ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

উত্তরায় কিশোর গ্যাংয়ের মূলহোতা পিচ্চি সানি গ্রেপ্তার


উত্তরায় কিশোর গ্যাংয়ের মূলহোতা পিচ্চি সানি গ্রেপ্তার

রাজধানীর উত্তরায় আলোচিত ‘দে লাড়া’ কিশোর গ্যাংয়ের মূলহোতা সাকিব হাসান সানি, যিনি পিচ্চি সানি নামেও পরিচিত, তাকে (২৩) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে মাদক কারবার, নারী ও শিশু নির্যাতনসহ বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগে রাজধানীর একাধিক থানায় অন্তত সাতটি মামলা রয়েছে।

বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উত্তরা পশ্চিম থানাধীন ৭ নম্বর সেক্টরের বিএনএস সেন্টার এলাকা থেকে সানিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এদিকে, পিচ্চি সানির সর্বশেষ গ্রেপ্তারের বিষয়ে জানতে চাইলে উত্তরা পশ্চিম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খালিদ মনসুর জানান, কিশোর গ্যাং নেতা পিচ্চি সানিকে বুধবার রাতে উত্তরার বিএনএস সেন্টার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সানি একই সাথে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাও ছিলেন।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের লড়াই বদলে দিচ্ছে সুপ্রিম কোর্ট

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার পিচ্চি সানি ঢাকা মহানগর উত্তরের উত্তরা পূর্ব থানা ছাত্রলীগের সাবেক সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক। এর আগে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার অভিযোগে অস্ত্রসহ তাকে গ্রেপ্তার করেছিল র‌্যাব-১।

পিচ্চি সানি স্থানীয়ভাবে আলোচিত ‘দে লাড়া’ গ্রুপের বিরুদ্ধে মাদক কারবার, চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন ধরে জড়িত। উত্তরার বিভিন্ন সেক্টর ছাড়াও উত্তরখান, দক্ষিণখান ও টঙ্গীর বিভিন্ন এলাকায় গ্রুপটির তৎপরতা রয়েছে। বিশেষ করে উত্তরা ৮ নম্বর সেক্টর থেকে টঙ্গী রেলস্টেশন পর্যন্ত রেলপথ সংলগ্ন এলাকায় মাদক কেনাবেচার সঙ্গে গ্রুপটির সম্পৃক্ততার প্রমাণ একাধিক গণমাধ্যমের রিপোর্টে উঠে আসে।

পুলিশ সূত্র আরও জানায়, চলতি বছরের ৩০ আগস্ট চার সহযোগীসহ উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয় সানি। ওই সময় সানির কাছ থেকে নগদ ১০ লাখ টাকা ও একটি হোন্ডা সিভিক গাড়ি উদ্ধার করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নথি অনুযায়ী, পিচ্চি সানির বিরুদ্ধে দক্ষিণখান থানায় চারটি, উত্তরা পূর্ব থানায় একটি এবং উত্তরা পশ্চিম থানায় দুটি মামলার তথ্য রয়েছে।

আরও পড়ুন: নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে আইন প্রয়োগের দাবি জানালো নিসচার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্ত্রী পবিত্র আমানত, মাদক ও বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি : রাশেদ খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৩ পি.এম


স্ত্রী পবিত্র আমানত, মাদক ও বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি : রাশেদ খান

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান স্ত্রীকে আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে আসা একটি বিশেষ ও পবিত্র আমানত হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, "আল্লাহ পাকের পক্ষ থেকে তিনি সহধর্মিনী হিসেবে এসেছেন। তাই স্ত্রীকে যথাযথ মর্যাদা দিতে হবে, তাকে কোনোভাবেই পেটানো বা নির্যাতন করা যাবে না।"

তিনি এসব কথা বলেন ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার জামাল ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে বৃহস্পতিবার বিকালে আয়োজিত মাদক ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ বিষয়ক এক সচেতনতামূলক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে।

রাশেদ খান সামাজিক মূল্যবোধ ও পারিবারিক শান্তির ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধে মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি। স্ত্রীকে হীন চোখে না দেখে ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার মাধ্যমে একটি আদর্শ পরিবার ও সমাজ গঠন করতে হবে।

তিনি মাদক ও বাল্যবিবাহের ভয়াবহতা তুলে ধরে আরও বলেন, "মাদক মানুষকে ধ্বংস করে দেয়। এর ভয়াবহতা রোধ করতে না পারলে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে আমাদের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।"

এ সময় জামাল ইউনিয়নে সব ধরনের মাদকের কেনাবেচা ও সেবন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে তিনি তীব্র হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, "আজ থেকে এই ইউনিয়নে মাদক ব্যবসা ও সেবন পুরোপুরি বন্ধ। এরপরও যদি কেউ মাদকের সাথে কোনোভাবে সংশ্লিষ্ট থাকে, তবে তার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে এবং কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রেজওয়ানা নাহিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ জুলফিকার আলী, স্থানীয় বিএনপি নেতা আব্দুল হামিদসহ অন্যান্য সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ। বক্তারা সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে বাল্যবিবাহ ও মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শায়খ আহমাদুল্লাহর প্রশ্ন, ‘তুই এত ধর্ম মানিস, বল তো আমি কি জাহান্নামে যাব?’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৫ পি.এম


শায়খ আহমাদুল্লাহর প্রশ্ন, ‘তুই এত ধর্ম মানিস, বল তো আমি কি জাহান্নামে যাব?’

