বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৫০ পি.এম
ঢাকা, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশন (বিএফএ) কঠোর সতর্কবার্তা প্রদান করেছে যে, কৃষক পর্যায়ে সার সরবরাহে কোনো ধরনের অনিয়ম, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা অতিরিক্ত মূল্য আদায় সহ্য করা হবে না।
বিএফএ-এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ পুনরায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, সরকার নির্ধারিত মূল্যে কৃষকদের কাছে সার বিক্রি নিশ্চিত করতে ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা আবশ্যক।
বিএফএ চেয়ারম্যান মো. মোশারফ হোসেন স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, দেশে পর্যাপ্ত সার মজুত থাকা সত্ত্বেও অসাধু ও অসংগঠিত ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অপচেষ্টা এবং উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় ডিলারদের গুদাম লুট করে সার সংকট তৈরির অপচেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বিএডিসি, বিসিআইসি ও বেসরকারি খাতের বরাদ্দকৃত ইউরিয়া ও নন-ইউরিয়া সার নির্ধারিত সময়ে উত্তোলন করে নিজস্ব গুদামে সংরক্ষণ এবং কৃষক পর্যায়ে সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ডিলারদের উত্তোলন করা সারের আগমনি বার্তা সংশ্লিষ্ট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়ার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বিএফএর হোয়াটসঅ্যাপে পাঠাতে বলা হয়েছে। মজুত ও বিক্রয়ের তথ্য যথাযথভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষণ করতে হবে। বিএফএর জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ডিলারদের সার বিক্রয় কার্যক্রম মনিটরিং করবেন।
যদি কোনো ডিলার, খুচরা বিক্রেতা বা অন্য কেউ অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি করে অথবা নীতিমালাবহির্ভূত কর্মকাণ্ডে জড়ায়, তাহলে স্থানীয় প্রশাসন ডিলারশিপ বাতিলসহ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে। এই ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় বিএফএ কোনো হস্তক্ষেপ করবে না।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সার উত্তোলন ও নিরবচ্ছিন্ন বিতরণে কোনো সমস্যা দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে বিএফএর কেন্দ্রীয় ‘সার সংক্রান্ত মনিটরিং সেল’-এ যোগাযোগের আহ্বান জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মহানগর দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে মেয়েদের এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টির প্রথম সেমিফাইনাল, যেখানে শক্তিশালী ভারতের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। এই ম্যাচে টস জিতে টাইগ্রেস অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি ভারতকে ব্যাটিংয়ের জন্য পাঠিয়েছেন।
ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই দুই দলই অপরিবর্তিত একাদশ নিয়ে খেলতে মাঠে নেমেছে।
বাংলাদেশের একাদশ হলো: দিলারা আক্তার, জুয়াইরিয়া ফেরদৌস, সোবহানা মোস্তারি, নিগার সুলতানা জ্যোতি (অধিনায়ক), শারমিন আক্তার, স্বর্ণা আক্তার, ফাহিমা খাতুন, নাহিদা আক্তার, রাবেয়া খান, সুলতানা খাতুন ও মারুফা আক্তার।
অন্যদিকে ভারতের একাদশে রয়েছেন: স্মৃতি মান্ধানা, শেফালি ভার্মা, প্রতীকা রাওয়াল, হারমানপ্রীত কৌর (অধিনায়ক), ভারতী ফুলমালি, প্রেমা রাওয়াত, রিচা ঘোষ, দীপ্তি শর্মা, ক্রান্তি গৌড়, শ্রী চরণী ও নন্দিনী শর্মা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির খবর এবং জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামে বড় পতন ঘটেছে। মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ (ফেড) আগামী সপ্তাহে নীতি সুদহার বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে গুঞ্জন রয়েছে—এ কারণে বিশ্ববাজারে সোনার দর এক শতাংশের বেশি কমেছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট মার্কেটে সোনার দাম ১ দশমিক ৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৫৪ দশমিক ৭৭ ডলারে পৌঁছেছে। একই সময়ে মার্কিন গোল্ড ফিউচার্সের দাম ১ দশমিক ৪ শতাংশ হ্রাস পেয়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৯৯৯৮ দশমিক ৯০ ডলারে নেমে আসে।
