ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

অলিসের লাল কার্ডে বায়ার্নকে রুখে দিল ভাইকিং


অলিসের লাল কার্ডে বায়ার্নকে রুখে দিল ভাইকিং

চ্যাম্পিয়নস লিগের এক নাটকীয় ম্যাচে বায়ার্ন মিউনিখকে ৩-৩ গোলে রুখে দিয়েছে নরওয়ের ভাইকিং, ফলে তারা একটি স্মরণীয় পয়েন্ট অর্জন করেছে। দুই গোল পিছিয়ে পড়ার পরও হ্যারি কেনের জোড়া গোলে ম্যাচে ফিরে আসে বায়ার্ন। এরপর লুইস দিয়াজের গোলে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত জার্মান জায়ান্টরা জয় ধরে রাখতে পারেনি। মাইকেল অলিসের অপ্রয়োজনীয় লাল কার্ডের পর ৯০ মিনিটে হারমান হাউগেনের গোলেই সমতা ফেরায় ভাইকিং।

ম্যাচের শুরুতেই স্বাগতিকরা মাত্র ৭১ সেকেন্ডে এগিয়ে যায়। জ্লাতকো ত্রিপিচের কর্নার থেকে জিয়ান্নি স্টেনসনেস হেড করে বল পাঠান বায়ার্নের গোলরক্ষক ইয়োনাস উরবিগের জালে। শুরুতেই ধাক্কা খেয়ে বায়ার্ন আক্রমণে উঠলেও লুইস দিয়াজ, অলিস ও কেনের কয়েকটি চেষ্টা ভাইকিং গোলরক্ষক আরিল্ড অস্তব ঠেকিয়ে দেন।

প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার সাত মিনিট আগে ব্যবধান দ্বিগুণ করে ভাইকিং। এরিক বোথেইমের থ্রু বল ধরে বায়ার্নের নাথানিয়েল ব্রাউনকে কাটিয়ে গোল করেন পিটার ক্রিশ্চিয়ানসেন। ফলে বিরতিতে ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল নরওয়ের দলটি।

আরও পড়ুন: লাউতারোর বদলে আর্জেন্টিনার একাদশে ব্রাজিলের ক্লাবে খেলা স্ট্রাইকার?

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে বায়ার্ন পেনাল্টির আবেদন করলেও ভিএআর পর্যালোচনার পর তা বাতিল হয়। তবে কিছুক্ষণ পর বায়ার্ন পেয়ে যায় পেনাল্টি। কনরাড লাইমারকে ফাউল করার ঘটনায় ভিএআরের পর স্পট কিকের সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। ৫২ মিনিটে সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ব্যবধান কমান কেন।

এক ঘণ্টা পূর্ণ হওয়ার আগেই আবার গোল করেন ইংলিশ স্ট্রাইকার। জশুয়া কিমিখের চিপ করা ক্রস থেকে দুর্দান্ত হেডে নিজের দ্বিতীয় গোল করে বায়ার্নকে ২-২ সমতায় ফেরান কেন। এই গোলের পর মনে হচ্ছিল ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি জার্মান ক্লাবটির হাতে চলে গেছে।

এরপর দিয়াজ একবার গোল করলেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়। তবে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি তাকে। কেনের বাড়ানো বল থেকে লাইমার ভলি করে দিয়াজকে সুযোগ তৈরি করে দেন, আর সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে বল জালে পাঠিয়ে বায়ার্নকে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে দেন দিয়াজ।

কিন্তু মাত্র দুই মিনিট পরই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন অলিস। প্রথমে হেনরিক হেগহেইমকে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন ফরাসি উইঙ্গার। এরপর ত্রিপিচের দিকে বল ছুড়ে দেওয়ায় মাত্র এক মিনিটের ব্যবধানে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। ১০ জনের বায়ার্নকে এরপর চেপে ধরে ভাইকিং।

