ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘তৃণমূলের দায়িত্বশীলদের যোগ্য হতে হবে’: গোলাম পরওয়ার


‘তৃণমূলের দায়িত্বশীলদের যোগ্য হতে হবে’: গোলাম পরওয়ার

তৃণমূলের দায়িত্বশীলদের যোগ্যতা অপরিহার্য: গোলাম পরওয়ার

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার মন্তব্য করেছেন যে, সংগঠন পরিচালনার ক্ষেত্রে অন্তর্মুখী এবং বহির্মুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য তৃণমূলের দায়িত্বশীলদের যোগ্য হতে হবে। তিনি বলেন, আদর্শ আচরণের মাধ্যমে নেতৃত্বের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। তরুণ প্রজন্মকে সংগঠন ও নেতৃত্বে সম্পৃক্ত করার জন্য কার্যকর সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের উদ্যোগে ২৫, ২৬ ও ২৭ আগস্ট তিন দিনব্যাপী রংপুর বড় আলিয়া মাদ্রাসায় আয়োজিত উপজেলা/থানা দায়িত্বশীল শিক্ষাশিবিরে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: দেশে ধারাবাহিকভাবে বেড়েই চলেছে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা

রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চল পরিচালক ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শিক্ষাশিবিরে বিশেষ অতিথি হিসেবে আলোচনা উপস্থাপন করেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মা’ছুম। বিষয়ভিত্তিক আলোচনা করেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সহকারী অঞ্চল পরিচালক অধ্যক্ষ মাওলানা মমতাজ উদ্দিন, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও অঞ্চল টিম সদস্য অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বেলাল এমপি এবং কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলোয়ার হোসেন।

মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও উল্লেখ করেন, দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নিজেদের জ্ঞান ও প্রজ্ঞায় সমৃদ্ধ করা প্রয়োজন। পরিবার গঠনে নজর দিতে হবে, যাতে স্ত্রী-সন্তানরা ইসলামী আন্দোলনের জন্য গড়ে ওঠে এবং নিজেদের ইসলামী আন্দোলনের সহায়ক হিসেবে কাজে লাগাতে পারে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়নসহ স্থানীয় নির্বাচনের সকল স্তরে অংশগ্রহণের জন্য প্রার্থী নির্বাচন করতে হবে এবং জনগণের সাথে সম্পর্ক উন্নত করতে হবে।

বিগত নির্বাচনে রংপুরের জনগণ জামায়াত প্রার্থীদের নির্বাচিত করে সংগঠনের প্রতি যে আস্থা স্থাপন করেছেন, তার মর্যাদা রক্ষার জন্য এমপিদের কাজ ও জনগণের সেবার মাধ্যমে সমন্বিত ভূমিকা পালন করতে হবে দায়িত্বশীলদের। সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ও ত্যাগ-তিতিক্ষার উপর গুরুত্বারোপ করে সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, নৈতিক স্খলন ও দুর্বলতা থেকে রক্ষা করতে সংগঠনের জনশক্তির মানোন্নয়ন করতে হবে। ফ্যাসিস্ট আমলে মজলুম ও শহীদ নেতাকর্মীদের আত্মত্যাগ ও দুঃখকষ্টের মূল্যায়ন করে নিজেদের ত্যাগ-কুরবানির ক্ষেত্রে মডেল বানাতে হবে।

আরও পড়ুন: প্রতিবন্ধীদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী

সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন, কর্মী পরিচালনা এবং জনগণের সাথে সামগ্রিক কাজের ক্ষেত্রে আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জনকে সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।

রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চল টিম সদস্য ফকিহ আবদুল হাকিমের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত শিক্ষাশিবিরে গ্রুপভিত্তিক আলোচনা ও পরিচালনায় অংশগ্রহণ করেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য এবং মহানগর আমির মাওলানা এটিএম আজম খান, অঞ্চল টিম সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম, রংপুর জেলা আমির অধ্যাপক গোলাম রব্বানী এমপি, সাবেক কুড়িগ্রাম জেলা আমির মাওলানা আবদুল মতিন ফারুকী, লালমনিরহাট জেলার সাবেক আমির এডভোকেট আবদুল বাতেন, প্রভাষক আতাউর রহমান, রংপুর মহানগর সেক্রেটারি কেএম আনোয়ারুল হক কাজল ও রংপুর জেলা সেক্রেটারি মাওলানা এনামুল হক প্রমুখ।

সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়

আজ দুপুরে রংপুর মহানগর কার্যালয়ে মহানগর আমির এটিএম আজম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, জনদুর্ভোগ ও আইনশৃঙ্খলার অবনতি, দলীয়করণ ছাড়াও বড় সংকট হলো চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য গণভোটে যে গণরায় জনগণ দিয়েছে, তা ক্ষমতাসীন সরকার মেনে নেয়নি। গণভোট ও সংবিধান সংস্কার পরিষদ সংবিধানে নেই- এমন সব আজব আজব কথা বলছেন তারা। অথচ আমরা কর্তৃত্ববাদী সরকার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি।

আরও পড়ুন: ইসরাইলে নির্বাচন: ৮৫ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, চূড়ান্ত ফলাফল দুই দিনে আসবে

তিনি বলেন, সরকারি চাকরিতে সব দলের লোকেরা চাকরি করবে। নিয়োগ বিধি আছে। রাজনৈতিক পদে থেকে সরকারি পদে নিয়োগ দেয়া যায় না। স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। দেশে কেবল নির্বাচিত সরকার না থাকলে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বিভিন্ন পদে প্রশাসক নিয়োগ দেয়ার সুযোগ আছে। সংবিধান অনুযায়ী কেবল স্থানীয় সরকারে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা দায়িত্ব পালন করবেন। কিন্তু সরকারি প্রশাসককে সরিয়ে দলীয় প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে বিএনপি সরকার। সরকারের এ সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে যে, সবার আগে বাংলাদেশ নয়, বরং সবার আগে বিএনপি।

ইতিহাসেরবই পড়া

গোলাম পরওয়ার বলেন, নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিং করে হারিয়ে দেয়াকে আমরা মেনে নিয়েছি। কিন্তু সরকারের পরাজিত প্রার্থীদের প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে তারা নির্বাচিত এমপিদের কাজের ক্ষেত্রে বৈষম্যের সৃষ্টি করছেন। সংরক্ষিত নারী এমপিদের নির্বাচিত বিরোধীদলীয় এমপিদের এলাকায় অসাংবিধানিকভাবে তদারকির দায়িত্ব দিয়েছে।

সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, বিএনপি গণভোটে রায় দেয়া পাঁচ কোটি মানুষের সাথে দ্বিচারিতা করছে। বিএনপি হ্যাঁ-তে ভোট চেয়ে এখন অস্বীকার করছে। এজন্য বিএনপি গণভোটে হ্যাঁ-তে ভোট দেয়নি- তা সংসদে স্পষ্ট করার আহ্বান জানান মিয়া গোলাম পরওয়ার।

আরও পড়ুন: ইসরায়েলে রাজনৈতিক অচলাবস্থা: সরকার গঠনের তিন সম্ভাব্য পথ

তিনি বলেন, বিএনপির প্রস্তাবে গণভোট হয়েছে, হ্যাঁ-তে তারা ভোট চেয়েছে, ভোটের পরে ক্ষমতায় এসে বলছে এগুলো সংবিধান বিরোধী। মানুষকে বিভ্রান্ত করার ও শুভঙ্করের ফাঁকি মানুষ বোঝে। জনগণকে দেয়া প্রতিশ্রুতি সরকার ভুলে গেছে। আমরা চাই, সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হোক এবং জনগণের প্রতি দেয়া ওয়াদা তারা পালন করুক। দেশে কোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি না হোক এবং সংসদে জুলাই সনদসহ সব বিষয়ে আলোচনা হোক। আমাদের রাজপথে ঠেলে দিলে গণভোটে হ্যাঁ-এর পক্ষে রায় দেয়া প্রায় ৭০ ভাগ মানুষকে চলা ছাড়া আর কোনো পথ থাকবে না, হুঁশিয়ার করেন গোলাম পরওয়ার।

গোলাম পরওয়ার বলেন, জনমতকে জুলাই সনদের অনুকূল রাখা এবং যে জুলাই সনদের ভিত্তিতে যে গণভোট হয়েছে, সেই গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ছয়মাস ধরে ১১ দল সংসদে ভূমিকা রেখেছে ও রাজপথে নিয়মতান্ত্রিক ও গঠনমূলক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। জেলা, মহানগর, উপজেলা পর্যায়ে দফায় দফায় মিছিল, বিক্ষোভ ও মহাসমাবেশ করেছে ১১ দল। আন্দোলনের তৃতীয় পর্ব শেষে চতুর্থ পর্বে লংমার্চের ঘোষণা দিয়েছে বিরোধীদল। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের প্রথম লংমার্চের যাত্রা শুরু হবে।

