ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বরিশালের বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত


বরিশালের বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

মাদককে বলি না, শিক্ষা ও সৃষ্টিশীলতায় এগিয়ে চলি সর্বদা’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বরিশালের বাবুগঞ্জে একটি মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন ও সচেতনতামূলক আলোচনা সভা আয়োজন করা হয়েছে। রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের হলরুমে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ আ.ন.ম. আ. হালিম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মাসুদ রানা, বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র আহ্বায়ক মো. শামসুল আলম ফকির, কলেজের অভিভাবক সদস্য মো. হারুন অর রশীদ, সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. শাহে আলম এবং সহকারী অধ্যাপক মো. গোলাম হোসেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা উল্লেখ করেন, মাদক একটি ভয়াবহ সামাজিক ব্যাধি। এর প্রভাবে একজন মানুষের স্বাভাবিক জীবন বিপর্যস্ত হওয়ার পাশাপাশি পরিবার ও সমাজে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তরুণ ও শিক্ষার্থীদের মাদকের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সচেতন করতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সমাজের সকল স্তরের মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

আরও পড়ুন: দুর্গাপূজা উপলক্ষে নীলফামারীর ৮১২ মণ্ডপে এসআরবির বিশেষ নিরাপত্তা

বক্তারা আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের মাদক থেকে দূরে রাখতে পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও সৃষ্টিশীল কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করতে হবে। একই সঙ্গে মাদক ব্যবসা ও সেবনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা জোরদার করার উপর গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না বলেন, মাদক ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক সচেতনতাও অপরিহার্য। শিক্ষার্থীদের নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

বাবুগঞ্জ থানার এসআই মো. মাসুদ রানা বলেন, মাদক অনেক ক্ষেত্রে বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে সম্পর্কিত। মাদকের বিস্তার রোধে পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। মাদক সম্পর্কে কোনো তথ্য পেলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মাদক থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকার আহ্বান জানান তিনি।

কলেজের অধ্যক্ষ আ.ন.ম. আ. হালিম বলেন, শিক্ষার্থীদের মাদকমুক্ত রাখতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষক, অভিভাবক ও সমাজের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

আরও পড়ুন: বকশীগঞ্জে সাংবাদিক আলিফ হত্যার প্রতিবাদে সভা ও বিক্ষোভ

সভায় শিক্ষার্থীদের মাদকের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সচেতন করা হয় এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজার বাইপাস সড়কের পাশে পাহাড় কাটার ঘটনায় বনবিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৫১ পি.এম


কক্সবাজার বাইপাস সড়কের পাশে পাহাড় কাটার ঘটনায় বনবিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে প্রশ্ন

কক্সবাজার শহরের বাইপাস সড়কের পাশে ও নোঙর এলাকার সংলগ্ন এলাকায় প্রকাশ্যে পাহাড় কেটে মাটি সাবাড় করার কাজ চলছে। শ্রমিকদের ব্যবহার করে কোনো প্রকার গোপনীয়তা ছাড়াই পাহাড়ের মাটি কেটে ট্রাক ও ঠেলাগাড়িতে করে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এর ফলে একদিকে পাহাড় ও পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে, অন্যদিকে ভূমিধসের সম্ভাবনা বাড়ছে। অথচ গুরুত্বপূর্ণ সড়কের পাশে এমন কার্যক্রম চললেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ছবিতে পাহাড় কাটার ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, পাহাড়ের একটি অংশ কেটে গভীর গর্ত তৈরি করা হয়েছে। কাটা পাহাড়ের মাটি সরানোর জন্য একাধিক ঠেলাগাড়ি ও মাটি কাটার সরঞ্জাম রাখা হয়েছে। পাহাড়ের ঢাল কেটে প্রায় খাড়া করে ফেলা হয়েছে। কোথাও কোথাও মাটি কাটার ফলে পাহাড়ের ওপরের অংশও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, পাহাড় কেটে মাটি বিক্রি ও জায়গা সমতল করার সঙ্গে জড়িত একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় সক্রিয় রয়েছে। সুযোগ বুঝে তারা পাহাড়ের মাটি কেটে নেয়। কখনো শ্রমিকদের দিয়ে হাতে-হাতে মাটি সরানো হয়, আবার কখনো বিভিন্ন যানবাহনে করে কাটা মাটি অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়। ফলে ধীরে ধীরে ছোট-বড় পাহাড়গুলো নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে।