আরও পড়ুন: ১৫ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন পুনম রাউত

শেষ পর্যন্ত ৯০ মিনিটে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত সমতাসূচক গোল। ত্রিপিচের বাঁ প্রান্ত থেকে উঁচু করে বাড়ানো ক্রসে বক্সের দূরের পোস্টে সবচেয়ে উঁচুতে উঠে হেড করেন বদলি খেলোয়াড় হারমান হাউগেন। তার সেই গোলেই ৩-৩ সমতায় শেষ হয় ম্যাচ। ইউরোপীয় ফুটবলে বড় এক দলের বিপক্ষে অবিশ্বাস্য এই ড্র ভাইকিং সমর্থকদের জন্য হয়ে থাকে স্মরণীয় রাত।

ম্যাচে বায়ার্নের আক্রমণাত্মক আধিপত্য থাকলেও ফল নিজেদের পক্ষে নিতে পারেনি তারা। বায়ার্নের প্রত্যাশিত গোল বা xG ছিল ৩.৫১, যেখানে ভাইকিংয়ের মাত্র ০.৫৬। তবু কার্যকর আক্রমণ এবং শেষ মুহূর্তের দৃঢ়তায় গুরুত্বপূর্ণ এক পয়েন্ট তুলে নেয় স্বাগতিকরা।

এদিকে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা কেন আরও একটি মাইলফলক গড়েছেন। ৩০ বছর বয়সের পর চ্যাম্পিয়নস লিগে ৪০ ম্যাচে তার গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৬। একই বয়সের পর এই প্রতিযোগিতায় লিওনেল মেসির ৩৫ গোলের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছেন তিনি। ইউরোপিয়ান কাপ/চ্যাম্পিয়নস লিগে টানা নয় ম্যাচে গোল করেছেন কেন; তার চেয়ে দীর্ঘ গোলের ধারাবাহিকতা সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ক্ষেত্রে, ২০১৮ সালের এপ্রিলে টানা ১১ ম্যাচে।

কেনের দুর্দান্ত ফর্মে বায়ার্নও ইউরোপে গোলের বন্যা বইয়ে দিচ্ছে। কোনো দল তাদের বিপক্ষে ক্লিন শিট রাখতে পারার পর থেকে ২৩ ম্যাচে ৬৫ গোল করেছে তারা। তবে অলিসের লাল কার্ডের মূল্য এবার বড়ভাবেই দিতে হলো বায়ার্নকে। ভাইকিংয়ের বিপক্ষে দুই পয়েন্ট হারানোর পাশাপাশি পরের ম্যাচে গত মৌসুমের রানার্সআপ আর্সেনালের বিপক্ষে অলিসকে পাবে না ভিনসেন্ট কোম্পানি।

আরও পড়ুন: সৌদিতে হামলার পর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ, এশিয়ান কাপ কি পিছিয়ে যাবে?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শ্রীলঙ্কা পাকিস্তানের বিপক্ষে হোয়াইটওয়াশ এড়াল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৯ এম


শ্রীলঙ্কা পাকিস্তানের বিপক্ষে হোয়াইটওয়াশ এড়াল

শুরু থেকে শেষ ওভার পর্যন্ত সাহিবজাদা ফারহান একাই দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পাকিস্তানের অধিনায়ক টানা তৃতীয়বারের মতো পঞ্চাশ ছোঁয়া ইনিংস খেলেন। আরাফাত মিনহাসের ক্যামিওর মাধ্যমে দলটি লড়াকু সংগ্রহ গড়তে সক্ষম হয়। তবে, বোলাররা সেই সংগ্রহের যথাযথ প্রমাণ দিতে পারেননি। কুসাল মেন্ডিসের ক্যারিয়ার সেরা ব্যাটিংয়ের মাধ্যমে শ্রীলঙ্কা হোয়াইটওয়াশ এড়াতে সক্ষম হয়।

মঙ্গলবার রাওয়ালপিন্ডিতে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে লঙ্কানরা ৮ উইকেটে জয়লাভ করে। সফরকারীরা ১৬৯ রানের লক্ষ্যে ১৭ বল হাতে রেখেই পৌঁছে যায়।

এই ম্যাচে পরাজিত হলেও সিরিজটি ২-১ ব্যবধানে নিজেদের নামে করে নিয়েছে পাকিস্তান।

প্রথম দুই ম্যাচে ১ ও ৯ রান করতে পারা মেন্ডিস এবার ৪৮ বল খেলে চার ছক্কা ও ৯ চারে অপরাজিত ৮৭ রান করেন। তিনি ম্যাচ সেরাও নির্বাচিত হন।

