ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এফ-৩৫ ধ্বংস, হ্যাঙ্গার ক্ষতিগ্রস্ত; ইরানি হামলায় মার্কিন ঘাঁটিতে ভয়াবহ ক্ষতি


এফ-৩৫ ধ্বংস, হ্যাঙ্গার ক্ষতিগ্রস্ত; ইরানি হামলায় মার্কিন ঘাঁটিতে ভয়াবহ ক্ষতি

কুয়েতে ও জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন বিমানঘাঁটিতে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) সাম্প্রতিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সূত্র ও উপগ্রহ চিত্রের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত উপগ্রহ চিত্রের পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, কুয়েতের আলি আল সালেম বিমানঘাঁটি এবং জর্ডানের মুওয়াফ্ফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে ইরানি বাহিনী বড় ধরনের আঘাত হেনেছে।

ইরানের আইআরজিসি সূত্রে জানানো হয়েছে, মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের পাল্টা জবাব হিসেবে তারা কুয়েতের আলি আল সালেম ঘাঁটির দুটি ড্রোন হ্যাঙ্গার এবং সামরিক বিমান-হেলিকপ্টারের জ্বালানি ডিপোতে সফল হামলা চালিয়েছে। পরবর্তীতে একটি সামরিক বিশ্লেষণকারী অ্যাকাউন্ট, যা মেনচওসিন্ট নামে পরিচিত, প্রকাশিত উপগ্রহ চিত্রে একই স্থানে আগুনের সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির প্রমাণ মেলে। ইরানি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে জর্ডানের মুওয়াফ্ফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে। উপগ্রহের প্রাথমিক ছবিতে সেখানে থাকা এফ-থার্টিফাইভ যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ইঙ্গিত দেখা গেছে। আইআরজিসির দাবি, এই হামলায় অন্তত তিনটি মার্কিন এফ-থার্টিফাইভ যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছে এবং বেশ কয়েকটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, জর্ডানের ওই ঘাঁটির যে নির্দিষ্ট অংশগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে, সেগুলোর নির্মাণকাজ সম্প্রতি শেষ হয়েছিল; জুলাই মাসের শুরুতেই সুবিধাগুলো চালু করা হয়। প্রায় এক হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূর থেকে ছোঁড়া ইরানি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলো নিখুঁত নিশানায় সেখানে আঘাত হানে। যদিও ক্ষয়ক্ষতির এমন সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে, মার্কিন সেনাবাহিনী অথবা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সরকার এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত সম্পূর্ণ নীরবতা বজায় রেখেছে। তবে অতীতেও সামরিক ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের তথ্য গোপন বা কমিয়ে দেখানোর ইতিহাস রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানের কয়লাখনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ৩২ শ্রমিকের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৩ এম


পাকিস্তানের কয়লাখনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, ৩২ শ্রমিকের মৃত্যু

পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বেলুচিস্তান প্রদেশের একটি কয়লাখনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ফলে অন্তত ৩২ জন শ্রমিক নিহত হয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া শ্রমিকদের মধ্যে জীবিত কাউকে পাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে। উদ্ধারের কার্যক্রম এখনও চলছে।

বৃহস্পতিবার, প্রাদেশিক রাজধানী কোয়েটার কাছে দুর্গম সোরাঙ্গে এলাকার এক কয়লাখনিতে দুর্ঘটনাটি ঘটে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, খনির ভেতরে মিথেন গ্যাস জমে বিস্ফোরণের সৃষ্টি হয়েছে। বিস্ফোরণের পর খনির একটি বড় অংশ ধসে পড়ে এবং অনেক শ্রমিক ভেতরে আটকা পড়ে যায়।

শুক্রবার ভোরে বেলুচিস্তান প্রাদেশিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের একজন কর্মকর্তা জানান, এই মুহূর্ত পর্যন্ত ২৯টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া খনির ভেতরে তিনটি মরদেহের অবস্থান শনাক্ত হয়েছে এবং উদ্ধারকারীরা সেগুলো বের করে আনার চেষ্টা করছেন। দুর্ঘটনার ১২ ঘণ্টারও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও উদ্ধার অভিযান থেমে যায়নি।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ, খনি উদ্ধারকারী দল এবং অন্যান্য জরুরি সেবার সদস্যরা এখনও খনির ভেতরে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছেন। যদিও এত দীর্ঘ সময় পেরিয়ে যাওয়ায় জীবিত কাউকে উদ্ধারের আশা খুবই ক্ষীণ হয়ে এসেছে। এর আগে, বেলুচিস্তানের প্রধান খনি পরিদর্শক মুহাম্মদ আতিফ জানিয়েছিলেন, বিস্ফোরণের সময় খনির ভেতরে মোট ৩৬ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন।

অন্যদিকে, অঞ্চলের জ্যেষ্ঠ সরকারি খনি কর্মকর্তা আবদুল গনি বেলুচ মন্তব্য করেছেন, বিস্ফোরণটি এতটাই শক্তিশালী ছিল যে পাশাপাশি থাকা দুটি কয়লাখনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এটি উদ্ধারকাজকেও আরো কঠিন করে তুলেছে। পাকিস্তানের কয়লাখনিগুলোতে এমন দুর্ঘটনা নতুন নয়। বিশেষ করে বেলুচিস্তানের অনেক খনিতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই।

খনির ভেতরে গ্যাসের মাত্রা পর্যবেক্ষণের আধুনিক ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের সুবিধা এবং জরুরি নিরাপত্তা সরঞ্জামের অভাবের কারণে প্রায়ই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। খনিশ্রমিক ও শ্রমিক সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরে খনির মালিকদের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা অবহেলার অভিযোগ করে আসছে। তাদের দাবি, অনেক মালিক শ্রমিকদের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সরঞ্জাম দেন না এবং নিরাপত্তাবিধিও যথাযথভাবে মেনে চলেন না। ফলে শ্রমিকদের জীবনের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে কাজ করলেও বেলুচিস্তানের হাজার হাজার মানুষ জীবিকার জন্য কয়লাখনির ওপর নির্ভরশীল। কম মজুরিতে কঠিন ও বিপজ্জনক কাজ করতে বাধ্য হন তারা। পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় প্রদেশ হলেও বেলুচিস্তান এখনো দেশের অন্যতম অনুন্নত অঞ্চল। সেখানে বেকারত্ব ও দারিদ্র্যের হার বেশি হওয়ায় জীবিকার তাগিদে অনেকেই এমন ঝুঁকিপূর্ণ পেশা বেছে নিতে বাধ্য হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রে ডিগ্রি শেষে কাজ করার জন্য ১ লাখ ডলার ফি দিতে হবে, ট্রাম্পের পরিকল্পনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৪ এম


যুক্তরাষ্ট্রে ডিগ্রি শেষে কাজ করার জন্য ১ লাখ ডলার ফি দিতে হবে, ট্রাম্পের পরিকল্পনা

যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা শেষে বিদেশি শিক্ষার্থীদের কষ্ট করে কাজ করার অনুমতি পেতে ১ লাখ ডলার (প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ টাকা) ফি আরোপ করার বিষয়টি ট্রাম্প প্রশাসন বিবেচনা করছে।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আইনি অভিবাসন প্রক্রিয়া আরও কঠোর করার অংশ হিসেবে এই নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। যদি এটি বাস্তবায়িত হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চশিক্ষা বিদেশি শিক্ষার্থীদের কাছে আকর্ষণ হারাতে পারে।

এটি হলে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ওপর নির্ভরশীল বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অর্থনৈতিক সঙ্কটে পড়বে, এবং বিদেশি মেধা নিয়োগ করা প্রযুক্তি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোও মারাত্মক ধাক্কা খাবে।

প্রস্তাবিত ফিটি মূলত ‘অপশনাল প্র্যাকটিক্যাল ট্রেনিং’ (ওপিটি) স্কিমের সঙ্গে সম্পর্কিত। এই স্কিমের আওতায় আন্তর্জাতিক গ্র্যাজুয়েটরা ডিগ্রি শেষে সর্বোচ্চ তিন বছর যুক্তরাষ্ট্রে কাজের সুযোগ পান।

২০২৪ সালে প্রায় ৪ লাখ ১৯ হাজার বিদেশি শিক্ষার্থী ওপিটির অধীনে কর্মরত ছিলেন। এই সুযোগটি পরবর্তীতে এইচ-ওয়ানবি (H-1B) ভিসার জন্য পথ সুগম করে।

সম্প্রতি বোস্টনের একটি আপিল আদালত এইচ-ওয়ানবি ভিসা আবেদনকারীদের ওপর ১ লাখ ডলার ফি চাপানোর সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছে। আদালতের সেই সিদ্ধান্তের পর ওপিটি নিয়ে এই নতুন পরিকল্পনার কথা প্রকাশ পায়।

চূড়ান্তভাবে এটি কার্যকর হলে মার্কিন বৈধ অভিবাসন ব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন আনবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোদির ‘মানহানি’: ২৫ বছর বয়সী নারী আন্দোলনের বিরুদ্ধে মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২১ এম


মোদির ‘মানহানি’: ২৫ বছর বয়সী নারী আন্দোলনের বিরুদ্ধে মামলা

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে তিনি আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন। এই অভিযোগে ২৫ বছর বয়সী রুচিকা সিংয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে জানা গেছে, তিনি সম্প্রতি প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ আয়োজিত আন্দোলন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে এই মন্তব্য করেছেন।