দৈনন্দিন জীবনে অনেক অভিজ্ঞতা আমাদের গভীর চিন্তায় ফেলে। বিশেষ করে ক্যাম্পাস বা কর্মক্ষেত্রে কিছু বন্ধু থাকে, যারা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন না বা দ্বীনের বিধান মেনে চলেন না, কিন্তু তাদের আচরণ ও নৈতিকতা অসাধারণ। তারা সৎ, সত্যবাদী এবং পরোপকারী। যখন এমন বন্ধু সরাসরি প্রশ্ন করে— ‘তুই এত ধর্ম মানিস, বল তো আমি কি জাহান্নামে যাব?’ তখন একটি কঠিন ধর্মসংকট তৈরি হয়। একদিকে সত্যের শিক্ষা, অন্যদিকে স্নেহের সম্পর্ক। সত্য বলতে হবে, আবার বন্ধুত্ব বজায় রেখে ভালোবাসার মাধ্যমে তাকে ইসলামের সুন্দর আদর্শের দিকে আহ্বান করতে হবে। সম্প্রতি এক ইসলামি আলোচনা অনুষ্ঠানে জনপ্রিয় ইসলামি ব্যক্তিত্ব শায়খ আহমাদুল্লাহ এই জটিল ও স্পর্শকাতর প্রশ্নের এক অপূর্ব প্রজ্ঞাপূর্ণ ও যুগোপযোগী সমাধান দিয়েছেন। আলোচনাটি শায়খ আহমাদুল্লাহর অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেল থেকে তুলে ধরা হলো—

১. ভালো গুণের অকপট স্বীকৃতি: ইসলামের উদার শিক্ষা

কোনো ব্যক্তি দ্বীন পালনে পিছিয়ে থাকলেও বা বেনামাজি হলেও তার মধ্যে সত্যবাদিতা, আমানতদারি ও পরোপকারের মতো মানবিক গুণগুলোর প্রশংসা করার উদারতা আমাদের থাকা উচিত। ইসলাম আমাদের এই ইনসাফ ও সৎসাহস শেখায়। ভালোকে ভালো বলা এবং সত্যের স্বীকৃতি দেওয়া একজন মুমিনের ইমানি দায়িত্ব। ইসলাম পুরোপুরি অনুশীলন না করলেই তার সব ভালো গুণকে অস্বীকার করা বা তার সঙ্গে অশোভন আচরণ করা দ্বীনের শিক্ষা হতে পারে না।

২. প্রশংসার মধ্য দিয়ে দাওয়াতের পথ উন্মোচন

কাউকে শুধুমাত্র ধমক বা জাহান্নামের ভয় দেখিয়ে দ্বীনের পথে আনা যায় না; বরং তার ভেতরে থাকা ভালো কাজগুলোর স্বীকৃতি দিলে দাওয়াতের পথ সুগম হয়। এমন বন্ধুকে প্রজ্ঞার সঙ্গে বলা যায়— আজকের যুগে শুধু শারীরিক ইবাদত করার চেয়ে ভালো আচরণের অধিকারী হওয়া, লেনদেনে সততা বজায় রাখা এবং খাঁটি মানুষ হওয়া অনেক বেশি কঠিন। সে ক্ষেত্রে তোমার মধ্যে এই বিরল গুণগুলো ইতোমধ্যে বিদ্যমান! জান্নাতে যাওয়ার পথ তো তোমার অনেকটাই এগিয়ে আছে, তবে সামান্য এক নামাজ ও খোদাভীতির অভাবে কেন তুমি পিছিয়ে থাকবে? এভাবে ভালোবাসার সঙ্গে ইতিবাচক উৎসাহ দিলে তার অন্তরে অনুশোচনা ও নামাজের আগ্রহ জাগতে পারে।

