ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

জঙ্গল সলিমপুরের মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে বৈঠক, উপস্থিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


জঙ্গল সলিমপুরের মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে বৈঠক, উপস্থিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চট্টগ্রামের আলোচিত জঙ্গল সলিমপুর নিয়ে একটি সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রস্তুত করার লক্ষ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) দামপাড়া পুলিশ লাইন্সের পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির।

সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী বিষয়টি নিশ্চিত করে কালের কণ্ঠকে জানান, জঙ্গল সলিমপুর এলাকার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং এলাকার বিদ্যমান সমস্যাসমূহ মোকাবেলায় সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এ লক্ষ্যে একটি কার্যকর ও বাস্তবসম্মত সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও সংস্থার দায়িত্ব ও কার্যক্রমের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় প্রতিষ্ঠার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়।

আরও পড়ুন: রংপুরের নতুন বিভাগীয় কমিশনার হলেন জাহাঙ্গীর আলম

এ সময় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অ্যাডিশনাল আইজিপি সরদার নুরুল, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম, জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞাসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মায়ের স্বপ্ন পূরণ করতে শাহরুখকে সুপারস্টার হিসেবে দেখতে চেয়েছিলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০৫ পি.এম


মায়ের স্বপ্ন পূরণ করতে শাহরুখকে সুপারস্টার হিসেবে দেখতে চেয়েছিলেন

বলিউডের ‘বাদশাহ’ শাহরুখ খানকে সুপারস্টার হিসেবে দেখতে চেয়েছিলেন তার মা লতিফ ফাতিমা খান। শাহরুখের মায়ের সেই স্বপ্ন পূরণ করার উদ্দেশ্যে তিনি অভিনয়জগতে প্রবেশের সিদ্ধান্ত নেন। যদিও একসময় তার চলচ্চিত্রের প্রতি বিশেষ আগ্রহ ছিল না, মায়ের ইচ্ছা তাকে বড় পর্দায় আসার জন্য অনুপ্রাণিত করেছিল। এই বিষয়টি তিনি এক পুরনো সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেছিলেন।

১৯৯১ সালে ‘ডেকান হেরাল্ড’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শাহরুখ জানিয়েছেন, চলচ্চিত্রজগতের প্রতি তার বিশেষ আকর্ষণ ছিল না। বরং, এই জগতের কাজের ধরন শুনে তার অস্বস্তি হতো। কিন্তু ১৯৯০ সালে মায়ের মৃত্যুর পর তার চিন্তাভাবনায় পরিবর্তন আসে। তিনি মায়ের স্বপ্ন পূরণ করার জন্য অভিনয়ে আসতে চেয়েছিলেন।

শাহরুখের কথায়, তিনি মাকে খুব ভালোবাসতেন। তাই মায়ের ইচ্ছাকে গুরুত্ব দিয়ে বড় পর্দায় কাজ করার সিদ্ধান্ত নেন। একই সঙ্গে দিল্লির বাড়িতে থাকা তার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছিল। বাড়ির প্রতিটি জায়গায় মায়ের স্মৃতি মনে পড়ত। তাই কাজের মধ্যে নিজেকে ব্যস্ত রাখতে মুম্বাইয়ে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

শাহরুখকে নিয়ে বিশ্বাস ছিল মায়ের

শাহরুখের সুপারস্টার হয়ে ওঠার স্বপ্ন দেখতেন তার মা। মানিকন্ট্রোলের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শাহরুখ একবার জানিয়েছিলেন, তার মা বিশ্বাস করতেন, একদিন তিনি দিলীপ কুমারের মতো সুপারস্টার হবেন। অন্যরা অবশ্য এমনটা মনে করতেন না। শাহরুখের ভাষায়, ‘বাকি সবাই বলত, এ কোনো দিলীপ কুমার হতে পারবে না।’

ছোটবেলাতেই মা-বাবাকে হারান শাহরুখ। ১৯৯০ সালে তার মা মারা যান। কঠিন সেই সময়ে বোন শেহনাজ লালারুখও তার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সঙ্গী ছিলেন।

টেলিভিশন থেকে বলিউডে

১৯৮৯ সালে ফৌজি ধারাবাহিকের মাধ্যমে অভিনয়জীবন শুরু করেন শাহরুখ। এরপর ১৯৯২ সালে দিওয়ানা ছবির মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয় তার। ধীরে ধীরে তিনি হয়ে ওঠেন ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় তারকা।

