মো: হুমায়ুন কবির,গৌরীপুর প্রতিনিধি
০৭:৫৪ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের সব সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ‘ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন সংসদে জানিয়েছেন।
তিনি বুধবার সংসদের জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের এক নোটিশের জবাবে এ কথা বলেন।
সংরক্ষিত আসনের এমপি নিপুণ রায় চৌধুরী নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা, ভুক্তভোগীদের চিকিৎসা, আইনি সহায়তা, মনোসামাজিক পরামর্শ, আশ্রয় ও পুনর্বাসন সহায়তা নিয়ে মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ও ইউএনএফপিএ এর ‘ভায়োলেন্স অ্যাগেইনস্ট উইমেন সার্ভে ২০২৪’ এর তথ্য তুলে ধরে নিপুণ রায় বলেন, দেশে ৭৬ শতাংশ নারী জীবনে অন্তত একবার স্বামী বা ঘনিষ্ঠ সঙ্গীর সহিংসতার শিকার হয়েছেন এবং ৬২ শতাংশ ভুক্তভোগী কখনো তাদের অভিজ্ঞতা কারো কাছে প্রকাশ করেননি।
তিনি প্রশ্ন করেন, ‘একজন নারী যদি ঘরেও নিরাপদ না হন, একটি কন্যাশিশু যদি পরিচিত পরিবেশেও নিরাপদ না থাকে, তবে আমরা তাকে স্বাধীনভাবে বাঁচার কোন সাহস দেব?’
জবাবে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ‘ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার প্রথমে আটটি পুরনো মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চালু হয়েছিল। পরে আরো ছয়টি নতুন মেডিকেল কলেজে চালু করা হয়। বর্তমানে ১৫টি ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার রয়েছে। এসব সেন্টারে চিকিৎসা, আইনি সহায়তা, ডিএনএ ও ফরেনসিক সহায়তা, পুনর্বাসন এবং সমাজে পুনর্বাসনের সমন্বিত কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। প্রতিটি সেন্টারে ২২ জন করে জনবল থাকার কথা। এর মধ্যে চারজন চিকিৎসক, ছয়জন নার্স, চারজন পুলিশ কর্মকর্তা, একজন ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট, একজন আইন কর্মকর্তা, একজন কম্পিউটার অপারেটর এবং আরো সহায়ক জনবল থাকার কথা।’
মন্ত্রী আরও বলেন, দেশে বর্তমানে ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজ রয়েছে। এসব মেডিকেল কলেজে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে চাহিদা মেটানো ও সেবার পরিধি আরো বিস্তৃত করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে ৯৫টি ‘ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেল’ রয়েছে, এর মধ্যে ৩০টি জেলা সদরে এবং ৬৫টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চালু আছে। ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের মাধ্যমে এ পর্যন্ত ৮১ হাজার ৯২৮ জনকে সেবা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে শারীরিক নির্যাতনের শিকার ৪৯ হাজার ৭৬৭ জন, যৌন নির্যাতনের শিকার ৩১ হাজার ৫৯৬ জন এবং অগ্নিদগ্ধ ৫৬৫ জন সেবা পেয়েছেন।
‘সরকারের লক্ষ্য হলো পর্যায়ক্রমে ৬৪ জেলা এবং দেশের প্রত্যেক উপজেলায় ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেল বা সেন্টার চালু করা।’
মন্ত্রী বলেন, ‘আগে এই কার্যক্রম ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেল নামে ছিল, পরে ‘মাল্টি-সেক্টরাল অ্যাপ্রোচ’ হিসেবে পরিচালিত হয়েছে। এখন নতুনভাবে ‘কুইক রেসপন্স টিম’ বা কিউআরটি কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে, যাতে ঘটনা ঘটার পর দ্রুত ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের পাশে দাঁড়ানো যায় এবং সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা যায়।’
নিপুণ রায় বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে জাতীয় হেল্পলাইন ১০৯ সম্পর্কে সচেতনতা এখনো কম। জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ২২ দশমিক ৩ শতাংশ নারী ১০৯ হেল্পলাইনের কথা জানেন এবং অনেক নারী কোথায় অভিযোগ জানাতে হবে, সেটিও জানেন না।
এই সচেতনতার ঘাটতি দূর করতে মন্ত্রণালয় কী পদক্ষেপ নেবে এবং মাঠ পর্যায়ে ১০৯ ও ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার সম্পর্কে তথ্য পৌঁছে দিতে সময়সীমাভিত্তিক কোনো পরিকল্পনা আছে কি না, জানতে চান নিপুণ রায়।
জবাবে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, “নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা একটি সামাজিক ব্যাধি। এ বিষয়ে জনসচেতনতা বা গণআন্দোলন তৈরি করতে সরকার কাজ করছে।
