বুলবুল আহম্মেদ ( বুলু) বদলগাছী নওগাঁ প্রতিনিধি
০৪:২৫ পি.এম
নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের জালালপুর গ্রামে পূর্ব শত্রুতার প্রতিফলনস্বরূপ যুবদল নেতা মো: হাসান আলী রোমনের ওপর ঘটেছে বর্বরোচিত হামলার একটি ঘটনা। গত ২ আগস্ট ২০২৬ (রবিবার) দুপুর আনুমানিক ১:৪০ মিনিটের দিকে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেত্রী খুশি বেগম ও তাঁর স্বামী মিজানুর রহমান দলবল নিয়ে অতর্কিতভাবে হামলা চালান। এই হামলায় যুবদল নেতা রোমনের হাতের কব্জি গুরুতরভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে জখম ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই নৃশংস হামলার ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে এবং হামলায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে আজ বদলগাছী উপজেলা যুবদলের পক্ষ থেকে এক জরুরি প্রেস ব্রিফিং কার্যক্রম আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন বদলগাছী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আঃ হাদী চৌধুরী টিপু। উপজেলা যুবদলের নেতৃবৃন্দ বলেন, অবিলম্বে এই ন্যাক্কারজনক হামলার মূল পরিকল্পনাকারীসহ সকল আসামিকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন মো: মেজবাউল হক রাজা, আহ্বায়ক, উপজেলা যুবদল; মুমিনুল ইসলাম মুন্না, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, উপজেলা যুবদল; আঃ রাজ্জাক, সাবেক সভাপতি, উপজেলা যুবদল; মো: রোস্তম আলী, সভাপতি, মথুরাপুর ইউনিয়ন যুবদল; মো: লিকসন আলী, সাধারণ সম্পাদক, মথুরাপুর ইউনিয়ন যুবদল। এছাড়াও স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এখন চলছে পাট কাটার মৌসুম। এই মৌসুমে ভালো ফলন, ন্যায্য দাম এবং পাটের বহুমুখী পণ্য ব্যবহার বৃদ্ধির কারণে পাট খাতে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হচ্ছে। এর সাথে নাটোর জেলায় পাট চাষে কৃষকদের আগ্রহ বেড়ে চলেছে। ফলে জেলায় সোনালী আঁশের দিন আবার ফিরে আসছে।
বিগত সময়ে পাটের উচ্চ মূল্যের কারণে কৃষকরা ক্রমশ পাট চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। নাটোর জেলায় পাট চাষের জন্য আবাদের জমি এবং উৎপাদনের পরিমাণ উভয়ই বেড়েছে। জমিতে সবুজে ভরপুর পাটরাজ্যে এখন চলছে পাট কাটার কাজ।
অন্য দিকে, জলাশয় এবং তার পাড়ে পাট গাছ ভেজানো, পাটের আঁশ ছড়ানো, পাট শুকানো এবং পাটকাঠি সংগ্রহের সকল কার্যক্রম একযোগে চলছে। সবুজ পাট গাছ এখন রূপান্তরিত হচ্ছে সাদা পাটে এবং পাটকাঠিতে। রূপালী রৌদ্র মেঘে ঢেকে গিয়ে প্রকৃতিতে নামছে শ্রাবণ ধারা। গ্রামীণ জনপদে কৃষকদের জন্য প্রকৃতির সাথে সহাবস্থান করে এখন পাট উৎসব চলছে।
নাটোর কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের সূত্রে জানা গেছে, এই বছর জেলায় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে পাটের আবাদ হয়েছে। ৩০ হাজার ৮৮০ হেক্টর জমির বিপরীতে ৩৫ হাজার ৬৬ হেক্টর জমিতে পাট চাষ করা হয়েছে। বিগত এক যুগ আগে জেলায় পাটের আবাদের জমি চলতি বছরের প্রায় অর্ধেক ছিল। পাটের আবাদের জমি বিগত সময়ে ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যান্য বছরগুলোর তুলনায় বর্তমানে আবাদের জমি এবং হেক্টর প্রতি পাটের গড় উৎপাদন উভয়ই বেড়েছে। ইতোমধ্যে ১৪ হাজার ৮০০ হেক্টর জমির পাট কাটা হয়েছে। মোট উৎপাদনের পরিমাণ ৩০ হাজার ৯৯০ টন।
সিংড়া উপজেলার সাঁঐল এবং লাড়ুয়া গ্রামের কয়েক কিলোমিটার রাস্তার দু’পাশ এবং সংলগ্ন বিল ও ডোবাতে শতাধিক নারী ও পুরুষ পাট পঁচানো এবং আঁশ ছড়ানোর কাজে নিয়োজিত আছেন। এই কাজে মহিলাদের অংশগ্রহণ অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য। তারা মূলতঃ পানিতে না নেমেই জলাশয়ের পাড়ে তোলা পঁচানো পাটের আঁশ ছড়াচ্ছেন।
আঁশ ছড়ানোর কাজে নিয়োজিত ভানু বেওয়া বলেন, “আমি পাট কাঠি নেয়ার শর্তে আঁশ ছড়ানোর কাজ করছি।” হাতিয়ানদহের গদাই নদীতে নেমে আঁশ ছড়ানোর কাজ করায় হারেস মিয়া জানান, “আমরা ১০জন কাজ করছি। প্রতিদিন জনপ্রতি ৭০০ টাকা মজুরি।” আবার অনেকেই আটি প্রতি সাড়ে চার টাকা দরে কাজ করছেন।
নদীর পাড়ে আঁশ ছড়ানোর কাজে আরও ১০ জন মহিলা কাজ করেন। মিনতি রানী জানান, “আমরা সবাই পাটকাঠি নেয়ার শর্তেই কাজ করছি।” আবার অনেক কৃষকের পরিবারের নারী সদস্যরাও তাদের নদী সংলগ্ন বাড়ির আঙিণায় পাটের আঁশ ছড়াচ্ছেন।
মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী হাফসা বলেন, “স্কুল ছুটির দিন, তাই বাড়ির সবাই মিলে পাটের আঁশ ছড়াচ্ছি। নিজের বাড়ির কাজ নিজেরাই করছি।”
রাস্তার দু’ধারে বাঁশের আড় টানিয়ে, কালভার্টের রেলিং এবং গৃহস্থ বাড়ির চারপাশে সর্বত্রই চলছে পাট শুকানোর কার্যক্রম। এসব এলাকায় ঠায় দাঁড়িয়ে পাটকাঠির বোঝা সমৃদ্ধির দিশা দিচ্ছে।
লাড়ুয়া এলাকার কৃষক রমিজুল জানিয়েছেন, এবার তিনি তার দুই বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছেন। লাড়ুয়া বিলে পাট ছড়ানোর শ্রমিকদের কাজ তদারককারী রমিজুল বলেন, “এবার আষাঢ়-শ্রাবনে প্রচুর বৃষ্টি হয়েছে। হাতের নাগালে আশপাশের সকল জলাধার পানিতে টইটুম্বুর থাকায় জমির পাট অনায়াসে পঁচাতে পারছি, পরিবহনের খরচ নেই। তবে বৃষ্টি বেশি, রোদ কম হওয়াতে পাট শুকানোর কাজে কষ্ট হচ্ছে।” অনেক সময় শুকাতে দেওয়া পাট আবার বৃষ্টিতে ভিজে যাচ্ছে।
নাটোর সদর উপজেলার হয়বতপুর ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, “এবার এলাকায় আশানুরূপ পাট চাষ হয়েছে। গড় উৎপাদন বিঘা প্রতি ৯ মণ।”
রাজাপুর কৃষি ব্লকের জাঠিয়ান এলাকার কৃষক জুবায়ের হোসেন জানিয়েছেন, “এবার সাত বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছি। পাট কাটা শুরু হয়েছে। আশা করি বিঘায় ১০ মণ ফলন পাবো।”
নলডাঙ্গা উপজেলার বাঁশিলা গ্রামের কৃষক আরিফুল ইসলাম বলেছেন, “জমিতে গম বা ডাল উঠে যাওয়ার পর আমন মৌসুমের আগে পাট চাষ করা হলে জমি অনাবাদি থাকে না। চৈত্র মাসের মধ্যে পাট বীজ বোনা হলে আগাম পাট কেটে সহজেই আমন মৌসুম ধরা যায়।”
নাটোরের আদর্শ কৃষক হাসান আলী বলেন, “গত কয়েক বছরে কৃষকদের মধ্যে পাট চাষে বেশ ভাল আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।”
তিনি বলেন, “পাট বাজারের সম্প্রসারণ ঘটছে। ফলে দামও ভাল পাওয়া যাচ্ছে।”
সরেজমিনে নাটোরের প্রসিদ্ধ পাটের হাট গুরুদাসপুরের নাজিরপুর, নাটোর সদরের তেবাড়িয়া এবং সিংড়ার হাতিয়ান্দহ হাট ঘুরে দেখা গেছে, আগাম ওঠা পাট হাটে কেনাবেচা শুরু হয়েছে।
হাতিয়ান্দহ হাটে পাট বিক্রি করতে আসা ফিরোজ আলী বলেন, “হাটে সাড়ে ৩ হাজার টাকা মণ দরে জমির পাট বিক্রি করলাম।”
দীর্ঘদিন ধরে পাট ব্যবসায়ী আজিজুল ইসলাম মেম্বর একটি মন্তব্য করে জানান, “আশাকরি পাটের দাম ব্যবসায়ী ও কৃষক উভয়ের জন্যই ভাল হবে। বর্তমানে পাটের দর ৩ হাজার টাকা থেকে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত। সামনে আরো দাম বাড়বে বলে মনে হচ্ছে। এবার পাটের বিপণন কার্যক্রম জমজমাট।”
