শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৫০ পি.এম
ইউক্রেনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে রাশিয়ার পরিচালিত হামলায় চারজনের মৃত্যু হয়েছে এবং পাঁচজন আহত হয়েছেন। শনিবার এই তথ্য প্রকাশ করেছেন ওই অঞ্চলের সামরিক প্রশাসনের প্রধান।
দুই দেশ পরস্পরের ওপর দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মাধ্যমে আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে।
খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনারের ইউক্রেন সফরের সম্ভাবনা থাকলেও, প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রাশিয়ার সঙ্গে সাময়িক যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেওয়ার পরও এই হামলা সংঘটিত হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘাতের কূটনৈতিক অচলাবস্থা কাটানোর লক্ষ্যে যুদ্ধ বন্ধের উদ্দেশ্যে আলোচনা চালানোর জন্য তার প্রধান দুই প্রতিনিধি উইটকফ এবং কুশনার একটি প্রস্তাব নিয়ে কাজ করছেন।
দনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের সামরিক প্রশাসনের প্রধান ওলেকসান্দর গানঝা জানিয়েছেন, কামিয়ানস্কে পরিচালিত হামলায় চারজন নিহত হয়েছেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, হামলায় পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ৩০ বছর বয়সী এক নারীকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ধানকাটা শ্রমিকের পরিচয়ে প্রবেশ করে ছমিরন খাতুন (৬০) নামের এক গৃহকর্ত্রীকে হত্যা করার ঘটনায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) মূল পরিকল্পনাকারীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। পিবিআই জানিয়েছে, এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অভিযুক্ত তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
এ ঘটনার সঙ্গে আরও একজন পলাতক রয়েছেন। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন ঢাকার কদমতলী এলাকার আবদুর রহীমের ছেলে শরীফুল ইসলাম শান্ত (২৭), কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার কালিরহাট যশপুর কাজী বাড়ির জাফর আলীর ছেলে মো. মাসুম বিল্লা ওরফে রবিন (৩১) এবং কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার মোহাম্মদপুর এলাকার নুরু মিয়ার ছেলে আরাফাত হোসেন (১৪)। পিবিআই মাসুম বিল্লা ওরফে রবিনকে হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কুমিল্লা নগরের হাউজিং এস্টেট এলাকায় পিবিআই কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মতিয়ার রহমান এসব তথ্য প্রকাশ করেন।
পিবিআই জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া তিনজন আগে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী ফিশারি ঘাটে একসঙ্গে গার্মেন্টস শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। পরে তারা ধানকাটা শ্রমিকের পরিচয়ে কুমিল্লায় এসে চান্দিনার অলিপুর গ্রামের ছমিরন খাতুনের বাড়িতে শ্রমিক হিসেবে অবস্থান নেন।
গত ৩ মে সকালে ছমিরন খাতুনের নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার শয়নকক্ষের দরজা খোলা ছিল। ঘরের কাঠের আলমারি খোলা ছিল এবং কাপড়চোপড় এলোমেলো অবস্থায় পড়ে ছিল। এ সময় বাড়িতে ধান কাটার শ্রমিক হিসেবে অবস্থান করা কয়েকজন শ্রমিক টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে যান।
তদন্তে পিবিআই জানতে পারে, ঘটনার দিন ধান কাটার কাজ ঠিকমতো না জানা এবং ধান নষ্ট হওয়াকে কেন্দ্র করে শ্রমিকদের সঙ্গে ছমিরন খাতুন ও তার স্বামীর কথা-কাটাকাটি হয়। পরে রাতে পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে পড়লে আসামিরা হত্যার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেন।
পিবিআইয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, রাত ১টা থেকে দেড়টার মধ্যে আসামিরা ছমিরন খাতুনের ঘরে প্রবেশ করেন। এরপর তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। হত্যার পর তার কাছে থাকা স্বর্ণালংকার ও টাকা নিয়ে পালিয়ে যান তারা। এ সময় বাড়ি থেকে ৭০ হাজার টাকা এবং প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার খোয়া যায়।
এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মো. বশির আহাম্মদ বাদী হয়ে চান্দিনা থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন। মামলাটি প্রথমে চান্দিনা থানা-পুলিশ সাত দিন তদন্ত করে। পরে মামলাটি পিবিআইয়ের সিডিউলভুক্ত হওয়ায় ১০ মে পিবিআই কুমিল্লা জেলা স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে তদন্তভার গ্রহণ করে।
মামলাটির তদন্ত করছেন পিবিআই কুমিল্লা জেলার উপপরিদর্শক (নিঃ) মো. আমিরুল ইসলাম। তদন্তের একপর্যায়ে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ১২ থেকে ১৫ মে চট্টগ্রাম, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে শরীফুল ইসলাম শান্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১৪ বছর বয়সী আরাফাত হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত ৩ সেপ্টেম্বর ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী মো. মাসুম বিল্লা ওরফে রবিনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মতিয়ার রহমান বলেন, গোয়েন্দা তথ্য ও বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করে তদন্তের মাধ্যমে চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে আরো কেউ জড়িত থাকলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।
তিনি আরো বলেন, হত্যাকাণ্ডে আরো কেউ জড়িত ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মামলার তদন্ত এখনো চলমান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিভিয়ায় শুক্রবার একটি সেনাব্যারাকে লক্ষ্য করে ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত দুইজন নিহত এবং ৫৯ জন আহত হওয়ার তথ্য প্রকাশ করেছে দেশটির পুলিশ।
সেনাঘাঁটিটি লা পাজের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত ভিয়াচা শহরে অবস্থিত, যেখানে আতশবাজি মজুত ছিল। বিস্ফোরণের সঠিক কারণ সম্পর্কে এখনো কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
পুলিশের মুখপাত্র রজার রোকা জানিয়েছেন, বিষয়টি তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।
এছাড়া, তিনি উল্লেখ করেন যে, বিস্ফোরণের পর সাতজন নিখোঁজ রয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, সেনাঘাঁটিতে বিস্ফোরণের তীব্রতায় আশপাশের বাড়িঘরের জানালার কাচ ভেঙে যায় এবং ধ্বংসাবশেষ ছিটকে পড়ে। এ সময় আকাশে ঘন কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়।
বিস্ফোরণের পরপরই দমকলকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। প্রতিরক্ষামন্ত্রী এরনেস্তো জাস্টিনিয়ানো জানান, স্থানীয় সময় শুক্রবার বেলা প্রায় আড়াইটার দিকে আতশবাজি মজুত করা এলাকায় বিস্ফোরণটি ঘটে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শুক্রবার, রেডিওতে সাক্ষাৎকার দেওয়ার উদ্দেশ্যে যাওয়ার সময় তিউনিসিয়ার কর্তৃপক্ষ সাংবাদিক মোহাম্মদ ইউসফিকে আটক করেছে।
এ তথ্য জানিয়েছেন অনুষ্ঠানের উপস্থাপক ও দেশটির সাংবাদিক ইউনিয়নের প্রধান।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা বিষয়ক সংগঠন তিউনিসিয়ায় নাগরিক স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশটিতে সাংবাদিক, আইনজীবী, বিরোধী রাজনৈতিক নেতা এবং মানবাধিকার কর্মীদের গ্রেফতার ও বিচারের মুখোমুখি হতে দেখা গেছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি’র খবর অনুযায়ী, অনুষ্ঠান উপস্থাপক ওয়ালিদ বেন রুহোমা ফেসবুকে এক পোস্টে জানান, ‘আমার অতিথি, আলকাতিবা ওয়েবসাইটের প্রধান সম্পাদক সাংবাদিক মোহাম্মদ ইউসফিকে এক্সপ্রেস এফএম রেডিওর লবির সামনে থামিয়ে দেওয়া হয়।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে অংশ নিতে তাকে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। যারা তাকে থামিয়েছিল, তাদের কাছ থেকে জানা গেছে, তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে।’
তিউনিসিয়ার সাংবাদিকদের জাতীয় ইউনিয়ন (এসএনজেটি)-এর সভাপতি জিয়াদ দাব্বার জানান, কর্তৃপক্ষের সমালোচনা করে তার করা প্রতিবেদনের কারণে ইউসফিকে আটক করা হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
আলকাতিবা তিউনিসিয়ার একটি স্বাধীন গণমাধ্যম হিসেবে পরিচিত। এটি অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগত বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য পরিচিত।
দাব্বার এএফপিকে বলেন, রেডিও অনুষ্ঠানে ইউসফির তিউনিসিয়ার পানি সংকট নিয়ে আলোচনা করার কথা ছিল।
তিউনিসিয়ায় আগের কয়েকটি গ্রীষ্মেও বিভিন্ন এলাকায় পানির সরবরাহ বন্ধ ছিল। তবে এ বছর বোতলজাত পানির সংকটের পাশাপাশি দেশের অনেক বিস্তীর্ণ এলাকায় পানির সরবরাহ বন্ধের ঘটনা ছড়িয়ে পড়েছে।