ম্যাপরেফারেন্স দেখা

এরপর ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার মানিক মিয়া এভিনিউয়ে বিশাল সমাবেশের মাধ্যমে রংপুর অভিমুখে লংমার্চের যাত্রা শুরু করা হবে। লক্ষ লক্ষ মানুষ লংমার্চে যোগ দেয়ার জন্য অপেক্ষা করছে। সমস্ত অত্যাচারী শাসকের বিরুদ্ধে জেগে ওঠা জনপদ, শহীদ আবু সাঈদের রক্তের স্মৃতি বিজড়িত উত্তরবঙ্গের জনপদ রংপুরের লংমার্চে জনগণকে যোগ দিয়ে সফল করার আহ্বান জানান তিনি।

আরও পড়ুন: নির্বাচনে হারের মুখে আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগ লিকুদ পার্টির

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঈদে মিলাদুন্নবীর মিছিলে ফিলিস্তিনি পতাকা ওড়ানোয় গ্রেপ্তার, ফের বিতর্কে ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:০১ এম


ঈদে মিলাদুন্নবীর মিছিলে ফিলিস্তিনি পতাকা ওড়ানোয় গ্রেপ্তার, ফের বিতর্কে ভারত

> বিশ্ব

> ভারত

ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বুধবার ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার মাধ্যমে ইসলামপ্রিয় মুসলিমদের বিরুদ্ধে প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

কর্ণাটকের কারওয়ার জেলার আঙ্কোলা শহরে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে একটি মিছিলে ফিলিস্তিনি পতাকা উড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। কৃষ্ণাপুরের ভিঠালঘাটের বাসিন্দা মোহাম্মদ রাজা আকবর আলী নামের একজন ব্যক্তি মিছিলে পতাকাটি নিয়ে এসে উড়ান। পুলিশ পতাকা উড়ানোর অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।

ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশ গিরিশ জানিয়েছেন যে আকবর আলীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এদিকে, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। ইসলামপুর জেলায় একটি মিছিলে ফিলিস্তিনি পতাকা উড়ানো হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এক্স-এ একটি পোস্টের মাধ্যমে এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন, যেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন যে ঈদ উদযাপনের সময় রাজ্যজুড়ে পুলিশ দুটি বিদেশি পতাকা জব্দ করেছে। পুলিশ দোষীদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে।

এছাড়া, ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপনের সময় উত্তর প্রদেশের বাদাউনে, মুসলমানদের মিছিল চলাকালে গান গাওয়া এবং অস্ত্র প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে। মিছিলের ভিডিওতে দেখা যায়, কিছু মুসলিম পুরুষ ও একটি মুসলিম শিশু একটি চলন্ত গাড়ির উপরে বসে ছুরি নাড়াচ্ছে এবং গান গাচ্ছে। গানটির কথাগুলো হলো ‘বেগুনাহো পে সিতম ধানে ওয়ালে, তেরি হস্তি না মিতা দু তো ম্যায় মুসলমান নহি’ (যারা নিরীহদের উপর অত্যাচার করে, তাদের নির্মূল না করলে আমি প্রকৃত মুসলমান নই)।

ভারতের আইন অনুযায়ী, ফিলিস্তিনের মতো বন্ধুভাবাপন্ন দেশের পতাকা প্রদর্শনকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করার জন্য কোনো সুনির্দিষ্ট ধারা বা নিষেধাজ্ঞা নেই। নয়াদিল্লিতে ফিলিস্তিনের দূতাবাসও রয়েছে। তথাপি, ফিলিস্তিনের পতাকা উড়ানোর ঘটনায় মুসলিমদের আটক করা এক অর্থে ইসলামবিদ্বেষেরই প্রতিফলন। ভারতে মুসলিমদের ওপর নির্যাতনের ঘটনা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিস ইন্টারকন্টিনেন্টাল বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন নওশিন সুধা ও বুশরা কবির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:১০ এম


মিস ইন্টারকন্টিনেন্টাল বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন নওশিন সুধা ও বুশরা কবির