এটি মেন্ডিসের এই সংস্করণের ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস। এর আগে তিনি ৮৬ রান করেছিলেন, যা বাংলাদেশের বিপক্ষে ২০২৪ সালে সিলেটে।

সাহিবজাদা ফারহান সাত চার ও তিন ছক্কায় ৪৭ বলে ৭৬ রান করেন। তিনি সিরিজে ১৬৫.২৭ স্ট্রাইক রেটে তিন ম্যাচে ২৩৮ রান করে সিরিজ সেরা হন। সিরিজের অন্যান্য খেলোয়াড়রা দেড়শ রানও করতে পারেননি।

শ্রীলঙ্কার জয়ের ভিত্তি মূলত বোলারদের দারুণ পারফরম্যান্স। পেস বোলিং অলরাউন্ডার ও সাবেক অধিনায়ক দাসুন শানাকা চার ওভারে ২১ রানে ৩ উইকেট নেন।

সিরিজে প্রথমবার খেলতে নেমে ২৩ রানে একটি উইকেট নেন লেগ স্পিনার ভিজায়াকান্থ ভিয়াসকান্থ। যদিও খরুচে বোলিং করলেও দুটি করে উইকেট নেন নুয়ান থুশারা ও ইশান মালিঙ্গা।

টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা পাকিস্তান তিন ওভারে ৩৪ রানের উড়ন্ত শুরু করে, তবে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে। মিডল অর্ডার ব্যাটার আব্দুল সামাদ ফিরে আসেন যখন দলের স্কোর ১৩.৪ ওভারে ৬ উইকেটে ১০২।

এরপর ওপেনার ফারহান আরাফাতকে পাশে পান। দুজনে ৩৭ বলে ৬৬ রানের জুটি গড়েন। এক বল বাকি থাকতে আউট হন ফারহান। মিনহাস অপরাজিত থাকেন, দুটি করে ছক্কা ও চারে ২০ বলে ৩৪ রান করেন।

লক্ষ্য তাড়ায় দ্বিতীয় বলের শুরুতেই লাহিরু উদানা ফিরে যান, মোহাম্মাদ ইমরানের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে। এরপর লঙ্কানদের আর পিছনে ফিরতে হয়নি। সিনেথ জয়াসুরিয়াকে নিয়ে ৪১ বলে ৫৯ এবং কামিন্দু মেন্ডিসকে নিয়ে ৫৫ বলে অপরাজিত ৯৮ রানের জুটিতে সহজ জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে তারা।

২৬ বলে ৫ চার ও ২ ছক্কায় ৩৮ রানে আউট হন ওপেনার জয়াসুরিয়া।

চারটি চারে ২৭ বলে ৪০ রানে অপরাজিত থাকেন কামিন্দু।

এবার ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ খেলবে এই দুই দল। সিরিজের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে রাওয়ালপিন্ডি ও লাহোরে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

পাকিস্তান: ২০ ওভারে ১৬৮/৮ (সাহিবজাদা ৭৬, ফাখার ১২, সাদাকাত ০, নাওয়াজ ১৬, নাফে ৩, ইমরান ৬, সামাদ ১৫, মিনহাস ৩৪*, রাজাউল্লাহ ০; বিনুরা ৪-০-৪৫-০, থুশারা ৪-০-৩৮-২, মালিঙ্গা ৪-১-৩৮-২, ভিজায়াকান্থ ৪-০-২৩-১, শানাকা ৪-০-২১-৩)

শ্রীলঙ্কা: ১৭.১ ওভারে ১৭২/২ (উদারা ১, জায়াওয়ার্দেনা ৩৮, কুসাল মেন্ডিস ৮৭*, কামিন্দু মেন্ডিস ৪০*; সালমান ৩-০-৪০-০, ইমরান ৪-০-৩১-১, রাজাউল্লাহ ৩.১-০-৩৭-০, মকিম ৪-০-৩৫-০, মিনহাস ৩-০-২৬-১)

