ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

লোকসানের বোঝা মাথায় নিয়ে জয়পুরহাটে কৃষকেরা আগাম আলু চাষে ব্যস্ত


লোকসানের বোঝা মাথায় নিয়ে জয়পুরহাটে কৃষকেরা আগাম আলু চাষে ব্যস্ত

জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে কৃষকেরা গত বছরের লোকসানের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার আশায় নতুন করে আগাম আলু চাষে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। অক্টোবরের মাঝামাঝি সময় থেকে শুরু হয়েছে এই আগাম জাতের আলু রোপণ। আমন ধান ও অন্যান্য ফসল কাটার পর জমি ফেলে না রেখে বাড়তি আয়ের আশায় আলু চাষে তারা মনোনিবেশ করেছেন। তবে বীজ, সার, জ্বালানি ও শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি পাওয়ায় উৎপাদন খরচ নিয়ে কৃষকেরা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

কৃষকদের সঙ্গে আলাপকালে জানা যায়, বছরের এই সময়ে বাজারে আলুর সরবরাহ তুলনামূলক কম থাকায় আগাম জাতের আলু ভালো দামে বিক্রির সম্ভাবনা থাকে। এই আশায় প্রতি বছর অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আগাম আলু চাষ শুরু করেন তারা। কিন্তু গত বছর প্রত্যাশিত দাম না পাওয়ায় অনেক কৃষক বড় ধরনের লোকসান গুনতে বাধ্য হয়েছিলেন। সেই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতেই এবার নতুন উদ্যমে মাঠে নেমেছেন তারা।

কৃষকরা জানান, আলু চাষে উৎপাদন খরচ প্রতি বছরই বাড়ছে। গত বছর যে বীজ ১ হাজার ২০০ টাকায় কেনা হয়েছিল, এবার তা কিনতে হচ্ছে ১ হাজার ৪০০ টাকায়। পাশাপাশি সার, ডিজেল বা জ্বালানি এবং শ্রমিকের মজুরিও বেড়েছে। এ ছাড়া সার সংগ্রহের ক্ষেত্রে পরিচয়পত্র ব্যবহারের বাধ্যবাধকতায় কিছু ভোগান্তির কথাও জানিয়েছেন তারা। ফলে ভালো ফলন হলেও বাজারে ন্যায্য দাম না পেলে আবারও লোকসানে পড়ার আশঙ্কা করছেন তারা।

আরও পড়ুন: মোহনপুরে সার বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ, কৃষকরা ভোগান্তিতে

স্থানীয় কৃষক রফিকুল, গোলাম মাওলাসহ অনেকেই জানান, গত বছরের লোকসান এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেননি। তবুও জমি ফেলে না রেখে আগাম আলু চাষে তারা মনোনিবেশ করছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো ফলনের আশা করছেন তারা। তবে উৎপাদন খরচের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আলুর দাম না পেলে সেই আশা হতাশায় পরিণত হতে পারে।

এদিকে, আগাম আলু রোপণের কারণে গ্রামীণ শ্রমবাজারে কর্মচাঞ্চল্য বেড়েছে। আমন ধান কাটার পর জমি প্রস্তুত, আলু রোপণ ও পরিচর্যার কাজে স্থানীয় শ্রমিকেরা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। এতে কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত শ্রমজীবী মানুষের সাময়িক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জসিম উদ্দীন জানান, গত সপ্তাহ থেকে উপজেলায় আগাম জাতের আলু চাষ শুরু হয়েছে। এ পর্যন্ত প্রায় ১২ হেক্টর জমিতে আলু রোপণ সম্পন্ন হয়েছে। আগাম জাতের এই আলু ৫০ থেকে ৫৫ দিনের মধ্যেই উত্তোলন করা যায়। কৃষি বিভাগের যথাযথ পরামর্শ মেনে চাষাবাদ করলে কৃষকেরা ভালো ফলন পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

কৃষকদের প্রত্যাশা, ভালো ফলনের পাশাপাশি বাজারে আলুর ন্যায্য দাম নিশ্চিত হোক। এতে গত বছরের লোকসান কাটিয়ে তারা সংসারে কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে পারবেন।

আরও পড়ুন: চুয়াডাঙ্গায় অবৈধ মজুতের অভিযোগে ১৫০০ বস্তা সার জব্দ

আপনার পাঠানো মূল প্রতিবেদনে তথ্য এবং বিন্যাস বেশ ভালো ছিল। সামান্য কিছু বানান ও বাক্য গঠন পরিমার্জন করে এটিকে আরও প্রমিত সংবাদ রূপ দেওয়া হয়েছে। এটি কি কোথাও প্রকাশের জন্য প্রস্তুত করছেন?

