বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৫:২১ পি.এম
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) তহবিল থেকে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মার ২৩ লাখ ৮৮ হাজার টাকা উত্তোলন করেছেন। এর মধ্যে ৫ লাখ ৪৯ হাজার টাকার বিল-ভাউচার জমা দেওয়া হয়েছে, কিন্তু বাকি ১৮ লাখ ৩৯ হাজার টাকার কোনো ভাউচার এখনো জমা পড়েনি।
ফলে উত্তোলন করা অর্থের প্রায় ৭৭ শতাংশের হিসাব এখনও মেলেনি। রাকসুর তহবিলের অর্থ কোন খাতে এবং কীভাবে ব্যয় করা হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। রাকসুর কোষাধ্যক্ষ কার্যালয়ের ব্যয়ের বিবরণীসংক্রান্ত নথি বিশ্লেষণ করে এই তথ্য জানা গেছে।
নথি থেকে জানা যায়, জিএস আম্মার সাত ধাপে মোট ২৩ লাখ ৮৮ হাজার টাকা নিয়েছেন। এর মধ্যে মাত্র ৫ লাখ ৪৯ হাজার টাকার বিল-ভাউচার জমা দেওয়া হয়েছে। বাকি ১৮ লাখ ৩৯ হাজার টাকার হিসাব দেওয়া হয়নি।
নথিতে দেখা যায়, গত ১৫ জানুয়ারি ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার বুথ স্থাপনের জন্য ৩ লাখ ২ হাজার টাকা, ২৭ জানুয়ারি রাকসু সদস্যদের জানুয়ারি মাসের বাজেট বাবদ ১৩ লাখ ৭৭ হাজার টাকা এবং ১৩ এপ্রিল রাকসু সদস্যদের দাপ্তরিক খরচের জন্য ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা উত্তোলন করা হয়েছে।
এই তিন ধাপে উত্তোলন করা মোট ১৮ লাখ ৩৯ হাজার টাকার বিল-ভাউচার জমা হয়নি। বিল-ভাউচার জমা না দেওয়ার বিষয়ে রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, ‘ভর্তি পরীক্ষার বুথ স্থাপনের সময় সেটি তাদের প্রথম দিকের বাজেট ছিল। তখন ব্যয়ের সঙ্গে ভ্যাট যোগ করার বিষয়টি জানা ছিল না। ফলে ৩ লাখ টাকার হিসাব সমন্বয় করে বিল করতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে।’
রাকসু সদস্যদের জন্য নেওয়া ১৩ লাখ ৭৭ হাজার টাকার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ওই অর্থের মধ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদকের হিসাব না আসায় সেটি জমা দেওয়া হয়নি। আরেকটি অর্থের হিসাব জমা দেওয়া হয়েছে।’
রাকসু তহবিলের ব্যয়ের নথি অনুযায়ী, বিভিন্ন কর্মসূচি ও দাপ্তরিক ব্যয়ের জন্য অর্থ উত্তোলনের পর বিল-ভাউচার জমা দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। তবে জিএসের নামে উত্তোলন করা ১৮ লাখ ৩৯ হাজার টাকার বিল-ভাউচার এখনও জমা না পড়ায় ওই অর্থ কোন খাতে কীভাবে ব্যয় হয়েছে, তা নথিতে পুরোপুরি প্রতিফলিত হয়নি।
রাকসুর কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সেতাউর রহমান বলেন, ‘যেকোনো কর্মসূচি শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিল-ভাউচার জমা দেওয়া উচিত। রাকসুর কিছু বিল-ভাউচার এখনো জমা হয়নি। আমরা তাদের সঠিক নিয়মে জমা দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছি।’
রাকসুর সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, ‘যেকোনো কর্মসূচি আয়োজন শেষে বিল-ভাউচারসহ আর্থিক হিসাব জমা দেওয়া উচিত। রাকসুর প্রতিটি অধিবেশনে এ বিষয়ে সতর্ক হওয়ার জন্য কোষাধ্যক্ষকে বলা হয়েছে। কিন্তু এখনো কেন সবগুলো ভাউচার জমা পড়েনি, সেটি আমি অবগত নই। বিষয়টি খতিয়ে দেখব।’
তিনি আরো বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে অবশ্যই বিল-ভাউচার জমা দিতে হবে এবং রাকসুকেও এই প্রক্রিয়া মেনে চলতে হবে।’
এছাড়াও, রাকসুর বর্তমান পরিষদের বিভিন্ন কর্মসূচির জন্য তহবিল থেকে মোট ১ কোটি ২৯ লাখ ১৪ হাজার ৬৮৯ টাকা বরাদ্দ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৬১ লাখ ৫০ হাজার ৪৬৮ টাকার বিল-ভাউচার এখনও জমা পড়েনি। এই তালিকায় সবচেয়ে বেশি অর্থের হিসাব বাকি রয়েছে জিএস সালাউদ্দিন আম্মারের নামে উত্তোলন করা অর্থের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২০ আগস্ট, ২০২৬ : আনন্দ ও আশার সাথে জানানো যাচ্ছে যে, ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে হারিয়ে গিয়েছিল চার বছরের বাকপ্রতিবন্ধী শিশু নাদিয়া। শিশুটিকে উদ্ধার করেছে আনসার সদস্যরা। উদ্ধার করার পর শিশুটিকে তার বাবার কাছে ফিরিয়ে দেয়া হয়।
গত বুধবার রাতে, হাসপাতালের পুরাতন ভবনের ৩য় তলার ওয়েস্ট কেবিন থেকে নিখোঁজ হয়েছিল এই শিশু, যিনি বরগুনা থেকে পরিবারের সাথে এসেছে।
ঢামেক হাসপাতালের কর্তব্যরত আনসার সদস্য মো. খায়রুজ্জামান শিশুটিকে নতুন ভবনের গ্লাস গেটের সামনে থেকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেন।
শিশুটির উদ্ধারের পরে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে তাকে তার পিতা মোবারক হোসেনের কোলে ফিরিয়ে দেয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
করিম-বানু ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইউছুফ হোসাইন’র পিতা, অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা মরহুম আব্দুল করিমের বিদেহী আতœার মাগফেরাত কামনায় ময়মনসিংহের ত্রিশালে কুরআনখানি ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার, ত্রিশাল উপজেলার রামপুর ইউনিয়নে অবস্থিত আলহাজ¦ ফাজিল উদ্দিন সরকার এমদাদিয়া এতিমখানা মাদরাসায় কুরআন খতম, দোয়া এবং এতিমদের জন্য খাবারের আয়োজন করা হয়।