ফল: শ্রীলঙ্কা ৮ উইকেটে জয়ী

সিরিজ: ৩ ম্যাচের সিরিজ পাকিস্তান ২-১ ব্যবধানে জয়ী

ম্যান অব দা ম্যাচ: কুসাল মেন্ডিস

ম্যান অব দা সিরিজ: সাহিবজাদা ফারহান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হারের বৃত্তেই ইউনাইটেড, ক্যারিকের ওপর চাপ বাড়ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৫০ এম


হারের বৃত্তেই ইউনাইটেড, ক্যারিকের ওপর চাপ বাড়ছে

চ্যাম্পিয়নস লিগে আবারও হতাশার সম্মুখীন হয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। মঙ্গলবার রাতে রিয়াদ এয়ার মেট্রোপলিতানোতে আতলেতিকো মাদ্রিদের কাছে ২-০ গোলে পরাজিত হয়েছে মাইকেল ক্যারিকের দল। ম্যাচের শুরুতেই ৪৭ সেকেন্ডে গোল খেয়ে যায় ইউনাইটেড, এরপর দ্বিতীয়ার্ধে লেনি ইয়োরোর লাল কার্ডের কারণে তারা ১০ জনে পরিণত হয়। শেষ পর্যন্ত পাবলো বারিওস ও আদেমোলা লুকম্যানের গোলে জয় নিশ্চিত করে আতলেতিকো।

ম্যাচের শুরুতেই ইউনাইটেড বড় ধাক্কা খায়। মাত্র ৪৭ সেকেন্ডে ডান দিক থেকে আলেক্স বায়েনার বাড়ানো বল পেয়ে গোল করেন বারিওস। তার নিচু শট আয়ডেন হেভেনের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে ইউনাইটেডের গোলরক্ষক সেন্নে লামেন্স আর বল ঠেকাতে পারেননি। এটি চ্যাম্পিয়নস লিগে আতলেতিকোর দ্বিতীয় দ্রুততম গোল। এর আগে ২০২৫ সালের মার্চে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে ২৭ সেকেন্ডে গোল করেছিলেন কনর গ্যালাঘার।

গোল হজমের পর সমতায় ফেরার চেষ্টা করে ইউনাইটেড। প্রথমার্ধে তাদের সবচেয়ে ভালো দুটি সুযোগ আসে ব্রায়ান এমবেউমোর কাছ থেকে। তার একটি নিচু শট আটকে দেন আতলেতিকোর রক্ষণ, আরেকটি তীক্ষ্ণ কোণের প্রচেষ্টা সামলে নেন গোলরক্ষক ইয়ান ওবলাক। অন্যদিকে আতলেতিকোও ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করে। আলেহান্দ্রো গ্রিমালদোর ২০ গজ দূর থেকে নেওয়া ফ্রি-কিক গোলের পোস্টে লেগে ফিরে আসে।

বিরতির ঠিক আগে আতলেতিকো দ্বিতীয় গোল পেয়েছিল বলে মনে হলেও ভিএআরের কারণে তা বাতিল হয়। বারিওসের পাস থেকে জনি কারদোসো বল জালে পাঠালেও আক্রমণের শুরুতে মার্কোস ইয়োরেন্তের হ্যান্ডবলের কারণে গোলটি বাতিল করা হয়।

দ্বিতীয়ার্ধেও দুই দলই সুযোগ তৈরি করে। ৫৪ মিনিটে হুলিয়ান আলভারেজের ভলি পোস্টে লেগে ফিরে আসে। অন্যদিকে ইউনাইটেডের ব্রুনো ফার্নান্দেসও গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন, তবে তার একটি শট অল্পের জন্য বাইরে যায় এবং আরেকটি প্রচেষ্টা ক্রসবারের ওপর দিয়ে চলে যায়।

ম্যাচের ৭৪ মিনিটে ইউনাইটেডের পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে যায়। গোলের দিকে এগিয়ে যাওয়া জোনাথন ডেভিডকে থামানোর ঘটনায় প্রথমে হ্যান্ডবলের সিদ্ধান্ত দেওয়া হলেও ভিএআর পর্যালোচনার পর লেনি ইয়োরোকে সরাসরি লাল কার্ড দেখানো হয়। গোল করার স্পষ্ট সুযোগ নষ্ট করার দায়ে ১০ জনের দলে পরিণত হয় ইউনাইটেড।

