মোঃ এমাদ মিয়া:-নরসিংদী প্রতিনিধি
১২:৪৬ এম
নরসিংদী জেলার বিভিন্ন থানা ও গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের পৃথক অভিযানে চোলাই মদ, গাঁজা ও ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি, ছিনতাইকারী, সন্ত্রাসী ও নিয়মিত এবং পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ মোট ৩২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে ৫ কেজি গাঁজা, ১৫৭ লিটার চোলাই মদ, ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত একটি টিপ চাকু উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নরসিংদী মডেল থানার পুলিশের একটি বিশেষ দল বড় বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে মিতা আক্তার (২৮) ও আসমা আক্তার (২৮) নামে দুই নারী মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করে। এ সময় তাদের হেফাজত থেকে ৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মিতা আক্তারের বাড়ি বাগেরহাটের মোল্লাহাট এলাকায় এবং আসমা আক্তারের বাড়ি কুমিল্লা কোতোয়ালি থানা এলাকায়।
অপর এক অভিযানে নরসিংদী মডেল থানা পুলিশ বানিয়াছল এলাকার মো. জনি মিয়া (৪৫), পিতা—কানু মিয়াকে গ্রেফতার করে। তার হেফাজত থেকে ১৫৭ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মদের আনুমানিক বাজারমূল্য ৭৮ হাজার ৫০০ টাকা।
এদিকে নরসিংদী জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ অভিযান চালিয়ে একটি টিপ চাকুসহ আপন মিয়া (২১) নামে এক যুবককে আটক করে। পুলিশ জানায়, সে ছিনতাইকারী এবং কথিত সনেট গ্রুপের সদস্য।
রায়পুরা থানা পুলিশ কান্দাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে কাজল মিয়া (৩০) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করে। এ সময় তার কাছ থেকে আনুমানিক ৩ হাজার টাকা মূল্যের ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
পলাশ থানা পুলিশের নিয়মিত অভিযানে নিয়মিত মামলার ১ জন, সিআর পরোয়ানাভুক্ত ২ জন এবং পুলিশ আইনের ৩৪ ধারায় ১ জনসহ মোট ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া পুরাতন মামলার ১ জন এবং সিআর পরোয়ানাভুক্ত ২ জন আসামিকেও সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়।
মাধবদী থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে সিআর পরোয়ানাভুক্ত ২ জন এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় ১ জনসহ মোট ৩ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
অন্যদিকে ডিবি পুলিশের অভিযানে সাহেপ্রতাব বাজার এলাকা থেকে শীর্ষ সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ হিসেবে পুলিশের তালিকাভুক্ত মো. সেতু মিয়া (২৬), পিতা—মো. মজিবর রহমান, গ্রাম—কাউরিয়াপাড়া, থানা—সদর, জেলা—নরসিংদীকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানায়, সে কথিত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ গ্রুপ ‘আবুলাল’-এর সক্রিয় সহযোগী।
এ সময় তার সহযোগী সন্দেহে ওয়াদুদ ইমন (২৮), পিতা—মো. মোতালিব মিয়া, গ্রাম—বাগহাটা; নাদিম মিয়া (২৭), পিতা—নুরু মিয়া, গ্রাম—সাহেপ্রতাব মাছিমপুর; এবং মাহফুজুর রহমান মৃধা অমি (২৩), পিতা—মো. মাসুদুর রহমান মৃধা—কে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মাদক, ছিনতাই, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে নরসিংদী জেলা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, মাদক নিয়ন্ত্রণ, অপরাধ প্রতিরোধ ও বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা মোকাবিলায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর ভূমিকা জোরদারের লক্ষ্যে পুলিশের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (৯ আগস্ট) রাত ৮টায় ভৈরব উপজেলার সাতটি স্বেচ্ছাসেবক কমিটির সদস্যদের নিয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ভৈরব সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) আবু মুসা শেখ।
সভায় ভৈরবের বর্তমান আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদকবিরোধী কার্যক্রম, কিশোর ও যুবসমাজকে অপরাধ থেকে দূরে রাখা, অপরাধপ্রবণতা প্রতিরোধ, সামাজিক বিরোধ নিরসন এবং যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা দ্রুত প্রতিরোধে পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর সমন্বিত ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সভায় বক্তারা বলেন, একটি এলাকার অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও সামাজিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর নির্ভর করলে হবে না। এ জন্য জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, তরুণ সমাজ ও সাধারণ জনগণকে সম্পৃক্ত করে সমন্বিত সামাজিক উদ্যোগ গড়ে তুলতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে এএসপি আবু মুসা শেখ বলেন, ভৈরবের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্বেচ্ছাসেবীদের আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। মাদক ব্যবসা, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কিংবা কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির তথ্য দ্রুত পুলিশকে জানানোর আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার জন্যও সবাইকে সতর্ক করেন।