‘শুধু একটি মন্ত্রণালয়ের পক্ষে এ ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। সরকারি দল, বিরোধী দল, সংসদ বাইরের রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তি, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসার শিক্ষকসহ সবাইকে নিয়ে সচেতনতামূলক কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে। কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে শুরু করে ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ড পর্যন্ত কিশোর-কিশোরী ক্লাবের অংশগ্রহণে সচেতনতা কার্যক্রম নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।’
১০৯ হেল্পলাইনের কর্মীদের বেতন না পাওয়ার বিষয়টিও সংসদে তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘কল সেন্টারের নম্বর হচ্ছে ১০৯। সেখানে সবাই কাজ করছে, কিন্তু তারা বছরের পর বছর বেতন পাচ্ছে না। এবার উদ্যোগ নিয়েছি, থোক বরাদ্দ দিয়ে তাদের বেতন চালু করার জন্য।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মো. মিন্টু মিয়া দীর্ঘদিন ধরে ব্রাজিল দলের সমর্থক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তবে এবার তিনি দল পরিবর্তন করে সৌদি আরব জাতীয় ফুটবল দলকে সমর্থন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই পরিবর্তনের ক্ষেত্রেই তিনি দুধ দিয়ে গোসল করেছেন।
মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে আখাউড়ার পবিত্র মাজার খড়মপুর হজরত শাহ পীর সৈয়দ আহম্মদ গেছুদারাছ কেল্লা শাহ (রহ.) মাজার প্রাঙ্গণে প্রকাশ্যে একটি সেভেন আপের বোতলে দুধ ভরে সৌদি আরবের সমর্থকেরা তাকে দুধ দিয়ে গোসল করিয়ে সৌদি আরব দলে নিয়ে আসেন।
এই সময় মিন্টু মিয়া নিজেকে পবিত্র বলে ঘোষণা করে ব্রাজিল দল ত্যাগ করেন। গোসলের শেষে তার সতীর্থরা সৌদি আরব জাতীয় দলের জার্সি পরিয়ে স্থানীয়দের নিয়ে সৌদি আরবের পক্ষে একটি আনন্দ মিছিল করেন।
সৌদি আরবের সমর্থক মিন্টুর বন্ধুরা জানিয়েছেন, তারা স্থানীয় বাজার থেকে প্রতি লিটার খাটি গরুর দুধ ৮০ টাকা দরে দুই লিটার দুধ সেভেন আপের বোতলে ভরে সবার সামনে মিন্টুর মাথায় ঢেলে তাকে গোসল করিয়েছেন। এই ঘটনায় এলাকার সবাই হাসির মুখরিত হয়ে ওঠেন। অনেকে এই ঘটনাকে পাগলামি বলে আখ্যায়িত করেন।
দল পরিবর্তনের বিষয়ে জানতে চাইলে সৌদি আরবের নতুন সমর্থক মো. মিন্টু মিয়া জানান, ‘ব্রাজিল নিঃসন্দেহে ফুটবল বিশ্বে একটি জনপ্রিয় ও পরাশক্তি দল। তবে তারা একটি অমুসলিম দেশ এবং তারা বিশ্বে মুসলিম হত্যায় জড়িত বলে আমি মনে করি। তাই বিবেকের তাড়নায় আমি ব্রাজিলের সমর্থন থেকে চিরতরে সরে এসেছি। এখন থেকে আমি আজীবন সৌদি আরবের ফুটবল দলকে সমর্থন জানাব।’ নতুন সমর্থনের ঘোষণা আরও জোরালো করতে তিনি বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে ৫০০ ফুট দৈর্ঘ্য সৌদি আরবের পতাকা প্রদর্শনের পরিকল্পনার কথাও জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশে ইসলামি মূল্যবোধ সংরক্ষণ, মুসলমানদের ধর্মীয় অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং ইসলামবিরোধী কর্মকাণ্ড বন্ধ করার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মুহিউদ্দীন রাব্বানী ১১ দফা দাবি জানিয়েছেন।
বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, “বাংলাদেশ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ। এই দেশের মানুষের ঈমান, আকীদা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষা করা রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব। দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে সরকারকে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।”
বিবৃতিতে তিনি দাবি করেন যে, দেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষা, এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার স্বার্থে মুসলিম জনগোষ্ঠীর ঈমান ও আকিদা সংরক্ষণের জন্য সরকারের কাছে বিভিন্ন দাবি উপস্থাপন করা হয়েছে।
সংগঠনটির উত্থাপিত দাবিগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে— আহমদিয়া মুসলিম জামাতকে রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণা করা, কাদিয়ানী সম্প্রদায়ের প্রচার-প্রকাশনা বন্ধ করা, হিযবুত তাওহীদসহ 'ভ্রান্ত' সংগঠন এবং ইসকনসহ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত সংগঠনগুলোর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার দাবি।
