০১:১৩ এম
মালয়েশিয়ার বাজেট ২০২৭ এর আওতায় দেশের সর্বনিম্ন বেতন ১ হাজার ৭০০ রিঙ্গিত থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার রিঙ্গিত করার সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। এই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের ফলে দেশটিতে কর্মরত বিপুল সংখ্যক বিদেশি কর্মীসহ প্রায় ৪০ লাখ কর্মী সরাসরি উপকৃত হবেন। তবে, ছোট ও মাঝারি ব্যবসার আর্থিক সামঞ্জস্য বজায় রাখার জন্য যেসব প্রতিষ্ঠান বার্ষিক বিক্রয় ৫০ মিলিয়ন রিঙ্গিতের কম, সেগুলোকে আপাতত এই নতুন বাধ্যবাধকতার বাইরে রাখা হয়েছে।
নতুন বেতন কাঠামো ও নীতিমালা আগামী ২০২৭ সালের জুন মাস থেকে কার্যকর হবে। এই লক্ষ্যে মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় গ্র্যাজুয়েট ও আধা-দক্ষ কর্মীদের জন্য প্রারম্ভিক বেতন সুশৃঙ্খল করতে একটি বিশেষ নির্দেশিকা তৈরি করছে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) মানবসম্পদ মন্ত্রী আর. রামানন জানিয়েছেন, ‘মালয়েশিয়ান স্ট্যান্ডার্ড ক্লাসিফিকেশন অব অকুপেশনস’ (এমএএসসিও) এর ভিত্তিতে বিভিন্ন পেশা ও শিক্ষাগত যোগ্যতার স্তর অনুযায়ী উপযুক্ত মূল বেতনের একটি স্পষ্ট রূপরেখা তৈরি করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: থাইল্যান্ডে কৃষি ও নির্মাণ খাতে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেবে
প্রস্তাবিত নীতিমালায় উচ্চশিক্ষিত গ্র্যাজুয়েটদের স্থানীয়দের পাশাপাশি প্রবাসীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আধা-দক্ষ ও কারিগরি কর্মীদের বেতন কাঠামো সমন্বয়ের ওপর জোর দেয়া হয়েছে। এতে এমএএসসিও’র নির্দেশিকা অনুযায়ী আধা-দক্ষ কর্মী এবং কারিগরি সনদধারীদের (লেভেল ১ ও ২) দক্ষতার ভিত্তিতে একটি ন্যায্য বেতন ব্যবস্থা তৈরি করা হচ্ছে, যা সাধারণ শ্রমিক থেকে শুরু করে কারিগরি খাতে কর্মরত বিদেশী কর্মীদের আয়ের সুরক্ষা দেবে।
বেতন সংক্রান্ত অনিয়ম রোধ ও শ্রম আইন কঠোরভাবে প্রয়োগের জন্য মন্ত্রণালয় একটি বিশেষ ‘ই-ওয়েজ’ মোডিউল চালুর পরিকল্পনা করেছে। ডিজিটাল এই পদ্ধতির মাধ্যমে দেশীয় কর্মীদের পাশাপাশি সকল বিদেশী কর্মীর সময়মতো এবং সঠিক হারে মূল বেতন পরিশোধ নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে ভবিষ্যতে ন্যূনতম বেতন প্রদান বাধ্যতামূলক করতে ‘জাতীয় বেতন পরামর্শক পরিষদ আইন ২০১১’ সংশোধনের উদ্যোগও গ্রহণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন