ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মালয়েশিয়ায় সর্বনিম্ন বেতন ২ হাজার রিঙ্গিত, উপকৃত হবেন প্রবাসীরাও


মালয়েশিয়ায় সর্বনিম্ন বেতন ২ হাজার রিঙ্গিত, উপকৃত হবেন প্রবাসীরাও

মালয়েশিয়ার বাজেট ২০২৭ এর আওতায় দেশের সর্বনিম্ন বেতন ১ হাজার ৭০০ রিঙ্গিত থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার রিঙ্গিত করার সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। এই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের ফলে দেশটিতে কর্মরত বিপুল সংখ্যক বিদেশি কর্মীসহ প্রায় ৪০ লাখ কর্মী সরাসরি উপকৃত হবেন। তবে, ছোট ও মাঝারি ব্যবসার আর্থিক সামঞ্জস্য বজায় রাখার জন্য যেসব প্রতিষ্ঠান বার্ষিক বিক্রয় ৫০ মিলিয়ন রিঙ্গিতের কম, সেগুলোকে আপাতত এই নতুন বাধ্যবাধকতার বাইরে রাখা হয়েছে।

নতুন বেতন কাঠামো ও নীতিমালা আগামী ২০২৭ সালের জুন মাস থেকে কার্যকর হবে। এই লক্ষ্যে মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় গ্র্যাজুয়েট ও আধা-দক্ষ কর্মীদের জন্য প্রারম্ভিক বেতন সুশৃঙ্খল করতে একটি বিশেষ নির্দেশিকা তৈরি করছে।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) মানবসম্পদ মন্ত্রী আর. রামানন জানিয়েছেন, ‘মালয়েশিয়ান স্ট্যান্ডার্ড ক্লাসিফিকেশন অব অকুপেশনস’ (এমএএসসিও) এর ভিত্তিতে বিভিন্ন পেশা ও শিক্ষাগত যোগ্যতার স্তর অনুযায়ী উপযুক্ত মূল বেতনের একটি স্পষ্ট রূপরেখা তৈরি করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: থাইল্যান্ডে কৃষি ও নির্মাণ খাতে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেবে

প্রস্তাবিত নীতিমালায় উচ্চশিক্ষিত গ্র্যাজুয়েটদের স্থানীয়দের পাশাপাশি প্রবাসীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আধা-দক্ষ ও কারিগরি কর্মীদের বেতন কাঠামো সমন্বয়ের ওপর জোর দেয়া হয়েছে। এতে এমএএসসিও’র নির্দেশিকা অনুযায়ী আধা-দক্ষ কর্মী এবং কারিগরি সনদধারীদের (লেভেল ১ ও ২) দক্ষতার ভিত্তিতে একটি ন্যায্য বেতন ব্যবস্থা তৈরি করা হচ্ছে, যা সাধারণ শ্রমিক থেকে শুরু করে কারিগরি খাতে কর্মরত বিদেশী কর্মীদের আয়ের সুরক্ষা দেবে।

বেতন সংক্রান্ত অনিয়ম রোধ ও শ্রম আইন কঠোরভাবে প্রয়োগের জন্য মন্ত্রণালয় একটি বিশেষ ‘ই-ওয়েজ’ মোডিউল চালুর পরিকল্পনা করেছে। ডিজিটাল এই পদ্ধতির মাধ্যমে দেশীয় কর্মীদের পাশাপাশি সকল বিদেশী কর্মীর সময়মতো এবং সঠিক হারে মূল বেতন পরিশোধ নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে ভবিষ্যতে ন্যূনতম বেতন প্রদান বাধ্যতামূলক করতে ‘জাতীয় বেতন পরামর্শক পরিষদ আইন ২০১১’ সংশোধনের উদ্যোগও গ্রহণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় সংসদের এলডি হলে শুরু হলো বাংলাদেশ ইয়ুথ মডেল ইউনাইটেড নেশনস ২০২৬ সম্মেলন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:১৪ এম


জাতীয় সংসদের এলডি হলে শুরু হলো বাংলাদেশ ইয়ুথ মডেল ইউনাইটেড নেশনস ২০২৬ সম্মেলন

জাতীয় সংসদের এলডি হলে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) শুরু হয়েছে ২ দিনব্যাপী বাংলাদেশ ইয়ুথ মডেল ইউনাইটেড নেশনস ২০২৬। ফিউচার বাংলাদেশ আয়োজিত এই সম্মেলনটি জাতীয় সংসদের এলডি হলে অনুষ্ঠিত প্রথম মডেল ইউএন হিসেবে পরিচিত।

