বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:৩৮ পি.এম
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেট অধিনায়ক শোয়েব মালিকের সঙ্গে দেশটির জনপ্রিয় অভিনেত্রী ভানিজা সাত্তারের বিয়ের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। এই বিষয়ে এবার মুখ খুলেছেন ভানিজা।
তিনি তীব্র বিরক্তি প্রকাশ করে সকল জল্পনা একেবারে উড়িয়ে দিয়েছেন।
সম্প্রতি একটি ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যেখানে দাবি করা হচ্ছে যে ভানিজা সাত্তার ও শোয়েব মালিকের বিয়ে হয়ে গেছে। বিষয়টি যখন ভানিজার নজরে আসে, তখন তিনি ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে এর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানান।
ভানিজা লেখেন, ‘ও মাই গড গাইজ, আবার শুরু হলো!’
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘ভাবুন তো, বিশ্বে কথা বলার মতো কত বিষয় রয়েছে, আর মানুষ শুধু কিছু ভিউয়ের আশায় কারো নামে মিথ্যা খবর বানিয়ে প্রচার করছে!’
এটি প্রথমবার নয় যে এমন গুঞ্জন উঠেছে। এর আগে বিভিন্ন টিভি শোতে ভানিজা স্পষ্ট করেছেন যে, শোয়েব মালিকের সঙ্গে তার কখনো সামনাসামনি দেখা হয়নি। এই অদ্ভুত গুঞ্জন কোথা থেকে এসেছে, তা নিয়ে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন।
ভানিজা জানান, প্রথমে বিষয়টিকে তিনি নিছক একটি রসিকতা হিসেবে নিয়েছিলেন। কিন্তু যখন পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছাল যে, বন্ধু ও আত্মীয়-স্বজনরা ফোন করে তার পরিবারের কাছে জানতে চাইল খবরটি সত্যি কিনা, তখন বিষয়টি তার জন্য বিব্রতকর ও অস্বস্তিকর হয়ে দাঁড়ায়।
এ কারণে বারবার এমন ভুয়া খবরে বিরক্ত হয়ে ভানিজা আবার মুখ খুললেন।
এই অভিনেত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন, তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে যাচাই না করে এ ধরনের ভিত্তিহীন তথ্য ছড়ানো বন্ধ করার জন্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পিরোজপুরের কাউখালীতে মাঠপর্যায়ে খানার তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় উপজেলার চিড়াপাড়া-পারসাতুরিয়া ইউনিয়নের ছালেকিয়া মাদ্রাসার হল রুমে কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মঞ্জুর এমপি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেহেনা আক্তার।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ,উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান সামছুর রহমান মিল্টন, ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি হিরন মিয়াসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মঞ্জুর ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের জন্য মাঠপর্যায়ে সঠিক, নির্ভুল ও নির্ভরযোগ্য তথ্য সংগ্রহের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, প্রকৃত উপকারভোগীদের চিহ্নিত করতে হলে প্রতিটি খানার তথ্য যথাযথভাবে সংগ্রহ ও যাচাই করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতা, দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সরকারি জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে একটি নির্ভুল তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অবহেলা না করে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের প্রাথমিক ধাপ হিসেবে খানার তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করে প্রকৃত উপকারভোগীদের শনাক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল মন্তব্য করেছেন, ‘পূজা সারা বাংলাদেশের একটি উৎসব। বাংলাদেশে হিন্দু-মুসলিম, বৌদ্ধ খ্রিস্টান কোনো ভেদাভেদ নেই। আমরা চাই যে সবাই বাংলাদেশি হিসেবে পরিচিত পাবে। আমরা জনগণের কাছে এমন অঙ্গীকার করে এসেছিলাম আর সেই দিকেই আমাদের সরকার এগোচ্ছে।’