৩. জান্নাত-জাহান্নামের চূড়ান্ত ফয়সালা পরম করুণাময়ের হাতে

নিয়মিত নামাজ-রোজা পালনকারীরা কি নিশ্চিত যে তারা জান্নাতে যাবেন? শেষ বিচারে কে জান্নাতে যাবে আর কে জাহান্নামে যাবে, তা দুনিয়াতে বসে নিশ্চিত করে বলা কারও পক্ষেই সম্ভব নয়। নামাজ পড়ার পাশাপাশি কেউ যদি প্রতারণা, মিথ্যাচার, মানুষের হক নষ্ট করা কিংবা অবৈধ উপার্জনে লিপ্ত থাকে, তবে শুধু নামমাত্র নামাজ তাকে জান্নাতের নিশ্চয়তা দেয় না। আবার কোনো মানুষ জীবনের একপর্যায়ে বেনামাজি থাকলেও শেষ মুহূর্তে আন্তরিক তওবা করে আল্লাহর চরম প্রিয় বান্দা হয়ে জান্নাতের অধিকারী হতে পারে। তাই কাউকে সরাসরি জাহান্নামি হিসেবে দাগিয়ে দেওয়া কোনো মুমিনের কাজ নয়।

৪. সামাজিক আচরণের সৌন্দর্য ও আদর্শের স্বচ্ছতা

আল্লাহর জন্য ভালোবাসা এবং আল্লাহর জন্যই অপ্রিয় ভাবার ইমানি মূলনীতি তার জায়গায় পুরোপুরি অটুট থাকবে। কিন্তু এর মানে এই নয় যে, আমরা অমুসলিম বা পাপী মানুষের সঙ্গে সামাজিক সৌহার্দ্য ও সৌজন্য বজায় রাখব না। সামাজিক আচরণের সৌন্দর্য একজন মুমিনের অন্যতম বড় হাতিয়ার। আমাদের আদর্শ ও বিশ্বাসের জায়গা পরিষ্কার রেখে যখন আমরা আচরণের মাধ্যমে ইসলামের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলব, তখনই মানুষ ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে আসার অনুপ্রেরণা পাবে।

৫. কুরআন ও হাদিসের আলোকে ইনসাফ ও শুভ পরিণাম

ইসলাম মানুষের সৎ গুণের মূল্যায়ন এবং পরিণামের অনিশ্চয়তার বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা অমুসলিমদের আমানতদারির মতো ভালো গুণেরও ইনসাফপূর্ণ স্বীকৃতি দিয়েছেন, যা থেকে আমাদের শিক্ষা নেওয়া উচিত—

وَمِنْ أَهْلِ الْكِتَابِ مَنْ إِن تَأْمَنْهُ بِقِنطَارٍ يُؤَدِّهِ إِلَيْكَ

‘আহলে কিতাবদের (ইহুদি ও খ্রিস্টান) মধ্যে এমন লোকও রয়েছে, যার কাছে তুমি বিপুল ধন-সম্পদ আমানত রাখলেও সে তা তোমার কাছে অবিকল ফেরত দেবে।’ (সুরা আল-ইমরান: আয়াত ৭৫)

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর পবিত্র হাদিস

মানুষের জীবনের শেষ পরিণাম যে একমাত্র আল্লাহর হাতে এবং বাহ্যিক আমল দেখে কাউকে চূড়ান্ত বিচার করা যে অনুচিত, সে বিষয়ে হজরত আবু হুরায়রা (রা.)-এর বর্ণনায় রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন—

إِنَّ الرَّجُلَ لَيَعْمَلُ الزَّمَنَ الطَّوِيلَ بِعَمَلِ أَهْلِ الْجَنَّةِ، ثُمَّ يُخْتَمُ لَهُ عَمَلُهُ بِعَمَلِ أَهْلِ النَّارِ، وَإِنَّ الرَّجُلَ لَيَعْمَلُ الزَّمَنَ الطَّوِيلَ بِعَمَلِ أَهْلِ النَّارِ، ثُمَّ يُخْتَمُ لَهُ عَمَلُهُ بِعَمَلِ أَهْلِ الْجَنَّةِ

‘কোনো ব্যক্তি দীর্ঘকাল জান্নাতিদের মতো আমল করতে থাকে, অতঃপর তার জীবনের সমাপ্তি ঘটে জাহান্নামিদের আমল দিয়ে। আবার কোনো ব্যক্তি দীর্ঘকাল জাহান্নামিদের মতো কাজ করে, অতঃপর তার জীবনের সমাপ্তি ঘটে জান্নাতিদের আমল দিয়ে (এবং সে জান্নাতে প্রবেশ করে)।’ (মুসলিম ২৬৫১)