পাহাড় কাটায় বাড়ছে ভূমিধসের ঝুঁকি

পরিবেশবিদদের মতে, পাহাড়ের স্বাভাবিক ঢাল কেটে ফেলার কারণে মাটির স্থিতিশীলতা নষ্ট হয়। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে অতিবৃষ্টির পানি পাহাড়ের কাটা অংশে প্রবেশ করলে মাটি নরম হয়ে ধসের সৃষ্টি করতে পারে। এতে আশপাশের বসতি, সড়ক ও মানুষের জীবন মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

কক্সবাজারে পাহাড়ধস নতুন কোনো ঘটনা নয়। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে জেলার বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসে প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি ঘটে। এর পরও পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার পর কিছুদিন বন্ধ থাকলেও ফের শুরু হয় একই তৎপরতা।

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, বাইপাস সড়কের মতো গুরুত্বপূর্ণ জনপথের পাশে কীভাবে প্রকাশ্যে পাহাড় কাটা সম্ভব হচ্ছে—এ প্রশ্ন এখন স্থানীয়দের মুখে মুখে।

স্থানীয়দের প্রশ্ন, দিনের বেলায় শ্রমিক লাগিয়ে পাহাড় কাটার মতো কর্মকাণ্ড যদি চলতে পারে, তাহলে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, পরিবেশ অধিদফতর ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত নজরদারি কতটা কার্যকর—তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

অভিযোগ রয়েছে, পাহাড় কাটার নেপথ্যে শুধু শ্রমিকরা নয়; এর সঙ্গে জমির মালিক, দখলদার, মাটি ব্যবসায়ী ও প্রভাবশালী ব্যক্তি ও পরিবেশ অধিদপ্তরের যোগসূত্র থাকতে পারে। তাই শুধু ঘটনাস্থল থেকে শ্রমিক ধরে বা সরঞ্জাম জব্দ করে অভিযান শেষ করলে পাহাড় কাটা বন্ধ করা সম্ভব হবে না।

সচেতন মহলের দাবি, বাইপাস সড়কের পাশে ও নোঙর এলাকায় যেখানে পাহাড় কাটার অভিযোগ উঠেছে, সেখানে দ্রুত সরেজমিন তদন্ত করা হোক। কারা পাহাড় কাটছে, কার মালিকানাধীন বা দখলে থাকা জায়গায় কাটাকাটি চলছে, কাটা মাটি কোথায় যাচ্ছে এবং এর পেছনে কারা অর্থ ও নির্দেশনা দিচ্ছে—এসব বিষয় অনুসন্ধান করা জরুরি।

পাহাড় কাটার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে পরিবেশ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজন হলে পাহাড়খেকো চক্রের মূল হোতাদের গ্রেপ্তার করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

একই সঙ্গে কাটা পাহাড়ের পরিমাণ নির্ধারণ, অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের উদ্দেশ্যে পাহাড় কাটা হচ্ছে কি না তা যাচাই এবং ভবিষ্যতে যাতে ওই এলাকায় আর পাহাড় কাটা না হয়, সে জন্য স্থায়ী নজরদারির দাবি উঠেছে।

কক্সবাজারের পাহাড় ও বনাঞ্চল রক্ষা শুধু পরিবেশের বিষয় নয়; এটি জননিরাপত্তার সঙ্গেও সরাসরি সম্পৃক্ত। পাহাড় কেটে বসতি, স্থাপনা কিংবা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার সুযোগ দেওয়া হলে একসময় এর ভয়াবহ মূল্য দিতে হতে পারে।

তাহলে বাইপাস সড়কের পাশে পাহাড় কাটার এ অভিযোগকে গুরুত্ব দিয়ে অবিলম্বে জেলার অন্যান্য এলাকায় অভিযান পরিচালনা, জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার এবং পাহাড় কাটার নেপথ্যের মূল ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

তাদের মতে, পাহাড় কেটে সাবাড় হওয়ার পর অভিযান নয়—পাহাড় কাটার সময়ই প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় কক্সবাজারের অবশিষ্ট পাহাড়ও একদিন শুধু ছবিতে দেখা যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফরিদপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় সাংবাদিক কাজী আশরাফের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৫২ পি.এম


ফরিদপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় সাংবাদিক কাজী আশরাফের মৃত্যু

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় একটি মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসের সঙ্গে সংঘর্ষের ফলে সাংবাদিক কাজী আশরাফ (৪৫) নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় তার সঙ্গে থাকা মাহমুদুল হাসান অনিক নামে একজন আরোহীও আহত হয়েছেন।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মনসুরাবাদ এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত কাজী আশরাফ নড়াইলের লোহাগড়া পৌরসভার গোপীনাথপুর গ্রামের কাজী শামসুর রহমানের পুত্র ছিলেন। তিনি এশিয়ান টেলিভিশনের লোহাগড়া প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