সিংড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা খন্দকার ফরিদ হাসান জানিয়েছেন, “আমাদের উপজেলায় বর্তমানে পাটের গড় উৎপাদন বিঘা প্রতি সাড়ে সাড়ে ৮ মণ। তবে গড় উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে।”
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. হাবিবুল ইসলাম খান বাসস’কে বলেন, “চলতি মৌসুমে প্রচুর বৃষ্টির কারণে পাট জাগ দেয়ার জন্য সহায়ক হয়েছে। পরিবেশ বান্ধব বলেই পাটের বহুমুখী ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে দেশে এবং বিদেশে পাটের চাহিদা বাড়ছে।”
তিনি আরো বলেন, “বাড়তি মূল্য পাওয়ার কারণে কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন এবং পাট চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। তাদেরকে প্রণোদনাও প্রদান করা হয়েছে। প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তি জ্ঞানে কৃষকদের এগিয়ে নিতে কৃষি বিভাগ সবসময় কৃষকদের পাশে থাকছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অস্ট্রেলিয়ায় অনুশীলন শেষে তাইজুল জানিয়েছেন যে প্রস্তুতি ভালো চলছে। ডারউইনে এই মুহূর্তে চলমান অবস্থায় বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের সদস্যদের অনুশীলন বিষয়ক একটি ছবি শেয়ার করা হয়েছে। ২৩ বছর পর বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলার সুযোগ পেয়েছে, এবং বর্তমানে তারা ২ টেস্টের সিরিজ খেলতে সেখানে পৌঁছেছে।
বিশেষ করে, প্রথম দিনের অনুশীলন সম্পন্ন করেছেন তারা, যেখানে মুশফিকুর রহিম এবং তাইজুল ইসলাম অন্যতম।
তাইজুল একটি ভিডিও বার্তায় বলেছেন, "যাত্রাটা ভালো ছিল। আসার সময় একটি ট্রানজিট পেয়েছি, সেখানে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ হয়েছে।"
প্রথম দিনে তারা সব ধরণের অনুশীলনে অংশ নিতে সক্ষম হয়েছেন বলেও জানান তাইজুল। ৩৪ বছর বয়সী এই বাঁহাতি স্পিনার জানিয়েছেন, "সব মিলিয়ে ভালো প্রস্তুতি হয়েছে। উইকেট, ফিল্ডিং অনুশীলন, রানিং—সব ধরনের কার্যক্রম করতে পেরেছি।"
এখন ২ টেস্টের প্রথমটি ডারউইনে শুরু হবে ১৩ আগস্টে। অন্যদিকে, দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাকাইয়ে অনুষ্ঠিত হবে, যা শুরু হবে ২২ আগস্টে। তবে এই ম্যাচের আগে বাংলদেশ ক্রিকেট দলের সদস্যরা ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিরুদ্ধে ৩ দিনের একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং পড়াশোনার খরচ নিয়ে বিজেপির এক কর্মীর প্রশ্নের প্রেক্ষিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজিপি)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। আজ সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত এক ভিডিও বার্তায় শাসকদলের শীর্ষ নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তিনি বলেন, নিজের পড়াশোনার বৃত্তি এবং শিক্ষাসংক্রান্ত ঋণের যাবতীয় কাগজপত্র তিনি প্রকাশ করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। একইসাথে প্রধানমন্ত্রী মোদীর নাম উল্লেখ না করে কটাক্ষের সুরে প্রশ্ন তোলেন, আমি আমার সমস্ত নথি দেখাতে রাজি আছি, কিন্তু সম্রাট কি তাঁর আসল ডিগ্রি দেখাবেন?