বাংলাদেশের ফ্যাশন, সৌন্দর্য ও ডিজিটাল মিডিয়া অঙ্গনে নতুন সংযোজন হিসেবে মিস ইন্টারকন্টিনেন্টাল বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত হতে যাচ্ছেন জনপ্রিয় মডেল নওশিন সুধা ও ব্র্যান্ড প্রোমোটার বুশরা কবির। আন্তর্জাতিক এই সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী প্রতিযোগীদের আরও আধুনিক, আত্মবিশ্বাসী ও সময়োপযোগী করে গড়ে তুলতে তাদের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন আয়োজকরা।

নওশিন সুধা স্টাইল আইকন হিসেবে প্রতিযোগীদের ব্যক্তিত্ব, স্টাইল, ফ্যাশন সেন্স ও সামগ্রিক প্রেজেন্টেশন নিয়ে কাজ করবেন। অন্যদিকে, সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার ও ক্রিয়েটর হিসেবে বুশরা কবির প্রতিযোগীদের ডিজিটাল উপস্থিতি, ব্র্যান্ড প্রমোশন, সোশ্যাল মিডিয়া কমিউনিকেশন, কনটেন্ট প্রেজেন্টেশন এবং অনলাইন পার্সোনাল ব্র্যান্ডিং নিয়ে কাজ করবেন।

মিস ইন্টারকন্টিনেন্টাল বাংলাদেশ দেশের তরুণীদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের মেধা, সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব ও সামাজিক সচেতনতা তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। এই আয়োজনের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রতিনিধি আন্তর্জাতিক মিস ইন্টারকন্টিনেন্টাল মঞ্চে বাংলাদেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরার সুযোগ পাবেন।

আয়োজনটির ন্যাশনাল অর্গানাইজার ও রাইটস হোল্ডার হিসেবে রয়েছে ইমেকার্স বাংলাদেশ। দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক শিল্পী ও বড় পরিসরের বিনোদনমূলক আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানটি এবার সৌন্দর্য, ফ্যাশন, মিডিয়া ও আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মকে একসঙ্গে নিয়ে একটি নতুন ধরনের আয়োজনের পরিকল্পনা করছে।

এ প্রসঙ্গে ইমেকার্স বাংলাদেশের কর্পোরেট ডিরেক্টর নূর সিবা বলেন,‘মিস ইন্টারকন্টিনেন্টাল বাংলাদেশকে আমরা শুধু একটি বিউটি প্রেজেন্ট হিসেবে দেখছি না। আমরা চাই, আমাদের প্রতিযোগীরা যেন আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের একজন আত্মবিশ্বাসী, স্মার্ট ও আধুনিক প্রতিনিধি হিসেবে নিজেদের তুলে ধরতে পারে। সেই লক্ষ্যেই আমরা প্রতিটি ক্ষেত্রে দক্ষ ও অভিজ্ঞ মানুষদের যুক্ত করছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘নওশিন সুধার স্টাইল ও ফ্যাশন সম্পর্কে অভিজ্ঞতা এবং বুশরা কবিরের সোশ্যাল মিডিয়া ও ডিজিটাল কমিউনিকেশনের দক্ষতা আমাদের প্রতিযোগীদের জন্য অনেক বড় একটি সংযোজন হবে। আমরা বিশ্বাস করি, তাদের গ্রুমিংয়ের মাধ্যমে প্রতিযোগীদের ব্যক্তিত্ব ও আন্তর্জাতিক প্রেজেন্টেশন আরও শক্তিশালী হবে।’

এদিকে, গত ২৫ আগস্ট ঢাকার রেনেসাঁ ঢাকা হোটেলে ইমেকার্স বাংলাদেশের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন কর্পোরেট ডিরেক্টর নূর সিবা। এই চুক্তির মাধ্যমে মিস ইন্টারকন্টিনেন্টাল বাংলাদেশের সঙ্গে নওশিন সুধা ও বুশরা কবিরের আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

আয়োজকদের প্রত্যাশা, নওশিন সুধা ও বুশরা কবিরের যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে মিস ইন্টারকন্টিনেন্টাল বাংলাদেশের গ্রুমিং ও প্রস্তুতি আরও সমৃদ্ধ হবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব আরও শক্তিশালীভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে।

খুব শিগগিরই জমকালো ‘ক্রাউন রিভিল নাইট’ আয়োজনের মাধ্যমে মিস ইন্টারকন্টিনেন্টাল বাংলাদেশের রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া শুরু হবে। এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের আগ্রহী ও যোগ্য তরুণীদের জন্য আন্তর্জাতিক এই সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ উন্মুক্ত হবে।

