ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জুলাইয়ের প্রথম ৬ দিনে দেশে এলো ৭০ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স


জুলাইয়ের প্রথম ৬ দিনে দেশে এলো ৭০ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স

চলতি মাসের প্রথম ৬ দিনে দেশে এসেছে ৬৯ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এই হিসাব অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১১ কোটি ৬০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান।

এতে বলা হয়, চলতি মাসের প্রথম ৬ দিনে দেশে এসেছে ৬৯ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। গত বছরের একই সময়ে যা এসেছিল ৪২ কোটি ৭০ লাখ ডলার। এর মানে যে বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে।

আরও পড়ুন: ভারতীয় গোয়েন্দার সঙ্গে গোলাম পরওয়ারের গোপন বৈঠক, রাশেদের দাবি

এছাড়া, গত জুন মাসে দেশে এসেছে ২৮১ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫১ কোটি ৫১ লাখ ডলার। পাশাপাশি, বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৪৪ কোটি ১৬ লাখ ৮০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১৮৫ কোটি ৩৫ লাখ ৮০ হাজার ডলার এবং বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৬৬ লাখ ১০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।

গত মে মাসে দেশে এসেছে মোট ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যা বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়। গত এprিলে দেশে এসেছিল ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ মার্কিন ডলার। আর গত মার্চে দেশের ইতিহাসে যে কোনো এক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার।

গত ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারি মাসে যথাক্রমে দেশে এসেছে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ও ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। গত ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার; নভেম্বরে এসেছিল ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।

এছাড়া, গত অক্টোবর ও সেপ্টেম্বরে দেশে এসেছিল যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ও ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর গত আগস্ট ও জুলাইয়ে যথাক্রমে দেশে এসেছিল ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ও ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী টোকিওতে বাংলাদেশ-জাপান টেক পার্ক প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিয়েছেন

এদিকে, গত ২০২৫-২৬ অর্থবছর জুড়ে দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩ হাজার ৫৫৬ কোটি ২০ লাখ বা ৩৫.৫৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তীব্র গরমের শঙ্কা কাটায় স্বস্তিতে আর্জেন্টিনা শিবির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:০২ পি.এম


তীব্র গরমের শঙ্কা কাটায় স্বস্তিতে আর্জেন্টিনা শিবির

এটি মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়াম, যেখানে আর্জেন্টিনা মিশরের মুখোমুখি হবে।

অল্প কিছু সময় পর শেষ ষোলোর নকআউট ম্যাচে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা মিসরের মুখোমুখি হবে। জমজমাট ওই লড়াইয়ে মাঠে নামার আগে স্বস্তির খবর আর্জেন্টিনা শিবিরে।

ম্যাচটিতে তীব্র গরম এবং অদৃশ্য প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনার আলবেসিলেস্তাদের হতে হবে না। যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থা থাকায় আবহাওয়া সমস্যা তৈরি করবে না।

আর্জেন্টিনার ক্রীড়া সংবাদমাধ্যম ‘টিওয়াইসি স্পোর্টসে’র প্রতিবেদনের অনুযায়ী, আগে গ্রুপ পর্বে ডালাসে অস্ট্রিয়া এবং জর্ডানের বিরুদ্ধে জয়ের সময়কার মতো, এই ভেন্যুতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। তাই তাপ (দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩° সেলসিয়াস পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে) নিয়ে কোনো উদ্বেগের কারণ থাকবে না।

রাউন্ড অব ৩২ তে কেপ ভার্ডের বিপক্ষে ৩-২ গোলের জয়ের ম্যাচে আর্জেন্টিনা মিয়ামির আর্দ্রতা ও গরমে বেশ ভুগেছিল। ওই ম্যাচের ফলে তাদের বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় পেশিতে টান অনুভব করেছিলেন। ফলস্বরূপ, দলের লেফট-ব্যাক ফাকুন্ডো মেদিনা এবং মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ ইনজুরি নিয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন। তবে মিসরের বিপক্ষে এই ধরনের সমস্যাগুলোতে ভুগতে হবে না আর্জেন্টিনাকে।

এতে করে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রা ক্লান্তিহীনভাবে খেলতে পারবে এবং তাদের শতভাগ পারফরমেন্স দেওয়ার সুযোগ থাকবে ম্যাচটিতে।

যদিও নকআউট পর্বের প্রতিটি ম্যাচ কঠিন হবে বলেই মনে হচ্ছে। এতে সকল দলের জন্য নিশ্চিন্ত থাকার কোনো সুযোগ নেই, তবুও আবহাওয়ার কারণে অতিরিক্ত ক্লান্তি আসবে না—এই বিষয়টি লিওনেল স্কালোনির দলের জন্য ইতোমধ্যেই একটি সুখবর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাঙ্গায় সুমন হত্যা মামলায় ৪ আসামি গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:০২ পি.এম


