ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দেশকে অস্থিতিশীল করতে একটি অপশক্তি সক্রিয়: ইউনুছ আহমাদ


দেশকে অস্থিতিশীল করতে একটি অপশক্তি সক্রিয়: ইউনুছ আহমাদ

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেছেন, "দেশকে অস্থিতিশীল করতে একটি পরাজিত অপশক্তির অপতৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি। এমতাবস্থায় প্রশাসনকে সজাগ থাকতে হবে। পাশাপাশি সর্বস্তরের দেশপ্রেমিক নাগরিকদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।"

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর পুরানা পল্টনে আইএবি মিলনায়তনে ইসলামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম পরিষদ, বাংলাদেশ আয়োজিত ‘চলমান পরিস্থিতিতে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

অধ্যক্ষ ইউনুছ আহমাদ আরও বলেন, "স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দী পেরিয়ে গেলেও আমরা এখনো প্রকৃত স্বাধীনতার স্বাদ খুঁজে ফিরি। বন্ধু রাষ্ট্রের অবন্ধু সুলভ আচরণ আমাদেরকে হতাশ করছে। সাম্প্রতিককালে পুশইনের নামে নতুন এক ষড়যন্ত্রের শিকার আমরা। এ নিয়ে রাষ্ট্রকে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে।"

আরও পড়ুন: দেশবাসী তাকিয়ে আছে কবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদত্যাগ করবেন: নাহিদ ইসলাম

পুশইন ঠেকাতে বিজিবির রাতজাগা পাহারার প্রশংসা করে তিনি আরও বলেন, "এমন সাহসী সন্তানেরাই একাত্তরে দেশ স্বাধীন করেছে এবং চব্বিশে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছে। আগামীদিনে দেশের বিরুদ্ধে যেকোনো চক্রান্ত মোকাবেলায় দেশপ্রেমিক সাহসী বীর সন্তানদের জাগ্রত থাকার আহ্বান জানান তিনি।"

ইসলামী মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবুল কাশেমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র কেন্দ্রীয় সহ-প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক মাওলানা কেএম শরীয়াতুল্লাহ।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ইসলামী মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল ওয়াদুদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

আরও পড়ুন: মঙ্গলবার অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধবিষয়ক সেমিনারে যোগ দেবেন ডা. জুবাইদা রহমান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রাণঘাতী ডেঙ্গু মোকাবিলায় সৈন্য মোতায়েন করছে শ্রীলঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪১ পি.এম


প্রাণঘাতী ডেঙ্গু মোকাবিলায় সৈন্য মোতায়েন করছে শ্রীলঙ্কা

ডেঙ্গুর সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যাওয়ার ফলে শ্রীলঙ্কাজুড়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। প্রাণঘাতী এ রোগ মোকাবিলায় দেশটির সরকার সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সদস্যদের মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমার দিশানায়েকের কার্যালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মশার বংশবৃদ্ধির স্থান চিহ্নিত ও ধ্বংসের জন্য একটি বিশেষ ইউনিট গঠন করা হয়েছে। এ ইউনিটে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনীর কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করবেন।

শ্রীলঙ্কায় চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০ হাজার মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া ডেঙ্গুর কারণে প্রাণ গেছে অন্তত ২৯ জনের। তবে চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান ২০১৭ সালের সর্বোচ্চ রেকর্ডের তুলনায় অনেক কম। ওই বছর দেশটিতে ১ লাখ ৮৬ হাজার মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন এবং ৪৪০ জনের প্রাণহানি ঘটে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিশেষ সামরিক ইউনিট গঠনের পাশাপশি যাদের আঙিনায় মশার বংশবৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি হবে; তাদের বিরুদ্ধে আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হবে।

মশার প্রজননস্থলগুলো পরিষ্কার করার জন্য আগামী বুধবার (২৪ জুন) দেশব্যাপী অভিযান শুরু করা হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ডেঙ্গু এবং মশা বাহিত অন্যান্য ভাইরাস আরও দ্রুত ও বিস্তৃতভাবে ছড়াচ্ছে।

