বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৩০ পি.এম
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে পুলিশ ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ভোরে ফতুল্লার ইসদাইর ওসমানী পৌর স্টেডিয়ামের সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নারায়ণগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য এবং নাশকতা ও সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধের লক্ষ্যে ফতুল্লা মডেল থানার অধীনে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার ভোর ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে ইসদাইর ওসমানী পৌর স্টেডিয়ামের সামনে পাকা রাস্তায় নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে কয়েকজনের একত্রিত হওয়ার খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালানো হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন মো. রাজু (৩৯), মো. সিয়াম (২২), মো. রাসেল বাবু (৩৫), জয় দাস (২৫), মো. মেহেদী হাসান (২১), মো. লিটন (৪২), মো. হুমায়ন আহম্মেদ (৪০), মো. দিন ইসলাম নয়ন (২১), মো. সুমন (২০), মো. সিফাত (২১), মো. হাসান জামিল (২১), মেহেদী হাসান মাহিন (২০), মো. জাহাঙ্গীর আলম (২৩), মো. অভি (১৭), মো. আব্দুল্লাহ (১৭) এবং মো. ফেরদৌস (১৬)। পুলিশ জানিয়েছে, তাদের মধ্যে কয়েকজন নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকার এবং অন্যরা দেশের বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা।
ফতুল্লা মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে এসআই জহিরুল, এসআই মফিজ, এএসআই জহির, এএসআই জুয়েলসহ পুলিশের একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় কিছু ব্যক্তি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে আরও কয়েকজন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
নারায়ণগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী জানিয়েছেন, সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ড ও অপরাধ সংঘটনের চেষ্টার অভিযোগে ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রদত্ত ভিডিও বার্তায় ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস মন্তব্য করেছেন যে, ফিলিস্তিনিরা তাদের মাতৃভূমি ত্যাগ করবে না এবং বাস্তুচ্যুতির বিষয়টিও মেনে নেবে না। তিনি আরও বলেন, নিজেদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার অন্য কাউকে হস্তান্তর করবে না।
ফিলিস্তিনের জনগণের উদ্দেশে বক্তব্যে আব্বাস উল্লেখ করেন, নিজেদের ভূমি, ঐক্য এবং বৈধ অধিকার রক্ষা করে ফিলিস্তিনিরা গর্ব ও মর্যাদার এক অনন্য উদাহরণ স্থাপন করেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, গত সেপ্টেম্বরে আরব ও ইসলামি দেশগুলোর নেতাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা জরুরি। এই প্রতিশ্রুতির মধ্যে রয়েছে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড দখল বা সংযুক্তিকরণ প্রতিরোধ করা এবং ফিলিস্তিনিদের বাস্তুচ্যুতি প্রত্যাখ্যান করা।
তিনি আরও বলেন, ইসরায়েলের ভূমি দখলের কর্মকাণ্ড ফিলিস্তিনি প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করা এবং তাদের আর্থিক সম্পদ নিঃশেষ করার প্রচেষ্টার অংশ। এসব পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো ফিলিস্তিনিদের নিজেদের ভূমিতে টিকে থাকার সক্ষমতা দুর্বল করা।
আব্বাস দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক অবিচারের পাশাপাশি ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে ফিলিস্তিনিদের হত্যা, ধ্বংস, অনাহার ও বাস্তুচ্যুতির চেষ্টার শিকার হওয়ার বিষয়টিও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘ফিলিস্তিনি জনগণ তাদের ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ সময়ের মুখোমুখি।’
