ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চাঁদা দাবির অভিযোগ প্রত্যাহার, পৌর কর্মকর্তা ও মাহবুবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চাইলেন ক্লিনিক মালিক


চাঁদা দাবির অভিযোগ প্রত্যাহার, পৌর কর্মকর্তা ও মাহবুবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চাইলেন ক্লিনিক মালিক

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিপরীতে কার্যক্রম চলমান ডে-নাইট ক্লিনিকে সন্ত্রাসীদের চাঁদা দাবি ও হুমকির অভিযোগে দেওয়া আবেদন প্রত্যাহার করেছেন ক্লিনিকটির মালিকপক্ষের নাজনীন আক্তার। একই সঙ্গে তাঁর অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে অভিযোগপত্র তৈরি ও জমা দেওয়ার অভিযোগে ফরিদপুর পৌরসভার কর্মকর্তা আহাদুজ্জামান কিরণ ও মাহবুব নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে গত ১৭ সেপ্টেম্বর পুলিশ সুপারের কাছে দেওয়া আবেদন প্রত্যাহারের জন্য সম্প্রতি একটি লিখিত আবেদন করা হয়েছে। ওই আবেদনে নাজনীন আক্তার দাবি করেন, মিজানুর রহমান মিনান, টিটু মিয়া, স্বপন মাহমুদ, মুনায়েমসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি ও হুমকির অভিযোগে যে আবেদন করা হয়েছিল, সেটি তিনি জেনে-বুঝে করেননি।

লিখিত আবেদনে নাজনীন আক্তার বলেন, তাঁর স্বামী মো. শফিকুল আলম ট্যাক্স-ফাইল সংক্রান্ত কাজে ডিসি অফিসে গেলে সেখানে মাহবুব নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর কথা হয়। মাহবুব ট্যাক্সের কাজ সহজে করে দেওয়ার কথা বলে তাঁকে ফরিদপুর পৌরসভা কার্যালয়ের চতুর্থ তলায় কর্মকর্তা আহাদুজ্জামান কিরণের কক্ষে নিয়ে যান বলে অভিযোগ করেন তিনি।

আরও পড়ুন: ফরিদপুরে দেশের প্রথম ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত

নাজনীন আক্তারের দাবি, সেখানে মাহবুব একটি অভিযোগপত্র তৈরি করে প্রিন্ট করেন এবং তাঁকে ফোন করে ওই কক্ষে ডেকে নেন। বয়সজনিত কারণে তাঁর দৃষ্টিশক্তি কম হওয়ায় অভিযোগপত্রটি তাঁকে পড়তে না দিয়ে তাড়াহুড়ো করে তাঁর স্বাক্ষর নেওয়া হয়। পরে ওই কাগজ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে জমা দেওয়া হলে বিষয়টি তাঁর নজরে আসে বলে আবেদনে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আরও দাবি করেন, পরে জানতে পারেন, মাহবুব অভিযোগপত্রটির ছবি তুলে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে পাঠিয়েছেন। এতে সামাজিকভাবে তাঁর ও তাঁর পরিবারের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

আবেদনে নাজনীন আক্তার স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, অভিযোগপত্রে যাঁদের নাম দেওয়া হয়েছে, তাঁরা তাঁর কাছে কখনো চাঁদা দাবি বা হুমকি দেননি। তাঁর অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে অভিযোগপত্র তৈরি করে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

এ অবস্থায় পূর্বে দেওয়া চাঁদা দাবি ও হুমকির অভিযোগটি প্রত্যাহার করে পৌর কর্মকর্তা আহাদুজ্জামান কিরণ ও মাহবুবের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন নাজনীন আক্তার।

আরও পড়ুন: কালকিনিতে মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে বিএনপির আলোচনা সভা

তবে এ বিষয়ে পৌর কর্মকর্তা আহাদুজ্জামান কিরণ ও মাহবুবের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাহরাইনকে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৫৪ পি.এম


