ত্র করলেও সফল হতে পারবে না, কারণ ষড়যন্ত্র করে কখনোই মানুষের হৃদয় জয় করা যায় না।
প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জাতীয় ঐক্যের ওপর জোর দিয়ে বলেন, আমাদের দেশপ্রেমকে বুকে ধারণ করে পথ চলতে হবে। এই বাংলাদেশকে বুকে ধারণ করে আমাদের পথ চলতে হবে, দেশপ্রেমকে বুকে ধারণ করে আমাদের পথ চলতে হবে। দেশের মানুষ আমাদের সাথে রয়েছে, কাজেই আমরা যদি এক এবং ঐক্যবদ্ধ থাকি, আমরা যদি সজাগ থাকি, এমন কোনো শক্তি নাই জাতীয়তাবাদী শক্তিকে পরাজিত করে।
তিনি আরো বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে দেশকে আত্মনির্ভরশীল করেছিলেন এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। এই দেশকে একটি উন্নতশীল দেশ, স্বনির্ভর দেশ, যেটি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে আত্মনির্ভরশীল দেশ প্রতিষ্ঠিত করেছিল। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রতিষ্ঠিত করেছিল সংসদীয় গণতন্ত্র। তারই ধারাবাহিকতায় জনগণের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে বিএনপি দেশকে একটি উন্নত ও স্বনির্ভর রাষ্ট্র হিসেবে এগিয়ে নিয়ে যাবে। বাংলাদেশের জনগণের যে চাহিদা, গণতান্ত্রিক যে আকাঙ্ক্ষা, সেটি ধারণ করে বিএনপির নেতৃত্বেই আমরা ইনশাআল্লাহ এগিয়ে যাব।
টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীনের সভাপতিত্বে এবং জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক সানুর সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ পাহেলী, পরিবারের পক্ষে বক্তব্য রাখেন শহীদুল ইসলাম শাহিন, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সফিকুর রহমান সফিক, টাঙ্গাইল সদরথানা বিএনপির সভাপতি, সাবেক জেলা যুবদল সভাপতি আহমেদুল হক শাতিল, সাবেক সহ সভাপতি কেন্দ্রীয় সেচ্ছাসেকক দল জিয়াউল হক শাহিন, জেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি আতাউর রহমান জিন্নাহ প্রমুখ।
আলোচনা সভা শেষে বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম হামিদুল হক মোহনের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। দোয়া মাহফিলে মরহুম হামিদুল হক মোহনের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মুনজাত করা হয়। এ সময় জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