তরুণ প্রতিনিধিরা দুই দিন ধরে জাতিসংঘ ও জাতীয় সংসদের আদলে গড়া কমিটিগুলোতে নীতি নিয়ে বিতর্ক করবেন, প্রস্তাব তৈরি করবেন এবং ভোটের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেবেন।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস এম আবদুল আউয়াল, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. ডেভিড ডাউল্যান্ড এবং সম্মেলনের মহাপরিচালক মো. আসিফুজ্জামান।

পরে সম্মেলনের মহাসচিব আবদুল্লাহ আল মোক্তাদির রায়হান আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মেলনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল প্রধান অতিথির বক্তব্যে তরুণ প্রতিনিধিদের উদ্দেশে বলেন, বিতর্কে মতভেদ থাকবেই, তবে প্রত্যেকের কথা মন দিয়ে শুনতে হবে।

সংসদকে সবার মতামত শোনার জায়গা হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমাদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকতে পারে, পাল্টা যুক্তি থাকতে পারে, কিন্তু প্রতিটি কণ্ঠ শুনতে হবে। আজ ও আগামীকালের আয়োজনে আপনারা অবশ্যই তর্ক-বিতর্কে যাবেন, কিন্তু কারও কথাই উপেক্ষা করবেন না।”

জিপিএ-৫ কেন্দ্রিক ধারায় বাংলাদেশ আর ফিরে যেতে চায় না উল্লেখ করে তিনি বলেন, তরুণদের মেধা ও দক্ষতা থেকে আগামী প্রজন্ম কীভাবে উপকৃত হবে, সেটাই দেখতে চাই।

তার ভাষায়, “আপনার যে মেধা আছে, যে ভাবনা আছে, তা যখন ইতিবাচক ও অন্তর্ভুক্তিমূলকভাবে ভাগ করে নেবেন, তখনই আমরা আমাদের ভবিষ্যতের বাংলাদেশকে পাব।”

দেশ গড়ায় তরুণদের নেতৃত্বের কথা তুলে ধরে ডেপুটি স্পিকার বলেন, সেই নেতৃত্বের জন্য দরকার সঠিক শিক্ষা, দক্ষতা, মানবিকতা ও মূল্যবোধ; গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে রক্ষা করতে হবে। আইনের শাসন ও মানবাধিকারভিত্তিক সমাজ গড়তে হবে।

প্রতিনিধিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “এটাই আপনাদের সময়। নিজের দেশ গড়ার, নিজের বাংলাদেশ গড়ার, নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার।”

উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যেতে চাওয়া তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আপনাদের অনেকে হয়তো উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যাবেন। আপনাদের ও আপনাদের অভিভাবকদের প্রতি আমার বিনীত অনুরোধ, দয়া করে বাংলাদেশে ফিরে আসবেন।”

অনুষ্ঠানে দেশজুড়ে মডেল ইউএন প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সেরা তরুণদের সরকারি অর্থায়নে জাতিসংঘ সদর দফতরে পাঠানোর আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তাব এলে আগামী বছর থেকে এ উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

মাহদী আমিন জানান, আয়োজকেরা তাকে আমন্ত্রণ জানাতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গেলে তিনি একটি দেশব্যাপী প্রতিযোগিতার প্রস্তাব দেন। যেখানে প্রতিটি স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় অংশ নেবে।

চ্যাম্পিয়নদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা তাদেরকে গ্লোবাল প্ল্যাটফর্মে পাঠাতে চাই।”

নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে মাহদী আমিন জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সিটি ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্কের বারুক কলেজে পড়ার সময় তিনি নিজেও মডেল ইউনাইটেড নেশনসে অংশ নিয়েছেন এবং কলেজের প্রতিনিধি হিসেবে জাতিসংঘ সদর দফতরে গিয়েছিলেন।

তরুণদের দৃষ্টিভঙ্গি, মূল্যবোধ ও প্রত্যাশা নীতিনির্ধারণে শুনতে ও যুক্ত করতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