ক্যাপিটাল ডটকমের বাজার বিশ্লেষক কাইল রোডা জানিয়েছেন, জ্বালানির খরচ বৃদ্ধির কারণে মার্কিন অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতি বাড়ছে। সিএমই ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, আগামী সপ্তাহের বৈঠকে সুদের হার বৃদ্ধির আশঙ্কা ৭০ শতাংশে পৌঁছেছে, যা সোনার মতো সুদমুক্ত বিনিয়োগ পণ্যের ওপর সরাসরি চাপ সৃষ্টি করেছে।
সোনার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে। একদিনে রুপার দাম ৫ দশমিক ৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৬৪ দশমিক ৩৬ ডলারে নেমে গেছে। প্ল্যাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের দাম যথাক্রমে ৪ দশমিক ৯ ও ৪ দশমিক ৩ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুষ্টিয়া জেলখানা থেকে পলাতক ১২৪টি প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাত মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি মো. আনিছুর রহমানকে কুমারখালী থানার পুলিশ পুনরায় গ্রেপ্তার করেছে। তিনি ‘বিশ্বাস ফাউন্ডেশন’ নামে একটি এনজিও খুলে শত কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে আছেন।
গ্রেপ্তারটি বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টার দিকে ঢাকার বিমানবন্দর থানার এলাকা থেকে সম্পন্ন হয়। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া আনিছুর রহমান কুমারখালীর নন্দলালপুর ইউনিয়নের সদরপুর গ্রামের মৃত ইব্রাহিম বিশ্বাসের পুত্র। ২০০৬ সালে আলাউদ্দিন নগর এলাকায় ‘বিশ্বাস সঞ্চয় ঋণদান ও সমবায় সমিতি লিমিটেড’ নামে একটি এনজিও প্রতিষ্ঠা করেন।
কুমারখালী থানার উপপরিদর্শক সোহাগ শিকদারের নেতৃত্বে, এএসআই শরিফুল ইসলাম ও কনস্টবল রাশেদুল ইসলামের সহযোগিতায় তথ্যপ্রযুক্তি ও র্যাবের সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ, স্থানীয় জনগণ এবং ভুক্তভোগীদের সঙ্গে আলোচনা করে জানা গেছে, কয়েক বছরের মধ্যে কুষ্টিয়া, রাজবাড়ী, পাবনা, ঝিনাইদহসহ আশপাশের জেলায় আনিছুর কয়েকশ শাখা খোলা হয়। তিনি দ্বিগুণ টাকা ফেরত দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে হাজার হাজার গ্রাহকের কাছ থেকে বিভিন্ন মেয়াদী ডিপিএসের মাধ্যমে মোটা অংকের টাকা জমা নেন। এক পর্যায়ে কয়েকশ কোটি টাকা জমা হলে তা দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে জমি, বাড়ি, গাড়ি সহ সম্পদের পাহাড় গড়েন।
২০২৩ সালের নভেম্বরে কর্মীরা টাকার জন্য চাপ দিলে আনিছুর অফিসে তালা ঝুলিয়ে লাপাত্তা হয়ে যান। ২০২৪ সালের শুরুতে কুষ্টিয়া ও অন্যান্য আদালতে আনিছুর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাত ও প্রতারণার প্রায় ১২৪টি মামলা দায়ের হয়। এর মধ্যে ১২টি মামলায় তাকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়। ২০২৪ সালের ৩০ এপ্রিল বিদেশে পালানোর সময় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে কুষ্টিয়া জেলখানায় পাঠানো হয়। ২০২৪ সালের ৭ আগস্ট কারাগারের প্রধান ফটক ভেঙে আনিছুরসহ ১০৪ জন আসামি পালিয়ে যান।
এই ঘটনার পরদিন সকাল থেকে কুমারখালী থানায় ভুক্তভোগীরা ভিড় করতে শুরু করেন। পুলিশ তাদের আদালতে মামলা করার পরামর্শ প্রদান করে।
ভুক্তভোগী শিলাইদহের জাহানারা খাতুন জানান, চাকরির বেতন, বোনাস, জমির ইজারা, গরু-ছাগল বিক্রির মাধ্যমে মোট প্রায় ৩০ লাখ টাকা আনিছুর কাছে দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, "সব মেরে দিয়ে চলে গেছে। এনজিওর নামে আনিছ টাকা আত্মসাত করেছে।"