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে বাগাতিপাড়া উপজেলায় পূজা মণ্ডপে ডিও প্রদান ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্রীড়াসামগ্রী বিতরণ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
ফারজানা শারমিন পুতুল আরও জানান, ‘বিগত দিনে বিভিন্ন সময় যখন আমরা সরকারে ছিলাম না, তখনো আমরা চেষ্টা করেছি এই পূজাগুলোকে সবচেয়ে বেশি আনন্দময় করার জন্য। এবারও সরকারের পক্ষ থেকে করার জন্য সরকারের যেমন পরিকল্পনা রয়েছে, আমাদেরও পরিকল্পনা রয়েছে।’
তিনি উল্লেখ করেন, ‘পূজা উৎসবে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে কোনো ধরনের ছাড় নেই। কেউ কোনো ধরনের ক্রাইসিস তৈরি করার চেষ্টা করলে তা শক্ত হাতে দমন করা হবে। সে জন্য সরকারের পক্ষ থেকে এবং দলের পক্ষ থেকে নির্দেশনা রয়েছে।’
এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শামসুল ইসলাম, লালপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হামিদুর রহমান বাবুসহ স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৩ চীনা এক নারীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এই সংঘবদ্ধ চক্রটি বাংলাদেশে উৎপাদিত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ, বিশেষ করে ক্যানসারসহ জটিল ও দুরারোগ্য রোগের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ, রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে লাওস, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনামসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাচার করে আসছিল।
এসআরবি-৩-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফায়েজুল আরেফীন বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য প্রকাশ করেন। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রাজধানীর উত্তরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন চীনা নারী লি ফেন (৩৪), বকুল নাহার বীথি (২৪), ইউনুস আলী (২৬) ও সজীব হাওলাদার (২৮)। গ্রেপ্তারকালে তাদের কাছ থেকে নগদ অর্থসহ প্রায় সাড়ে ৭ কোটি টাকা বাজারমূল্যের বাংলাদেশি ওষুধও জব্দ করা হয়েছে।
এসআরবি-৩ জানায়, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে ওষুধ পাচার করে আসছিল। বাংলাদেশে তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যায় এমন বিভিন্ন ওষুধ, বিশেষ করে ক্যানসারসহ জটিল ও দুরারোগ্য রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ বিদেশে পাঠানো হতো। কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ২৪ থেকে ২৫ কেজি ওজনের কার্টনে এসব ওষুধ পাঠানো হতো।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, চীনা নাগরিক লি ফেন ২০২৪ সালের আগস্টে পর্যটক ভিসায় বাংলাদেশে আসেন। ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার দুই-তিন দিন আগে তিনি চীনে ফিরে গিয়ে আবারও পর্যটক ভিসায় বাংলাদেশে আসতেন। গ্রেপ্তার হওয়া বকুল নাহার বীথি ২০১৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত চীনের হুনান নরমাল ইউনিভার্সিটিতে ব্যবসায় প্রশাসনে পড়াশোনা করেন। এ সময় তিনি চীনা ভাষা শেখেন এবং পরে বাংলাদেশে ফিরে বিভিন্ন চীনা নাগরিকের দোভাষী হিসেবে কাজ করেন।
এসআরবির তথ্য অনুযায়ী, গত ১৩ অক্টোবর লাওসের শুল্ক কর্তৃপক্ষ বৈধ কাগজপত্র না থাকায় কুরিয়ার সার্ভিসে পাঠানো ১০০ কেজি ওজনের একটি ওষুধের চালান জব্দ করে। এই ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট চক্রের কার্যক্রম নিয়ে অনুসন্ধান শুরু হয়।
অভিযান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির কিছু অসাধু কর্মচারী অধিক মুনাফার আশায় এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন। তাদের সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি জব্দ করা ওষুধের ধরন ও পরিমাণ, পাচারের সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের পরিচয় এবং সংশ্লিষ্ট ওষুধ কোম্পানির কর্মীদের ভূমিকাও গভীরভাবে তদন্ত করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মেঘ পাহাড়ের গা বেয়ে নেমে আসে। চারপাশে সবুজের বিস্তার। দূরে নীল সমুদ্রের হাতছানি। মারাইংতং পাহাড় চূড়ায় পাহাড়, মেঘ আর সাগরের এই মেলবন্ধন দেখা যায়।
