রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৫১ পি.এম
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে ব্যবসা, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, বিমান যোগাযোগ, শিক্ষা, প্রশিক্ষণসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার বঙ্গভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম ইউএনবিকে এ তথ্য জানান।
সাক্ষাৎকালে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারির পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ পুনর্ব্যক্ত করেন হাইকমিশনার। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণের জন্য তাকে ধন্যবাদ জানান এবং পাকিস্তানের প্রেসিডেন্টকে তার সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।
মির্জা ফখরুল উল্লেখ করেন, পাকিস্তান বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার বিভিন্ন ক্ষেত্রে। তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ করা গেলে উভয় দেশের জনগণই উপকৃত হবে।
রাষ্ট্রপতি দুই দেশের ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন বাণিজ্যিক সম্ভাবনা খুঁজে বের করার ওপরও গুরুত্ব দেন।
তিনি বলেন, পাকিস্তানে তৈরি পোশাক, বিশেষ করে নারীদের পোশাক বাংলাদেশে বেশ জনপ্রিয়। রাষ্ট্রপতি পাকিস্তানি তৈরি পোশাক, কটন ইয়ার্নসহ অন্যান্য পণ্য বাংলাদেশে রপ্তানির সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য আরও ভারসাম্যপূর্ণ করার ওপর গুরুত্ব দেন।
হাইকমিশনার ইমরান হায়দার জানান, পাকিস্তানের তৈরি পণ্য নিয়ে অক্টোবরে ঢাকায় একটি বাণিজ্য মেলা অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বাংলাদেশি পণ্য নিয়ে পাকিস্তানেও একই ধরনের বাণিজ্য মেলা আয়োজনের আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, ফুটবলসহ অন্যান্য ক্রীড়া সরঞ্জাম তৈরিতে বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণে পাকিস্তানের উদ্যোক্তারা আগ্রহী।
এ বছর ঢাকা ও করাচির মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ পুনরায় চালু হওয়ার কথা উল্লেখ করে হাইকমিশনার বলেন, এ যোগাযোগ দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, চিকিৎসা পর্যটন ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। তিনি দুই শহরের মধ্যে ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।
এছাড়া বাংলাদেশে উৎপাদিত চায়ের গুণগত মানের প্রশংসা করে ইমরান হায়দার বিদ্যমান শুল্কমুক্ত সুবিধা কাজে লাগিয়ে পাকিস্তানের বাজারে বাংলাদেশ থেকে চা রপ্তানি বাড়ানোর আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের সিরামিক পণ্য, পান ও অন্যান্য কৃষিপণ্য, ওষুধসহ বিভিন্ন মানসম্মত পণ্য পাকিস্তানে রপ্তানি বাড়ানোর যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। এই সম্ভাবনা কাজে লাগাতে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।
পাকিস্তানের হাইকমিশনার জানান, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে পাকিস্তান অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদারে পাকিস্তান কাজ করে যাচ্ছে।
রাষ্ট্রপতি দুই দেশের সামরিক বাহিনী ও বেসামরিক প্রশাসনের সদস্যদের মধ্যে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বিনিময় এবং বিজ্ঞান, প্রকৌশল, প্রযুক্তি ও চিকিৎসাবিজ্ঞানে উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের ওপরও গুরুত্ব দেন।
ইমরান হায়দার বাংলাদেশে তার কূটনৈতিক দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন। রাষ্ট্রপতি তাকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাণিজ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও প্রশিক্ষণে সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও ফলপ্রসূ ও বহুমাত্রিক হবে।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পদে পরিবর্তন এসেছে। নতুন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে মোঃ এরফান উদ্দিন দায়িত্ব নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
এর আগে নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন শাহীনা নাছরিন। তিনি ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর নাসিরনগর ইউএনও হিসেবে যোগদান করেন এবং দীর্ঘদিন উপজেলা প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।
সম্প্রতি শাহীনা নাছরিনকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি) হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পদোন্নতির তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