ইমেকার্স বাংলাদেশের আয়োজনে মিস ইন্টারকন্টিনেন্টাল বাংলাদেশকে ঘিরে এরই মধ্যে শুরু হয়েছে বিভিন্ন পর্যায়ের প্রস্তুতি। সামনে গ্রুমিং, ফ্যাশন, মিডিয়া, সোশ্যাল মিডিয়া ও আন্তর্জাতিক প্রস্তুতির মাধ্যমে প্রতিযোগীদের একটি পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক মঞ্চের জন্য প্রস্তুত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অটোরিকশার জন্য আলাদা লেন ও চার্জিং স্টেশনসহ ৬ দফা দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:১৮ এম


অটোরিকশার জন্য আলাদা লেন ও চার্জিং স্টেশনসহ ৬ দফা দাবি

> জাতীয়

অটোরিকশার জন্য আলাদা লেন এবং চার্জিং স্টেশনসহ মোট ছয়টি দাবি উত্থাপন করেছে ‘রিকশা, ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যান ও ইজিবাইক সংগ্রাম পরিষদ’। রাজধানীসহ সারা দেশে চলাচলকারী ব্যাটারিচালিত রিকশা ও স্বল্পগতির যানবাহনগুলোর জন্য আলাদা লেন সার্ভিসের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করা হয়। একইসঙ্গে সড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে পার্কিং ব্যবস্থা এবং চার্জিং স্টেশন স্থাপনের দাবি জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্যে এসব দাবি উত্থাপন করা হয়।

সংগঠনের আহ্বায়ক খালেকুজ্জামান লিপন সংবাদ সম্মেলনে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ব্যাটারিচালিত যানবাহনকে যানজট, দুর্ঘটনা এবং লোডশেডিংয়ের জন্য দায়ী করা হচ্ছে। তবে, কেন এত মানুষ রিকশা এবং ইজিবাইক চালান এবং কেন এত যাত্রী এসব বাহন ব্যবহার করেন, সে বিষয়টি কেউ উল্লেখ করছেন না।

তিনি আরও বলেন, তীব্র বেকারত্বের কারণে মানুষকে রিকশা চালানোর মতো কাজে টেনে আনা হচ্ছে। একইসঙ্গে সাধারণ মানুষের জন্য সহজ এবং সস্তা অন্য কোনো বাহন না থাকায় তারা এসব বাহন ব্যবহার করছেন। উল্লেখ্য, লোডশেডিং সাধারণত রাত ১০টার পর সবচেয়ে কম থাকে এবং ব্যাটারিচালিত বাহনগুলো তখন চার্জ করা হয়। তাই অপপ্রচার না করে সমস্যা সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

এদিকে সংগঠনের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- প্রশিক্ষণ, নিবন্ধন ও রুট পারমিটের আওতায় এনে একটি সমন্বিত নীতিমালা ও বিধিমালা চূড়ান্ত করা; স্থানীয় উৎপাদকদের সরকারি অনুমোদিত ই-রিকশার ডিজাইনে যানবাহন উৎপাদন ও বিপণনের অনুমতি দেওয়া; মেকানিকদের উন্নত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা; উৎপাদন ও বিপণনে বিশেষ গোষ্ঠী বা ব্যবসায়িক সিন্ডিকেটকে সুবিধা না দেওয়া।

এছাড়া, গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পার্কিং ও চার্জিং স্টেশন স্থাপন, পরিবেশবান্ধব লিথিয়াম ব্যাটারি প্রতিস্থাপনে সরকারি ভর্তুকি প্রদান; সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে চার্জ দেওয়ার বাধ্যতামূলক শর্ত প্রত্যাহার; দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ব্যাটারিচালিত যানবাহনের অনুমোদিত ডিজাইনে পরিবর্তনের জন্য অন্তত দুই বছরের সময় দেওয়া; যানজট নিরসন ও সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে প্রতিটি মহাসড়কে স্বল্পগতির ও লোকাল যানবাহনের জন্য পৃথক লেন বা সার্ভিস রোড নির্মাণের দাবি জানানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সদস্য সচিব মনীষা চক্রবর্তী, নেতৃবৃন্দ এবং অটোরিকশা চালকরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পদ্মা যমুনা ঘিরে হচ্ছে অর্থনৈতিক করিডর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:২৫ এম