গাজায় চলমান যুদ্ধকে তিনি ‘গণহত্যামূলক যুদ্ধ’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এর ফলে নজিরবিহীন মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে। এই যুদ্ধে আবাসিক এলাকা, শহর, শরণার্থীশিবির, প্রতিষ্ঠান, স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল, মসজিদ এবং গির্জা ধ্বংস হয়েছে। পাশাপাশি মানুষের জীবনধারণের মৌলিক প্রয়োজন এবং পুরো প্রজন্মের ভবিষ্যৎও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমের পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন আব্বাস। তিনি বলেন, সেখানে ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণ দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, পশ্চিম তীরকে খণ্ডিত করা হচ্ছে এবং জেরুজালেমকে বিচ্ছিন্ন ও নিয়ন্ত্রণের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, দখলদার বাহিনীর সুরক্ষায় বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভূমি দখল, বাড়িঘর ধ্বংস, চেকপোস্ট স্থাপন এবং অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যানের কারণে টানা দ্বিতীয় বছরের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে সশরীর উপস্থিত থাকতে পারেননি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস। তবে তিনি অধিকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লা থেকে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে বক্তব্য প্রদান করেন।
অনুমতি অনুযায়ী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ১৫২ ভোটে আব্বাসের ভার্চুয়াল বক্তব্যের অনুমতি দেওয়া হয়। বিপক্ষে ভোট পড়ে তিনটি; চারটি দেশ ভোটদানে বিরত থাকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘ ১৯ বছর পর ফের সবুজ গালিচায় মুখোমুখি হচ্ছে দুই দেশ। কিন্তু বল গড়ানোর আগেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ময়দান। এর পেছনে রয়েছে আন্তর্জাতিক রাজনীতি। আসন্ন উয়েফা নেশনস লিগের জোড়া ম্যাচে আয়ারল্যান্ড-ইসরায়েল মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। এই খেলা ঘিরে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। গাজা-ইজরায়েল যুদ্ধের কারণে আয়ারল্যান্ড ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে ম্যাচ বয়কটের আহ্বান জানানো হয়েছে। যদিও অনিশ্চয়তার মেঘ কিছুটা কাটলেও, দুই শিবিরের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনার পারদ ক্রমশ চড়ছে।
দ্য ওয়ালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথম লড়াই অনুষ্ঠিত হবে গত রবিবার হাঙ্গেরির ডেব্রেসেনে। আর ৪ অক্টোবর সার্বিয়ার বাকা টোপোলায় হবে দ্বিতীয় সাক্ষাৎ। আয়ারল্যান্ডের প্রধান কোচ হেইমির হলগ্রিমসনের মন্তব্য বিতর্কের আগুনে ঘি পড়েছে। তিনি সম্প্রতি বলেছেন, ‘আমরা ইজরায়েলের সঙ্গে নয়, আমরা গণহত্যার বিরুদ্ধে খেলছি।’
এরপরই ইজরায়েল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। গত ফেব্রুয়ারিতে নেশনস লিগের ড্র ঘোষণার পর থেকে অস্বস্তি শুরু হয়। গ্রুপ বি-থ্রি-তে কসোভো এবং অস্ট্রিয়ার পাশাপাশি ইজরায়েলকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পায় আয়ারল্যান্ড। চার মাস আগে প্যালেসস্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সম্মতি ছাড়া ইজরায়েলের টুর্নামেন্ট আয়োজনের বিরুদ্ধে তীব্র বিরোধিতা করে আইরিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। তারা উয়েফার কাছে ইজরায়েলকে নিষিদ্ধ করার দাবিও পেশ করে। মে মাসে ডাবলিনে কাতারের বিরুদ্ধে প্রীতি ম্যাচে আইরিশ সমর্থকরা প্যালেস্টাইনের পতাকা সম্বলিত টেনিস বল মাঠে ছুড়ে প্রতিবাদ জানায়।
গত প্রায় তিন বছর ধরে প্যালেস্টাইনীয়দের সমর্থন জানিয়ে আসছে আয়ারল্যান্ড সরকার। ২০২৪ সালে প্যালেস্টাইনকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতিও দেয় তারা। গাজায় যুদ্ধের কারণে দেশের প্রধানমন্ত্রী ইজরায়েলকে ‘গণহত্যা’র দায়ে অভিযুক্ত করেছেন। এই প্রবল রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দুই দেশের ফুটবল ম্যাচ বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে।
খেলা বাতিলের দাবি তুলেছিলেন আয়ারল্যান্ডের ১৬০ জনের বেশি ক্রীড়াবিদ। আইরিশ দলের প্রাক্তন তারকা ফুটবলার কেভিন কিলবানে স্পষ্ট জানান, ‘গণহত্যা চলাকালীন ইজরায়েলের সঙ্গে খেলা উচিত নয়।’
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালও উয়েফাকে একহাত নিয়েছে। তবে বয়কট করলে উয়েফার কড়া শাস্তির মুখে পড়তে হবে। মূলত সেই আশঙ্কায় শেষমেশ ভোটাভুটির মাধ্যমে মাঠে নামার সিদ্ধান্ত নেয় আয়ারল্যান্ড।
প্রবল জনরোষের আশঙ্কায় আইরিশদের ঘরের মাঠ ডাবলিনে এই ম্যাচ আয়োজন করা কার্যত অসম্ভব ছিল। তাই বিকল্প ভেন্যু হিসেবে সার্বিয়ার বাকা টোপোলাকে বেছে নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে গাজা যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ইজরায়েলের ‘অস্থায়ী হোম ভেন্যু’ হয়ে উঠেছে হাঙ্গেরি। সে দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর ওরবান ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ। তাই আগামী রবিবার ডেব্রেসেনেই বল গড়াবে। খেলা হবে। তবে ফুটবল সেখানে উপলক্ষ মাত্র।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলায় সেতু নির্মাণের কাজে রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহারের অভিযোগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কার্যসহকারী মো. হাসমত আলীকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অফিস আদেশ অনুযায়ী, গতকাল (২৩ সেপ্টেম্বর) তাকে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(খ) ও ৩(ঘ) বিধিতে বর্ণিত অসদাচরণ ও দুর্নীতি পরায়ণতার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়। এরপর একই বিধিমালার ১২(১) বিধি অনুসারে তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এলজিইডির নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, বাসাইল উপজেলার বাসাইল জিসি-কাওয়ালজানি ইউনিয়ন পরিষদ হয়ে মাইজখাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সড়কে ৯০ দশমিক ৬ মিটার দীর্ঘ প্রি-স্ট্রেসড কংক্রিট গার্ডার সেতুর নির্মাণকাজ চলছিল। এই নির্মাণকাজের তদারকির দায়িত্বে ছিলেন কার্যসহকারী মো. হাসমত আলী।
অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি সেতুর নির্মাণকাজের স্ল্যাবে রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহার করেছেন এবং নির্ধারিত কারিগরি বিবরণের বাইরে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করেছেন।
এলজিইডির আদেশে বলা হয়েছে যে, এই ঘটনায় জনসাধারণের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে দেশ টিভিসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে এলজিইডি তথা সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসেবে হাসমত আলীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সাময়িক বরখাস্তকালীন তিনি বিধি অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা প্রাপ্য হবেন।
তবে নথিতে উল্লিখিত অভিযোগগুলো প্রশাসনিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিবেচিত হবে। অভিযোগের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার দায় নির্ধারণ পরবর্তী বিভাগীয় কার্যক্রমের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুর মহানগরীর বাসন মেট্রো থানা বিএনপি আওয়ামী লীগের পরিকল্পিত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে। তাদের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ দেশের পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। বিএনপি নেতারা এ সময় মন্তব্য করেছেন, "আওয়ামীলীগ দেশে যা করেছে তা কোন রাজনৈতিক দলের কর্মকাণ্ড হতে পারে না।"
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) গাজীপুর মহানগরীর ভোগড়া বাইপাস চৌরাস্তায় অনুষ্ঠিত হয় এই সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল। সমাবেশ শেষে মিছিলটি ঢাকা-টাংগাইল মহাসড়কের ফায়ার সার্ভিসের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন বাসন মেট্রো থানা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ তানভীর সিরাজ। বাসন মেট্রো থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মনিরের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন মহানগর বিএনপি সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক বসির আহমেদ বাচ্চু, এ.এইচ সিরাজুল হক, মোঃ আতাউর রহমান, হাজী মো: গিয়াস উদ্দিন, আমিনুল ইসলাম, আমজাদ হোসেন, হাজী বিল্লাল হোসেন, মো: সিরাজুল ইসলাম, হাজী রফিকুল ইসলাম, মো: আবুল হোসেন, শ্রমিক নেতা শহীদুল ইসলাম ও আব্দুল হাকিম, এ্যাড. সোহেল, এ্যাড. খোরশেদ আলম প্রমূখ।
বক্তারা অভিযোগ করেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ দেশের জনগণের সাথে যে প্রতারণা ও লুটপাট করেছে, তা কোন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে করা সম্ভব নয়। তারা জনগণের ভোটের অধিকার হরণ করে জোরপূর্বক ক্ষমতায় থেকে দেশের সম্পদ লুটপাট করেছে। তাদের এই লুটপাটের ফলে দেশ আজ অনেক পিছিয়ে পড়েছে।
বিএনপি নেতারা সমাবেশে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের যে কোন ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় দেশের জনগণ প্রস্তুত রয়েছেন। তাদের কোন ষড়যন্ত্র সফল হবে না। বিএনপি দেশের জনগণকে সাথে নিয়ে তাদের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