ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

চাড়ালজানী ব্রিজের পাশে ময়লার ভাগাড়, দুর্গন্ধে নাকাল পথচারী ও এলাকাবাসী


চাড়ালজানী ব্রিজের পাশে ময়লার ভাগাড়, দুর্গন্ধে নাকাল পথচারী ও এলাকাবাসী

টাঙ্গাইলের মধুপুর পৌরশহরের চাড়ালজানী ব্রিজের উত্তর পাশে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে ময়লা-আবর্জনা ফেলার ফলে এক বিশাল ময়লার ভাগাড় সৃষ্টি হয়েছে। এই অবস্থার কারণে পচা দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ায় চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন পথচারী, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সড়কের পাশে বিভিন্ন ধরনের ময়লা-আবর্জনা স্তূপ করে রাখা হয়েছে। এসব ময়লার পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে আশপাশের এলাকায়। বিশেষত, স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের দুর্গন্ধের মধ্য দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। অনেক শিক্ষার্থীকে সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় নাকে হাত দিয়ে চলাচল করতে দেখা যায়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ময়লার পচা দুর্গন্ধ শুধু সড়কেই সীমাবদ্ধ নেই; এটি আশপাশের বাড়িঘরেও ছড়িয়ে পড়ছে। ফলে বসবাস করা অনেকটা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এভাবে ময়লা পড়ে থাকার কারণে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুন: কুলিয়ারচরে পূর্ব গাইলকাটা জুনিয়র ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে আকাশ-নিলয় একাদশ চ্যাম্পিয়ন

সুধীজনদের মতে, লোকালয়ের পাশে এভাবে ময়লা-আবর্জনা ফেলার ফলে দুর্গন্ধের পাশাপাশি জীবাণু ও রোগবালাই ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই তারা দ্রুত ময়লার ভাগাড়টি অপসারণ করে নির্দিষ্ট ও লোকালয় থেকে দূরে নিরাপদ স্থানে ময়লা ফেলার ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন।

এলাকাবাসীর দাবি, জনদুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে মধুপুর পৌর কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং সড়কের পাশে ময়লা ফেলা বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ-ব্রাজিল ম্যাচ আয়োজনের সামর্থ্য নেই সরকারের: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:০৪ পি.এম


বাংলাদেশ-ব্রাজিল ম্যাচ আয়োজনের সামর্থ্য নেই সরকারের: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশ-ব্রাজিল ম্যাচ আয়োজনের পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের অবস্থান জানালেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।

ঢাকায় অক্টোবর মাসে বাংলাদেশ ও ব্রাজিলের সম্ভাব্য প্রীতি ম্যাচের আলোচনা বর্তমানে তুঙ্গে রয়েছে। তবে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক সেই সম্ভাবনার উপর জল ঢেলে দিয়েছেন।

 

তিনি উল্লেখ করেছেন, সরকার এই ম্যাচ আয়োজনের জন্য অর্থ ব্যয়ের সক্ষমতা রাখে না। তবে, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) যদি পৃষ্ঠপোষকদের মাধ্যমে অর্থের ব্যবস্থা করতে পারে, তাহলে সরকার তাদের সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবে।

আজ মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ঢাকায় বক্সিং কোচিং কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, “এককথায় উত্তর দিলে এই মুহূর্তে আমরা সরকারের পক্ষ থেকে এই ম্যাচের জন্য টাকা খরচ করতে পারব না। আপনারা জানেন, বিদ্যুৎ-জ্বালানিসহ বিভিন্ন সেক্টর নিয়ে আমাদের অনেক বেশি ব্যয় বহন করতে হচ্ছে।

 

তাহলে একটি ম্যাচকে উপলক্ষ করে সরকারের পক্ষ থেকে ব্যয় করার মতো মানসিকতা আমাদের নেই।”

তবে, বাফুফে যদি বিভিন্ন উৎস থেকে টাকার ব্যবস্থা করতে পারে, তাহলে সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন আমিনুল হক। তিনি বলেন, “বাফুফের সঙ্গে যেহেতু ব্রাজিলের প্রতিনিধিদলের কথা হয়েছে, তারা যদি বিভিন্ন স্পন্সর এনে সেটাকে পরিপূর্ণতা দিতে পারে, তাহলে আমরা সার্বিক সহযোগিতা করব।”

ব্রাজিলের সম্ভাব্য বাংলাদেশ সফর সম্পর্কে বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালের সঙ্গে তার আলোচনা হয়েছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী আমিনুল। তবে, ম্যাচের ব্যয়ভার ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা এখনো হয়নি

 

আমিনুলের ভাষায়, “বিষয়টি (ব্রাজিল দলের ঢাকায় আসার সম্ভাবনা) একদম প্রাথমিক পর্যায়ে আছে। বাফুফে সভাপতির সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। আমরা প্রাথমিক আলোচনাই করেছি। ব্যয়ভার বহনসহ আনুষঙ্গিক বিষয়গুলো নিয়ে এখনো খোলামেলা আলোচনা হয়নি।”

ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশনের (সিবিএফ) প্রতিনিধিদল গত রবিবার (২৩ আগস্ট) ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়াম ও বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনা পরিদর্শন করেছে এবং তাদের সন্তুষ্টির কথা জানিয়েছে।

 

খেলোয়াড়সহ ৯০ জনের বহর নিয়ে তারা অক্টোবরে ঢাকায় আসতে চেয়েছে।

রেকর্ড পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল যদি বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলতে আসে, তাহলে তা একটি বড় অর্জন হবে বলে মনে করেন আমিনুল হক। তবে, তিনি মনে করেন যে এই একটি ম্যাচ খেললেই দেশের ফুটবলে বড় পরিবর্তন আসবে—এমনটি নয়।

এ বিষয়ে আমিনুল বলেন, “বিশ্বকাপের সময় ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার জন্য বাংলাদেশে বিপুল সমর্থন দেখা যায়। সেখান থেকে বাংলাদেশ-ব্রাজিল ম্যাচ হলে সমর্থকদের ইচ্ছা পূরণ হবে, দর্শকরা আনন্দ পাবেন। কিন্তু এই ম্যাচের পর যে দেশের ফুটবলে পরিবর্তন আসবে, এই বিষয়ের সঙ্গে আমি একমত নই।”

দেশের ফুটবলের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের জন্য অবকাঠামো ও প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরির দিকে নজর দিতে হবে বলে মনে করেন প্রতিমন্ত্রী আমিনুল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাইকোর্ট জাতীয় পতাকা প্রদর্শনের ক্ষেত্রে চেয়ার-সোফার পেছনে পতাকা রাখার বিরুদ্ধে নির্দেশনা প্রদান করেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:০৫ পি.এম


হাইকোর্ট জাতীয় পতাকা প্রদর্শনের ক্ষেত্রে চেয়ার-সোফার পেছনে পতাকা রাখার বিরুদ্ধে নির্দেশনা প্রদান করেছে

হাইকোর্ট জাতীয় পতাকা প্রদর্শনের ক্ষেত্রে চেয়ার-সোফার পেছনে পতাকা রাখার বিরুদ্ধে নির্দেশনা প্রদান করেছে।

জাতীয় পতাকার আইন বহির্ভূত ও অবমাননাকর ব্যবহার বন্ধ করতে সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে এই নির্দেশ বাস্তবায়নের জন্য বলা হয়েছে।

 

জনস্বার্থে দায়ের করা একটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে মঙ্গলবার বিচারপতি আহমেদ সোহেল এবং বিচারপতি এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রুল জারি করেন। আইনজীবী শরীফ সরকারের করা এই রিট আবেদনের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী শুনানি করেন।

রুলে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিসে জাতীয় পতাকা পেছনে রেখে বসা এবং এভাবে পতাকার ব্যবহার কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। আদালত অন্তবর্তীকালীন আদেশে জাতীয় পতাকার ব্যবহার বিধিমালা অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা যাচাইয়ের জন্য তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন।

 

কমিটিতে একজন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা, একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন সরকারি প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত থাকবে। কমিটিকে ৬০ দিনের মধ্যে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যক্তিগত অফিস বা দপ্তরে জাতীয় পতাকা ব্যবহারের আইনগত বৈধতা, পতাকা ব্যবহারের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আইনগত অধিকার এবং পতাকার নির্ধারিত দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও অন্যান্য স্পেসিফিকেশন যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, এসব বিষয় যাচাই করে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

ব্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী সাংবাদিকদের জানান, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিসকক্ষে চেয়ারের পেছনে, টেবিলের পাশে কিংবা সোফার পাশে জাতীয় পতাকা রেখে বসতে দেখা যাচ্ছে। অথচ জাতীয় পতাকা ব্যবহারের ‘বাংলাদেশের পতাকা বিধিমালা, ১৯৭২’-এ সুনির্দিষ্ট বিধান রয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, বিদ্যমান আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী নির্দিষ্ট সরকারি ভবন, বিশেষ কিছু ব্যক্তির বাসস্থান এবং তাদের গাড়ি ও জলযানে জাতীয় পতাকা ব্যবহারের বিধান রয়েছে। ১৯৭২ সালের পতাকা বিধিমালায় নির্দিষ্ট ১৫ শ্রেণির ব্যক্তিকে বাসস্থানে এবং ৮ শ্রেণির ব্যক্তিকে গাড়ি বা জলযানে জাতীয় পতাকা ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

রিটকারী আইনজীবী জানান, সাম্প্রতিক সময়ে আইনগতভাবে পতাকা ব্যবহারের সুবিধাপ্রাপ্ত নন, এমন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও ব্যক্তিগত অফিসকক্ষে চেয়ারের পেছনে বা পাশে পতাকা রেখে বসছেন। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত এ ধরনের ছবি আদালতের নজরে আনা হয়েছে। এ ধরনের ব্যবহার জাতীয় পতাকার প্রতি অবমাননাকর এবং বিদ্যমান আইন ও বিধিমালার পরিপন্থী।

 

এসব বিষয় তুলে ধরে রিট আবেদনটি করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাবিতে ‘মিট দ্য অ্যাম্বাসেডর’: বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:০৮ পি.এম


ঢাবিতে ‘মিট দ্য অ্যাম্বাসেডর’: বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা

ঢাকা, ২৫ আগস্ট, ২০২৬ : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) বাংলাদেশ-ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সম্পর্ক নিয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার ‘মিট দ্যা অ্যাম্বাসেডর’ শীর্ষক এই আলোচনা সভাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) ও ফ্রেডরিখ-এবার্ট-স্টিফটাং বাংলাদেশ যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম এবং বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে শিক্ষা, গবেষণা, প্রযুক্তি, জলবায়ু, বাণিজ্য, মানবাধিকার, সুশাসন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, কূটনীতি শুধু সরকারি দপ্তর বা আন্তর্জাতিক সংস্থার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে তরুণ প্রজন্মের জীবন ও ভবিষ্যৎ সরাসরি সম্পৃক্ত। তাই শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও বৈশ্বিক বিষয়গুলো নিয়ে প্রশ্ন করা, মতবিনিময় করা এবং কূটনীতিকদের সঙ্গে সরাসরি সংলাপে অংশ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন। এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক বোধ, সমালোচনামূলক চিন্তার বিকাশ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করবে।

উপাচার্য আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এমন একটি আন্তর্জাতিক একাডেমিক পরিবেশ গড়ে তুলতে চায়, যেখানে শিক্ষার্থীরা দেশের পাশাপাশি বৈশ্বিক বুদ্ধিবৃত্তিক ও পেশাগত পরিমণ্ডলেও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে অংশ নিতে পারে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিকীকরণের মাধ্যমে দেশের বাস্তব সমস্যা ও জাতীয় প্রয়োজনের সঙ্গে শিক্ষা ও গবেষণার সংযোগ আরও জোরদার করতে হবে। তিনি কূটনৈতিক মিশন, সরকার, বিশ্ববিদ্যালয়, উন্নয়ন সহযোগী, বেসরকারি খাত ও সুশীল সমাজের মধ্যে অংশীদারত্ব বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বলেন, পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক বাস্তবতায় নির্ভরযোগ্য অংশীদারিত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশকে ইইউ শুধু বাজার বা উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে নয়, বরং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করে। গণতন্ত্র, মানবাধিকার, আইনের শাসন, সুশাসন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা ও গবেষণাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদারের সুযোগ রয়েছে।

রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার আরও বলেন, বাংলাদেশের তরুণদের দক্ষতা, শিক্ষা, গবেষণা ও আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততার সুযোগ বাড়ানো ইইউর অগ্রাধিকারের অংশ। বাংলাদেশের সঙ্গে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা সহযোগিতা সম্প্রসারণের পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন শিক্ষা ও বৃত্তি কর্মসূচির সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানান তিনি। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার প্রশংসা করে রাষ্ট্রদূত বলেন, ভবিষ্যতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও জোরদার করতে প্রয়োজনীয় সংস্কার, নীতিগত স্বচ্ছতা, পূর্বানুমেয়তা ও কার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের সঙ্গে সম্ভাব্য মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও ইইউ ইতিবাচকভাবে কাজ করতে আগ্রহী বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুনামগঞ্জ সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের কৃর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:০৯ পি.এম


সুনামগঞ্জ সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের কৃর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

সুনামগঞ্জ, ২৫ আগস্ট, ২০২৬ : ঐতিবাহী সুনামগঞ্জ সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের কৃর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সুনামগঞ্জ সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের আয়োজনে আজ মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় বিদ্যালয়ের হলরুমে ২০২৫ সালের প্রাথমিকে ৮১ জন বৃত্তিপ্রাপ্ত (সাধারণ +টেলেণ্ডফুল) ছাত্র ও এস এস সি ২০২৬ এ জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৬২ জন ছাত্রকে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ কে এম আজাদ মিয়ার সভাপতিত্বে এবং সহকারী শিক্ষক সাইদুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা সভায় বক্তব্য দেন, সহকারী শিক্ষক নিখিল চন্দ্র দেবনাথ, সত্যবৃত চক্রবর্তী, লিটন রঞ্জন তালুকদার, অনুপ নারায়ন তালুকদা, আনোয়ার হোসেন, ফারুক আহমদ, ইসমাইল হোসেন।

বক্তারা বলেন, আজকের শিশুরা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। আমাদের কৃর্তি শিক্ষার্থীরা এভাবেই একদিন দেশের সুনাগরিক হবে।
বক্তারা আরো বলেন, এ বিদ্যালয় থেকে দেশের খ্যাতিমান নেতৃত্ব তৈরি হয়েছে। তাই শিক্ষার্থীদের মানবিক ও মূল্যবোধের মাধ্যমে পৃথিবীটাকে জানতে হবে। সব শিক্ষাগুরু ও বড়দের প্রতি সম্মান রেখে শিক্ষার্থীদের দেশ গড়ার জন্য তৈরি হতে হবে।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অনুভূতি প্রকাশ করেন শিক্ষার্থী এস এস আবু নাহীম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%