এমএইচ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকায় গ্রেপ্তার হলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ‘ধান্দা রফিক’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫০ পি.এম


ঢাকায় গ্রেপ্তার হলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ‘ধান্দা রফিক’

চাঁদপুরের আলোচিত কোহিনূর হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রফিক, যিনি ধান্দা রফিক নামেও পরিচিত, ঢাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করে গ্রেপ্তার করেছেন চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশ।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকালে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

এর আগে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে, চাঁদপুর সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল আলিম তার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে শনিবার ঢাকায় অভিযান চালিয়ে রফিককে গ্রেপ্তার করেন এবং পরে চাঁদপুরে নিয়ে আসেন। দীর্ঘ সময় ধরে পলাতক থাকার পর পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

রফিক চাঁদপুর পৌরসভার রহমতপুর আবাসিক এলাকার আব্দুর রশিদের পুত্র।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালে চাঁদপুর পৌরসভার রহমতপুর কলোনিতে কোহিনূর হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। এই ঘটনার পর কোহিনুরের স্বামী আব্দুল মান্নান খান বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। মামলার নাম্বার ৪১, তারিখ ২৩/৮/২০১৫, জি আর ৪৬১/২০১৫।

মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রধান আসামি নাজমা আক্তার নয়ন কোহিনূরকে তার বসতঘরের ভেতরে হত্যা করে এবং মরদেহ খাটের নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

এ ঘটনার পর কোহিনূরের স্বামী আব্দুল মান্নান খান চাঁদপুর সদর মডেল থানায় মামলা করেন। মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রফিক, যিনি ধান্দা রফিক নামে পরিচিত, দীর্ঘ সময় ধরে পলাতক ছিলেন।

কোহিনূর হত্যা মামলায় দীর্ঘ সময় পলাতক থাকার পর রফিকের গ্রেপ্তারের ফলে মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হেবরনে ফিলিস্তিনি পরিবারকে উচ্ছেদ করেছে ইসরাইলি বাহিনী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫১ পি.এম


হেবরনে ফিলিস্তিনি পরিবারকে উচ্ছেদ করেছে ইসরাইলি বাহিনী

ঢাকা, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬ : শনিবার, অধিকৃত পশ্চিম তীরের হেবরন শহরে অভিযান চালিয়ে ইসরাইলি বাহিনী প্রায় ২ হাজার ফিলিস্তিনিকে তাদের বাড়িঘর ত্যাগ করতে বাধ্য করেছে।

একদিন আগে, দুই ফিলিস্তিনি হামলাকারীর গুলিতে দুই ইসরাইলি সেনা নিহত হয়। এরপর, ইসরাইলি বাহিনীর গুলিতে ওই দুই হামলাকারীও নিহত হন। এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় ইসরাইল কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

এএফপি সংবাদ সংস্থার খবর অনুযায়ী, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ ইসরাইলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টির আহ্বান জানিয়েছে যাতে ফিলিস্তিনি বাসিন্দাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা যায়। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, গভীর রাতে সেনারা মাইক দিয়ে নির্দেশ দেয় যে, তাদের বাড়িঘর ছেড়ে যেতে হবে। এরপর তারা যতটা সম্ভব জিনিসপত্র গুছিয়ে এলাকা ত্যাগ করেন।

ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ বলেছেন, দুই হামলাকারীর বসবাসের এলাকা থেকে প্রায় ২ হাজার বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, হেবরনে হামাস-সংক্রান্ত সব বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের ফিরতে দেওয়া হবে না।

ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানায়, শুক্রবার ও শনিবার পশ্চিম তীরের ৪০টি এলাকায় অভিযান চালানো হয়েছে। এসব অভিযানে হামাস ও ইসলামিক জিহাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রায় ৪০ জন সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে। সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তাদের মধ্যে উসকানি, জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করা ও পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় জড়িত সন্দেহভাজনও রয়েছে।