দ্বীন ইসলাম কোনো কঠোরতা বা অহংকারের নাম নয়, বরং তা পরম প্রজ্ঞা, বিনয় ও ইনসাফের এক অমলিন প্রকাশ। আমাদের বেনামাজি বা দ্বীনহীন বন্ধুদের প্রতি ঘৃণা না ছড়িয়ে তাদের ভালো দিকগুলোর মূল্য দেওয়া উচিত। একই সঙ্গে নিজেদের ইবাদত নিয়ে অহংকার না করে বিনয়ী হওয়া দরকার। আমাদের সুন্দর আচরণ, দরদি মন ও হেকমতপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে আমরা যেন বন্ধুত্বের সম্পর্কের ফাঁক গলে তাদের অন্তরে ইমান ও নামাজের আলো জ্বালিয়ে দিতে পারি। কারণ প্রজ্ঞাপূর্ণ আচরণ ও আন্তরিক ভালোবাসাই মানুষকে মহান আল্লাহর দরবারে ফিরিয়ে আনার সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রী বাগেরহাট ও খুলনা সফর শেষে ঢাকায় ফিরেছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৩ পি.এম


প্রধানমন্ত্রী বাগেরহাট ও খুলনা সফর শেষে ঢাকায় ফিরেছেন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাগেরহাট ও খুলনা সফর শেষ করে ঢাকায় ফিরেছেন, যা প্রায় আট ঘণ্টা স্থায়ী ছিল। এই দিনব্যাপী সফরে তিনি মোংলা বন্দর সম্প্রসারণ এবং প্রস্তাবিত বেজা ইকোনমিক জোনসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেন। সফরের সময় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জন্য বেশ কিছু নির্দেশনা প্রদান করেন।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারে ঢাকা থেকে খুলনার দাকোপে যান। সেখান থেকে তিনি নৌপথে মোংলা জেটিতে পৌঁছান। মোংলায় পৌঁছানোর পর তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং প্রস্তাবিত বেজা ইকোনমিক জোন ঘুরে দেখেন। সুন্দরবনের আকরাম পয়েন্ট এলাকায় প্রস্তাবিত এলএনজি টার্মিনাল এলাকা হেলিকপ্টার থেকে পরিদর্শন করার কথাও জানা গেছে।

দুপুরে মোংলা নৌঘাঁটিতে পৌঁছানোর পর মধ্যাহ্নবিরতি শেষে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন। বিকেলে তিনি মোংলা বন্দরের জেটি ও সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এরপর তিনি বেজার প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘুরে দেখেন। সফর শেষে সরকারপ্রধান ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।

প্রধানমন্ত্রীর এই সফর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের মধ্যে নতুন প্রত্যাশা সৃষ্টি করেছে। তাদের মতে, মোংলা বন্দরের অবকাঠামো উন্নয়ন, নিয়মিত ড্রেজিং এবং সড়ক ও রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা মোংলা বন্দরকেন্দ্রিক শিল্পাঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি পণ্য পরিবহনের ব্যয় কমানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তাদের প্রত্যাশা, এসব সমস্যার সমাধান হলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মোংলা বন্দরকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বাণিজ্য ও শিল্প কার্যক্রম সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটনের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর ক্ষেত্রেও নতুন উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত: নাছির উদ্দীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৩ পি.এম


দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত: নাছির উদ্দীন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির মন্তব্য করেছেন যে, ফ্যাসিস্ট শাসনামলসহ সাম্প্রতিক বছরগুলোর তুলনায় এবারের শারদীয় দুর্গাপূজা সারা দেশে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসবটি কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ছাড়াই নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হওয়া নির্বাচিত বিএনপি সরকারের একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি এই মন্তব্যটি করেন।

নাছির উদ্দীন নাছিরের পোস্টটি হুবহু দেয়া হলো-

"ফ্যাসিস্ট শাসনামলসহ সাম্প্রতিক বছরগুলোর তুলনায় এ বছর সারা দেশে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপিত হয়েছে। কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ছাড়াই হিন্দু সম্প্রদায়ের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হওয়া নির্বাচিত বিএনপি সরকারের একটি উল্লেখযোগ্য বড় সাফল্য।"

এই সাফল্যের পেছনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বলিষ্ঠ ও দূরদর্শী নেতৃত্ব রয়েছে। তিনি ঢাকা ও ঢাকার বাইরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ সরেজমিনে পরিদর্শন করে ধর্মীয় সম্প্রীতি, সহাবস্থান ও সকল সম্প্রদায়ের নিরাপত্তার প্রতি তার অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটিয়েছেন।

এছাড়া, উৎসবের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরলস দায়িত্ব পালন ও সতর্ক নজরদারি প্রশংসার দাবি রাখে।

দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রাপ্ত তথ্য এবং নোয়াখালীর সদর ও সুবর্ণচরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা থেকে আমার পর্যবেক্ষণ হলো, এবারের দুর্গাপূজা শান্তি, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

"ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা ও মর্যাদা সবার। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকুক। সকল ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও মর্যাদা নিশ্চিত করার মধ্য দিয়েই গড়ে উঠুক একটি গণতান্ত্রিক, মানবিক ও সম্প্রীতিময় বাংলাদেশ। সবার আগে বাংলাদেশ।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%