এছাড়া ইসলাম ধর্ম, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এবং কুরআন-সুন্নাহ অবমাননার অভিযোগে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান প্রণয়ন, ইসলামবিরোধী প্রচারণা বন্ধ করা, ইসলামি মূল্যবোধবিরোধী সংস্কৃতির বিস্তার রোধ করা, ইসলামি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা, কুরআন-সুন্নাহবিরোধী আইন বাতিল করা, ভাস্কর্য নির্মাণ বন্ধ করা, মসজিদ-মাদরাসার নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং ওয়াজ মাহফিলে প্রশাসনিক বাধা অপসারণের দাবিও জানান তিনি।
বিবৃতিতে নাটক, সিনেমা এবং গণমাধ্যমে দাড়ি-টুপি, হিজাব কিংবা ধর্মীয় পোশাককে নেতিবাচক বা ব্যঙ্গাত্মকভাবে উপস্থাপনের বিরোধিতা করা হয়েছে। একই সাথে পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ধর্মান্তকরণ কার্যক্রমের অভিযোগ তুলে সংশ্লিষ্ট এনজিও ও খ্রিস্টান মিশনারিদের কর্মকাণ্ড তদন্ত ও বন্ধ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
মাওলানা মুহিউদ্দীন রাব্বানী বলেন, “এসব দাবি দেশের কোটি কোটি মুসলমানের হৃদয়ের দাবি।” তিনি আরও জানান, সরকার যদি এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করে, তাহলে দেশের উলামায়ে কেরাম ও ধর্মপ্রাণ জনগণ আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে।
তবে বিবৃতিতে উত্থাপিত বিভিন্ন অভিযোগ, দাবি এবং সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর বিষয়ে কোনো স্বাধীন যাচাই বা সরকারি প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর কিংবা অভিযুক্ত সংগঠনগুলোর বক্তব্যও তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লেবানন ও সিরিয়ায় ইসরাইলের সামরিক হামলা ও আগ্রাসনের নিন্দা জানানোর পর ইসরাইলের যুদ্ধবাজ প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের ব্যাপক সমালোচনা করেছেন। তিনি তুর্কি প্রেসিডেন্টের বক্তব্যের জবাবে তাকে ‘ইহুদিবিদ্বেষী স্বৈরশাসক’ আখ্যা দিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানান।
বুধবার (১০ জুন) তুরস্কের প্রেসিডেন্ট বলেন, সিরিয়া ও লেবাননে ইসরাইলের হামলা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে তা এখন তুরস্কের জন্যও হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি আরও মন্তব্য করেন, ইসরাইলের ‘আগ্রাসন’ পুরো বিশ্বের জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি করছে এবং এটি অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।
এরদোয়ানের এই বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা পরই নেতানিয়াহু কড়া প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি হিব্রু ভাষায় এক বিবৃতিতে বলেন, ‘ইহুদিবিদ্বেষী স্বৈরশাসক এরদোয়ান, কুর্দিদের বিরুদ্ধে গণহত্যা চালাচ্ছেন, হামাসকে সমর্থন করছেন, নিজ দেশের জনগণকে দমন করছেন এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের কারাগারে বন্দি করছেন—তিনি ইসরাইলকে নৈতিকতার পাঠ দেয়ার শেষ ব্যক্তি।’
এছাড়া তিনি আরও বলেন, ‘ইসরাইল এবং বিশ্বের সবচেয়ে নৈতিক সেনাবাহিনী আইডিএফ ইরান ও তার মিত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে দৃঢ় পদক্ষেপ নিতে থাকবে। এসব গোষ্ঠী মধ্যপ্রাচ্য ও পুরো বিশ্বের জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে।’
দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও পশ্চিমা দেশের অভিযোগ অনুযায়ী, তুরস্কের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক বিরোধীদের দমনের অভিযোগ উঠে আসছে। এছাড়া, তুরস্কের কুর্দি গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে দেশটির সামরিক অভিযানের বিষয়েও সমালোচনা রয়েছে। তবে আঙ্কারা এসব অভিযোগ, বিশেষ করে গণহত্যার অভিযোগ, বরাবরই অস্বীকার করে এসেছে।
ইসরাইল এর আগে এরদোয়ানের বিরুদ্ধে হামাসকে সমর্থনের অভিযোগ করেছে। বলা হচ্ছে, হামাসের বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা তুরস্কে অবস্থান করছেন।
এরদোয়ান অতীতে হামাস সদস্যদের ‘স্বাধীনতা সংগ্রামী’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি ইসরাইলের সমালোচনা করতে গিয়ে দেশটিকে নাৎসি জার্মানির সঙ্গে তুলনা করেছেন এবং নেতানিয়াহুকে অ্যাডলফ হিটলারের সঙ্গে তুলনা করার কথাও বলেছেন।
তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইসরাইল
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