বাহরাইনকে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের

তেহরান বাহরাইনের ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইরানের ওপর হামলা হলে তার প্রতিক্রিয়া জানানো হবে বলে সতর্ক করেছে। জাতিসংঘে ইরানের এক কূটনীতিক উল্লেখ করেছেন, বাহরাইন এই ঘটনায় ‘ভুক্তভোগী নয়’; বরং দেশটি ইরানের বিরুদ্ধে ‘অবৈধ যুদ্ধে’ যুক্তরাষ্ট্রকে নিজেদের ভূখণ্ড, সামরিক ঘাঁটি ও আকাশসীমা ব্যবহারের সুযোগ দিয়েছে।

জাতিসংঘের তৃতীয় কমিটির বৈঠকে সোমবার (৫ অক্টোবর) বাহরাইনের এক কূটনীতিকের বক্তব্যের জবাবে জাতিসংঘে ইরানের মিশনের কূটনীতিক আলি কারিমি মাঘাম এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘বাহরাইন মানবাধিকারের কথা বলছে, কিন্তু এসব ঘটনার পেছনে কী রয়েছে, তা উপেক্ষা করছে।’

বাহরাইনকে ভুক্তভোগী হিসেবে দেখার সুযোগ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই দেশ ইরানের বিরুদ্ধে একটি অবৈধ যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে নিজেদের ভূখণ্ড, সামরিক ঘাঁটি ও আকাশসীমা ব্যবহারের সুযোগ দিয়েছে।’

ইরানি এই কূটনীতিক আরও বলেন, প্রতিবেশী ইরানের বিরুদ্ধে অবৈধ যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার পর বাহরাইন এখন এর পরিণতি নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করতে পারে না।

জাতিসংঘের তৃতীয় কমিটিতে ইরানের প্রতিনিধি বলেন, ইরান হামলা শুরু করেনি; বরং তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। তাই ইরানের পালটা পদক্ষেপ ছিল ‘আত্মরক্ষার স্বাভাবিক অধিকার প্রয়োগ’।

তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘এই অঞ্চলের কোনো দেশের ভূখণ্ড আবারও ইরানের ওপর হামলা চালানোর জন্য ব্যবহার করা হলে আমরা তার জবাব দেব।’

বাহরাইনের প্রতিনিধির উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘দুটি পথই খোলা আছে। হয় আমরা সবাই মিলে এই অঞ্চলে নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করব, অথবা সবাই মিলে অনিরাপত্তার পরিস্থিতি মোকাবিলা করব।’

ইরানি কূটনীতিক বলেন, ‘বাহরাইন এর আগে দ্বিতীয় পথ বেছে নিয়েছিল। তারা যদি আবার একই পথ বেছে নেয়, তাহলে ভিন্ন কোনো ফল আশা করা উচিত নয়।’

তথ্যসূত্র: মেহের

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেখ হাসিনা ও ৮ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৫৪ পি.এম


শেখ হাসিনা ও ৮ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ

ঢাকার কল্যাণপুরের জাহাজবাড়িতে ‘জঙ্গি নাটক’ সাজিয়ে নয় তরুণকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে করা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আট আসামির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আজ আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য রয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ট্রাইব্যুনাল-১ এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মামলাটিতে ২১ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষ আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিষয়ে তাদের শুনানি শেষ করেন। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আবেদন জানায়। তবে আসামিপক্ষের ডিসচার্জ (অব্যাহতির) আবেদনের শুনানি এখনো বাকি রয়েছে।

এর আগে গত ২১ জুলাই রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম। এ সময় প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মামুনুর রশিদ, তারেক আবদুল্লাহ, মঈনুল করিম ও শাইখ মাহদীসহ অন্য প্রসিকিউটররা উপস্থিত ছিলেন। আসামিপক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী সুলতান মাহমুদ সিমন।

মামলার আট আসামির মধ্যে পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহিদুল হক এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান মিয়া গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।