অভিনয় শেখার বিষয়ে শাহরুখের ভাবনাও ছিল আলাদা। তার মতে, অভিনয় শুধু প্রশিক্ষণকেন্দ্রে শেখার বিষয় নয়। আশপাশের মানুষকে পর্যবেক্ষণ করা, নিয়মিত অনুশীলন এবং ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার মাধ্যমেও অভিনয়ের দক্ষতা বাড়ানো সম্ভব।

কাজের ক্ষেত্রে শাহরুখকে পরবর্তী সময়ে সিদ্ধার্থ আনন্দ পরিচালিত কিং ছবিতে দেখা যাবে। ছবিটি ২৪ ডিসেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লালশাড়িতেই হারিয়ে যাচ্ছে ‘দৌড়ে বেড়ানো’ শৈশব, বাল্যবিবাহের ঝুঁকি বাড়ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০৫ পি.এম


লালশাড়িতেই হারিয়ে যাচ্ছে ‘দৌড়ে বেড়ানো’ শৈশব, বাল্যবিবাহের ঝুঁকি বাড়ছে

পিরোজপুর জেলা সদর থেকে মঠবাড়িয়া উপজেলা প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। বলেশ্বর নদের কোলঘেঁষা এই উপজেলায় প্রবাসী পরিবারের সংখ্যা বেশি। দীর্ঘদিন বিদেশে অবস্থানরত এসব পরিবারের অনেক অভিভাবক মেয়েদের দেখভালের দায়িত্ব অন্য সদস্যদের ওপর ছেড়ে দেন। তদারকি ও সচেতনতার অভাবের কারণে, কিছু কিশোরী বাল্যবিবাহের ঝুঁকিতে পড়ছে। অভিভাবকদের দায়িত্বহীনতা এবং সচেতনতার অভাবের ফলে বাল্যবিবাহের উদ্বেগজনক বাস্তবতা সামনে আসছে। শুধু পৌর শহরের বিদ্যালয়গুলোতেই নয়, উপজেলার ইউনিয়ন পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতেও বাল্যবিবাহের প্রকোপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে কাজ করা ব্যক্তিদের মতে, পিরোজপুর জেলায় বাল্যবিবাহের ঘটনা ঘটছে না এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুঁজে পাওয়া কঠিন। ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া যত সংখ্যক ছাত্রী দশম শ্রেণিতে পৌঁছাতে পৌঁছাতে ৩০ থেকে ৪৮ শতাংশ কেবল বাল্যবিবাহের কারণে ঝরে পড়ে। এর ফলে, অল্প বয়সে বিয়ের শিকার হওয়ার পাশাপাশি অনেক কিশোরী শিক্ষাজীবন থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি পরিবারের অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিভিন্ন কারণে তারা মেয়েদের অল্প বয়সে বিয়ে দিয়েছেন। কেউ দারিদ্র্য ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন, আবার কেউ ‘ভালো ছেলে’ পেয়ে যাওয়ার কারণে বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কিছু অভিভাবক দাবি করেছেন যে, তারা মেয়ের বিয়ের সিদ্ধান্ত নেননি, বরং ছেলে-মেয়েরা নিজেদের পছন্দে বিয়ে করেছে।

আব্দুল ওহাব আলিম মহিলা মাদ্রাসার অধ্যক্ষ বেলায়েত হোসেন মন্তব্য করেন, সরকার যদি এখনই কঠোর পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে বাল্যবিবাহের এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়বে। বাল্যবিবাহ নিবন্ধিত না হওয়ায়, নির্যাতন বা বিবাহবিচ্ছেদের শিকার হলেও মেয়েরা আইনি প্রতিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে কাজ করা সমাজকর্মী মমতাজ আক্তার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, উপজেলার দাউদখালী ইউনিয়নে এক মাদরাসাছাত্রীর বাল্যবিবাহের আয়োজন করা হয়েছিল। মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ও উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় তারা সেই বিয়ে বন্ধ করেন। এমনকি উপজেলার স্বনামধন্য সরকারি হাতেম আলী বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরও অল্প বয়সে বিয়ে হয়েছে। এ ধরনের অনেক ঘটনা ঘটছে।

এ বিষয়ে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা মনিকা আক্তার জানান, মঠবাড়িয়ায় বাল্যবিবাহের ঘটনা ঘটে। যেসব ঘটনার তথ্য পাওয়া যায়, সেগুলোর বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। প্রয়োজনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয় অথবা মুচলেকা নেওয়া হয়। তবে তাদের অগোচরে বাল্যবিবাহ হলে সে বিষয়ে তথ্য পাওয়া যায় না।

তিনি আরও বলেন, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে বিদ্যালয়ভিত্তিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম, পরিবারভিত্তিক উঠান বৈঠক এবং কিশোর-কিশোরী ক্লাবের মাধ্যমে নিয়মিত প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে। অনেক সময় বাল্যবিবাহ বন্ধ করে দেওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা পার্শ্ববর্তী উপজেলায় গিয়ে সরকারি নিবন্ধন ছাড়াই বিয়ে করেন। এ কারণে উপজেলায় বাল্যবিবাহের প্রকৃত সংখ্যা নিরূপণ করা কঠিন। তবে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাবি কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের দশম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, বক্তা ড. আলমোজাদ্দেদী ও লি শাওপেং

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০৬ পি.এম


ঢাবি কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের দশম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, বক্তা ড. আলমোজাদ্দেদী ও লি শাওপেং

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের দশম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং ‘চীনা চলচ্চিত্র দিবস’ উদযাপন করা হয়েছে। এই উপলক্ষে বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের মিলনায়তনে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সেলর লি শাওপেং এবং আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আবছার কামাল। কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের চীনা পরিচালক ড. ইয়াং হুই অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী প্রধান অতিথির বক্তব্যে উল্লেখ করেন, চীনা ভাষা শিক্ষা, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং একাডেমিক সহযোগিতায় কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিনি বলেন, দীর্ঘকাল ধরে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বন্ধুত্ব এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার সেতু হিসেবে কাজ করে আসছে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষকতা, গবেষণা, অনুবাদ, কূটনীতি এবং ব্যবসার মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখার মাধ্যমে কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের স্নাতকদের দুই দেশের সহযোগিতা জোরদারে ভূমিকা রাখতে হবে।

লি শাওপেং, চীনা দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সেলর, মন্তব্য করেন, চলচ্চিত্রের কোনো সীমানা নেই এবং সংস্কৃতি মানুষকে একত্রিত করে। তিনি বলেন, জনগণের মধ্যে আদান-প্রদান চীন-বাংলাদেশের সমন্বিত কৌশলগত অংশীদারির ভিত্তি।

তিনি চীনা ভাষা শেখার মাধ্যমে দেশটির আধুনিকায়নের পেছনের বিষয়গুলো জানার জন্য সকলকে আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুষ্টিয়ায় আবরার ফাহাদ সেতু নির্মাণ স্থান পরিদর্শন করলেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০৭ পি.এম


কুষ্টিয়ায় আবরার ফাহাদ সেতু নির্মাণ স্থান পরিদর্শন করলেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

কুষ্টিয়া জেলা শহরের সাথে কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করার উদ্দেশ্যে গড়াই নদীর ওপর শহীদ আবরার ফাহাদের নামে সেতু নির্মাণের জন্য প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে কুষ্টিয়া শহরতলীর ঘোড়াই ঘাটে সেতুটির প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শনের সময় এক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেন মন্ত্রী।

এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনের সংসদ সদস্য রেজা আহাম্মেদ বাচ্চু মোল্লা, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফরিদা পারভীন, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কুতুব উদ্দিন, সদস্যসচিব জাকির হোসেন সরকার এবং জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ সাদী।

শহীদ আবরার ফাহাদের পিতা বরকতুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল এবং অন্যান্য বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে বক্তারা উল্লেখ করেন, শহীদ আবরার ফাহাদ সেতুটি নির্মিত হলে প্রতিদিন কয়া ও আশপাশের এলাকার শিক্ষার্থীসহ ৫০ হাজার মানুষের যাতায়াতের ব্যবস্থা ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, শহীদ আবরার ফাহাদের বাবার আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় গড়াই নদীর ওপর দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্ভাব্যতা যাচাই ও ফিজিবিলিটি স্টাডির পর শহীদ আবরারের স্মৃতি ধারণ করে একটি সেতু নির্মাণ করা হবে এবং এটি স্থানীয় মানুষের কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

প্রতিমন্ত্রীর সাথে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের তত্বাবধায়ক প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%