শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:২৭ এম
ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর (ডিআর কঙ্গো) পূর্বাঞ্চলীয় বুকাভু শহরের একটি প্রাথমিক স্কুলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। প্রাণ বাঁচাতে হুড়োহুড়ি করে পালানোর সময় অন্তত ১৪ শিশুর করুণ মৃত্যু ঘটে। এছাড়াও, বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে যে আরও ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বুকাভু শহরের বাগিরা এলাকায় ‘উজামা প্রাথমিক স্কুলে’ ক্লাস চলাকালীন এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে এএফপি জানায়, ক্লাস চলাকালীন হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত ঘটে। পুরো স্কুলটি কাঠের তৈরি হওয়ায় মুহূর্তের মধ্যে আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। ধোঁয়ায় ক্লাসরুমে দমবন্ধ পরিস্থিতি তৈরি হলে ছাত্র-ছাত্রীরা ভবনের ওপর তলা থেকে নিচে লাফ দিতে শুরু করে।
স্কুলটির এক শিক্ষক সাইমন কাসামিরা চিকিৎসারত অবস্থায় জানান, ক্লাস চলার সময় হঠাৎ শিক্ষার্থীদের চিৎকার শুনতে পান। কেউ ওপরের তলা থেকে নিচে লাফ দিচ্ছিল, আবার কেউ মূল দরজা দিয়ে পালানোর চেষ্টা করছিল। কিছুক্ষণের মধ্যেই আশপাশ থেকে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের খোঁজে ছুটে আসেন। দেখতে দেখতে পুরো কাঠের ভবনটি আগুনে ভস্মীভূত হয়ে যায়।
অগ্নিকাণ্ডের পরপরই তৈরি হয় চরম বিশৃঙ্খলা ও পদদলনের ঘটনা। স্থানীয় নেতা প্যাট্রিস বুদুগে জানান, আগুনের ভয়াবহতায় শিশুরা হুড়োহুড়ি করে বের হতে গিয়ে একে অপরকে মাড়িয়ে যায়। এতে অনেকে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। এ ঘটনার ফলে শুধু স্কুলই নয়, আশপাশের পাঁচ শতাধিক ঘরবাড়ি আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, প্রাথমিক হিসাবে পাঁচ শতাধিক ঘরবাড়ি ভস্মীভূত হয়েছে এবং মোট ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। পরবর্তীতে বিদ্রোহী গোষ্ঠী এম২৩ (M23) এক বিবৃতিতে জানায়, এ ঘটনায় ১৯ জন মেয়ে ও ৫ জন ছেলেসহ মোট ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং চিকিৎসাকেন্দ্রে বর্তমানে ২৯ জন চিকিৎসাধীন রয়েছে।
নিকটস্থ একটি ক্লিনিকের নার্স ক্রিস্টোফ জিগাশানে জানান, আমাদের এখানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রায় ৫০ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষককে আনা হয়েছিল। এর মধ্যে ঘটনাস্থলেই চারজন এবং হাসপাতালে আনার পর ১০ জনের মৃত্যু হয়। নিহত ১৪ জন শিশুর সবার বয়সই ১০ বছরের নিচে। এছাড়াও, আশঙ্কাজনক অবস্থায় আরও ২৭ জনকে শহরের অন্যান্য হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, কঙ্গোর এই পূর্বাঞ্চলীয় শহর বুকাভু পাহাড়ঘেরা এবং এখানকার অধিকাংশ ঘরবাড়ি কাঠ দিয়ে তৈরি। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা এবং অপরিকল্পিত বিদ্যুৎ সংযোগের কারণে এখানে প্রায়ই মারাত্মক অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
এর আগে গত অক্টোবরেও এক অগ্নিকাণ্ডে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল, যাদের অধিকাংশই ছিল শিশু। শহরটিতে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার তীব্র ঘাটতি থাকায় সহজেই এসব আগুন মারাত্মক আকার ধারণ করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বহুল কাঙ্ক্ষিত নবম জাতীয় পে-স্কেল গেজেট আকারে প্রকাশের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। নতুন এই বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপনের খসড়া ইতোমধ্যে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে আইনগত পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য। ভেটিং প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে আনুষ্ঠানিকভাবে জারি হবে প্রজ্ঞাপন।