কর্মসংস্থান, দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়ানোর নীতি তৈরিতেও তরুণদের মত নেওয়ার কথা তুলে মাহদী আমিন বলেন, “আমরা যারা নীতিনির্ধারণে রয়েছি, আমরা শুধু বলব না, আমরা শুনব।”

শিক্ষার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমে আরও বেশি অংশ নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, জীবনে সফল হতে বা ভালো কিছু করতে কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল করার প্রয়োজন নেই। প্রতিনিধিদের অনেকেই সামনের দিনে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবেন উল্লেখ করে তিনি তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

মডেল ইউএনের মধ্য দিয়ে তরুণেরা নিজের দেশের প্রতি অঙ্গীকারের পাশাপাশি বিশ্বনাগরিকত্বও তুলে ধরতে পারেন বলে মন্তব্য করেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. ডেভিড ডাউল্যান্ড।

ড. ডাউল্যান্ড বলেন, এই মডেল ইউএন উদ্যোগে শুভকামনা জানাতে আসতে পারা তার জন্য সম্মানের।

বাংলাদেশি তরুণদের দেশপ্রেম দেখে তিনি অভিভূত হয়েছেন জানিয়ে বলেন, ঢাকায় তরুণদের আয়োজিত একটি অনুষ্ঠান শুরু হয়েছিল জাতীয় সংগীত দিয়ে, যা অনেক দেশেই দেখা যায় না।

তিনি বলেন, প্রতিনিধিরা যে প্রশ্ন নিয়েই আলোচনা করুন, সবকিছুর মূলে একটি মৌলিক প্রশ্ন: কীভাবে একটি শক্তিশালী, মানবিক, প্রজ্ঞাবান, অন্তর্ভুক্তিমূলক, সভ্য ও সৃজনশীল সমাজ গড়ে তোলা যায়।

তিনি আরও বলেন, সমাজ ভঙ্গুর; একে টিকিয়ে রাখতে প্রত্যেকের ব্যক্তিগত অঙ্গীকার প্রয়োজন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সুবিধা আনলেও ভুল তথ্য ছড়ানোর ঝুঁকিও তৈরি করছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আউয়াল বলেছেন, বর্তমান সরকারের নীতি জনগণকেন্দ্রিক। সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনের সঙ্গে সম্পৃক্ত।

আব্দুল আউয়াল বলেন, বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের নীতি অন্য রাজনৈতিক দলগুলোর চেয়ে আলাদা। বিএনপি সব সময় জনগণের কল্যাণকে গুরুত্ব দিয়ে রাজনীতি করে আসছে।

তিনি বলেন, আমাদের সরকারের নীতি জনগণকেন্দ্রিক। এ প্রসঙ্গে তিনি ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খনন, বৃক্ষরোপণ ও উদ্যোক্তা তৈরির কর্মসূচির কথা উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, এসব কর্মসূচি সরকারের জনকল্যাণমূলক নীতির প্রতিফলন এবং টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টের সঙ্গে সম্পৃক্ত।

আব্দুল আউয়াল বলেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের ৭৩ শতাংশ অঙ্গীকার সরাসরি টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টের (এসডিজি) সঙ্গে সম্পৃক্ত। বাকি অঙ্গীকারগুলোও পরোক্ষভাবে এসডিজির সঙ্গে সম্পর্কিত।

তিনি বলেন, এভাবেই সরকার তার কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

তরুণদের সরকারের নীতি এবং বিএনপি কীভাবে জনগণের জন্য কাজ করে, তা বোঝার আহ্বান জানান তিনি।

একইসঙ্গে, ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নীতি ও কর্মসূচি সম্পর্কে জানার পরামর্শ দেন।

উদ্বোধন ঘোষণার আগে সম্মেলনের মহাসচিব আবদুল্লাহ আল মোক্তাদির রায়হান প্রতিনিধিদের উদ্দেশে বলেন, “আজ আপনারা সম্মানিত নেতৃবৃন্দ ও নীতিনির্ধারকদের কথা শুনেছেন। কিন্তু এই হলের দিকে তাকিয়ে বলতে পারি, আপনারা, প্রতিনিধিরাই এই সম্মেলনের প্রাণ, আপনারাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ।”

দূরদূরান্ত থেকে আসা প্রতিনিধিদের ‘ওয়েলকাম হোম’ বলে স্বাগত জানান তিনি। প্রতিপাদ্য বেছে নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে মহাসচিব বলেন, “এবারের থিম আমরা শুধু কাগজে-কলমে জমকালো শোনায় বলে বেছে নিইনি; বেছে নিয়েছি, কারণ এটাই আমাদের সবার বাস্তবতা।”

তিনি বলেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সংস্কৃতি যখন কৃষি ও প্রযুক্তির সঙ্গে মেলে, তখনই গড়ে ওঠে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ; আর সেই সম্ভাবনার আসল শক্তি তরুণদের কৌতূহল ও কঠিন সমস্যা সমাধানের আগ্রহে।

এই দুই দিন বিতর্ক করতে, দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব গড়তে এবং তরুণ বাংলাদেশি নেতারা কী করতে পারেন তা দেখিয়ে দিতে প্রতিনিধিদের আহ্বান জানান তিনি।

সম্মেলনের মহাপরিচালক মো. আসিফুজ্জামান বলেন, “জাতীয় সংসদের এই ঐতিহ্যবাহী প্রাঙ্গণে দাঁড়িয়ে আমরা ৫ কোটি তরুণকে কেবল আগামীর ভবিষ্যৎ হিসেবে ঘোষণা করছি না; আমরা সেই ৫ কোটি তরুণের পাশে দাঁড়িয়ে বলছি, তারা আমাদের বর্তমানকে পুনর্নির্মাণ করছে।”

প্রতিনিধিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমরা এখানে একে অপরকে যুক্তিতে হারানোর জন্য আসিনি; আমরা এসেছি বিভক্ত পৃথিবীকে এক করার মহৎ চিন্তায় একতাবদ্ধ হতে।”

আয়োজক প্রতিষ্ঠান ফিউচার বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক রেদোয়ান আহমেদ বলেন, “বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ তার তরুণেরা। কিন্তু নেতৃত্ব বক্তৃতায় তৈরি হয় না, তৈরি হয় দায়িত্ব নেওয়ার অনুশীলনে। বিওয়াইএমইউএন ২০২৬ সেই অনুশীলনের জায়গা, যেখানে একজন তরুণ শিখবে কীভাবে শুনতে হয়, যুক্তি দিতে হয় এবং সবাইকে নিয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হয়।”

‘নীতি ও তারুণ্যের সংযোগ’ এই স্লোগানে আয়োজিত এ সম্মেলনের এবারের প্রতিপাদ্য: ‘শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সংস্কৃতির মাধ্যমে তারুণ্যের সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে কৃষি উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়ন’।

দেশের সব বিভাগের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আসা প্রতিনিধিরা ছয়টি কমিটিতে অংশ নিচ্ছেন: ফ্ল্যাগশিপ কমিটি জাতীয় সংসদ, এফএও, ইউএনডিপি, ইকোসক, ইউনিসেফ ও ইন্টারন্যাশনাল প্রেস।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সম্মেলন শেষ হবে।

উদ্বোধনী বক্তব্যে সম্মেলনের সহযোগীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান মহাসচিব। এই আয়োজনের প্ল্যাটিনাম স্পন্সর এসএসএল, মিডিয়া পার্টনার সময় টিভি, ডিজিটাল মিডিয়া পার্টনার দ্য ফ্রন্ট পেজ, প্রিন্ট মিডিয়া পার্টনার দৈনিক যুগান্তর এবং হসপিটালিটি পার্টনার কায়া ঢাকা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চার শতাধিক শিল্পীর পরিবেশনায় ‘চিরদিনের নজরুল’ উদযাপন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:১৫ এম


চার শতাধিক শিল্পীর পরিবেশনায় ‘চিরদিনের নজরুল’ উদযাপন

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অগ্নিবীণার সুরে তিনি শিখিয়েছেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা নত না করার সংকল্প। তার সৃষ্টিতে বিদ্যমান শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, অসাম্প্রদায়িকতা এবং মানবমুক্তির বার্তা।

জাতীয় কবির এই সৃষ্টির আদর্শকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার উদ্দেশ্যে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায় সাংস্কৃতিক সংগঠন আর্বতনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় ‘নজরুল বর্ষে আবর্তনের নিবেদন: চিরদিনের নজরুল’ শীর্ষক একটি বিশেষ অনুষ্ঠান।