অপর ছয় আসামি পলাতক। তারা হলেন, দণ্ডিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, ডিএমপির তৎকালীন অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) শেখ মুহম্মদ মারুফ হাসান, তৎকালীন অতিরিক্ত কমিশনার (সিটিটিসি) মো. মনিরুল ইসলাম, তৎকালীন যুগ্ম কমিশনার কৃষ্ণপদ রায় এবং তৎকালীন যুগ্ম কমিশনার (ডিবি) মো. আবদুল বাতেন।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ২৫ জুলাই রাতে রাজধানীর কল্যাণপুরের জাহাজবাড়িতে কথিত জঙ্গি আস্তানায় অভিযান চালানো হয়। ‘অপারেশন স্টর্ম-২৬’ নামে ওই অভিযানে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ও সোয়াটের সদস্যরা ৯ তরুণকে গুলি করে হত্যা করেন। পরে নিহতদের জঙ্গি হিসেবে প্রচার করা হয় বলে অভিযোগ রাষ্ট্রপক্ষের।

প্রসিকিউশন বলছে, তদন্তে বিভিন্ন স্থান থেকে তরুণদের ধরে এনে জঙ্গি হিসেবে চিহ্নিত করে কল্যাণপুরের জাহাজবাড়িতে নিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠে এসেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীদের পরিবারের সদস্যদের বক্তব্যও নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ। এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই আট আসামির বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা করা হয়েছে।

চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি শেখ হাসিনাসহ আট আসামির বিরুদ্ধে আনা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। একই সঙ্গে পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরে গত ৮ মার্চ পলাতক ছয় আসামির পক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হারমানপ্রীত কৌর ভারতের অধিনায়কত্ব ছাড়ার ঘোষণা দিলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৫৫ পি.এম


হারমানপ্রীত কৌর ভারতের অধিনায়কত্ব ছাড়ার ঘোষণা দিলেন

ভারতের নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিয়েছেন হারমানপ্রীত কৌর। তিনি সব ফরম্যাটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এর ফলে একটি দীর্ঘ যুগের সমাপ্তি ঘটেছে। এই সময়ে ভারত অনেক ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করেছে। দলটি ওয়ানডে বিশ্বকাপ জিতেছে এবং এশিয়ান গেমসে সোনাও পেয়েছে। এখন নেতৃত্বে আসতে পারেন দীর্ঘদিনের সহ-অধিনায়ক স্মৃতি মান্ধানা।

হারমানপ্রীতের অধিনায়কত্ব ছাড়ায় তার কাঁধ থেকে কৌশলের চাপ কমবে। এখন তিনি নিজের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে মনোযোগ দিতে পারবেন। আসন্ন বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের আগে দলের জন্য নতুন কৌশলে দাঁড়ানোর জন্য যথেষ্ট সময়ও থাকবে।

এই ঘোষণা এসেছে গুয়াহাটিতে বিসিসিআইয়ের একটি পর্যালোচনা সভার পর। সভায় গত কয়েক মাসের পারফরম্যান্স নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ভবিষ্যতের পথ নিয়েও কথা হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিসিসিআইয়ের সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া। উপস্থিত ছিলেন হারমানপ্রীত, সহ-অধিনায়ক স্মৃতি মান্ধানা ও প্রধান কোচ অমল মজুমদার।

সভায় হারমানপ্রীতকে এই সিদ্ধান্তের জন্য রাজি করানো হয়েছিল কি না, তা জানা যায়নি। তবে সিদ্ধান্তের সময় নিয়ে ক্রিকেট মহলে নানা জল্পনা চলছে।

সামাজিক মাধ্যমে একটি দীর্ঘ পোস্টে হারমানপ্রীত নিজের কথা জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, "সিদ্ধান্তটি সহজ ছিল না। তবে সরে দাঁড়ানোর সময় এসেছে বলে তিনি মনে করেন।" বছরের পর বছর তিনি জাতীয় দলকে সবকিছু দিয়েছেন। ২০১৬ সালে তিনি প্রথমবার ভারতের অধিনায়কের দায়িত্ব নেন। তার আগে তিনি অস্থায়ীভাবে এই দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