সংখ্যায় এগিয়ে যাওয়ার মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যেই সেই সুবিধা কাজে লাগায় আতলেতিকো। গ্রিমালদো সামনে এগিয়ে ডেভিডকে বল বাড়িয়ে দেন। তার শট লামেন্স ঠেকিয়ে দিলেও ফিরতি বল দ্রুত নিয়ন্ত্রণে নিয়ে জালে পাঠান লুকম্যান। ফলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা।

শেষদিকে ব্যবধান কমানোর সুযোগ পেয়েছিল ইউনাইটেড। আতলেতিকোর এক ভুল ক্লিয়ারেন্সের পর মাতেউস কুনহাকে বল বাড়ান জশুয়া জির্কজি। তবে সাবেক আতলেতিকো ফরোয়ার্ডের শট দুর্দান্তভাবে পা বাড়িয়ে ঠেকিয়ে দেন ওবলাক। ফলে ক্লিন শিট নিয়েই মাঠ ছাড়ে স্প্যানিশ ক্লাবটি।

পরিসংখ্যানেও ম্যাচটি বেশ কাছাকাছি ছিল। আতলেতিকো ১১টি শট নিয়ে ১.৪২ xG তৈরি করে, যার পাঁচটি ছিল লক্ষ্যে। ইউনাইটেডের ৯টি শট থেকে xG ছিল ০.৯৮, লক্ষ্যে ছিল চারটি। তবে ইয়োরোর লাল কার্ডের পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি স্বাগতিকদের হাতে চলে যায়।

এই হারে মাইকেল ক্যারিকের ওপর চাপ আরও বাড়ল। সপ্তাহান্তে ১০ জনের টটেনহ্যামের বিপক্ষে ড্র করার পর আতলেতিকোর মাঠে জয়ের প্রত্যাশা ছিল ইউনাইটেডের। কিন্তু তার বদলে আরও একটি পরাজয় পেল তারা। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ক্যারিকের অধীনে শেষ পাঁচ ম্যাচে এটি ইউনাইটেডের তৃতীয় হার; এর আগের ২১ ম্যাচেও তারা হেরেছিল মাত্র তিনবার।

অন্যদিকে চ্যাম্পিয়নস লিগে মৌসুমের প্রথম জয় পেল আতলেতিকো। ইউনাইটেডের বিপক্ষে ইউরোপের এই প্রতিযোগিতায় তাদের অপরাজিত থাকার রেকর্ডও অক্ষুণ্ন থাকল—দুই ড্রয়ের পর পাঁচ দেখায় এটি তাদের তৃতীয় জয়। আতলেতিকোর আরেকটি উল্লেখযোগ্য পরিসংখ্যান হলো, গত মৌসুমের শুরু থেকে চ্যাম্পিয়নস লিগে দ্রুত আক্রমণ থেকে আট গোল করেছে তারা, যা অন্য যেকোনো দলের চেয়ে দুটি বেশি। লুকম্যানও বদলি হিসেবে চ্যাম্পিয়নস লিগে ছয় ম্যাচে চার গোলে অবদান রেখেছেন—তিন গোল ও একটি অ্যাসিস্ট।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চ্যাম্পিয়নস লীগে বার্সেলোনার ৪-১ গোলে দূরন্ত কামব্যাক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৫১ এম


চ্যাম্পিয়নস লীগে বার্সেলোনার ৪-১ গোলে দূরন্ত কামব্যাক

চ্যাম্পিয়নস লিগে আবারও দুর্দান্ত জয় পেয়েছে বার্সেলোনা। তুরস্কের মাটিতে গালাতাসারাইয়ের বিপক্ষে ৪-১ গোলে জয়লাভ করেছে হান্সি ফ্লিকের দল। ২৮ মিনিটে পিছিয়ে পড়ার পরও দারুণ প্রত্যাবর্তন করে বার্সা। ম্যাচে লামিনে ইয়ামালের জোড়া অ্যাসিস্টের সঙ্গে গোল করেন জোয়াও ক্যানসেলো, ফারমিন লোপেজ, অ্যান্থনি গর্ডন ও করিম আদেয়েমি।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণে ছিল বার্সেলোনা। পেদ্রির বাড়ানো বল ধরে গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন গর্ডন, কিন্তু তিনি উগুরজান চাকারকে পরাস্ত করতে পারেননি। ইয়ামালের ক্রস থেকে ড্যানি ওলমোও হেডে গোল করার সুযোগ নষ্ট করেন। একের পর এক সুযোগ তৈরি করেও গোল না পাওয়ার খেসারত অবশ্য দিতে হয় বার্সাকে।