হামাস শুক্রবারের হামলার দায় স্বীকার না করলেও হামলাকারীদের প্রশংসা করেছে এবং ফিলিস্তিনিদের আরও হামলা চালানোর আহ্বান জানিয়েছে। নির্বাচনের মাত্র কয়েক দিন আগে, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, ১৯৬৭ সালে পশ্চিম তীর দখলের পর থেকে দেখা যায়নি এমন ব্যাপক সামরিক অভিযান চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

ইসরাইলের ডানপন্থী অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোত্রিচ জানিয়েছেন, শুক্রবারের হামলার পর তিনি ব্যক্তিগতভাবে ‘অবৈধ স্থাপনার একটি সারি অবিলম্বে গুঁড়িয়ে দেওয়ার’ নির্দেশ দিয়েছেন। স্মোত্রিচ পশ্চিম তীরের বেসামরিক বিষয়গুলো তদারকির দায়িত্বেও রয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি লেখেন, ‘যারা আমাদের সঙ্গে ঝামেলা করবে, তারা দ্রুত বুঝতে পারবে যে এর জন্য তাদের বড় মূল্য দিতে হবে।’

হেবরনের আইন দেইর বাহা এলাকায়, দুটি পাহাড়ের মাঝখানে অবস্থিত পাড়াটির পরিত্যক্ত ভবনগুলোতে ক্রস চিহ্ন দেওয়া দেখা গেছে। রাস্তাঘাট ছিল প্রায় জনশূন্য। সেখানে কেবল ইসরাইলি সেনাবাহিনীর দুটি সামরিক যান দেখা যায়। পাহাড়ের ঢালে একটি বাড়িতে ইসরাইলি পতাকা টাঙানো ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, সেনারা বাড়িটি দখলে নিয়েছে।

এলাকার দোকানি ও স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তি ৭০ বছর বয়সী হিগাজি শাওয়ার আল-তামিমি জানান, রাত ১টার দিকে সেনা ও এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে এলাকা ছেড়ে যেতে বলেন। তিনি এএফপিকে বলেন, ‘আমি তাদের জিজ্ঞাসা করেছিলাম, কত দিন এই উচ্ছেদ চলবে। তারা বলেছিলেন, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত।’

তিনি জানান, জিনিসপত্র গুছিয়ে নেওয়ার জন্য খুব অল্প সময় দেওয়া হয়েছিল। অনেক বাসিন্দার জন্য এলাকা ছেড়ে বের হওয়াও ছিল কঠিন। তামিমি বলেন, ‘যেমন, আমার স্ত্রীর ৯০ বছর বয়সী মা এই এলাকাতেই থাকেন। তিনি অসুস্থ হওয়ায় তাকে বহন করে বাইরে নিয়ে যেতে হয়েছে।’

তামিমির অভিযোগ, নেতানিয়াহু ফিলিস্তিনিদের রক্তের বিনিময়ে নির্বাচনে জয়ী হতে চান বলেই এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমি দখলদারত্বের সব পর্যায় দেখেছি। আমি এখানেই থাকব, এখানেই মারা যাব।’

তার ভাই ৬৮ বছর বয়সী খালেদ শাওয়ার আল-তামিমি উচ্ছেদের পর ছেলের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘সেনারা মাইকে ঘোষণা দিচ্ছিল, ‘এলাকা ছেড়ে চলে যান।’ তাই আমরা চলে এসেছি।’

শুক্রবারের হামলাকারীরা তাদের পাড়ার বাসিন্দা—এ কথা শুনে তিনি বিস্মিত হয়েছেন বলে জানান। তার ভাষায়, এলাকাটি মধ্যবিত্ত মানুষের বসবাসের জায়গা এবং সেখানকার বাসিন্দারা আইন মেনে চলেন।

ছেলের বসার ঘরে বসে তিনি বলেন, ‘আমরা কখনো গুলির শব্দ শুনিনি, এমনকি এমন কিছু ঘটতেও দেখিনি।’