পোস্টে হারমানপ্রীত উল্লেখ করেছেন, "আজ আমি ভারতীয় নারী ক্রিকেট দলের সব ফরম্যাটের অধিনায়কত্ব ছাড়ছি। এটা সহজ সিদ্ধান্ত নয়। এর সঙ্গে জড়িত রয়েছে বহু বছরের স্মৃতি, আবেগ, ত্যাগ এবং এমন কিছু মুহূর্ত, যা আমার সারা জীবন সঙ্গে থাকবে।"

তিনি আরও লিখেছেন, "আমার যা ছিল, সব আমি এই দলকে আর ভারতের নারী ক্রিকেটকে দিয়েছি। আমার রক্ত, আমার ঘাম, আমার সময় দিয়েছি। অনেক সময় নিজের খেলার একটি অংশ এবং ব্যক্তিগত স্বপ্নও দিয়েছি। কিছু মুহূর্তে নিজের পারফরম্যান্স, নিজের বেড়ে ওঠা এবং নিজের চাওয়াকে সরিয়ে রাখতে হয়েছে। কারণ আমি বিশ্বাস করতাম, দলই সবার আগে।"

হারমানপ্রীতের নেতৃত্ব নিয়ে বহুদিন ধরেই তুমুল বিতর্ক চলছিল। অনেক সাবেক ক্রিকেটার ও বিশ্লেষক বলেছিলেন, এবার স্মৃতি মান্ধানার হাতে দায়িত্ব দেওয়ার সময় এসেছে। খেলায় জয়-পরাজয় থাকে। তবে হারমানপ্রীতের অধিনায়ক হিসেবে নেওয়া সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ব্যাটার হিসেবে তার পারফরম্যান্স নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে নিজের পোস্টে তিনি বলেছেন, প্রতিটি সিদ্ধান্ত তিনি নিয়েছেন শুধু দলের ভালোর কথা ভেবে।

তিনি লিখেছেন, "অধিনায়ক হিসেবে আমাকে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। সেসব সিদ্ধান্ত সব সময় সবাই বোঝেনি। সেগুলো সব সময় সহজও ছিল না। কখনো কখনো এর জন্য আমাকে ব্যক্তিগত মূল্য দিতে হয়েছে। কিন্তু প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে একটাই উদ্দেশ্য ছিল। দলটাকে আরও ভালো করা। অন্য খেলোয়াড়দের বেড়ে ওঠার সুযোগ দেওয়া। তারা যেন নিজেদের ওপর বিশ্বাস রাখতে পারেন এবং নিজেদের সেরা রূপে পৌঁছাতে পারেন।"

হারমানপ্রীত নিজের পথচলার কথাও তুলে ধরেছেন। তিনি লিখেছেন, "আমি সবকিছু দেখেছি। সবচেয়ে খারাপ সময় দেখেছি। হৃদয় ভাঙা কষ্ট দেখেছি। সমালোচনা এবং সন্দেহও দেখেছি। এমন দিনও দেখেছি, যখন কিছুই আমাদের পক্ষে যাচ্ছিল না। আবার সর্বোচ্চ সাফল্যও দেখেছি। জয়ের আনন্দ, উদযাপন, দেশের প্রতিনিধিত্বের গর্ব এবং সেইসব মুহূর্ত, যা প্রতিটি ত্যাগকে সার্থক করেছে।"

তিনি আরও লিখেছেন, "আজ আমি অনেক আবেগ নিয়ে অধিনায়কত্ব ছাড়ছি। তবে মনে শান্তিও আছে। কারণ আমি সত্যিই বিশ্বাস করি, আমার দল এখন ভালো জায়গায় আছে। এই দলে আছে প্রতিভা, চরিত্র, বিশ্বাস এবং একটি দুর্দান্ত ভবিষ্যৎ। সেই ভবিষ্যৎ দেখতে এবং তার অংশ হতে আমি দারুণ উত্তেজিত। আমি মনে করি, আমি আমার দায়িত্ব পালন করেছি। এই দলকে আমার সবটুকু দিয়েছি। আমি গর্বের সঙ্গে দায়িত্ব বহন করেছি। ভারতের নারী ক্রিকেট দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগের জন্য আমি সব সময় কৃতজ্ঞ থাকব।"