তিনি বলেন, পুলিশ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও আস্থার সম্পর্ক শক্তিশালী হলে অপরাধ প্রতিরোধে কার্যকর ফল পাওয়া সম্ভব। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো এ ক্ষেত্রে পুলিশের সহযোগী শক্তি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সভায় অংশ নেওয়া স্বেচ্ছাসেবী কমিটির নেতৃবৃন্দ ভৈরবকে আরও নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও অপরাধমুক্ত রাখতে পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার অঙ্গীকার করেন। মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন জোরদার, অপরাধের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং তরুণদের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ভৈরব থানার পরিদর্শক (তদন্ত) লিমন বোস। সভা সঞ্চালনা করেন ভৈরব থানার সার্জেন্ট অফিসার ও উপ-পরিদর্শক (এসআই) এমদাদুল কবির।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভৈরব উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও চুরি-ছিনতাই-ডাকাতি নির্মূল প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি রফিকুল ইসলাম, ভৈরব মাদক নির্মূল প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ভিপি মজিবুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকারিয়া ফারুক, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক হাজী সাজ্জাদ হোসেন মামুন, সদস্য সচিব মীর রাজন আহমেদসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী কমিটির নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা।
সভা শেষে ভৈরবের শান্তি, নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে পুলিশের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশিষ্টজনেরা যুক্তি দিয়েছেন যে, পার্বত্য চট্টগ্রামকে শুধুমাত্র একটি প্রশাসনিক অঞ্চল হিসেবে দেখে হলে চলবে না।
ইতিহাস, জাতিগত বৈচিত্র্য, সীমান্ত, নিরাপত্তা, উন্নয়ন, প্রাকৃতিক সম্পদ এবং ভূরাজনীতির নানা দিক এই অঞ্চলকে দক্ষিণ এশিয়ার একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল এলাকার স্থানে পরিণত করেছে।
প্রতিবেশী দেশগুলোর কৌশলগত স্বার্থ, রোহিঙ্গা সংকট এবং বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক ভূরাজনীতিও এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।
রবিবার (৯ আগস্ট) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আয়োজিত এক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা তুলে ধরেন। ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম : ইতিহাস, পরিচয় রাজনীতি, রাষ্ট্রের সাংবিধানিক অবস্থান ও বর্তমান চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারটির আয়োজন করেছে চট্টগ্রাম সেন্টার ফর রিজিয়নাল স্টাডিজ, বাংলাদেশ (সিসিআরএসবিডি)।
বিকেল ১২টায় শুরু হওয়া সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী চৌধুরী।
প্রভাষক আবদুল্লাহ আল মামুনের সঞ্চালনায় সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিসিআরএসবিডির নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ড. মাহফুজ পারভেজ।
মূল প্রবন্ধে অধ্যাপক ড. মাহফুজ পারভেজ উল্লেখ করেন, পার্বত্য চট্টগ্রামকে সকল বিষয় বিচ্ছিন্নভাবে বলা সম্ভব নয়। মিয়ানমারের রাখাইন সংকট, রোহিঙ্গা বাস্তুচ্যুতি, চীন-ভারত প্রতিযোগিতা, বঙ্গোপসাগরের ভূরাজনীতি এবং আন্তর্জাতিক এনজিওগুলোর কর্মকাণ্ড—সবকিছু মিলে এই অঞ্চল দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সংবেদনশীল ভূরাজনৈতিক এলাকা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে আন্তঃগোষ্ঠী সংঘাত, চাঁদাবাজি, অবৈধ অস্ত্র, সীমান্তপাড়ের যোগাযোগ, মাদক ও মানবপাচারের মতো বিভিন্ন সমস্যা বিদ্যমান।
এর সঙ্গে তথ্যযুদ্ধ, বিদেশি প্রভাব ও করিডর রাজনীতির মতো বিষয়ও এখানে জড়িয়ে আছে।
সেমিনারে প্যানেল আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন ওসমানী সেন্টার ফর পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের গবেষণা পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) স. ম. মাহবুব-উল-আলম, খাগড়াছড়ির কমিউনিটি লিডার কুমার সুই চিং প্রু সাইন, সাংবাদিক ও গবেষক মেহেদী হাসান পলাশ এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম ও রোহিঙ্গা বিশেষজ্ঞ নাজমুল ইসলাম চৌধুরী।