ভাঙ্গায় সুমন হত্যা মামলায় ৪ আসামি গ্রেফতার

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় সুমন হত্যা মামলার চার আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাতের বিভিন্ন এলাকায় তারা গ্রেফতার হয়।

গ্রেফতার আসামিদের মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, সুমন হত্যাকাণ্ডের মামলার তদন্তের অংশ হিসাবে অভিযানে ওই চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান চলমান রয়েছে।

এর আগে, গত ৩০ জুন রাত সাড়ে ৮টার দিকে ভাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পূর্বশত্রুতার ফলস্বরূপ কাপুরিয়া সদরদি ও হাশামদিয়া গ্রামের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সেই সময় প্রতিপক্ষের গুলিতে সুমন শেখ নামের এক যুবক নিহত হয়।

পরবর্তীতে এ ঘটনার পর নিহত সুমনের বাবা মিলন শেখ বাদী হয়ে ভাঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার তদন্তের ধারাবাহিকতায় পুলিশ এই চার আসামিকে গ্রেফতার করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে আশ্রয়ণ প্রকল্পের পাশেই বালু উত্তোলন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:০৪ পি.এম


নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে আশ্রয়ণ প্রকল্পের পাশেই বালু উত্তোলন

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার বনগাঁও আশ্রয়ণ প্রকল্পের পাশে অবাধে চলছে বালু তোলা। ড্রেজার মেশিন দিয়ে সোমবার অভিযোগ উঠেছে যে অবৈধভাবে বালু তোলা হচ্ছে। বনগাঁও আশ্রয়ণ প্রকল্পটি আছে খোয়াই নদীর পাশে। প্রকল্পের ঘরে ঠাঁই পেয়েছে ১৬০টি ভূমিহীন পরিবারের।

তবে এখন এই নিরাপদ আশ্রয়টিতে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে পাশের এলাকা থেকে অবৈধভাবে বালু তোলার কারণে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে যে প্রকল্পের ঘর নদীভাঙনের শিকার হতে পারে।

বঙ্গাঁও এলাকায় এই আশ্রয়ণ প্রকল্প ঘেঁষে ড্রেজারের মাধ্যমে অবৈধভাবে বালু তোলার অভিযোগ ইজারাদারের বিরুদ্ধে আনা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতারাও এই কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত।

অবৈধভাবে বালু তোলার ফলে শুধু আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরই নয়, আশপাশের কৃষিজমিও হুমকির সম্মুখীন হয়েছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন যে প্রশাসনের নাকের ডগায় এই কার্যক্রম দীর্ঘ দুই মাস ধরে চলছে, কিন্তু কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না। এর ফলে প্রশাসনের ভূমিকাকে নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, বনগাঁও আশ্রয়ণ প্রকল্প সংলগ্ন এলাকায় খোয়াই নদীতে অন্তত ২৫টি ড্রেজার দিয়ে দিন-রাত বালু তোলা চলছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বালুমহালের সীমানা নির্ধারণ করে সাইনবোর্ড বসানোর কথা থাকলেও এমন কিছু সেখানে দেখা যায়নি। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছে যে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে গত দুই মাস ধরে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তারা বলছেন, ইজারার শর্ত ভঙ্গ করে নদীর তলদেশ থেকে অবাধে বালু তোলার ফলে নদীর পাড় দুর্বল হয়ে পড়েছে। ফলে বর্তমান বর্ষা মৌসুমে বড় ধরনের ভাঙনের আশঙ্কায় আতঙ্কিত আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দারা।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, চলতি বাংলা ১৪৩৩ সনের জন্য রাজার বাজার বালুমহালের ইজারা পায় রাহী ট্রেডার্স, যা পরিচালনা করছেন সেলিম মিয়া। আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের দাবি, অবিলম্বে অবৈধ বালু তোলার কার্যক্রম বন্ধ করে তাদের রক্ষা করা উচিত। আইন অনুযায়ী আশ্রয়ণ প্রকল্প, সেতু, কালভার্ট, বাঁধ, রাস্তা, এবং গুরুত্বপূর্ণ সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা এবং আবাসিক এলাকার অন্তত এক কিলোমিটার দূরত্বে বালু তোলা নিষিদ্ধ। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই আইন অমান্য করে ড্রেজার বসিয়ে বালু তোলা হচ্ছে।

বনগাঁও আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা সরদার আ. জলিল অভিযোগ করেন, ‘শুধু নদীর থেকেই নয়, বরং প্রকল্পসংলগ্ন ১৩টি পরিবারের মালিকানাধীন জমি দখল করে বিশাল বালুর ডিপো গড়ে তোলা হয়েছে। একাধিকবার প্রতিবাদ করার পরও আমরা কোনো প্রতিকার পাইনি।’