এদিকে, ‘নবম জাতীয় পে-স্কেল ২০২৬’ বাস্তবায়নের জন্য সরকার নতুন একটি ছক তৈরি করছে। প্রজ্ঞাপন জারির পর সাতটি পৃথক এসআরওর মাধ্যমে বিভিন্ন শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীর জন্য বেতন কাঠামো কার্যকর করা হবে। একইসঙ্গে আইবাস প্লাস প্লাসে চাকরিজীবীদের তথ্য হালনাগাদ করে অনলাইনে নতুন বেতন নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এতে পদ, গ্রেড, ইনক্রিমেন্ট ও পদোন্নতির তথ্য অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন বেতন নির্ধারণ হবে।
প্রজ্ঞাপনে বিভিন্ন শ্রেণি ও প্রতিষ্ঠানের জন্য পৃথক সাত এসআরও বা বিধিবদ্ধ নিয়ন্ত্রক আদেশ থাকবে। বেসামরিক প্রশাসন, পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, সশস্ত্র বাহিনী এবং বিচার বিভাগ-এ সাত ক্ষেত্রের বেতন-ভাতা এবং সংশ্লিষ্ট বিধান আলাদাভাবে কার্যকর করার বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে এসব আদেশে।
এছাড়া, সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন নির্ধারণ হবে আইবাসে। এই ব্যবস্থায় প্রত্যেক সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অনলাইনে আইবাস প্লাস প্লাসে প্রবেশ করে চাকরি-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করতে হবে।
অর্থ বিভাগের সংশ্লিষ্ট একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এ প্রসঙ্গে বলেন, "প্রজ্ঞাপন জারির পরই বাস্তবায়নের কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হবে।" বিভিন্ন শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন কাঠামোর প্রয়োগে যেসব কারিগরি ও প্রশাসনিক পার্থক্য রয়েছে, সেগুলো বিবেচনায় নিয়ে পৃথক এসআরও প্রস্তুত করা হচ্ছে। প্রজ্ঞাপন জারির পর সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে বাস্তবায়নের কাজ আরও স্পষ্ট হবে।
সাতটি পৃথক এসআরও-এর মাধ্যমে বিভিন্ন শ্রেণির চাকরিজীবীদের বেতন কাঠামো প্রয়োগের বিষয়গুলো নির্ধারণ করা হবে। পাশাপাশি আইবাস প্লাস প্লাস-এ তথ্য হালনাগাদ এবং বেতন নির্ধারণের কারিগরি প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে।
নবম পে-স্কেলে বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রেখে ২০তম গ্রেডে সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার এবং প্রথম গ্রেডে সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন এই বেতন কাঠামো চলতি বছরের ১ জুলাই থেকেই কার্যকর হবে বলে সরকার জানিয়েছে।
নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করতে সাতটি পৃথক এসআরও জারি করা হবে। এগুলো হলো— সিভিল বা বেসামরিক প্রশাসনের সাধারণ বেসামরিক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বেতন কাঠামো; পুলিশ বিভাগ-পুলিশ সদস্যদের বেতন, ভাতা ও সংশ্লিষ্ট আর্থিক সুবিধা নির্ধারণ; বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এই বাহিনীর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য পৃথক বিধান; ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ-সরকারি ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কাঠামো; স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান-সরকারের বিভিন্ন স্বায়ত্তশাসিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বেতন কাঠামো; সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ—সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর জন্য সংশ্লিষ্ট যৌথ বাহিনী নির্দেশনা ও বেতন কাঠামো এবং জুডিশিয়াল বা বিচার বিভাগ-বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের কর্মকর্তা ও বিচারকদের জন্য প্রযোজ্য কাঠামো।