আনিছের ভাগনি বিনা খাতুন বলেন, দ্বিগুণ লাভের আশায় মামার কাছে ৩ লাখ টাকা রেখেছিলাম। এখন সব শেষ। তিনি বলেন, "হয় টাকা ফেরত দিক, না হলে ওর ফাঁসি হোক।"
কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন বলেন, মানুষকে দ্বিগুণ লাভের প্রলোভন দেখিয়ে সুকৌশলে আনিছ কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। আদালতে মামলার পর তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু গত ২৪ সালের ৭ আগস্ট জেল থেকে পালিয়ে যান। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাকে ফের গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনা, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : খুলনা সিটি করপোরেশন(কেসিসি) ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য তিন মাসব্যাপী বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে একটি প্রস্তুতি সভা আয়োজন করেছে।
আজ বৃহস্পতিবার নগর ভবনের শহীদ আলতাফ মিলনায়তনে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সভাপতিত্ব করেন কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।
সভায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য ‘দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’ বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১২ সেপ্টেম্বর (শনিবার) থেকে দেশের সকল জেলা, উপজেলা, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন এলাকায় তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি শুরু হবে।
প্রধানমন্ত্রী শনিবার সকাল ৯টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা থেকে এই তিন মাসব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। খুলনায় শহীদ হাদিস পার্ক থেকে অনলাইনে সরাসরি সংযুক্ত হয়ে এই কর্মসূচি শুরু করা হবে। সভার আয়োজনের উদ্দেশ্য ছিল প্রস্তুতি গ্রহণ করা এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে অন্যান্য কার্যক্রম সম্পর্কে মতামত গ্রহণ করা।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে কেসিসি প্রশাসক গত তিন মাসে কেসিসির গৃহীত কার্যক্রম তুলে ধরেন এবং বলেন, চলতি মাস ও আগামী মাস অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান যে, সরকারি অফিসসমূহের অভ্যন্তরীণ স্থান এবং নিজ নিজ বাড়ির আঙিনা পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, প্রতি শনিবার প্রত্যেক অফিস চত্বর ও বাজার পরিচ্ছন্ন করা হবে। জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে প্রচার প্রচারণা বৃদ্ধি করা হবে। ওয়ার্ড পর্যায়ে মনিটরিং কমিটি গঠন করা হবে এবং সরবরাহকৃত ওষুধ পরীক্ষা করে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন নতুন ওষুধ ব্যবহারের বিষয়ে খুলনার দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ববিদের সহযোগিতা নেওয়া হবে। মোবাইল কোর্ট পরিচালনারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এছাড়া সভায় কেসিসির ১৮ হাজার ম্যানহোলে ওষুধ স্প্রে করার, ডেঙ্গু আক্রান্তদের চিকিৎসা সেবা প্রদানে আরও ৩টি মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপনের, মেডিকেল কলেজের অভ্যন্তরে প্যান্ডেল নির্মাণের মাধ্যমে আসন সংখ্যা বাড়ানোর, স্বল্প আয়ের পরিবারের সদস্যদের মাঝে মশারি বিতরণের এবং জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের সাথে সমন্বয় করে সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সভায় বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি অফিসের কর্মকর্তা, বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষক, সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালের প্রতিনিধি, নাগরিক নেতৃবৃন্দসহ গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