তিনি প্রশ্ন করেন, ‘আমাকে কেন নিজের বাড়ি থেকে বাস্তুচ্যুত হতে হবে? হামলাকারীরাই কাজটি করেছে। ইসরাইল সরকার যদি তাদের শাস্তি দিতে চায়, তাহলে তাদের শাস্তি দিক।’

হেবরনের গভর্নর খালেদ দুদিন এএফপিকে বলেন, সেনাবাহিনী প্রথমে হামলাকারীদের পাড়ায় অভিযান শুরু করেছে। তবে অভিযান আরও বিস্তৃত হবে না— এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই।

তিনি এ পদক্ষেপকে ‘সমষ্টিগত শাস্তি’ হিসেবে বর্ণনা করেন। গভর্নরের হিসাবে, এ ঘটনায় ১৫০টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে হেবরনের মেয়র ইউসুফ আল-জাবারি ও স্থানীয় অধিকারকর্মী ঈসা আমরোর হিসাবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সংখ্যা ২৫০।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাইফ আলী খান অবশেষে কুণাল খেমুকে ইনস্টাগ্রামে ফলো করলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫১ পি.এম


সাইফ আলী খান অবশেষে কুণাল খেমুকে ইনস্টাগ্রামে ফলো করলেন

ইনস্টাগ্রামে নিজের ফলো তালিকায় স্ত্রী কারিনা কাপুর খানসহ পরিবারের ছয় সদস্য ও একটি অ্যাকাউন্ট অন্তর্ভুক্ত থাকলেও সেখানে কুণাল খেমুর নাম ছিল না। এই পরিস্থিতিতে অবশেষে বলিউড অভিনেতা সাইফ আলী খান কুণালকে ফলো করেছেন।

সাইফ ইনস্টাগ্রামে অ্যাকাউন্ট খোলার পর প্রথমে কেবল স্ত্রী কারিনা কাপুর খানকে ফলো করতেন। পরে তার ফলো তালিকায় যুক্ত হন আরও ছয়জন। তাদের মধ্যে রয়েছে কারিনার বোন কারিশমা কাপুর, সাইফের বোন সোহা আলী খান, সাবা পাতৌদি, মেয়ে সারা আলী খান এবং ছেলে ইব্রাহিম আলী খান। এছাড়া ‘দ্য এলিট ইংলিশ মাস্টার’ নামের একটি অ্যাকাউন্টও তিনি ফলো করছিলেন।

তবে কুণাল খেমুর নাম তালিকায় না থাকার কারণে বিষয়টি ভক্তদের নজরে আসে। এবার কুণালকে ফলো করার মাধ্যমে সাইফের ফলো তালিকায় পরিবর্তন এসেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাইফ খুব একটা সক্রিয় নন। তবে ইনস্টাগ্রামে তার প্রকাশ্য অ্যাকাউন্ট চালুর পর থেকেই ভক্তদের মধ্যে আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে। শুরুতে কেবল কারিনাকে ফলো করা এবং পরে ধীরে ধীরে ফলো তালিকা বাড়ানোর বিষয়টি নিয়েও আলোচনা চলছে।

এর আগে সাইফ এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, তার ইনস্টাগ্রামে একটি গোপন অ্যাকাউন্ট ছিল। এবার প্রকাশ্য অ্যাকাউন্টে কাকে ফলো করছেন, তা নিয়ে নতুন করে কৌতূহল তৈরি হয়েছে ভক্তদের মধ্যে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইন্টারনেটের সুযোগ নিয়ে হ্যাকাররা যেভাবে ফ্রিজারের নিয়ন্ত্রণ নেয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৫২ পি.এম


ইন্টারনেটের সুযোগ নিয়ে হ্যাকাররা যেভাবে ফ্রিজারের নিয়ন্ত্রণ নেয়

ফ্রান্সের প্রায় ৭০০টি সুপারমার্কেটে সাম্প্রতিক সাইবার হামলার ফলে কোটি কোটি ইউরোর খাদ্যপণ্য নষ্ট হয়েছে এবং অগ্নিকাণ্ডের মতো নজিরবিহীন বিপর্যয়ের সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনার মূল রহস্য আধুনিক সুপারমার্কেটের প্রযুক্তিগত কাঠামোর ভেতরে নিহিত রয়েছে। হামলার পেছনে হ্যাকাররা কিছু নির্দিষ্ট পদ্ধতি ও ডিজিটাল দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়েছে।

দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত ফ্রিজ ও ফ্রিজারের পুরনো সফটওয়্যার এবং দুর্বল নিরাপত্তাব্যবস্থার সুযোগ নিয়েছে হ্যাকাররা। তারা দূর থেকে তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে দিয়ে বিপুল পরিমাণ খাবার নষ্ট করেছে এবং বিভিন্ন দোকানের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও খাদ্য সরবরাহে বিঘ্ন ঘটিয়েছে।

হামলাটি ১১ অক্টোবর দিবাগত রাতের কিছুক্ষণ আগে সংঘটিত হয়। হ্যাকাররা সুপারমার্কেটের কোল্ড আইল ও ফ্রিজারের অনলাইন সংযোগ এবং হিমায়ন ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণকারী ডিজিটাল থার্মোস্ট্যাটের পুরনো সফটওয়্যার ও দুর্বল ডিফল্ট পাসওয়ার্ডের সুযোগ নিয়ে মূল কন্ট্রোল সিস্টেমে প্রবেশ করে। তারা কৌশলে সিকিউরিটি অ্যালার্মগুলো নিষ্ক্রিয় করে দেয়। এরপর সিস্টেমের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তারা ফ্রিজারগুলোর তাপমাত্রা -২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে এক লাফে ৫০ থেকে ৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নিয়ে যায়, যার ফলে মাত্র ৪ থেকে ৬ ঘণ্টার মধ্যে ডিপফ্রিজের সব বরফ গলে যায় এবং বিপুল পরিমাণ খাবার নষ্ট হয়ে যায়। কোথাও কোথাও চরম তাপে আগুন লেগে স্প্রিংকলার চালুর মাধ্যমে পানি জমে দোকানগুলোতে কোটি কোটি টাকার মারাত্মক আর্থিক ক্ষতি ঘটে।

প্রথমে দোকান কর্তৃপক্ষ ঘটনাগুলোকে আলাদা কারিগরি ত্রুটি মনে করেছিল। কিন্তু পরে দেখা যায়, ইন্টারমার্শে, কোঅপারেটিভ ইউ, ক্যারফুর, লেক্লার্ক ও মনোপ্রিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৭০০টি দোকান একই ধরনের সাইবার হামলার শিকার হয়েছে। কোঅপারেটিভ ইউ-এর দুই হাজার সুপারমার্কেটের মধ্যে ৮০টিতে হামলা হয়েছে।

একসঙ্গে শত শত দোকানের ফ্রিজ ও ফ্রিজারে রাখা খাবার নষ্ট হওয়ায় বিপুল পরিমাণ খাদ্য ফেলে দিতে হয়েছে। কিছু সুপারমার্কেটকে সাময়িকভাবে ফ্রিজার খালি করে নতুন করে পণ্য সংগ্রহ ও মজুত করতে হয়েছে। ফলে স্বাভাবিক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটে এবং নতুন করে খাদ্য সরবরাহের ব্যবস্থা করতে হয়। ইন্টারমার্শের প্রধান নির্বাহী থিয়েরি কোটিলার্ডের ধারণা, ক্ষতির পরিমাণ কয়েক কোটি ইউরো পর্যন্ত হতে পারে।

সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ওয়েভস্টোনের জেরোম বিলোয়ারের মতে, এ ধরনের হামলার লক্ষ্য মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্ক তৈরি করা এবং গুরুত্বপূর্ণ দৈনন্দিন ব্যবস্থাও যে সহজে অচল করে দেওয়া সম্ভব—সেই বার্তা দেওয়া।

তবে হামলার পেছনে কারা ছিল, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীও এর দায় স্বীকার করেনি। বিশেষজ্ঞদের মতে, পুরোনো সফটওয়্যার, আপডেট না করা ফার্মওয়্যার ও ডিফল্ট পাসওয়ার্ডের মতো সাধারণ দুর্বলতাই এবার শত শত সুপারমার্কেটের শীতলীকরণ ব্যবস্থাকে বড় ধরনের সাইবার হামলার সুযোগ করে দিয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%