অর্থাৎ একটি সাধারণ প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে মূল কাঠামো কার্যকর হলেও বিভিন্ন শ্রেণির চাকরিজীবীর জন্য প্রয়োজনীয় বিস্তারিত প্রয়োগবিধি পৃথক আদেশের মাধ্যমে স্পষ্ট করা হবে।
নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আনা হচ্ছে বেতন নির্ধারণের ডিজিটাল ব্যবস্থায়। অর্থ বিভাগ সরকারি চাকরিজীবীদের ব্যক্তিগত তথ্য আইবাস প্লাস প্লাস-এর আওতায় আরও পূর্ণাঙ্গভাবে নিয়ে আসতে চায়। বর্তমানে সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা, বেতন, পেনশন, বাজেট ও হিসাব ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত হচ্ছে এই ডিজিটাল ব্যবস্থা।
সরকারি কর্মচারীদের অনলাইন বেতন নির্ধারণী ব্যবস্থায় জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণের সুযোগও রয়েছে। এর মধ্যে পদ, গ্রেড, মূল বেতন, চাকরিতে যোগদানের তথ্য, বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি, পদোন্নতি, উচ্চতর গ্রেডসহ প্রয়োজনীয় তথ্য অন্তর্ভুক্ত থাকবে। তথ্য পূরণ ও যাচাই হয়ে গেলে নতুন পে-স্কেলের কাঠামো অনুযায়ী মূল বেতন ও প্রযোজ্য ভাতা কত হবে, তা সফটওয়্যারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ধারণ হয়ে যাবে।
এতে প্রত্যেক কর্মচারী নিজের তথ্যের ভিত্তিতে নতুন বেতন কাঠামোয় তার আর্থিক অবস্থান জানতে পারবেন। আইবাস প্লাস প্লাস-এর বর্তমান ব্যবস্থায়ও অনলাইন বেতন বিল, জিপিএফ, ঋণ ও আয়কর-সংক্রান্ত হিসাব তৈরি এবং বেতন-পেনশন ইএফটির মাধ্যমে দেওয়ার সুবিধা রয়েছে। নবম পে-স্কেলে গ্রেড, মূল বেতন, ভাতা, পদোন্নতি, ইনক্রিমেন্ট ও বিভিন্ন শ্রেণির কর্মচারীর জন্য আলাদা বিধান থাকায় বিদ্যমান সফটওয়্যারকে নতুন কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হচ্ছে।
অর্থ বিভাগের লক্ষ্য হলো— কাগজে-কলমে বেতন নির্ধারণের বদলে তথ্যভিত্তিক ও স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে বেতন পুনর্নির্ধারণ করা। এতে একজন কর্মচারীর বেতন নির্ধারণে হিসাবরক্ষণ অফিসে বারবার যাওয়ার প্রয়োজন কমবে। একই সঙ্গে ভুল হিসাব, দ্বৈত সুবিধা বা অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধের ঝুঁকিও কমানো সম্ভব হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস (ইউল্যাব) ফল ২০২৬ সেমিস্টারের নবীন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানাতে একটি ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানটি বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ইউল্যাব ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত সিঙ্গাপুর হাইকমিশনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স মিচেল লি। তিনি নবীন শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের সুযোগগুলোকে সর্বোচ্চভাবে কাজে লাগানোর জন্য আহ্বান করেন। শ্রেণিকক্ষের বাইরেও শেখার সুযোগ গ্রহণ, সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনার বিকাশ এবং ভবিষ্যতে সমাজে অর্থবহ অবদানের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করার গুরুত্ব তুলে ধরেন। এ সময় ইউল্যাবের লিবারেল আর্টস-ভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রমের প্রশংসাও করেন তিনি।
ইউল্যাবের উপাচার্য অধ্যাপক সামসাদ মর্তূজা নবীন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শুধুমাত্র ডিগ্রি অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি জ্ঞান, দক্ষতা, মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়বদ্ধতা অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের বিকশিত করার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