বান্দরবানের আলীকদম উপজেলায় অবস্থিত মারাইংতং পাহাড়ের পাশে এই স্থানটি দ্বিতীয় সাজেক নামেও পরিচিত। এই পাহাড়টি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় দেড় হাজার ফুট উচ্চতায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় অবস্থান করলে চারপাশের পাহাড়, বনভূমি এবং দূরের বঙ্গোপসাগরের জলরাশি দেখা যায়। ভোরে মেঘের চাদর এবং বিকেলের সূর্যাস্ত— এই দুই সময়ে মিরিঞ্জার রূপ ভিন্ন হয়ে ওঠে।
মারাইংতং পাহাড়ে যা দেখা যাবে
আলীকদম মারাইংতং পাহাড়ের প্রধান আকর্ষণ হলো পাহাড়ের চূড়া থেকে দৃশ্যমান বিস্তৃত প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। যখন মেঘের ভেলা ভেসে বেড়ায়, তখন পাহাড়ের ওপর দাঁড়িয়ে মনে হয়, আপনি মেঘের রাজ্যে রয়েছেন।
এখান থেকে আশপাশের পাহাড়ি বন, মাতামুহুরী নদী এবং আবহাওয়া পরিষ্কার থাকলে দূরের সমুদ্রও দেখা যায়। সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখার জন্য এই স্থানটি বেশ উপযোগী। মারাইংতং পাহাড়ে ভ্রমণের সময় কাছাকাছি আলীর গুহা, ডিম পাহাড়, মায়া লেক, সীমান্ত ঘেঁষা সড়ক এবং মাতামূহুরী রির্জাভ ফরেস্ট ঘুরে দেখা যায়।
ঢাকা থেকে যেভাবে যাওয়া যাবে
ঢাকা থেকে মারাইংতং পাহাড়ে যাওয়ার সহজ উপায় হলো কক্সবাজার বা আলীকদমগামী বাস। কক্সবাজারগামী বাসে উঠলে চকরিয়া বাস টার্মিনালে নামতে হবে। এরপর চকরিয়া থেকে লামা-আলীকদম সড়ক ধরে স্থানীয় বাস, জিপ, চাঁদের গাড়ি অথবা সিএনজিচালিত অটোরিকশায় মিরিঞ্জার পাহাড়ের দিকে যাওয়া সম্ভব।
চকরিয়া থেকে মারাইংতং পাহাড়ের দূরত্ব প্রায় ৩২ কিলোমিটার। স্থানীয় যানবাহনে যেতে সাধারণত দেড় ঘণ্টা সময় লাগে। আবাসিক এলাকায় নেমে এক-দুই ঘণ্টা হাঁটলেই মারাইংতং পাহাড়ের কাছে পৌঁছানো যায়। ঢাকা থেকে আলীকদম বাসের যানজট এবং বাসের ধরন অনুযায়ী পুরো যাত্রায় ৯ থেকে ১১ ঘণ্টা সময় হাতে রাখা ভালো।
কত টাকা খরচ হবে
ঢাকা থেকে কক্সবাজার বা চকরিয়াগামী বাসের ভাড়া বাসের ধরন এবং আসনের মান অনুযায়ী ভিন্ন হয়। চকরিয়া থেকে আলীকদম আবাসিক সড়কের মাথা পর্যন্ত স্থানীয় বাস বা জিপে চেপে যাওয়া যায়; খরচ জনপ্রতি আনুমানিক ১০০ থেকে ১২০ টাকা। এরপর পাহাড়ের চূড়ায় জনপ্রতি ১৫০ থেকে ২০০ টাকা।
আরামদায়ক ভ্রমণের জন্য চকরিয়া থেকে ব্যক্তিগত গাড়ি বা চাঁদের গাড়ি ভাড়া পাওয়া যায়। দল বড় হলে পুরো গাড়ি ভাড়া নিয়ে যাওয়া তুলনামূলক সুবিধাজনক।
ট্র্যাকিং করতে চাইলে
আবাসিক সড়কে নেমে পায়ে হেঁটে মারাইংতং পাহাড়ের চূড়ায় যেতে খুব কঠিন ট্র্যাকিংয়ের প্রয়োজন হয় না। আলীকদম মূল সড়ক থেকে চাঁদের গাড়িতে মুরুংপাড়া পর্যন্ত গিয়ে সেখান থেকে প্রায় ৩০ মিনিট পাহাড়ি পথে হাঁটলেই পাহাড় চূড়ায় পৌঁছানো সম্ভব। পাহাড়ি পথ হওয়ায় সঙ্গে ভালো গ্রিপের জুতা রাখা জরুরি। বর্ষার সময় পথ পিচ্ছিল হয়ে যেতে পারে।
থাকা যাবে যেখানে
একদিনে ঘুরে ফিরে আসা সম্ভব হলেও মারাইংতং পাহাড়ের চূড়ায় প্রকৃত সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে রাতে থাকা যেতে পারে। পাহাড়ের ওপর টাবু টানিয়ে থাকা যায়; চাইলে জুমঘরসহ বিভিন্ন আবাসনের ব্যবস্থা রয়েছে।
কখন যাওয়া ভালো
মেঘ দেখতে চাইলে বর্ষার শেষ থেকে শীতের শুরুর সময় মারাইংতং পাহাড়ে ভ্রমণ বেশ আকর্ষণীয়। তবে বর্ষায় পাহাড়ি সড়ক পিচ্ছিল থাকে। নভেম্বরে আবহাওয়া তুলনামূলক পরিষ্কার থাকায় পাহাড় এবং দূরের সমুদ্র দেখার সুযোগ ভালো থাকে।
যাওয়ার আগে যা মনে রাখতে হবে
পাহাড়ি এলাকায় ভ্রমণের সময় জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখা, পর্যাপ্ত পানি ও শুকনো খাবার নেওয়া এবং দলবদ্ধভাবে চলা ভালো। পাহাড়ে ময়লা-আবর্জনা না ফেলে স্থানীয় পরিবেশ এবং বাসিন্দাদের প্রতি সম্মান দেখানোও ভ্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