পদ্মা যমুনা ঘিরে হচ্ছে অর্থনৈতিক করিডর

পদ্মা ও যমুনা নদীকে ঘিরে দেশের উত্তর, দক্ষিণ-পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলের মধ্যে নতুন অর্থনৈতিক করিডর গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে সরকার। এ পরিকল্পনার কেন্দ্রে রয়েছে দুটি নতুন সেতু। একটি দ্বিতীয় পদ্মা সেতু, অন্যটি দ্বিতীয় যমুনা সেতু। প্রস্তাবিত ওয়াই আকৃতির নকশায় সেতু দুটি নির্মাণ করা গেলে নদী পারাপারের সক্ষমতা বাড়ার পাশাপাশি দুই পারের বিস্তীর্ণ এলাকায় কৃষিভিত্তিক শিল্প, পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, পর্যটন, গুদাম ও পরিবহনকেন্দ্র গড়ে উঠবে। এতে সেতুসংলগ্ন অঞ্চলগুলোকে ম্যানুফ্যাকচারিং হাবে রূপান্তরের সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছে সরকার। অর্থ বিভাগ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর সম্ভাব্যতা সমীক্ষার জন্য চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। প্রস্তাবিত পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া সেতুর সম্ভাব্যতা, ব্যয় ও কারিগরি বিষয় সমীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করা হবে। দ্বিতীয় যমুনা সেতুর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্যও পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে জাইকা, জাপান সরকার এবং চায়না হারবার কোম্পানির সঙ্গে চিঠি চালাচালি চলছে। সবকিছু ঠিক থাকলে বছরের শেষ দিকে সমীক্ষা শুরু হতে পারে। সম্ভাব্য করিডর হিসেবে বগুড়ার সারিয়াকান্দি থেকে জামালপুরের মাদারগঞ্জ এবং গাইবান্ধার বালাসী থেকে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জের কথা বিবেচনায় রয়েছে। তবে চূড়ান্ত অ্যালাইনমেন্ট সমীক্ষার ফলের ভিত্তিতে নির্ধারণ হবে। অর্থনীতিবিদ ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, পদ্মা ও যমুনাকে ঘিরে নতুন যোগাযোগ অবকাঠামোকে শুধু সেতু হিসেবে দেখলে হবে না। এগুলোকে কৃষি, শিল্প, পণ্য পরিবহন ও পর্যটনের সমন্বিত অর্থনৈতিক করিডর হিসেবে পরিকল্পনা করতে হবে। সেতুর দুই পাশে উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প গড়ে উঠলে স্থানীয় অর্থনীতি শক্তিশালী হবে, কর্মসংস্থান বাড়বে এবং ঢাকাকেন্দ্রিক উন্নয়নের ওপর চাপ কমবে।

ওয়াই মডেলে ছড়াবে যোগাযোগ : ওয়াই মডেলের মূল ধারণা হলো একটি কেন্দ্রীয় সংযোগ থেকে একাধিক দিকে যোগাযোগ ছড়িয়ে দেওয়া। এ ধরনের নকশায় সেতুর সঙ্গে একাধিক আঞ্চলিক সড়ক ও যোগাযোগপথ যুক্ত করার সুযোগ থাকে। পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া করিডর বাস্তবায়িত হলে মানিকগঞ্জ, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনার সঙ্গে রাজধানীর বিকল্প যোগাযোগ তৈরি হবে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পণ্য ঢাকায় আনার পাশাপাশি উত্তরাঞ্চলেও দ্রুত পাঠানো সম্ভব হবে। সারিয়াকান্দি-মাদারগঞ্জ করিডর হলে বগুড়া, জয়পুরহাট, নওগাঁ, রংপুর ও দিনাজপুরের সঙ্গে জামালপুর, ময়মনসিংহ ও শেরপুরের যোগাযোগ সহজ হবে। বালাসী-দেওয়ানগঞ্জ করিডর হলে গাইবান্ধা ও রংপুরের সঙ্গে বৃহত্তর ময়মনসিংহ ও পূর্বাঞ্চলের নতুন যোগাযোগ তৈরি হবে। এতে বগুড়া থেকে ঢাকা ও ময়মনসিংহমুখী দূরত্ব কমার পাশাপাশি সময়, জ্বালানি ও পরিবহন ব্যয় কমবে এবং উত্তরাঞ্চলের কৃষিপণ্য দ্রুত বাজারজাত করা সম্ভব হবে।