তার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে মোঃ এরফান উদ্দিন নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন বলে জানা গেছে। নতুন ইউএনও হিসেবে তার যোগদানের মধ্য দিয়ে নাসিরনগর উপজেলা প্রশাসনে নতুন নেতৃত্বের সূচনা হতে যাচ্ছে।
এদিকে নতুন ইউএনওর দায়িত্ব গ্রহণের পর উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সরকারি সেবা, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও জনসাধারণের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে উপজেলা প্রশাসনের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে—এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদের স্পিকার, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, তজুমদ্দিনকে পৌরসভায় রূপান্তরিত করার পাশাপাশি শিক্ষা ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় উন্নয়ন সাধন করা হবে। তিনি উল্লেখ করেন, তজুমদ্দিনকে একটি আধুনিক ও স্বয়ংসম্পূর্ণ উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা বিএনপি আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
আওয়ামী লীগের সমালোচনা করতে গিয়ে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, "আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে দেশের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।" তিনি আরও বলেন, "তাদের বিরুদ্ধে রিজার্ভ চুরি, ‘আয়নাঘর’ নামে কথিত টর্চার সেল পরিচালনা, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে।" ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে এর প্রতিফলন ঘটবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, এসব কর্মকাণ্ডের পরও আওয়ামী লীগের মধ্যে কোনো অনুশোচনা নেই। জনগণের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, "বাংলাদেশের সুনাম ও মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখতে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।"
প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের প্রসঙ্গ টেনে স্পিকার বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ভারতকে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দিলেও সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যাকাণ্ড বন্ধ করতে পারেনি। তিনি মাদক নিয়ে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে অভিযোগও তোলেন।
নিজের রাজনৈতিক ও সামরিক জীবনের প্রসঙ্গ তুলে ধরে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, "লালমোহন থেকে সর্বপ্রথম আমিই সেনাবাহিনীতে যোগদান করেছি। মেজর জিয়াউর রহমান ছিলেন আমার প্রশিক্ষক।" তিনি দাবি করেন, তিনি কখনো ধনসম্পদ অর্জনের চেষ্টা করেননি।
মতবিনিময় সভায় স্পিকার তজুমদ্দিনের রাস্তাঘাটসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেন। একই সঙ্গে তজুমদ্দিন উপজেলাকে পৌরসভায় রূপান্তরের আশ্বাসও দেন তিনি। উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওমর আসাদ রিন্টুর সঞ্চালনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম মোস্তফা মিন্টু।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপি নেতা জাকির হোসেন হাওলাদার, অ্যাডভোকেট ড. আমিরুল ইসলাম বাসেত, একেএম মহিউদ্দিন জুলফিকারসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মুরাদ ইসলাম মতবিনিময় করেছেন। আজ রবিবার বিকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিস কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বিভিন্ন সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা প্রকৌশলী রেজওয়ান খান, বালিয়াকান্দি প্রেসক্লাবের সভাপতি আতিয়ার রহমান আতিক, সহ-সভাপতি শহিদুল আলম মিয়া মিলন, আমিরুল হক, সাধারণ সম্পাদক রফিকুজ্জামান লিটন, যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক পারভেজ মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক হোসেন এবং প্রেসক্লাবের অন্যান্য সদস্যবৃন্দও সভায় অংশগ্রহণ করেন।
মতবিনিময়ের সময়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মুরাদ ইসলাম সাংবাদিকদের সহযোগীতা কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশবাসীকে আহবান জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, দেশে যেন আর অন্ধকার-দুর্দিন ফিরে না আসে, সেদিকে সজাগ থাকতে হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, এক সময় বিএনপির লাখো নেতাকর্মীকে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ জীবন কাটাতে হয়েছে। ১৭ বছর ধরে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার বিরোধী মতের লোকজনের বিরুদ্ধে রক্তের হলি খেলেছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফেনী সদর উপজেলার ভোরবাজার ফরহাদনগর ওমরিয়া ফারুকিয়া দাখিল মাদ্রাসা মাঠে এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন রিজভী।