হারমানপ্রীত নেতৃত্ব ছাড়ার কথা নিশ্চিত করেছেন। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, খেলা চালিয়ে যাবেন। পোস্টের শেষে তিনি লিখেছেন, "এবার পাতা উল্টানোর সময়। অধিনায়কত্ব আজ শেষ হতে পারে, কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেটের প্রতি আমার ভালোবাসা কখনো শেষ হবে না। প্রত্যেক সতীর্থ, কোচ, সাপোর্ট স্টাফ, ম্যানেজমেন্ট, বিসিসিআই, পরিবারের সদস্য এবং প্রতিটি সমর্থককে ধন্যবাদ। তারা ভালো-মন্দ সব সময় আমার পাশে ছিলেন। রক্ত। ঘাম। ত্যাগ। গর্ব। আমি সবকিছু দিয়েছি। এবার আবার খেলার প্রতি ভালোবাসা নিয়েই খেলতে প্রস্তুত। অধিনায়কত্ব শেষ। যাত্রা চলবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজায় যুদ্ধবিরতির আহ্বান জাতিসংঘ মহাসচিবের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৫৬ পি.এম


গাজায় যুদ্ধবিরতির আহ্বান জাতিসংঘ মহাসচিবের

ঢাকা, ৬ অক্টোবর, ২০২৬ : ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার তৃতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতির জন্য আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।

সোমবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, ‘যুদ্ধবিরতিকে স্থায়ী করার সময় এসেছে। ব্যাপক পরিসরে মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর সুযোগ দেওয়ার সময় এসেছে এবং আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার সময় এসেছে।’

গুতেরেস পুরো অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী শান্তির জন্য একটি ‘রাজনৈতিক পথ’ তৈরির আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, এই বার্ষিকী যেন শুধুমাত্র আরেকটি শোকের বছর হিসেবে চিহ্নিত না হয়, বরং এটি একটি ভিন্ন ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার নতুন সংকল্পের সূচনা করে, যেখানে ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনিরা শান্তি ও নিরাপত্তার সঙ্গে পাশাপাশি বসবাস করতে পারবে এবং তাদের অধিকার, মর্যাদা ও আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে।

বিবৃতিতে জাতিসংঘ মহাসচিব ইসরায়েলি হতাহতের বিষয়টি স্বীকার করেন। তিনি হামাসের হামলাকে ‘ভয়াবহ’ আখ্যা দিয়ে বলেন, এতে ১,২০০-এর বেশি ইসরায়েলি ও বিদেশি নাগরিক নিহত এবং আরও ২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়েছিল।

গুতেরেস আরও মন্তব্য করেন, গাজার ফিলিস্তিনিরা ‘ব্যাপক প্রাণহানি, বাস্তুচ্যুতি ও ধ্বংসের’ মুখোমুখি হয়েছেন। তিনি বলেন, ‘তাদের দুর্ভোগেরও এখনই অবসান হওয়া প্রয়োজন।’

তবে তিনি ফিলিস্তিনি নিহতের নির্দিষ্ট সংখ্যা উল্লেখ করেননি। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গাজায় ইসরায়েলের কয়েক বছর ধরে চলা সামরিক অভিযানে ৭৪,২০০-এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।

মন্ত্রণালয়টি হামাসের নিয়ন্ত্রণাধীন হলেও জাতিসংঘ এর প্রকাশিত পরিসংখ্যানকে নির্ভরযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করে।

গুতেরেস স্বীকার করেন, ২০২৫ সালের অক্টোবরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষিত একটি স্বল্পমেয়াদি যুদ্ধবিরতি ‘কিছুটা স্বস্তি’ এনেছিল। তবে তিনি বলেন, এটি এখনো নিরাপত্তা, পর্যাপ্ত মানবিক সহায়তা কিংবা পুনরুদ্ধার ও শান্তির জন্য একটি বিশ্বাসযোগ্য পথ নিশ্চিত করতে পারেনি।

ইসরায়েল এখনো গাজার অধিকাংশ এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে। দেশটি বলছে, হামাসের নিরস্ত্রীকরণ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা তাদের সেনা প্রত্যাহার করবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%