দেশটির সরকারি তথ্য অনুযায়ী, জুন মাসের শুরু থেকেই শ্রীলঙ্কায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে এবং চলতি সপ্তাহে মাত্র এক দিনের মধ্যে এক হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

সরকারের ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ ইউনিট আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছে, আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়লে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলো তা সামাল দিতে সক্ষম নাও হতে পারে।

কলম্বোতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই ইউনিটের প্রধান কপিলা কান্নাঙ্গারা বলেন, হাসপাতালগুলোতে ইতোমধ্যে ডেঙ্গু রোগীদের প্রবল চাপ তৈরি হয়ে গেছে। আমরা ২০১৭ সালে যে পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলাম, তেমন কোনও অবস্থার পুনরাবৃত্তি চাই না। মৌসুমী বৃষ্টিপাত, সাম্প্রতিক বন্যার কারণে জমে থাকা পানি এবং যত্রতত্র ফেলা বর্জ্য মশার দ্রুত বংশবৃদ্ধির জন্য আদর্শ পরিবেশ তৈরি করেছে।

সূত্র: এএফপি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানের ‘সৌর বিপ্লব’ থেকে শিক্ষা নেওয়া যেতে পারে : সিপিডি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪২ পি.এম


পাকিস্তানের ‘সৌর বিপ্লব’ থেকে শিক্ষা নেওয়া যেতে পারে : সিপিডি

বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতকে গতিশীল করতে বিশেষজ্ঞরা নীতিগত সংস্কার, কর ও শুল্ক হ্রাস এবং সহজ অর্থায়ন নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকিস্তানের সাম্প্রতিক ‘সৌর বিপ্লব’ বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষার ক্ষেত্র হতে পারে। বিশেষ করে রুফটপ সোলার ও বিতরণভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্প্রসারণে খুবই সহায়ক হবে।

মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘পাকিস্তানে সৌর বিপ্লব: জাতীয় বাজেটের দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলাদেশের জন্য শিক্ষা’ শীর্ষক এক সংলাপের আয়োজন করে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।

সংলাপে বক্তারা মন্তব্য করেছেন যে, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে অগ্রসর হওয়ার রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা ইতিবাচক হলেও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কাঠামোগত চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।

সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, পাকিস্তানে স্বল্প সময়ে সৌরবিদ্যুতের বিস্তৃত ব্যবহার বিদ্যুৎ খাতের চিত্র বদলে দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশও জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে পারে।

তিনি জানান, এবারের বাজেটে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বৈদ্যুতিক যান (ইভি) ও ব্যাটারি শিল্পে কিছু কর ও রাজস্ব সুবিধা রাখা হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, কৃষি খাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচির অগ্রগতি গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে সরকারি প্রতিষ্ঠানের ছাদ ব্যবহার করে প্রায় ৩ হাজার ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

সংলাপে উপস্থাপিত ‘সোলার রাশ’ শীর্ষক প্রবন্ধে মোহাম্মদ বাসিত ঘৌরি বলেন, বাংলাদেশ সৌরবিদ্যুতের রূপান্তরের এক গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। তবে উচ্চ কর, অর্থায়নের সীমাবদ্ধতা এবং নীতিগত জটিলতা এ খাতের অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করছে।

তিনি জানান, ২০২৫ অর্থবছরে পাকিস্তানে সৌর প্যানেল আমদানি ১৭.৯ গিগাওয়াটে পৌঁছেছে, যা দেশটির গ্রিড সক্ষমতার চেয়েও বেশি। বর্তমানে দেশটিতে প্রায় ২৮-৩৮ গিগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ স্থাপিত হয়েছে, যার বড় অংশই বিতরণভিত্তিক ব্যবস্থায়। বিদ্যুতের উচ্চমূল্য ও গ্রিড ব্যবস্থার ওপর আস্থাহীনতা পাকিস্তানে সৌরবিদ্যুতের দ্রুত বিস্তারের প্রধান কারণ। পাশাপাশি চীনে উৎপাদন বৃদ্ধির কারণে সৌর প্যানেলের দাম কমে যাওয়া এই খাতে ‘সোলার রাশ’ তৈরি করেছে।

বাসিত ঘৌরি বলেন, পাকিস্তানে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ৭৩ লাখ পরিবার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, যার বড় অংশই গ্রামীণ এলাকায়। সৌরবিদ্যুতের কারণে বিপুল পরিমাণ কার্বন নিঃসরণ কমেছে এবং আমদানি ব্যয় সাশ্রয় হয়েছে।

সংলাপে উপস্থাপিত আরেকটি গবেষণা প্রবন্ধে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সোলার হোম সিস্টেম একসময় বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অফ-গ্রিড কর্মসূচি ছিল এবং দুই কোটির বেশি মানুষকে বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এনেছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এই কর্মসূচির গতি কমে এসেছে এবং অনেক সিস্টেম অকার্যকর হয়ে পড়েছে।

গবেষণায় বলা হয়, দেশে বর্তমানে নেট-মিটারিংভিত্তিক রুফটপ সোলার স্থাপনার সংখ্যা সীমিত হলেও তা ধীরে ধীরে বাড়ছে। তবে উচ্চ কর, নেট মিটারিং অনুমোদনের জটিলতা, অর্থায়নের ঘাটতি এবং প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়হীনতা খাতটির বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ বলেন, সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে কর-সুবিধা দিয়েছে এবং সেচ পাম্পসহ বিভিন্ন খাতে সৌরশক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক নীতি সহায়তা ও বিনিয়োগ পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে বাংলাদেশও পাকিস্তানের মতো দ্রুতগতির সৌর রূপান্তরের পথে এগোতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুনের ২২ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছে ২১৫ কোটি ডলার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪৩ পি.এম


জুনের ২২ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছে ২১৫ কোটি ডলার

চলতি মাসের প্রথম ২২ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২১৫ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ৯ কোটি ৭৮ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, চলতি জুন মাসের প্রথম ২২ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২১৫ কোটি ১০ লাখ ডলার। আর গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ২১১ কোটি ৪০ লাখ ডলার। অর্থাৎ বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে।

চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২২ জুন পর্যন্ত দেশে এসেছে ৩ হাজার ৪৯০ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। বছর ব্যবধানে যা বেড়েছে ১৭ দশমিক ৮০ শতাংশ।

এর আগে গত মে মাসে দেশে এসেছে মোট ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা দেশের ইতিহাসে কোনো এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়।

গত এপ্রিলে দেশে এসেছিল ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ মার্কিন ডলার। আর গত মার্চে দেশে এসেছিল ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা দেশের ইতিহাসে যে কোনো এক মাসের সর্বোচ্চ।

গত ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারি মাসে যথাক্রমে দেশে এসেছে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ও ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। গত ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার; নভেম্বরে এসেছিল ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।

এছাড়া গত অক্টোবর ও সেপ্টেম্বরে দেশে এসেছিল যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ও ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর গত আগস্ট ও জুলাইয়ে যথাক্রমে দেশে এসেছিল ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ও ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

এদিকে, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছর জুড়ে দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিয়ের আয়োজনের জন্য ১৭ কোটিতে প্রাসাদ ভাড়া, হবু বরকে পাহাড়চূড়া থেকে ধাক্কা দিয়ে হত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪৭ পি.এম


বিয়ের আয়োজনের জন্য ১৭ কোটিতে প্রাসাদ ভাড়া, হবু বরকে পাহাড়চূড়া থেকে ধাক্কা দিয়ে হত্যা

একটি স্বপ্নময় বিয়ের আয়োজনের জন্য যা কিছু প্রয়োজন ছিল, তার সবই করা হয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ ঘটনা একটি মর্মান্তিক মোড় নিল। হবু বরকে হত্যা করা হয়, যা কনে এবং তার প্রেমিকের যৌথ পরিকল্পনা বলে মনে হচ্ছে।

ভারতের মহারাষ্ট্রের এক পরিচিত ব্যবসায়ীর ছেলে, কেতন আগারওয়াল ছিলেন। পুনের নিকটবর্তী লোহাগড় দুর্গের কাছে ছবি তোলার সময় তিনি দুর্ঘটনাবশত পড়ে গিয়ে মৃত্যু বরণ করেন। আকস্মিক এই ঘটনাটি বিয়ের উৎসবকে শোকের রূপ নিয়েছে।

প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানিয়েছে, কেতন আগারওয়ালকে তার বাগদত্তা এবং প্রেমিক মিলে ধাক্কা দিয়ে খাদে ফেলে দিয়েছে। এই ঘটনার বর্ণনা পুলিশ ‘বিব্রতকর’ বলে উল্লেখ করেছে। ঘটনাটি দুই পরিবার এবং তদন্তকারীদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। এক তদন্তকারী কর্মকর্তা বলেন, ‘কোনো মানুষ কীভাবে এতটা নিষ্ঠুর হতে পারে?’

গত বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) কেতন আগারওয়াল তার বাগদত্তা সিয়া গোয়ালের জন্মদিন উদযাপন করার জন্য লোহাগড়ে ট্রেকিংয়ে গিয়েছিলেন। তাদের বিয়ের অনুষ্ঠান আগামী নভেম্বরেই অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কেতন তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখছিলেন। কিন্তু আকস্মিকভাবে সেই স্বপ্নে ছেদ পড়েছে।

ঘটনার পরে তিন ঘণ্টার উদ্ধার অভিযানে কেতনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। সিয়া প্রথমে পুলিশকে বলেছেন যে, কেতন ছবি তোলার সময় পা পিছলে খাদে পড়ে যান।

কিন্তু তদন্তে গিয়ে পুলিশ কিছু অসঙ্গতি খুঁজে পায়। মোবাইল ডেটা, কল রেকর্ড এবং ঘটনাস্থলে উপস্থিত ব্যক্তিদের বয়ান থেকে সন্দেহ সৃষ্টি হয়। এর ফলে পুলিশ সিয়াকে এবং তার প্রেমিককে আটক করে।

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, সিয়া গোয়াল এবং তার প্রেমিক চেতন চৌধুরী মিলে পরিকল্পনা করে কেতনকে পাহাড়চূড়া থেকে ধাক্কা দিয়ে গভীর খাদে ফেলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ এখন দেখতে চাচ্ছে অন্য কোনো ব্যক্তি এই ষড়যন্ত্রে সহযোগিতা করেছে কি না।

কেতন আগারওয়াল ছিলেন পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড়ের (পুনে) একটি নামকরা নির্মাণ ব্যবসায়ী বিশাল আগরওয়ালের ছেলে। তাদের বিয়ের অনুষ্ঠান রাজস্থানের উদয়পুরে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। দুই পরিবার জয়পুরের একটি প্রাসাদ ১৭ কোটি টাকায় বুকিং করেছিল।

অতিথিদের জন্য দুটি প্রাইভেট প্লেনের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। বিয়ের প্রস্তুতিগুলি পুরোদমে চলছিল। এক আত্মীয় বলেন, ‘দুই পরিবারই খুব খুশি ছিল। এই ঘটনা সবার জন্য বিরাট ধাক্কা।’

পুলিশের মতে, সিয়া গোয়াল কেতনকে বিয়ে করতে চাননি। তিনি তাকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেন এবং তার প্রেমিক চেতনের সাহায্য নেন। জন্মদিনের অজুহাতে সিয়া কেতনকে লোহাগড়ে নিয়ে যান। সুযোগ পেয়ে সিয়া ও চেতন মিলে কেতনকে খাদে ধাক্কা দেন।

এসএসপি সন্দীপ সিং গিল জানান, চেতনের সঙ্গে সিয়ার প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং তারা দুজন একসঙ্গে কাজ করতেন। পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘তদন্তে আমরা দেখেছি চেতনও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল এবং দুই আসামিরা কেতন আগারওয়ালকে হত্যার ষড়যন্ত্র করার কথা স্বীকার করেছে।’

এই ঘটনায় পুলিশ একটি মামলা দায়ের করেছে এবং আরও তদন্ত চলছে। সন্দেহভাজন দুই আসামিকেই হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

তথ্যসূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%