ওরিয়েন্টেশনে নবীন শিক্ষার্থীদের উপহার হিসেবে দেওয়া বকুল ফুলের বীজসমৃদ্ধ ‘সিড বক্স’ সম্পর্কে উপাচার্য পরিচয় করিয়ে দেন। শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত বিকাশ ও রূপান্তরের প্রতীক হিসেবে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা বীজগুলো রোপণ ও পরিচর্যার মাধ্যমে গাছের বেড়ে ওঠার সঙ্গে নিজেদের বিকাশের গল্প ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ পাবেন। এ জন্য ইউল্যাবের ওয়েবসাইটে একটি বিশেষ পেজ রাখা হয়েছে।
নবীন শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্ব করে মারভিয়া ফাতেমা ভূমি ইউল্যাবে তার নতুন যাত্রা নিয়ে অনুভূতি ও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। অভিজ্ঞতা বিনিময় পর্বে বক্তব্য দেন ইউল্যাবের সাবেক শিক্ষার্থী ও বিওয়াইডি বাংলাদেশের ম্যানেজার (ব্র্যান্ড স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড ডিজিটাল) শেখ শাহনুমা শারমিন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউল্যাবের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক জুড উইলিয়াম হেনিলো এবং বোর্ড অব ট্রাস্টিজের বিশেষ উপদেষ্টা ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মিলন কুমার ভট্টাচার্য। এছাড়া রেজিস্ট্রার, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, অ্যালামনাই এবং নবীন শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে কোক স্টুডিও বাংলার উপস্থাপনায় ইমন চৌধুরী অ্যান্ড বেঙ্গল সিম্ফনির বিশেষ সঙ্গীত পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরের বিরামপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) স্বাক্ষর জাল করে নাগরিকত্ব সনদ দেওয়ার অভিযোগে পুলিশ দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও প্রতারণার মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলা নির্বাচন অফিসে নতুন ভোটার হওয়ার জন্য আসা এক যুবকের কাগজপত্র যাচাইয়ের সময় ঘটনাটি প্রকাশ পায়। পরে ওই দুই ব্যক্তিকে ইউএনওর কার্যালয়ে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা স্বাক্ষর জালিয়াতির কথা স্বীকার করেন। এরপর তাদের আটক করে পুলিশে পাঠানো হয়।
আটককৃতদের মধ্যে একজন হলেন পৌরসভার নতুন বাজার এলাকার ‘সুমন কম্পিউটার অ্যান্ড ফটোস্ট্যাট’-এর মালিক সাইদুর জাম্মান সুমন (৪০) এবং অপরজন মনির হোসেন (৫১)। সাইদুর জামানের ছেলে পূর্ব জগন্নাথপুর এলাকার বাসিন্দা। মনির হোসেন মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার ধীতপুর এলাকার সিদ্দিক মোল্লার পুত্র।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, মুহিম হোসেন রোহান নামের এক যুবক বৃহস্পতিবার বেলা ৩টার দিকে নতুন ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে যান। কাগজপত্র যাচাইয়ের সময় তাঁর নাগরিকত্ব সনদে ইউএনওর স্বাক্ষর অগোছালো মনে হয়। পরে তাঁকে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ইউএনওর কার্যালয়ে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে স্বাক্ষর জাল করার বিষয়টি প্রকাশ পায়।
বিরামপুর থানার ওসি (তদন্ত) শামিম আল মামুন জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসকের স্বাক্ষর জাল করার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে। রাতে পৌরসভার কম্পিউটার অপারেটর রিয়াজুল ইসলাম বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও প্রতারণার মামলা করেছেন।
বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক তানজিনা খাতুন বলেন, তাঁর স্বাক্ষর জাল করে এক যুবককে নতুন ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির জন্য পৌরসভার নাগরিকত্ব সনদ প্রদান করা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদে সংশ্লিষ্টরা বিষয়টি স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় দুজনের বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও প্রতারণার মামলা করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