দোয়া মাহফিল পূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ত্রিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি খোরশিদুল আলম মজিব। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন করিম-বানু ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি এইচ এম জোবায়ের হোসাইন, সাংবাদিক এস এম মাসুদ রানা, মাওলানা মোঃ ফরহাদ আলী। দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা মোঃ মোবারক হোসেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা (দক্ষিণ), ২০ আগস্ট, ২০২৬ : জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য, সংগীত ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে দেশব্যাপী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। জেলা পর্যায়ের এ সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতাকে সফল করার লক্ষ্যে আজ বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ‘নজরুল বর্ষ’ জেলা কমিটি এই প্রস্তুতি সভার আয়োজন করেছে।
সভায় সভাপতিত্ব করেছেন জেলা প্রশাসক মিজ রোজী আকতার। সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. সাইফুল ইসলাম, জেলা কালচারাল কর্মকর্তা কামরান হাসান, কুমিল্লা কবি নজরুল ইনস্টিটিউটের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা মো. আল আমিন, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবুল হাসানাত বাবুল, ক্রীড়া সংগঠক বদরুল হুদা জেনু, জাসাস কুমিল্লা মহানগর শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি ইশতেয়াক আহমেদ পল্লব, বাংলা সংস্কৃতি বলয়ের বিশ্ব কমিটির যুগ্ম মহাসচিব শামস আল মামুনসহ জেলা কমিটির সদস্য এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সভায় জেলা পর্যায়ের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতাটি সুষ্ঠু, সুন্দর ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে অংশগ্রহণকারী নির্বাচন, আয়োজনের সার্বিক ব্যবস্থাপনা, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সম্পৃক্ততাসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতামত তুলে ধরা হয়।
সভায় বক্তারা উল্লেখ করেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য ও সংগীত কেবল সৃজনশীলতার প্রতিনিধি নয়, বরং এটি মানবতা, সাম্য, অসাম্প্রদায়িকতা ও মুক্তচিন্তার শক্তিশালী বার্তা বহন করে। সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও তরুণ প্রজন্মের কাছে নজরুলের বহুমাত্রিক সৃষ্টিকর্ম ও চেতনা আরও সহজে তুলে ধরা সম্ভব হবে।
জেলা পর্যায়ের এ আয়োজনের মাধ্যমে প্রতিভাবান শিক্ষার্থী ও তরুণদের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে উৎসাহ দেওয়া এবং নজরুলের সাহিত্য-সংস্কৃতি তাদের আরও গভীরভাবে সম্পৃক্ত করতে গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতাটি যথাযথ পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়। জেলা প্রশাসন, কুমিল্লার আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় সংশ্লিষ্ট জেলা কমিটির সদস্য ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচিত হয়েছেন। ৩৫ বছর পর জাতীয় সংসদে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার এই খবরটি এসেছে গত বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে। এ সময় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট গণনা শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন মির্জা ফখরুলকে বিজয়ী ঘোষণা করেন।
জানা গেছে, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিএনপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন এবং জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে পরাজিত করে বিজয়ী হন। মোট ৩৪৩টি বৈধ ভোটের মধ্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পেয়েছেন ২৫৫ ভোট, যেখানে কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট।
নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে লাল গোলাপের শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এদিকে, বেশিভাগ সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেও ছয়জন এমপি ভোট দেননি। তাদের মধ্যে ৫ জন ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হননি। উপস্থিত না থাকাদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা, জামায়াতে ইসলামী থেকে নির্বাচিত সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের ড. ওসমান ফারুক এবং চট্টগ্রাম-৩ আসনের মোস্তফা কামাল পাশা। অন্যদিকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের একমাত্র সংসদ সদস্য মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহ দলীয় সিদ্ধান্তে ভোট দেওয়া থেকে বিরত থেকেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