সেতুর দুই পাশে বদলে যাবে কৃষি : দুটি সেতুর বড় সম্ভাবনা কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে ওঠা। উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিপুল কৃষি উৎপাদনের বিপরীতে সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও দ্রুত বাজারজাতকরণের অবকাঠামোর ঘাটতি রয়েছে। নতুন সেতু ও সংযোগ সড়ক হলে কৃষিপণ্য সংগ্রহকেন্দ্র, হিমাগার, শস্য সংরক্ষণাগার, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা, প্যাকেজিং শিল্প ও পরিবহনকেন্দ্র গড়ে উঠতে পারে। বগুড়া, নওগাঁ, রংপুর, দিনাজপুর, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া ও যশোরের পণ্য স্থানীয়ভাবে প্রক্রিয়াজাত করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ ও রপ্তানি করা সম্ভব হবে। আলু থেকে প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, দুধ থেকে দুগ্ধজাত পণ্য, ফল থেকে জুস ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য এবং মাছ থেকে হিমায়িত পণ্য উৎপাদনের সুযোগ তৈরি হবে। এতে কৃষকরাও কাঁচা পণ্যের বদলে মূল্য সংযোজনের সুবিধা পাবেন।

গড়ে উঠবে নতুন শিল্পাঞ্চল : সেতুর দুই পাশে পরিকল্পিত কৃষিভিত্তিক শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার সুযোগ রয়েছে। এতে ঢাকার বাইরে উৎপাদন কেন্দ্র বাড়বে, কাঁচামাল পরিবহন সহজ হবে এবং তৈরি পণ্য দ্রুত বাজারে পৌঁছাবে। পরিবহন সময় ও ব্যয় কমলে উৎপাদন খরচও কমার সম্ভাবনা রয়েছে। নতুন শিল্প স্থাপনের ফলে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

পর্যটনের নতুন দরজা : পদ্মা ও যমুনার চর, নদীর তীর, নৌভ্রমণ, গ্রামীণ জীবন ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে কেন্দ্র করে পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলা সম্ভব। এর সঙ্গে বগুড়ার মহাস্থানগড়, রাজবাড়ী ও ফরিদপুরের ঐতিহ্য এবং উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের লোকজ সংস্কৃতিকে যুক্ত করা যেতে পারে। যোগাযোগ সহজ হলে ঢাকার পর্যটকরা এক বা দুই দিনের ভ্রমণে এসব এলাকায় যেতে পারবেন। এতে আবাসন, খাবার, নৌভ্রমণ, পরিবহন ও ক্ষুদ্র ব্যবসার প্রসার ঘটবে।

পণ্য পরিবহনে বিকল্প পথ : উত্তরাঞ্চলের পণ্য পরিবহন বর্তমানে যমুনা সেতুর ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল। দুর্ঘটনা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অতিরিক্ত চাপের কারণে এ পথে সমস্যা হলে সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় প্রভাব পড়ে। দ্বিতীয় যমুনা সেতু এই ঝুঁকি কমাবে। দ্বিতীয় পদ্মা সেতু খুলনা, যশোর, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর ও রাজবাড়ীর কৃষি ও শিল্পপণ্য দ্রুত রাজধানী ও উত্তরাঞ্চলে পাঠানোর বিকল্প তৈরি করবে। দুটি সেতু সড়কে রেলপথ যুক্ত করা গেলে উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে নতুন পণ্য পরিবহন করিডর তৈরি হতে পারে।

চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সমীক্ষার পর : দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর সম্ভাব্যতা সমীক্ষার জন্য অর্থ বরাদ্দ হলেও পূর্ণ প্রকল্প ব্যয় ও চূড়ান্ত নকশা এখনো নির্ধারিত হয়নি। দ্বিতীয় যমুনা সেতুর সম্ভাব্য রুট নিয়েও যাচাই চলছে। তাই ওয়াই মডেলকে এখনো প্রস্তাবিত ধারণা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে সমন্বিত পরিকল্পনায় দুটি সেতু বাস্তবায়িত হলে যোগাযোগের পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন, কৃষিভিত্তিক শিল্প, পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, পর্যটন ও স্থানীয় ব্যবসাবাণিজ্যে বড় পরিবর্তন আসতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%