বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০১:৪৮ পি.এম
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় কলেজছাত্র সুমন শেখ হত্যাকাণ্ডের ১২ দিন অতিবাহিত হলেও প্রধান আসামিসহ অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতার করার ক্ষেত্রে পুলিশ সফলতা দেখাতে পারেনি। নিহতের পরিবার থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে কিন্তু পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করছে না; বরং মামলাটি তুলে নিতে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে হুমকি দেয়া হচ্ছে। অন্যদিকে, আসামিপক্ষের লোকজনের বসতবাড়িতে হামলা হানার পর ভাঙচুর ও লুটপাটের পাল্টা অভিযোগও উঠেছে।
নিহত সুমন শেখ, যিনি ২৪ বছর বয়সী, আলফাডাঙ্গা উপজেলার টগরবন্দ ইউনিয়নের বড়ভাগ গ্রামের আলাউদ্দিন শেখের ছেলে হিসেবে পরিচিত। তিনি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী এম এ খালেক ডিগ্রি কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। সুমন দুই ভাই এবং দুই বোনের মধ্যে সবচেয়ে ছোট ছিলেন।
জানা গেছে, পূর্ব শত্রুতার কারণে গত ২৬ জুন সন্ধ্যায় মোটরসাইকেলের মাধ্যমে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী যাওয়ার সময় বড়ভাগ গ্রামের উকিল শেখের বাড়ির সামনে সুমন হামলার শিকার হন। ওই এলাকার হোসাইন শেখ ও তার সহযোগীরা সুমনের গতিরোধ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতেই তার মৃত্যু ঘটে।
এই ঘটনার পরদিন নিহত সুমনের বড় ভাই শামীম শেখ বাদী হয়ে হোসাইন শেখকে প্রধান আসামি করে ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ২০-২৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে আলফাডাঙ্গা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
নিহতের বোন সরজানা বেগম বলেন, ‘হত্যাকারী হোসাইন এলাকায় মাদকের ব্যবসা করতো। আমার ভাই তাকে মাদক ব্যবসায় বাধা দেয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে হোসাইন। আমার ভাইকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করে। মামলা দায়েরের পর এখন মোবাইলে হুমকি-ধামকি দেয়া হচ্ছে মামলা তুলে নিতে। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’
ছেলের মৃত্যুর ১২ দিন পার হলেও স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেননি বাবা আলাউদ্দিন শেখ এবং মা শেফালী বেগম। ছেলের ছবি হাতে নিয়ে দেখছেন এবং কান্না করছেন। কৃষক আলাউদ্দিন শেখ অভাব-অনটনের মধ্য দিয়েও সন্তানের লেখাপড়ার পেছনে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছিলেন। ছেলে সুমনও উচ্চশিক্ষা লাভ করে বাবার কষ্ট দূর করতে চেয়েছিলেন। সামনেই তার ডিগ্রি প্রথম বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা ছিল এবং সে ফরম পূরণও করেছিল। কিন্তু পরীক্ষার হলের পরিবর্তে তাকে চিরনিদ্রায় যেতে হয়েছে।
নিহতের বাবা আলাউদ্দিন শেখ অভিযোগ করেন, ‘আমার ছেলেকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে হোসাইনসহ তার সহযোগীরা। ১২ দিন পার হলেও আমার ছেলের হত্যাকারীদের গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। আমি দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।’
মা শেফালী বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আমার বুকের মানিককে ওরা আমার কাছ থেকে কেড়ে নিছে। আমার ছেলের হত্যাকারীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে, পুলিশ তাদের ধরছে না। আমার ছেলের কত স্বপ্ন ছিল আমাদের নিয়ে, সেই স্বপ্নগুলো কিংবা স্বপ্নই রয়ে গেল। আমার সুমন চলে গেছে ১২ দিন হলো, এখনও আসামিদের ধরতে পারেনি পুলিশ। আমি ছেলে হত্যার বিচার চাই।’
এদিকে আসামিপক্ষের লোকজনের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে স্বজনরা অভিযোগ করেছেন। গত কয়েক দিন ধরে ৯টি বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তারা।
আসামিপক্ষের প্রতিবাদে বলা হয়েছে, তাদের ৯টি বসতবাড়িতে হামলা এবং ভাঙচুর করা হয়েছে। দুর্বৃত্তরা ঘরের সব মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে। বাড়িতে থাকা নারীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। ঘরে থাকা নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ আসবাবপত্র লুট করে নেয়া হয়েছে। ভয়ের কারণে তারা বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র পালিয়ে রয়েছেন।
আরেক গৃহবধূ বলেন, ‘মামলা হয়েছে, যদি আমার স্বজনরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রমাণিত হয়, তবে আদালত তাদের বিচার করবে। কিন্তু এভাবে বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে লুটপাট, এটা কী হচ্ছে! আমাদের সবকিছু নিয়ে গেছে। ঘরে অসুস্থ প্রবীণ সদস্য রয়েছেন, হামলার দিন তারা ভয়ে আরও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাদের অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হয়েছে। নারীদের গলা এবং কান থেকে স্বর্ণ ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে। আমাদের কোথায় যেতে হবে, কোথায় অভিযোগ দেব?’
এদিকে, আসামিপক্ষের লোকজনের বাড়িতে ভাঙচুরের এবং লুটপাটের এই ঘটনাগুলো অস্বীকার করেছেন মামলার বাদী ও নিহত সুমনের বড় ভাই শামীম শেখ। তিনি বলেন, ‘আসামিপক্ষ নিজেরাই তাদের বসতবাড়ি ভাঙচুর করে মালামাল সরিয়ে নিয়ে আমাদের ওপর দোষ চাপাচ্ছে। আমাদের কোনো লোকজন হামলা-ভাঙচুর-লুটপাটের সাথে জড়িত নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘একটি এলাকায় হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে কিছু সুবিধাবাদী মানুষ থাকে যারা এ ধরনের লুটপাট করে। আসামিপক্ষের লোকজনই বসতবাড়ি ভাঙচুর করেছে এবং মালামাল লুটপাট করেছে। আমাদের কাছে এর ভিডিও প্রমাণ আছে।’
সহকারী পুলিশ সুপার (মধুখালী সার্কেল) মো. আজম খান জানান, তারা মামলাটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছেন। আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যে এজাহারনামীয় ৮ নম্বর আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ভাঙচুর ও লুটপাট ঠেকাতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। যদি ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে তবে অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিরপরাধ মানুষ যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কানাডা ও তুরস্ক আনুষ্ঠানিকভাবে একটি মুক্ত বাণিজ্যচুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে। দুই দেশের সরকারের যৌথ ঘোষণায় জানানো হয়েছে যে, এই চুক্তির মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করা হবে।
কানাডার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, এর আগে দুই দেশের বাণিজ্যমন্ত্রীদের মধ্যে প্রাথমিক আলোচনা হলেও এবার আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হয়েছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে উভয় দেশের কারিগরি দল প্রথম দফার আলোচনার প্রস্তুতি নেবে এবং সেই সঙ্গে তারা চুক্তির পরিধি ও লক্ষ্য নির্ধারণ করবে।
সম্ভাব্য চুক্তিতে পণ্য ও সেবার বাণিজ্য সহজীকরণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, সরবরাহ শৃঙ্খল শক্তিশালী করা এবং জ্বালানি, খনিজ, মহাকাশ ও উন্নত প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। উভয় দেশই মনে করছে যে, এই উদ্যোগ তাদের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।
অন্যদিকে, তুরস্কে ন্যাটো সম্মেলনে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ঘোষণা দেন যে, বৈশ্বিক প্রতিরক্ষা খাতে দীর্ঘমেয়াদি ও স্বল্প ব্যয়ের অর্থায়ন নিশ্চিত করতে কানাডার উদ্যোগে একটি নতুন আন্তর্জাতিক ডিফেন্স, সিকিউরিটি অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ব্যাংক (ডিএসআরবি) গঠন করবে যেখানে ৯টি দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
প্রাথমিকভাবে এই উদ্যোগে যুক্ত হওয়া দেশগুলো হলো কানাডা, আলবেনিয়া, বেলজিয়াম, গ্রিস, লাটভিয়া, লুক্সেমবার্গ, রোমানিয়া, তুরস্ক এবং ইউক্রেন।
প্রস্তাবিত ব্যাংকটির সদর দফতর কানাডায় স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এই ব্যাংকের মাধ্যমে প্রতিরক্ষা প্রকল্পে সহজ ঋণ, ঋণ গ্যারান্টি এবং শিল্প খাতে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হবে। লক্ষ্য হচ্ছে মিত্র দেশগুলোর প্রতিরক্ষা উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি করা এবং নিরাপত্তা অবকাঠামো শক্তিশালী করা। ব্যাংকটি প্রায় ১৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত তহবিল সংগ্রহের লক্ষ্য নিয়ে ২০২৭ সালের মধ্যে কার্যক্রম শুরু করতে চায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।
বৃহস্পতিবার ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে উভয়ে দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী ও ঐতিহাসিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন তারা। আলোচনায় বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিদ্যমান প্রযুক্তিগত ও সামরিক সহযোগিতা আরও নিবিড় করার পাশাপাশি দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় হয়।
বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের জন্য চীনে উচ্চতর প্রশিক্ষণ সুবিধা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে প্রতিরক্ষা খাতে স্বনির্ভরতা অর্জনের বিষয়ে আলোচনা হয়। প্রথাগত সামরিক সহযোগিতার বাইরে সাইবার স্পেসের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে যৌথ উদ্যোগের ওপর জোর দেওয়া হয়। এছাড়া, বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় উভয় দেশের একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বাংলাদেশের অবকাঠামো ও প্রতিরক্ষা খাতে চীনের ধারাবাহিক সহায়তার প্রশংসা করেন। অন্যদিকে, চীনের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে বর্তমান সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করে ভবিষ্যতেও এই সহযোগিতা অব্যাহত রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হজফেরত ১৩০ হাজির লাগেজ ও মালামাল চুরির ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিবকে নির্দেশ দিয়েছেন।
আদালত এই ঘটনার তদন্তের জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি যথাযথভাবে আগামী এক মাসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিস্তারিত আসছে...
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আর্জেন্টিনার বিপক্ষে বিতর্কিত পরাজয়ের পর মরক্কো জাতীয় ফুটবল দল মিশর জাতীয় ফুটবল দলের প্রতি সংহতির বার্তা প্রদান করেছে। তারা নিজেদের ভেরিফায়েড এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে মিশরের প্রধান কোচ হোসাম হাসানের ‘No to Racism’ প্রতীক প্রদর্শনের একটি ছবি প্রকাশ করেছে। পোস্টটি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়ে পড়ে।
আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দেখা যায়, আর্জেন্টিনার বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচ শেষে মিশরের প্রধান কোচ হোসাম হাসান মাঠে ফিফার ‘No to Racism’ প্রতীক হিসাবে নিজের দুই হাত ক্রস করে প্রতিবাদ জানান। এই ম্যাচ পরিচালনার বিষয় নিয়ে তার অসন্তোষের প্রেক্ষাপটেই তিনি এই অঙ্গভঙ্গি করেন, যা আন্তর্জাতিক ফুটবল অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
কিছুক্ষণ পর, মরক্কো জাতীয় ফুটবল দলের ভেরিফায়েড এক্স অ্যাকাউন্টে হোসাম হাসানের সেই ছবিটি পোস্ট করা হয়। ছবির সঙ্গে ‘No to Racism’ বার্তাও যুক্ত করা হয়। প্রকাশিত হওয়ার পর অনেক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী এটিকে মিশরের প্রতি সংহতি এবং সমর্থনের প্রতীক হিসেবে ব্যাখ্যা করে।
এটি উল্লেখযোগ্য যে, মরক্কোর পোস্টে আর্জেন্টিনা, ম্যাচের রেফারিং বা মিশরের অভিযোগ সম্পর্কিত কোনো সরাসরি মন্তব্য নেই। মূলত পোস্টটিতে ফিফার বর্ণবাদবিরোধী বার্তাকে গুরুত্ব দেওয়া হয় এবং হোসাম হাসানের প্রদর্শিত প্রতীকের প্রতি সমর্থন প্রদর্শন করা হয়।
অন্যদিকে, পোস্টটির স্ক্রিনশট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার পর এর সত্যতা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এটি মরক্কো জাতীয় ফুটবল দলের ভেরিফায়েড এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত একটি সদৃশ পোস্ট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