২৩ জুলাই, নতুন দিল্লির যন্তর মন্তরে অনুষ্ঠিত একটি বিক্ষোভের সময় নাকি বিতর্কিত বক্তব্য প্রদান করেন তিনি। এ বিষয়ে গত বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগকারী জানিয়েছেন, ওই তরুণীর মন্তব্য প্রধানমন্ত্রীর পদের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করেছে এবং সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির মাধ্যমে শান্তি নষ্ট করতে পারে। প্রাথমিকভাবে নয়ডার এক্সপ্রেসওয়ে থানা এলাকায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার বিভিন্ন ধারায় একটি জিরো এফআইআর নথিভুক্ত করা হয়। এরপর বিষয়টি খতিয়ে দেখতে এবং পরবর্তী তদন্তের জন্য মামলাটি দিল্লির পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

ঘটনার প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্র সৌরভ দাস মন্তব্য করেন, আন্দোলনকারীর ব্যবহৃত ভাষা অনুচিত বা আপত্তিকর হতে পারে। তবে সেজন্য পুলিশ প্রশাসন ব্যবহার করে ব্যবস্থা নেওয়া সমীচীন নয়। তিনি বলেছেন, নাগরিক বা ফৌজদারি মানহানির মামলা করার সুযোগ থাকলেও আন্দোলনকারীদের দমনে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার প্রয়োগ তরুণ সমাজের স্বাধীন মতপ্রকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তিনি একই সাথে তরুণ প্রজন্মকে আন্দোলন বা প্রতিবাদের সময় ভাষা ব্যবহারে আরও সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানান।

অন্যদিকে দিল্লির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আশীষ সুদ জানিয়েছেন, সরকারের অবস্থান শিক্ষার্থীদের পক্ষেই রয়েছে এবং কোনো অন্যায় আইনি পদক্ষেপ ছাত্রদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হবে না। তবে যদি কেউ আন্দোলনকে কাজে লাগিয়ে অপরাধমূলক হিংসা ছড়ানোর চেষ্টা করে, তবে তাদের জন্য ছাড় থাকবে না বলেও তিনি স্পষ্ট করে দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদারীপুরে দেশি মাছের সরবরাহ কমেছে, চড়া দামে বিপাকে ক্রেতারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩৯ এম


মাদারীপুরে দেশি মাছের সরবরাহ কমেছে, চড়া দামে বিপাকে ক্রেতারা

মাদারীপুরের হাটবাজারে গত দুই সপ্তাহ ধরে দেশি মাছের সরবরাহ কমে যাওয়ার ফলে ক্রেতাদের চরম বিপাকে পড়তে হচ্ছে। নদ-নদী ও সাগরের মাছ বাজারে থাকলেও, সেগুলোর দামও বেড়ে গেছে। বাড়তি দামে মাছ কিনতে গিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে ক্ষোভ প্রকাশিত হচ্ছে। তবে বিক্রেতাদের দাবি, পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়া এবং দেশি মাছের সরবরাহ কমে যাওয়ার ফলে দাম কিছুটা বেড়েছে।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকালে সরেজমিনে মাদারীপুর শহরের পুরান বাজারের পাইকারি মাছের আড়তে ঘুরে দেখা গেছে, ভোর বেলা থেকেই শুরু হয়েছে মাছ কেনাবেচা। দূর-দূরান্ত থেকে আসা পাইকার ও ব্যবসায়ীরা মাছ কিনতে ভিড় করেন আড়তে।

কয়েকদিন ধরে পুকুর, জলাশয় ও বিলের দেশি মাছের সরবরাহ কমে যাওয়ায় এই সুযোগে প্রায় সব ধরনের মাছই বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ না থাকায় পাইকারি বাজারের প্রভাব খুচরা বাজারেও পড়ছে। এতে সাধারণ ক্রেতাদের জন্য বিপাকে পরেছে।

বিক্রেতাদের মতে, নদ-নদীতে কারেন্ট জালের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ার কারণে দেশি মাছের প্রজনন ব্যাহত হচ্ছে। অন্যদিকে সরবরাহ কম থাকলেও দেশি মাছের চাহিদা বেড়েছে, এ কারণেই দাম কিছুটা বেশি হয়ে গেছে।

সুমন হোটেল এলাকার বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী মো. মাহাবুব হোসেন বলেন, মাছের দাম কখনোই কমে না, বরং প্রতিনিয়তই বাড়ছে। প্রশাসনের নজরদারির ঘাটতির কারণেই মাছের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, ফলে মাছের দাম অনেক ক্রেতার ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে।

মাদারীপুরের পুরান বাজার পাইকারি মৎস্য আড়ত সমিতির সভাপতি মোসলেম মাতুব্বর জানান, দেশি মাছের সরবরাহ কম থাকার কারণে দাম বেড়েছে। সরবরাহ যদি বৃদ্ধি পায়, তবে দামও কমে আসবে। বাজারে আসা অধিকাংশ ক্রেতা দেশি মাছ কিনতে চান, কিন্তু দিনের পর দিন এর সরবরাহ কমে যাচ্ছে। এর অন্যতম প্রধান কারণ নদ-নদীতে কারেন্ট জালের ব্যবহার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%