২৮ মিনিটে রাফায়েল লেয়াওয়ের কাটব্যাক থেকে বল পেয়ে বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের জোরালো শটে গোল করেন আলেক্সেই বাতরাকভ। বলটি জোয়াও ক্যানসেলোর গায়ে লেগে সামান্য দিক পরিবর্তন করায় বার্সার গোলরক্ষক হোয়ান গার্সিয়া আর ঠেকাতে পারেননি। গালাতাসারাই এগিয়ে যায়।

ছয় মিনিট পর স্বাগতিকরা ব্যবধান দ্বিগুণও করে ফেলেছিল। বাতরাকভের কর্নার থেকে ভিক্টর ওসিমেনের ফ্লিক করা বল হেডে জালে পাঠান বারিস আলপার ইলমাজ। তবে ভিএআর পর্যালোচনার পর অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়। সেই সিদ্ধান্তই ম্যাচের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মোড় হয়ে দাঁড়ায়।

বিরতির ঠিক আগে সমতায় ফেরে বার্সেলোনা। ডাভিনসন সানচেজের কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে ওলমো সেটি বাড়িয়ে দেন ক্যানসেলোকে। এরপর বাঁকানো শটে দূরের পোস্টের নিচের কোণ দিয়ে বল জালে পাঠান পর্তুগিজ ডিফেন্ডার। দুই দল ১-১ সমতায় বিরতিতে যায়।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও গোলের সুযোগ নষ্ট করেন গর্ডন। ইয়ামালের দুর্দান্ত পাসে একেবারে ভালো অবস্থানে থেকেও লক্ষ্যভ্রষ্ট হন তিনি। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই বার্সার এগিয়ে যাওয়ার পথ তৈরি করে দেন ইয়ামাল। ৫০ মিনিটে ডান দিক থেকে তার চিপ করা বলের দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে হেডে গোল করেন ফারমিন লোপেজ। বার্সেলোনা ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

এর মাত্র তিন মিনিট পর আবারও ইয়ামালের জাদু। ডান প্রান্তে দুর্দান্ত ড্রিবলিং করে কয়েকজন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে গর্ডনের দিকে বল বাড়িয়ে দেন স্প্যানিশ তরুণ। এবার আর ভুল করেননি গর্ডন। নিচু শটে নিকট পোস্ট দিয়ে বল জালে পাঠিয়ে বার্সার ব্যবধান করেন ৩-১।

বার্সার চতুর্থ গোলেও বড় ভূমিকা ছিল ইয়ামালের। তার থ্রু বল পেয়ে গ্যাব্রিয়েল জেসুসের ভারী টাচ বলটি আদেয়েমির সামনে এনে দেয়। এরপর শক্তিশালী শটে গালাতাসারাইয়ের গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন জার্মান ফরোয়ার্ড। ফলে বার্সা ৪-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

শেষ দিকে আরও গোলের সুযোগ পেয়েছিল বার্সেলোনা। ইয়ামালের একটি শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে যায়, আর আদেয়েমির আরেকটি প্রচেষ্টা সাইড নেটে লাগে। শেষ পর্যন্ত আর গোল না হলেও বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ফ্লিকের দল।

ম্যাচে বার্সেলোনার আক্রমণাত্মক আধিপত্য ছিল স্পষ্ট। তাদের xG ছিল ২.৮৩, যেখানে গালাতাসারাইয়ের মাত্র ০.৪৩। ইয়ামাল একাই পাঁচটি গোলের সুযোগ তৈরি করেন এবং পাঁচটি শট নেন, যা ম্যাচে সর্বোচ্চ—অ্যান্থনি গর্ডনের শটসংখ্যার সঙ্গে সমান।