বস্টন ইউনিভার্সিটির ‘কলেজ অব কমিউনিকেশন’ থেকে পাবলিক রিলেশনসে এমএসসি ডিগ্রি ধারী হিসাবে এই সিজিপি নেতা সম্প্রতি ভারতের ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম প্রধান মুখ হিসেবে উঠে এসেছেন। এক বিজেপি কর্মী তথ্যের অধিকার আইনে (আরটিআই) তাঁর পড়াশোনার খরচ এবং তার উৎস জানতে চেয়ে আবেদন জানানো পরে এই বিতর্কের শুরু হয়।
জবাবে অভিজিৎ দীপ জানান, বস্টন ইউনিভার্সিটির স্কলারশিপ এবং ব্যাংক থেকে পাওয়া শিক্ষা ঋণের টাকায় তিনি পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন এবং সেই ঋণ এখনও পরিশোধ করা বাকি রয়েছে। এক সাধারণ তরুণের উচ্চশিক্ষা নিয়ে কেন এত জলঘোলা হচ্ছে এবং কেন শিক্ষা নিয়ে শাসকদলের এই অনীহা, তা নিয়েও প্রশ্ন উত্থাপন করেন তিনি।
অন্যদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে ভারতে চলা সিজিপির আন্দোলনকে নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিনের কাছে ২০২৪ সালের বাংলাদেশের সরকারবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে তুলনা করার জন্য কড়া সমালোচনা করেন অভিজিৎ দীপ। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, বাংলাদেশ কিংবা নেপালের আন্দোলনের সঙ্গে ভারতের ছাত্র আন্দোলনের কোনও সম্পর্ক নেই। অন্য দেশের ঘটনাপ্রবাহের অজুহাতে ভারতের স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদকে কলঙ্কিত করার চক্রান্ত চলছে বলেও অভিযোগ করেন এই যুব নেতা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, প্রকৃতিভিত্তিক সমাধান উপকূলীয় জনগণের জীবন-জীবিকা সুরক্ষা, খাদ্য নিরাপত্তা এবং জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধির অত্যন্ত কার্যকরী ও টেকসই পন্থা।
আজ সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘প্রায়োরিটাইজিং নেচার-বেসড ইন্টারভেনশনস ফর রেজিলিয়েন্ট কোস্টাল বাংলাদেশ’ শীর্ষক জাতীয় কারিগরি কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেছেন।
এনজিও সংস্থা ‘ফ্রেন্ডশিপ’ এবং কনজারভেশন ইন্টারন্যাশনাল যৌথভাবে এই কর্মশালার আয়োজন করেছে বলে আজ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বন, জলাভূমি, উপকূলীয় উদ্ভিদবেষ্টনী এবং সমন্বিত কৃষি-বনায়ন ব্যবস্থা পরিবেশ সংরক্ষণে সাহায্য করার পাশাপাশি প্রাণিসম্পদের জন্য খাদ্যের প্রাপ্যতা বৃদ্ধি, প্রাণিস্বাস্থ্যের উন্নয়ন এবং মানবস্বাস্থ্য, প্রাণিস্বাস্থ্যের এবং পরিবেশগত স্বাস্থ্যের সমন্বিত ‘ওয়ান হেলথ’ ধারণাকে শক্তিশালী করে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করলেও দেশের উপকূলীয় অঞ্চল এখনো বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হয়ে আছে। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততার বিস্তার এবং উপকূলীয় ভাঙন দেশের পরিবেশ, অর্থনীতি, খাদ্যব্যবস্থা এবং মানুষের জীবন-জীবিকার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে, তবে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের কারণে এ দুটি খাত সবথেকে বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বলেও তিনি জানান।
তিনি বলেন, টেকসই প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা, বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং তথ্য-প্রমাণভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনার মাধ্যমে জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের জন্য একটি জাতীয় উদ্যোগ এ ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য দেন ফ্রেন্ডশিপের প্রতিষ্ঠাতা রুনা খান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- সাবেক সচিব ড. মো. ফরিদুল ইসলাম, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান এবং কনজারভেশন ইন্টারন্যাশনালের দক্ষিণ এশিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৌরভ মালহোত্রা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