বক্তারা পার্বত্য চট্টগ্রামের ইতিহাস, পরিচয় রাজনীতি, সাংবিধানিক অবস্থান এবং বর্তমান বাস্তবতা নিয়ে আলোচনা করেন। একই সঙ্গে এই অঞ্চলের নিরাপত্তা, উন্নয়ন, সামাজিক সম্প্রীতি ও বিদ্যমান সংকট মোকাবেলায় রাষ্ট্রীয় নীতি ও কার্যকর উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৯ আগস্ট, ২০২৬ : চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশ কৃত হবে।
আগামীকাল সকালে ১০ টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ফলাফলের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
এরপর বেলা ১০ টা থেকেই দেশের সকল শিক্ষা বোর্ডসমূহের ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল জানা যাবে।
এ বছর দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। এর মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ৬৭ হাজার ৩০৫ এবং ছাত্রী ৭ লাখ ৫১ হাজার ৯৩ জন।
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিলে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৬১ হাজার ৪৯১ এবং ছাত্রী ১ লাখ ৪২ হাজার ৭৯৫ জন।
অন্যদিকে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। এদের মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ১ হাজার ৫০৯ এবং ছাত্রী ৩৩ হাজার ১৫১ জন।
সারা দেশে মোট ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।
ফলাফল দেখার উপায় হচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক প্রকাশিত ফল সংশ্লিষ্ট সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে
https://eduboardresults.gov.bd ও https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে হবে।
এছাড়া সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে অনলাইনের মাধ্যমে প্রাপ্ত ফলাফল ডাউনলোড করে প্রকাশ করার জন্য ওয়েবসাইটের ‘রেজাল্ট’ কর্নারে ক্লিক করে বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানের ‘ইআইআইএন’ এর মাধ্যমে ফলাফল ডাউনলোড করতে হবে।
প্রথমে পরীক্ষার্থীরা স্ব স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবে। এরপর, তারা শিক্ষা বোর্ডগুলোর কমন ওয়েবসাইট https://eduboardresults.gov.bd ও https://educationboardresults.gov.bd এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবেন।
এছাড়া, যেকোনো মোবাইল নম্বর থেকে ১৬১৪০ অথবা ১৬২২২ নম্বরে এমএমএস পাঠানোর মাধ্যমে ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবেন।
এসএমএস-এর মাধ্যমে ফলাফল জানতে এসএসসি <স্পেস> বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর <স্পেস> রোল নম্বর <স্পেস> পরীক্ষার বছর লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে।
উদাহরণস্বরূপ, এসএসসি ঢা ১২৩৪৫৬ ২০২৬ লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে।
পুনর্নিরীক্ষণের আবেদনও করা যাবে। ফলাফলে সংক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা আগামী ১১ আগস্ট থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনের মাধ্যমে খাতা পুনর্নিরীক্ষণের (চ্যালেঞ্জ) আবেদন করতে পারবে। এ সংক্রান্ত নির্দেশিকা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানা যাবে।
উল্লেখ্য, কোনো শিক্ষা বোর্ড, শিক্ষা মন্ত্রণালয় কিংবা পত্রিকা অফিসে সরাসরি এসে ফলাফল পাওয়া যাবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতির প্রেক্ষাপটে দলে থাকা সকল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রবিবার রাতের দিকে চট্টগ্রাম নগরীর রেডিসন ব্লু বেভিউ হোটেলের মেজবান হলে অনুষ্ঠিত দলীয় সাংগঠনিক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখার সময় তিনি এ নির্দেশনা দেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম নগর বিএনপির আহবায়ক এরশাদ উল্লাহ। এ সভায় উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
সভায় কিছু নেতাকর্মী জানিয়েছেন যে, প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলছেন ‘দলটি আপনাদেরকে নিয়েই। আপনারা ঠিক থাকলে দল ঠিক থাকবে। ফলে দলের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল রাখতে হবে এবং তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সেই অনুযায়ী কাজ করতে হবে। ত্যাগী নেতাকর্মীদের অবশ্যই মূল্যায়ন হবে তবে কিছু সময় দিতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে আরও বলেছেন, নিজেদের মধ্যে বিভেদ থাকা চলবে না। সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন রয়েছে। সেই নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
এ ছাড়া, তিনি দেশে অস্থিরতা সৃষ্টিকারীদের সম্পর্কে সজাগ থাকতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান।
সভায় উপস্থিত ছিলেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খোন্দকার, সংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীমসহ চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় ৬০০ নেতাকর্মী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