নিহতের জামাতার সনি চৌধুরী জানান, রোববার সকালে কাজী আশরাফ ও মাহমুদুল হাসান অনিক ব্যক্তিগত কাজে লোহাগড়া থেকে মোটরসাইকেলে করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন। তারা যখন ভাঙ্গা উপজেলার মনসুরাবাদ এলাকায় পৌঁছান, তখন মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে পড়ে যায়।

এ সময় খুলনাগামী দোলা পরিবহণের একটি বাসের সঙ্গে তাদের মোটরসাইকেলের ধাক্কা লাগে। এতে কাজী আশরাফ ও তার বন্ধু মাহমুদুল হাসান গুরুতর আহত হন। পরে পুলিশ ও স্থানীয়রা তাদের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে, কাজী আশরাফের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেলে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর ১টার দিকে তিনি মারা যান।

এ বিষয়ে ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক সোহেল রানা জানান, সকালে খুলনা-ঢাকা মহাসড়কের মনসুরাবাদ এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুজন আহত হন। তাদের উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে একজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়, পরে সেখানে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তারেক রহমানের উদ্যোগে পাঁচ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার পেল নতুন বাড়ি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৫২ পি.এম


তারেক রহমানের উদ্যোগে পাঁচ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার পেল নতুন বাড়ি

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার কারণে দুর্বৃত্তদের অগ্নিসংযোগে বসতঘর হারানো পাঁচটি পরিবার নতুন বাড়ি লাভ করেছে। বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগে এই বাড়িগুলি নির্মাণ করা হয়েছে।

রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ফেনী সদর উপজেলার ফরহাদনগর ইউনিয়নের ভোরবাজার এবং কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাতিশা ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামে পৃথক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পরিবারগুলোর হাতে নতুন বাড়ির চাবি হস্তান্তর করা হয়। তারেক রহমানের পক্ষে চাবি হস্তান্তর করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রধান উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। উল্লেখ্য, তারেক রহমান ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক।

২০১৩ সালের ৪ ডিসেম্বর ফেনী শহরে হরতালের সমর্থনে বের হওয়া মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন জাতীয়তাবাদী যুবদল নেতা হারুনুর রশিদ। তার পরিবারের জন্যও একটি নতুন বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার প্রেক্ষিতে গত ৪ এপ্রিল সন্ধ্যায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের সোনাপুর গ্রামে দুর্বৃত্তদের অগ্নিসংযোগে পাঁচটি পরিবারের বসতঘর সম্পূর্ণরূপে পুড়ে যায়। এই অগ্নিকাণ্ডে ঘরবাড়ির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সামগ্রীও হারিয়ে পরিবারগুলো অসহায় হয়ে পড়ে।

তারেক রহমানের নির্দেশনায় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য নতুন বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে। পাশাপাশি তাদের আর্থিক সহায়তাও প্রদান করা হয়েছে।

চাবি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল এমপি, সদস্যসচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন, ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন ভিপি, ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানুসহ স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রী স্রোতের বিরুদ্ধে সাঁতার কাটছেন : গণপূর্তমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৫২ পি.এম


প্রধানমন্ত্রী স্রোতের বিরুদ্ধে সাঁতার কাটছেন : গণপূর্তমন্ত্রী

গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন মন্তব্য করেছেন, “প্রধানমন্ত্রী স্রোতের বিরুদ্ধে গিয়ে আমাদের নিয়ে সাঁতার কাটছেন। আমরা একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি ও ভঙ্গুর সিস্টেম পেয়েছি। সেই পরিস্থিতি থেকে দেশকে এগিয়ে নিতে সরকার কাজ করছে।”

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

গণপূর্তমন্ত্রী আরও জানান, ভঙ্গুর অর্থনীতিকে কাটিয়ে উঠতে বর্তমান সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সরকারের মেয়াদকালে দেশের প্রতিটি উপজেলায় ১৫১ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা আরও সহজলভ্য হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপি সরকার যখনই ক্ষমতায় এসেছে, তখনই বিভিন্ন দুর্যোগ ও সংকটের সময় দেশকে রক্ষা করেছে। বর্তমান সরকারও বিদ্যমান সংকটগুলো কাটিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে কাজ করছে।

জাকারিয়া তাহের সুমন আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বর্তমান সংকট মোকাবিলা করে আগামী দুই থেকে চার বছরের মধ্যে দেশকে দুর্যোগ ও সংকটের পরিস্থিতি থেকে বের করে আনা সম্ভব হবে।

সভায় নোয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য বরকত উল্লাহ বুলু, নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোহাম্মদ শাহজাহান, নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসুদসহ জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%