ইউসফিকে আটকের ঘটনা এমন একাধিক ঘটনার পর ঘটল, যেগুলোকে মানবাধিকার সংগঠন ও সাংবাদিক ইউনিয়ন তিউনিসিয়ায় জনসাধারণের স্বাধীনতা ক্রমশ সংকুচিত হওয়ার প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর ও নাগরিক অধিকারসংক্রান্ত মামলায় আইনজীবী হিসেবে পরিচিত গাজি ম্রাবেতকে গ্রেফতার করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাদক পাচারের অভিযোগকে কেন্দ্র করে মামলাটি হয়েছে। তবে ঘটনাটির প্রকৃত পরিস্থিতি নিয়ে পরস্পরবিরোধী তথ্য পাওয়া গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেপালের জরুরি উদ্ধারকারী দলগুলো নতুন উদ্যমে উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে, কারণ ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে দুই কর্মীকে ‘অলৌকিকভাবে’ জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবারও উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে জীবিতদের সন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে।
ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ২০০ ছাড়িয়ে গেছে।
গত ২৬ আগস্ট হিমবাহ ও বিশাল পরিমাণ পাথর ধসে চীন-নেপাল সীমান্ত এলাকায় সুনামির মতো পানি ও কাদার ঢল নেমে আসে, যার ফলে শত শত জলবিদ্যুৎকর্মী নিখোঁজ হন। উদ্ধার হওয়া দুই কর্মীও তাদের মধ্যে ছিলেন।
এ বিষয়ে খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ২৯৪টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং নিখোঁজ রয়েছে ৫ হাজার ৫৩ জন।
অন্যদিকে, চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, সেখানে ৩১ জন মারা গেছে এবং ৫৩১ জন নিখোঁজ রয়েছে। দুই দেশে মৃতের সংখ্যা মিলিয়ে ১ হাজার ৩২৫ এবং নিখোঁজের সংখ্যা ৫ হাজার ৫৮৪।
নেপাল সেনাবাহিনীর মুখপাত্র রাজা রাম বাসনেট শনিবার এএফপিকে বলেন, ‘আমরা সকাল থেকেই উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান চালিয়ে যাচ্ছি।’
শুক্রবার যে ত্রিশুলি-৩ এ টানেল থেকে দুই কর্মীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়, সেখানেও তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি আরও কয়েকটি স্থানে অভিযান চলছে। বন্যায় অন্তত ১২টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ধ্বংস হয়েছে।
নেপাল সেনাবাহিনীর মুখপাত্র রাজা রাম বাসনেট বলেন, ‘টানেলগুলোতেও কাজ চলছে। এখনো নতুন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি, তবে কাজ অব্যাহত আছে।’
সরকার প্রথমে জানিয়েছিল, বিভিন্ন টানেলের ভেতরে ১০০ জনের বেশি কর্মী জীবিত থাকতে পারে বলে তারা ধারণা করছে।
উদ্ধারকারীরা দুই কর্মীকে জীবিত উদ্ধারের ঘটনাকে ‘অলৌকিক’ বলে বর্ণনা করেছেন। নয় দিন ধরে আটকে থাকার পর কাদায় পুরোপুরি মাখামাখি অবস্থায় তাদের জীবিত উদ্ধার করা হয়।
পরে তাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে তাদের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গেছে।
বন্ধ হয়ে যাওয়া টানেলগুলোর ভেতরে জীবিতদের সন্ধানে নেপালের উদ্ধারকারী দলকে ভারত, চীন, অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিশেষজ্ঞরা সহায়তা করছেন।
এদিকে, মর্গগুলোতে মরদেহ রাখার জায়গা না থাকায় শনাক্তকরণের জন্য ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের পর শনিবার পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৩০টি লাশ গণকবরে দাফন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে নেপাল পুলিশ।
ভবিষ্যতে স্বজনদের মাধ্যমে লাশ শনাক্ত করার জন্য এসব নমুনা সংরক্ষণ করা হয়েছে।
বন্যা ও ভূমিধসে বাস্তুচ্যুত হয়ে বর্তমানে অস্থায়ী ত্রাণশিবিরে বসবাস করা হাজার হাজার মানুষের জন্য ‘নিরাপদ আবাসনের ব্যবস্থা’ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ।
শুক্রবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক আবেগঘন বার্তায় তিনি বলেন, ‘আমরা জানি, ত্রাণশিবিরে থাকা আপনাদের জন্য সহজ নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘তবে আমরা আবারও এমন একটি পরিবেশ তৈরি করব, যেখানে আপনারা নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে স্বপ্ন দেখতে পারবেন এবং সেই ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারবেন।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