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য জরিপে দেখা যায়, আশ্রয়ণ প্রকল্প সংলগ্ন এলাকায় স্থানীয় আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বাবরু মিয়া, জামায়াতের সভাপতি মোস্তফা হোসেন মস্তু এবং আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা আল আমিনসহ বেশ কয়েকজন এই বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা বাবরু মিয়ার মোবাইল ফোনে বারবার কল করা হলেও তিনি তা ধরেননি। অন্যদিকে অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা আল আমিন এই বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি। তবে জামায়াত নেতা মোস্তফা মস্তু অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, ‘সরকার নির্ধারিত সীমানার মধ্যেই বালু তোলা হচ্ছে। যদি তীরবর্তী বসতবাড়ির কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয় তাহলে আমরা ক্ষতিপূরণ দেব।’

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) হবিগঞ্জের সহ-সভাপতি তোফাজ্জল সুহেল বলেন, ড্রেজার দিয়ে বালু তোলার ফলে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন যে প্রশাসন যদি ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে আশ্রয়ণের পরিবারগুলো মাথা গোঁজার ঠাঁই হারাবে।

চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গালিব চৌধুরী বলেন, বালুর বিষয়টি এসিল্যান্ড দেখবেন। সব দায়-দায়িত্ব তাকে দেওয়া হয়েছে। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তৌফিক আনোয়ার জানান, শিগগির ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আবুল হাসেম বলেন, ‘অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। অনিয়মের প্রমাণ মিললে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ জেলা প্রশাসক ড. জি এম সরফরাজ বলেন, ‘কিছুদিন আগে বনগাঁও এলাকা পরিদর্শন করেছি। তখন সব ঠিক ছিল। যদি আশ্রয়ণ প্রকল্প ঘেঁষে ইজারাদার বালু তোলেন, তাহলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশীয় মাছের প্রজাতি সংরক্ষণে সরকার নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:০৫ পি.এম


দেশীয় মাছের প্রজাতি সংরক্ষণে সরকার নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, দেশীয় মাছের প্রজাতির বিলুপ্তি রোধ এবং দেশের জলজ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ যেমন সংরক্ষণ, গবেষণা ও আবাসস্থল পুনরুদ্ধারসহ বাস্তবায়ন করছে।

আজ জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সদস্য খায়রুল কবির খোকন (নরসিংদী-১)-এর তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, দেশীয় মাছ সংরক্ষণে সরকার অভয়াশ্রম স্থাপন করেছে, এবং উন্মুক্ত জলাশয়ে দেশীয় মাছের পোনা অবমুক্ত করেছে। এছাড়া প্রজননক্ষেত্র সংরক্ষণ, আইন প্রয়োগ জোরদার ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার সহায়তায় একটি সমন্বিত কৌশল গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, ‘দেশীয় মাছের প্রজাতির ওপর বিদ্যমান বিভিন্ন হুমকি মোকাবিলা করতে এবং দীর্ঘমেয়াদে এগুলো সংরক্ষণ নিশ্চিত করা সরকারের ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।’

মন্ত্রী জানান, দেশের নদ-নদী ও অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয়ে মোট ৬৬৯টি মাছের অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এসব অভয়াশ্রমের আওতায় এলাকা রয়েছে ১ হাজার ১৯৫ দশমিক ৯১ হেক্টর এবং স্থানীয় উপকারভোগী দল এগুলো পরিচালনা করছে।

তিনি বলেন, মূল্যবান জলজ সম্পদ রক্ষায় চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির নাজিরহাট সেতু থেকে হালদা-কর্ণফুলী মোহনা ও কালুরঘাট সেতু পর্যন্ত হালদা নদীর ৪০ কিলোমিটার এলাকাকে মাছের অভয়াশ্রম ঘোষণা করা হয়েছে।

এছাড়া মৌলভীবাজার জেলার তিনটি উপজেলায় ১০টি স্থায়ী মাছের অভয়াশ্রম সংরক্ষণ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

আমিন উর রশিদ বলেন, সংরক্ষণ কার্যক্রম আরো শক্তিশালী করতে সরকার ‘অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছের অভয়াশ্রম স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা নির্দেশিকা, ২০২৬’ প্রণয়ন করেছে।

তিনি বলেন, মৎস্য অধিদপ্তরের নিয়মিত কর্মসূচির আওতায় প্রতিবছর উন্মুক্ত জলাশয়ে দেশীয় মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয় এবং প্রাকৃতিক জলাশয়ে মাছের উৎপাদন বাড়াতে বিল নার্সারি স্থাপন করা হয়।

মন্ত্রী জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রাজস্ব ও উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় মোট ৯৪৭টি বিল নার্সারি স্থাপন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, দেশীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে সরকার ‘দেশীয় মাছ ও শামুক সংরक्षण ও উন্নয়ন’ শীর্ষক একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে।

জলজ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন নিশ্চিত করতে প্রতিবছর ২৯ মে থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত সাতটি হাওর জেলায় ৩০ দিন মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকে বলেও তিনি জানান।

মন্ত্রী বলেন, ‘মