বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৩৮ এম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশ্ব নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তুলতে।
তিনি বলেন, ‘আসুন, আমরা একসঙ্গে কাজ করি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ে তুলি।’
প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য সুলভ অর্থায়ন নিশ্চিত করার পাশাপাশি বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে, জলবায়ু-স্মার্ট প্রযুক্তিতে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণ এবং ক্ষয়ক্ষতি ও লোকসান তহবিলের পূর্ণ বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
স্থানীয় সময় বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাতিসংঘ সদরদপ্তরের ট্রাস্টিশিপ কাউন্সিলে ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যান্ড দ্য জাস্ট ট্রানজিশন’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের সভায় বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সভাটি জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের মোট গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের পরিমাণ শূন্য দশমিক ৫ শতাংশেরও কম, অথচ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তিনি বলেন, এই শতাব্দীর শেষ নাগাদ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ১২ থেকে ১৮ শতাংশ পানিতে তলিয়ে যেতে পারে। এতে কোটি কোটি মানুষের জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি দেশের খাদ্যনিরাপত্তাও গুরুতর ঝুঁকির মুখে পড়বে।
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বাংলাদেশের জিডিপির প্রায় ১ শতাংশের সমপরিমাণ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, চলতি বছরের বাজেটে জলবায়ু অভিযোজনের জন্য প্রায় ৩ দশমিক ১৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বরাদ্দ করা হয়েছে। তবে তিনি সতর্ক করেন যে, আন্তর্জাতিক সহায়তা ছাড়া বাংলাদেশ বড় ধরনের ক্ষতির ঝুঁকি এড়াতে পারবে না।
তিনি জানান, আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ ২৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। পাশাপাশি পানি সংরক্ষণ, বন্যার ঝুঁকি হ্রাস, জলাভূমি পুনরুজ্জীবন এবং ভূগর্ভস্থ পানির পুনর্ভরণের লক্ষ্যে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল খননের কাজ চলছে। পদ্মা ব্যারাজ ও তিস্তা ব্যারাজের মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়নের কাজও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
২০৩০ সালের মধ্যে দেশের বিদ্যুতের চাহিদার ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে পূরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার পাটজাত পণ্য, পরিবেশবান্ধব পরিবহন, বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদন ও সার্কুলার অর্থনীতির উদ্যোগসহ সবুজ শিল্পের প্রসারে কাজ করছে। তিনি জানান, একটি জাতীয় কার্বন বাজার গড়ে তোলার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, এককভাবে বাংলাদেশের পক্ষে এসব লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়। ‘অভিন্ন কিন্তু পৃথক দায়িত্ব ও নিজ নিজ সক্ষমতা’ নীতির ভিত্তিতে সম্মিলিত পদক্ষেপ এখন অপরিহার্য।
জলবায়ু মোকাবিলায় পাঁচটি জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রথমত, প্যারিস চুক্তিতে নির্ধারিত ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৈশ্বিক উষ্ণায়নের সীমা বজায় রাখতে বিশ্বব্যাপী গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ কমাতে হবে।
দ্বিতীয়ত, জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য অভিযোজন খাতে পূর্বানুমেয় ও সুলভ অর্থায়ন নিশ্চিত করতে হবে।
তৃতীয়ত, জলবায়ু-স্মার্ট প্রযুক্তিতে আরও বেশি প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করে একটি ন্যায্য ও সমতাভিত্তিক জলবায়ু উত্তরণের পথ তৈরি করতে হবে।
চতুর্থত, সুলভ অর্থায়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণ করতে হবে।
সর্বশেষে, ক্ষয়ক্ষতি ও লোকসান তহবিলের পূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিয়মিতভাবে এর অর্থ পুনঃপূরণের আহ্বান জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ তার জলবায়ু পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নে সহায়তা করবে, এমন অংশীদারত্ব প্রত্যাশা করে।
বর্তমানে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে। ২৪ সেপ্টেম্বর তিনি সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য দেবেন। সূত্র: বাসস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ক্যাম্পাস জীবনে, একই ছাদের নিচে একই কক্ষে পড়াশোনা করতেন তিন বন্ধু। তারা নিয়মিত গ্রুপ স্টাডি করতেন। ১৬তম বিজেএস পরীক্ষায় একজন সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পর, দুইবার ব্যর্থ হলেও হাল ছাড়েননি অপর দুই বন্ধু। বর্তমানে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আইন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের তিন শিক্ষার্থী এবং সাদ্দাম হোসেন হলের একই কক্ষের তিন বন্ধু সিভিল জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।
তাদের মধ্যে রয়েছেন— ১৬তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় সুপারিশপ্রাপ্ত আরিফ হোসাইন এবং সর্বশেষ প্রকাশিত ১৮তম বিজেএস পরীক্ষায় সুপারিশপ্রাপ্ত মো. আনোয়ার হোসেন ও শাকির আলম। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদ্দাম হোসেন হলের ৪২২ নম্বর কক্ষে একসূত্রে বাঁধা পড়েছিল এই তিন সহপাঠীর স্বপ্ন ও সংগ্রামের পথচলা।
১৬তম বিজেএস পরীক্ষায় আরিফ হোসাইন প্রথম জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে বাকি দুই বন্ধুর জন্য অনুপ্রেরণার দুয়ার খুলে দেন। তিনি মন্তব্য করেন, "আলহামদুলিল্লাহ, মহান রবের প্রতি কৃতজ্ঞতা, যিনি আমাদের তিন বন্ধুকে এমন সম্মান দিয়েছেন। সকলের জন্য শুভকামনা ও ভালোবাসা।"
সর্বশেষ প্রকাশিত ১৮তম বিজেএস-এ সুপারিশপ্রাপ্ত শাকির আলম বলেন, "প্রথমেই মহান আল্লাহ তাআলার প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা, যিনি আমাকে এই জায়গায় নিয়ে এসেছেন। টানা দুইবার ব্যর্থ হওয়ার পরও হাল ছাড়িনি। তৃতীয়বারের চেষ্টায় উত্তীর্ণ হয়েছি। কুরআনের সেই আয়াত মনে পড়ে যায় যে, শিগগিরই তোমার রব তোমাকে এত বেশি দেবেন যে তুমি খুশি হয়ে যাবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর থেকেই আমার ইচ্ছে ছিল যে একদিন বিচারক হয়ে দেশ ও দেশের মানুষের জন্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করব। পরিবার ও সমাজের এ ব্যাপারে উৎসাহিত করতে অবদান আছে। পাশাপাশি উৎসাহিত হয়েছি বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় ভাই-আপুদের সুপারিশপ্রাপ্ত হতে দেখে। আমার সবচেয়ে বড় ভালো লাগা, সাদ্দাম হোসেন হলের ৪২২ নম্বর কক্ষ থেকে আমরা তিনজনই জজ হয়েছি।"
তারা জানান, ক্যাম্পাস জীবনে সাদ্দাম হোসেন হলের ৪২২ নম্বর কক্ষটি ছিল তাদের পড়াশোনা ও একে অপরকে সহযোগিতা করার মূল কেন্দ্র। গভীর রাতের দীর্ঘ পড়াশোনা, গ্রুপ ডিসকাশন এবং লক্ষ্যপূরণের অদম্য ইচ্ছা তাদের এই যৌথ সাফল্যের পেছনের মূল শক্তি হিসেবে কাজ করেছে।
আইন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. হালিমা খাতুন বলেন, "আমাদের বিভাগ প্রতিবছরই জুডিশিয়ারিতে ভালো করে থাকে। এবার আরও ভালো করেছে। এই ধারা অব্যাহত থাকবে, আশা করি। যারা জুডিশিয়ারিকে প্রফেশন হিসেবে নিতে চান, তাদের গাইডলাইন দেওয়া থেকে শুরু করে তাদের বেজলাইন দৃঢ় করতে আমরা কাজ করব। জুডিশিয়ারি একটি মহৎ পেশা। আমাদের বিভাগের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি। অন্যদিকে তিন রুমমেট বন্ধু জজ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। তারা ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করেছে। তারা আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।"
উল্লেখ্য, বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ১৮তম জুডিশিয়াল সার্ভিসের (বিজেএস) চূড়ান্ত ফল প্রকাশিত হয়। ফলাফল অনুযায়ী, সর্বশেষ তথ্য অনুসারে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে ১৪ জন, আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগ থেকে ৪ জন এবং আল-ফিকহ অ্যান্ড ল’ থেকে ১ জন সিভিল জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের ১১টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে দুপুরের মধ্যে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া সহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, এমন তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এই কারণে সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য যে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, সেখানে এ বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হামিদ মিয়ার সই করা পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যশোর, কুষ্টিয়া, পাবনা, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ী ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে এসব অঞ্চলে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, এসব অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রতিদিনের ব্যস্ত জীবনে সব খেলা তো আর দেখতে পারবেন না। একটু বেছে নিতে হবে আপনার সময় ও পছন্দ অনুযায়ী। নিশ্চয়ই লাইভ বা সরাসরি খেলা দেখতেই আর সবার মতো আপনারও আগ্রহ বেশি। কোথায় কী খেলা আছে তা জানার জন্য খোঁজাখুঁজি করে সময় নষ্ট না করে দেখে নিন এই শিডিউল। আর ঠিক করে ফেলুন কখন কোন খেলায় চোখ রাখবেন।
এশিয়ান গেমসে পুরুষ ক্রিকেট শুরু বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর)। ফিফা আসিয়ান কাপও শুরু হচ্ছে আজ। রাতে উয়েফা নেশনস লিগে মাঠে নামবে পর্তুগাল, জার্মানি ও নেদারল্যান্ডস।
এশিয়ান গেমস: ক্রিকেট
জাপান-আফগানিস্তান
সকাল ৬টা, সনি স্পোর্টস ১
হংকং-মালয়েশিয়া
বেলা ১১টা, সনি স্পোর্টস ১
এশিয়ান গেমস
বিভিন্ন খেলা
সকাল ৬টা, সনি স্পোর্টস ২ ও ৫
ফিফা আসিয়ান কাপ
লাওস-ব্রুনেই
বেলা ৩টা, টি স্পোর্টস
মিয়ানমার-তিমুর লেস্তে
সন্ধ্যা ৬টা, টি স্পোর্টস
২য় ওয়ানডে
ইংল্যান্ড-শ্রীলঙ্কা
বিকেল ৫-৩০ মি., সনি স্পোর্টস ১
উয়েফা নেশনস লিগ
অ্যান্ডোরা-মাল্টা
রাত ১০টা, সনি স্পোর্টস ২
পর্তুগাল-ওয়েলস
রাত ১২-৪৫ মি., সনি স্পোর্টস ২ ও ৫
নেদারল্যান্ডস-জার্মানি
রাত ১২-৪৫ মি., সনি স্পোর্টস ১ ও সনি লিভ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বের ইতিহাসে প্রতিদিন ঘটে নানা ঘটনা। অনেক কিছু উদ্ভাবন ও উন্মোচন হয়। জন্মের পাশাপাশি অনেকের মৃত্যু ঘটে। প্রতিদিনের এসব ঘটনার মধ্যে কিছু ঘটনা মানুষের মনে স্থায়ী দাগ ফেলে। কিছু ঘটনা ইতিহাসের পাতায় স্থান করে নেয়।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এক নজরে দেখা যাক তেমন কিছু ঘটনা।
ঘটনাবলি
১৭২৬ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কলকাতা, মাদ্রাজ ও বোম্বাইয়ে মিউনিসিপ্যাল করপোরেশন মেয়র কোর্ট স্থাপনের অনুমতি লাভ করে।
১৭৮৯ সালে যুক্তরাজ্যে ডাক ব্যবস্থার সূচনা ঘটে।
১৭৮৯ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠা করা হয়।
১৮০৫ সালে ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্ট বৃহৎ সামরিক অভিযান বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেন।
১৮৪১ সালে ব্রুনেইর সুলতান সারাওয়াকা দ্বীপ ব্রিটেনের কাছে হস্তান্তর করেন।
১৮৭৫ সালে ব্রিটিশ ভারতের কলকাতায় আলিপুর চিড়িয়াখানা উদ্বোধন করা হয়।
১৯১৯ সালে বঙ্গোপসাগর থেকে উত্থিত প্রবল সামুদ্রিক ঝড় ফরিদপুর, ঢাকা, পূর্ব ময়মনসিংহ জেলা সম্পূর্ণরূপে বিধ্বস্ত করে।
১৯৩২ সালে বাংলার প্রথম বিপ্লবী নারী প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার চট্টগ্রামের ইউরোপীয় ক্লাব আক্রমণের পর দেশের জন্য আত্মদানের আহ্বান জানিয়ে আত্মহত্যা করেন।
১৯৩২ সালে মহাত্মা গান্ধী এবং বি আর আম্বেদকর পুনা চুক্তিতে সম্মত হন।
১৯৩৯ সালে জার্মানির বিমানবাহিনী পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশতে ব্যাপক বোমা বর্ষণ শুরু করে।
১৯৪৮ সালে হোন্ডা মোটরস্ কোম্পানির প্রতিষ্ঠা ঘটে।
১৯৬০ সালে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (আইডিএ) গঠিত হয়।
১৯৬৮ সালে সোয়াজিল্যান্ড জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
১৯৭৩ সালে নাইজার বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
১৯৭৪ সালে আফ্রিকার দেশ গিনি-বিসাউ পর্তুগাল থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে।
১৯৮৮ সালে বাংলাদেশের বিশিষ্ট আলেম, সমাজ সংস্কারক ও জমিদারদের শোষণবিরোধী বিপ্লবী নেতা শামসুল হুদা পাঁচবাগী পরলোকগমন করেন।
১৯৯০ সালে সোভিয়েত পার্লামেন্ট বাজার অর্থনীতির পক্ষে রায় প্রদান করে।
২০০৭ সালে ভারতীয় ক্রিকেট দল টি-২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে পাকিস্তানকে পরাজিত করে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়।
জন্ম
১৫০১ সালে জন্মগ্রহণ করেন জিরোলামো কার্দানো, যিনি ইতালীয় চিকিৎসক, গণিতবিদ, জ্যোতিষী ও জুয়াড়ি ছিলেন।
১৫৩৪ সালে গুরু রামদাস, শিখধর্মের দশ শিখ গুরুর চতুর্থ গুরু হিসেবে পরিচিত হন।
১৮৬১ সালে ভিকাজী রুস্তম কামা, ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামী ও বিপ্লবী আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত হন।
১৮৬৯ সালে ক্ষিতীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ঠাকুর পরিবারের আদি ব্রাহ্মসমাজের কর্মী ও লেখক হিসেবে পরিচিত হন।
১৮৮৪ সালে ইসমত ইনোনু, তুর্কি জেনারেল ও রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত হন।
১৮৯৬ সালে এফ স্কট ফিট্জেরাল্ড, মার্কিন কথাসাহিত্যিক হিসেবে জন্মগ্রহণ করেন।
১৮৯৮ সালে হাওয়ার্ড ফ্লোরি, নোবেল বিজয়ী অস্ট্রেলীয় জীববিজ্ঞানী হিসেবে পরিচিত হন।
১৯০২ সালে রুহুল্লাহ খোমেনি, পশ্চিমা বিশ্বে আয়াতুল্লাহ খোমেনি হিসেবে পরিচিত, ইরানি রাজনীতিবিদ, বিপ্লবী ও ধর্মীয় নেতা হিসেবে জন্মগ্রহণ করেন।
১৯০৭ সালে সুধীররঞ্জন খাস্তগীর, বঙ্গীয় শিল্পকলার ভারতীয় চিত্রকর হিসেবে পরিচিত হন।
১৯৪০ সালে আরতি সাহা, ভারতীয় সাঁতারু হিসেবে পরিচিত হন।
১৯৫০ সালে মহিন্দর অমরনাথ, ভারতের সাবেক টেস্ট ক্রিকেটার এবং ক্রিকেট বিশ্লেষক হিসেবে পরিচিত হন।
১৯৫৮ সালে মহুয়া রায়চৌধুরী, প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি অভিনেত্রী হিসেবে পরিচিত হন।
১৯৫৯ সালে মিশুক মুনীর, বাংলাদেশ টেলিভিশন সাংবাদিকতার রূপকার ও বিশিষ্ট চিত্রগ্রাহক হিসেবে পরিচিত হন।
মৃত্যু
১৮৫৯ সালে সিপাহি বিদ্রোহের বীর যোদ্ধা নানা সাহেব জন্মগ্রহণ করেন।
১৮৬০ সালে ফরায়েজি আন্দোলনের নেতা দুদু মিয়া (মোহসীন উদ্দীন) জন্মগ্রহণ করেন।
১৯২৪ সালে উইলিয়াম পিয়ারসন, ব্রিটিশ ধর্মযাজক, শিক্ষাবিদ এবং রবীন্দ্রসাহিত্যের ইংরেজি অনুবাদক হিসেবে পরিচিত হন।
১৯২৫ সালে গোকুলচন্দ্র নাগ, প্রখ্যাত ‘কল্লোল’ পত্রিকার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও সহকারী সম্পাদক হিসেবে পরিচিত হন।
১৯৩২ সালে প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের আত্মাহুতিদানকারী বাঙালি নারী হিসেবে পরিচিত হন।
২০০৪ সালে রাজা রামান্না, ভারতের খ্যাতনামা পরমাণু বিজ্ঞানী হিসেবে পরিচিত হন।
২০১০ সালে ক্ষেত্র গুপ্ত, বাঙালি অধ্যাপক, সমালোচক ও প্রাবন্ধিক হিসেবে পরিচিত হন।
২০২০ সালে শেখর বসু, প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি পরমাণু বিজ্ঞানী হিসেবে পরিচিত হন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