নজরুলের কালজয়ী সৃষ্টির উপর ভিত্তি করে সাজানো এই অনুষ্ঠানে শিল্পীদের পরিবেশনায় বিদ্রোহী কবির বহুমাত্রিক সৃজনশীলতা প্রকাশ পায়। চার শতাধিক শিল্পীর অংশগ্রহণের মাধ্যমে এটি নজরুলের শিল্প ও আদর্শ উদ্‌যাপনের একটি সম্মিলিত প্রচেষ্টা হয়ে ওঠে।

সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম মন্তব্য করেন যে, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে নানা উপায়ে অবহেলিত হয়েছেন। তিনি বলেন, নজরুলের সাহিত্য, সংগীত ও দর্শনকে নতুন প্রজন্মের মধ্যে যথাযথভাবে তুলে ধরার প্রয়োজনীয়তা থেকেই প্রধানমন্ত্রী নজরুল বর্ষ ঘোষণা করেছেন।

নজরুল বর্ষ উদ্‌যাপনের মাধ্যমে জাতীয় কবির সৃষ্টিকর্মের চর্চা যেমন বৃদ্ধি পাচ্ছে, তেমনি সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও নতুন সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। শিল্পীদের সম্মিলিত অংশগ্রহণে এমন অনুষ্ঠান নজরুলের গান, কবিতা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ছড়িয়ে দেয়ার পাশাপাশি নতুন প্রজন্মকে তাঁর জীবনদর্শনের সঙ্গে পরিচিত করার সুযোগ সৃষ্টি করছে।

বিদ্রোহ, সাম্য এবং মানবতার যে বার্তা নজরুল ছড়িয়ে দিয়েছিলেন, তা যেন প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বেঁচে থাকে। গানে, কবিতায় এবং শিল্পের সম্মিলিত উচ্চারণে নজরুলকে নতুন করে ধারণ করার এই উদ্যোগ কেবল বর্ষ উদ্‌যাপন নয়, বরং বাঙালির সাংস্কৃতিক চেতনাকে সমৃদ্ধ করার এক সংকল্প।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কর্মকৌশলকে নাৎসির সঙ্গে তুলনা করায় রিয়ালের লা লিগা সভাপতির পদত্যাগ দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:১৫ এম


কর্মকৌশলকে নাৎসির সঙ্গে তুলনা করায় রিয়ালের লা লিগা সভাপতির পদত্যাগ দাবি

রিয়াল মাদ্রিদ লা লিগার সভাপতি হাভিয়ের তেবাসের পদত্যাগের দাবি তুলেছে। ক্লাবটির অভিযোগ, তেবাস তাদের কর্মকৌশলকে নাৎসি জার্মানির শাসনামলের পদ্ধতির সঙ্গে তুলনা করেছেন।

তেবাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি দীর্ঘ পোস্টে রিয়াল মাদ্রিদের প্রতি কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ক্লাবটির নিজস্ব টেলিভিশন চ্যানেলে ম্যাচের রেফারিরা কীভাবে তাদের জয়ের সম্ভাবনা ক্ষতিগ্রস্ত করেন, সে সম্পর্কে প্রচার চালানোর পদ্ধতি সম্পর্কে।

রিয়াল মাদ্রিদ তাদের টেলিভিশন চ্যানেলে নিয়মিতভাবে এমন ভিডিও প্রকাশ করে, যেখানে আসন্ন ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা রেফারিদের সিদ্ধান্তের কথিত গুরুতর ভুলগুলো তুলে ধরা হয়। তেবাস এই কৌশলকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসি জার্মানির প্রচারমন্ত্রী জোসেফ গোয়েবলসের প্রচারণাপদ্ধতির সঙ্গে তুলনা করেন।

এক বিবৃতিতে রিয়াল মাদ্রিদ উল্লেখ করেছে, ‘স্প্যানিশ ফুটবলের দুটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা কোনো ব্যক্তি ক্লাবটিকে, এর পরিচালনাকে এবং টেলিভিশন চ্যানেলকে হেয় করার উদ্দেশ্যে তাদের প্রচারপদ্ধতির সঙ্গে নাৎসি শাসনামলের পদ্ধতির তুলনা করবে, এটি রিয়াল মাদ্রিদের কাছে সম্পূর্ণ অসহনীয় এবং অত্যন্ত গুরুতর বিষয়।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘তিনি নাৎসি মতাদর্শকে বোঝাননি, এমন ব্যাখ্যা দিলেও তার বক্তব্যের গভীর অপমানজনক, নৈতিকভাবে ঘৃণ্য এবং প্রাতিষ্ঠানিক মর্যাদার পরিপন্থী চরিত্র কোনোভাবেই কমে না।’