ফরহাদ নগর ইউনিয়নের জগৎ জীবনপুর গ্রামের পুলিশের গুলিতে নিহত যুবদল নেতা হারুনুর রশিদের পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর এবং বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেয়া উপহারের বাড়ির চাবি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে স্মরণসভার আয়োজন করেছে আমরা বিএনপি পরিবার।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এবং আমরা বিএনপি পরিবারের প্রধান উপদেষ্টা রিজভী বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনার শাসনামলে গুম খুনের শিকার বিএনপির হাজারো নেতাকর্মীর পরিবারে এখনও অপেক্ষার শেষ নেই।
বিএনপি গণতন্ত্র ও অসহায় মানুষের জন্য রাজনীতি করে। বিএনপি যখনই ক্ষমতায় এসেছে, গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা রক্ষা করে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় কাজ করেছে।
রিজভী আরও বলেন, দুর্শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলেই গুম খুন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিল মানুষ। পুলিশের গুলিতে নিহত হারুনরা মেট্রোরেল, পদ্মাসেতু নির্মাণের নামে অর্থ আত্মসাৎ করেনি। তাদের স্বপ্ন ছিলো সুন্দর ভবিষ্যৎ প্রতিষ্ঠা।
২০১৩ সালের ৪ ডিসেম্বর ফেনীতে সরকারবিরোধী হরতালের সমর্থনে মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন যুবদল নেতা হারুনুর রশিদ। এরপর থেকে হারুনের পরিবারের পাশে দাঁড়ান বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। গত ১২ এপ্রিল আমরা বিএনপি পরিবারের প্রধান পৃষ্ঠপোষক তারেক রহমানের পক্ষ থেকে সংগঠনের আয়োজনে বাড়ির নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিল। মাথা গোঁজার ঠাঁই পেয়ে নিহত হারুনের স্ত্রী জোহরা বেগম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ বিএনপির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর তত্ত্বাবধানে তার পরিবারে দু:খ ঘুচেছে।
হারুনের দুই মেয়ে এবং এক ছেলে রয়েছে। ২০১৭ সালে বিএনপি চেয়ারম্যান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজ খরচে হারুনের বড় মেয়েকে বিয়ে দেন। আরেক মেয়েও বিয়ের উপযুক্ত। তাকেও প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত খরচে বিয়ে দেয়া হবে বলে জানান বিএনপি নেতারা। হারুনের নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া একমাত্র ছেলের সব খরচও বহন করছে আমরা বিএনপি পরিবার।
ঘরের চাবি হস্তান্তর অনুষ্ঠান ও স্মরণ সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন আমরা বিএনপি পরিবারের সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন, ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক জয়নাল আবদিন, আমরা বিএনপি পরিবারের উপদেষ্টা নরসিংদী-৫ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল, ফেনী-১ আসনের এমপি মুন্সি রফিকুল আলম মজনু, সংরক্ষিত আসনের এমপি রেহানা আক্তার রানু, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মশিউর রহমান বিপ্লব।
জেলা বিএনপির আহবায়ক শেখ ফরিদ বাহারের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন, সদর উপজেলা আহবায়ক ফজলুর রহমান বকুল, সদস্য সচিব আমান উদ্দিন কায়সার সাব্বির, পৌর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন ভূঞা, জেলা যুবদলের আহবায়ক নাসির উদ্দিন খন্দকার, সদস্য সচিব নঈম উল্লাহ চৌধুরী বরাত।
অনুষ্ঠান শেষে পুলিশের গুলিতে নিহত যুবদল নেতা হারুনুর রশিদের কবর জিয়ারত করেন রুহুল কবির রিজভী আহমেদের নেতৃত্বে বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এরপর হারুনের পরিবারকে দেয়া নতুন ঘর উদ্বোধন করে এবং পরিবারের সদস্যদের সাথেও কথা বলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব।
এছাড়া বিকেলে পৃথক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে দুর্বৃত্তদের আগুনে বসতবাড়ি হারানো এক অসহায় পরিবারকেও নতুন বাড়ির চাবি তুলে দিবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিজস্ব উদ্যোগে অসহায় ওই পরিবারটিকে এ ঘর উপহার দেয়া হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