বার্সার হয়ে এক ম্যাচে দুই অ্যাসিস্ট করা ইয়ামালের জন্য অবশ্য এটি নতুন কিছু নয়। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে বার্সার জার্সিতে এক ম্যাচে দুই অ্যাসিস্ট করার ঘটনা এটি তার অষ্টমবার। এর মধ্যে চলতি মৌসুমেই এমন পারফরম্যান্স এসেছে চারবার।

রক্ষণে কিছুটা দুর্বলতা থাকলেও আক্রমণে বার্সেলোনা যেন অপ্রতিরোধ্য। মৌসুমে এখন পর্যন্ত আট লা লিগা ম্যাচে ৩৪ গোল করেছে তারা এবং সব ম্যাচেই জয় পেয়েছে। চ্যাম্পিয়নস লিগের প্রথম ম্যাচে ফেইনুর্ডকে ৫-১ গোলে হারানোর পর এবার গালাতাসারাইকেও বড় ব্যবধানে হারাল তারা। ফ্লিকের অধীনে চ্যাম্পিয়নস লিগে ২৮ ম্যাচে বার্সার গোলসংখ্যা এখন ৮৪।

তবে সামনে অপেক্ষা করছে আরও কঠিন পরীক্ষা। আগামী মঙ্গলবার বর্তমান চ্যাম্পিয়ন প্যারিস সেন্ট-জার্মেইনের মাঠে খেলতে যাবে বার্সেলোনা। সেই ম্যাচেই ফ্লিকের দলের দুর্দান্ত আক্রমণভাগকে আরও বড় পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাকার ৭ মিনিটের যাদুতে আর্সেনালের জয়ের ধারায় ৩-০ গোলে লিলেকে পরাজিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৫১ এম


সাকার ৭ মিনিটের যাদুতে আর্সেনালের জয়ের ধারায় ৩-০ গোলে লিলেকে পরাজিত

চ্যাম্পিয়নস লিগে দুর্দান্ত জয় ধরে রেখেছে আর্সেনাল। এমিরেটস স্টেডিয়ামে লিলেকে ৩-০ গোলে পরাজিত করেছে প্রিমিয়ার লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচের ৬৪ মিনিট পর্যন্ত গোলের দেখা না পেলেও, পরবর্তী সাত মিনিটের মধ্যে তিন গোল করে জয় নিশ্চিত করে মিকেল আর্তেতার দল। বদলি হিসেবে মাঠে নেমে সেই ঝড়ের কেন্দ্রে ছিলেন বুকায়ো সাকা—একটি গোলের পাশাপাশি একটি অ্যাসিস্টও করেছেন ইংলিশ তারকা।

ম্যাচের শুরুতে আর্সেনালের আক্রমণভাগকে ভালোভাবে সামলে রাখে লিলের রক্ষণ। জুরিয়েন টিম্বারের ক্রস থেকে ব্রুনো গিমারেস বক্সের ভেতর থেকে শট নিলেও তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এরপর টিম্বারের আরেকটি ক্রস থেকে মিকেল মেরিনোর হেড সরাসরি চলে যায় লিলের গোলরক্ষক বেরকে ওজেরের হাতে।

অন্যদিকে, লিলেও একটি গোল পেয়েছিল, তবে অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়। আয়াসে উয়েদা গোল করলেও, ভিএআর ও অফসাইড পর্যালোচনার পর সেটি বাতিল হওয়ায় ক্লিন শিট ধরে রাখেন আর্সেনালের গোলরক্ষক ডেভিড রায়া। ইউরোপিয়ান কাপে আর্সেনালের হয়ে গোলরক্ষক হিসেবে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার তালিকায় ডেভিড সিম্যানের সমান ৩৮ ম্যাচেও পৌঁছে যান রায়া।

প্রথমার্ধের শেষদিকে গোলের জন্য চাপ বাড়ায় আর্সেনাল। এজেকিয়েল এজে ওজেরকে পরীক্ষা নেন, আর যোগ করা সময়ে গিমারেসের বাঁকানো শটও প্রায় গোল হয়ে যাচ্ছিল। তবে দ্রুত উঠে বলটি ঠেকিয়ে দেন ওজের। ফলে গোলশূন্য সমতায় শেষ হয় প্রথমার্ধ।