রিয়াল মাদ্রিদের অভিযোগ, নেগ্রেইরা মামলার বিষয়ে ক্লাব ও রিয়াল মাদ্রিদ টেলিভিশনের বৈধ পদক্ষেপগুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেও তেবাস এসব মন্তব্য ব্যবহার করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাত দশক পর আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের সভাপতি হলেন পাকিস্তানের আহাদ খান চিমা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:১৫ এম


সাত দশক পর আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের সভাপতি হলেন পাকিস্তানের আহাদ খান চিমা

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) এবং বিশ্বব্যাংকের বোর্ড অব গভর্নরসের (ডব্লিউবিজি) চেয়ারম্যান হিসেবে পাকিস্তান নির্বাচিত হতে যাচ্ছে। ২০২৭ সালের সভাপতি হিসেবে দেশটির নাম সাত দশকেরও বেশি সময় পর ঘোষণা করা হয়েছে।

শুক্রবার পাকিস্তানের অর্থ মন্ত্রণালয় সংবাদমাধ্যম ডনকে জানায় যে, তারা এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ব্যাংককে অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ বার্ষিক সভার পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী এবং বিশ্বব্যাংকে দেশটির গভর্নর আহাদ খান চিমাকে পরবর্তী সভাপতি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। এ সভায় ১৯১টি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর, অর্থনীতিনীতিনির্ধারক এবং ব্যবসায়ী নেতাসহ ১৫ হাজারের বেশি অংশগ্রহণকারী বিশ্ব অর্থনীতি নিয়ে আলোচনা করতে উপস্থিত ছিলেন।

১৯৫৩ সালের পর প্রথমবারের মতো পাকিস্তান এই দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছে। এটি একটি ‘ঐতিহাসিক মাইলফলক’ হিসেবে উল্লেখ করে পাকিস্তান জানায়, এই দায়িত্ব বৈশ্বিক অর্থনীতি ও উন্নয়নমূলক আলোচনায় দেশটির ভূমিকা বৃদ্ধি করবে এবং সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সংলাপ এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করবে।

পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনের পর আহাদ খান চিমাকে চেয়ারম্যান পদের দায়িত্ব সম্পর্কে অবহিত করে বিশ্বব্যাংকের করপোরেট সচিবালয়। এছাড়া, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও করপোরেট সেক্রেটারি আরাধনা কুমার-কাপুরের সঙ্গে দায়িত্ব পালনকালে প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা ও সমন্বয় নিয়ে আলোচনা করেন তিনি।

এ সময় প্যারাগুয়ের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ও বিদায়ী সভাপতি কার্লোস কারভাল্লো স্পালডিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন চিমা। দায়িত্ব পালন শেষ করায় স্পালডিংকে অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি তাঁর নেতৃত্বের প্রশংসা করেন তিনি। আগামী বছরের অগ্রাধিকার ও সভাপতির দায়িত্ব নিয়েও তাঁদের মধ্যে আলোচনা হয়।

বৈঠকগুলোতে চিমা উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রতিনিধিত্ব জোরদার, উন্নয়ন অর্থায়নে কার্যকারিতা ও পূর্বানুমানযোগ্যতা বৃদ্ধি, বহুপক্ষীয় উন্নয়ন সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির জন্য বেসরকারি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার বিষয়ে পাকিস্তানের অঙ্গীকার তুলে ধরেন।

মন্ত্রণালয় জানায়, পাকিস্তান বিশ্বব্যাংক গ্রুপ, আইএমএফ এবং সদস্যদেশগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে গঠনমূলক সংলাপ এগিয়ে নেওয়া এবং আরও কার্যকর বহুপক্ষীয় উন্নয়ন ও আর্থিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে অবদান রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।

বর্তমানে পাকিস্তান আইএমএফের ৭ বিলিয়ন (৭০০ কোটি) ডলারের বর্ধিত তহবিল সুবিধা (ইএফএফ) এবং ১.৪ বিলিয়ন (১৪০ কোটি) ডলারের স্থিতিস্থাপকতা ও টেকসই তহবিলের (আরএসএফ) কর্মসূচির আওতায় আইএমএফের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%