দ্বিতীয়ার্ধেও লিলে নিজেদের রক্ষণ সামলে রেখে আর্সেনালকে হতাশ করতে থাকে। একপর্যায়ে সাকা, কাই হাভার্টজ ও মার্টিন ওডেগার্ডকে মাঠে নামানোর প্রস্তুতি নেন আর্তেতা। কিন্তু তাদের নামানোর আগেই ৬৪ মিনিটে গোলের দেখা পায় আর্সেনাল। ননি মাদুয়েকের পাস ধরে বল বক্সে নিয়ে টিম্বার গোলরক্ষক ওজেরকে লব করে জালে পাঠান। ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা।

এরপর মাঠে নামেন সাকা, আর বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। নামার মাত্র দুই মিনিট পরই এজেকে গোলের সুযোগ তৈরি করে দেন ইংলিশ উইঙ্গার। সাকার পেছন থেকে বাড়ানো বল পেয়ে বাউন্স খাওয়া শট নিচের ডান কোণে পাঠিয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এজে।

এর চার মিনিট পর নিজেই গোল করেন সাকা। হাভার্টজ ও ওডেগার্ডের সঙ্গে দ্রুত পাস বিনিময়ের পর বক্সে ঢুকে বাঁকানো শটে বল জালে পাঠান তিনি। মাত্র সাত মিনিটের মধ্যে তিন গোল করে ম্যাচ পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয় আর্সেনাল।

শেষদিকে গিমারেস লিলের বেঞ্জামিন আন্দ্রের ভুলের সুযোগ নিয়ে আরও একটি গোল করতে পারতেন। তবে তার শট ঠেকিয়ে দেন ওজের। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে আর্সেনাল।

সাকার জন্য ম্যাচটি ছিল পরিসংখ্যানের দিক থেকেও বিশেষ। আর্সেনালের হয়ে বড় ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় তার গোলসংখ্যা এখন ১৯। ক্লাবটির হয়ে এই তালিকায় তার চেয়ে বেশি গোল আছে কেবল থিয়েরি অঁরির—৪২টি।

চ্যাম্পিয়নস লিগে আর্সেনালের হয়ে অ্যাসিস্টের তালিকাতেও সাকা এখন নয়টি নিয়ে যৌথভাবে তৃতীয়। তার ওপরে আছেন অঁরি ১৬টি ও সেস ফ্যাব্রেগাস ১৪টি নিয়ে। অ্যালেক্সিস সানচেজ ও থিও ওয়ালকটের সঙ্গে একই সংখ্যক অ্যাসিস্ট রয়েছে সাকার। একই চ্যাম্পিয়নস লিগ ম্যাচে বদলি হিসেবে নেমে গোল ও অ্যাসিস্ট—দুটিই করা আর্সেনালের ইতিহাসে পঞ্চম খেলোয়াড়ও হয়েছেন তিনি।

আর্সেনালের জয়টি সংখ্যাতেও যথেষ্ট প্রাপ্য ছিল। ১৬টি শট থেকে তাদের xG ছিল ১.৮৫, যেখানে লিলের চারটি শট থেকে xG মাত্র ০.৩৮। তবে ম্যাচের প্রথমার্ধে গোল না পাওয়ার প্রবণতা নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ থেকেই যাচ্ছে। প্রিমিয়ার লিগ ও চ্যাম্পিয়নস লিগ মিলিয়ে টানা পাঁচ ম্যাচে প্রথমার্ধে গোল করতে পারেনি আর্সেনাল। সর্বশেষ বিরতির আগে গোল এসেছিল ৬ সেপ্টেম্বর চেলসির বিপক্ষে।

লিলেকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে টানা দ্বিতীয় জয় পেল আর্সেনাল। এর আগে নাপোলিকে হারিয়েছিল তারা। তবে সামনে আরও কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করছে। ২১ অক্টোবর প্রতিযোগিতায় বায়ার্ন মিউনিখের মুখোমুখি হবে আর্তেতার দল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%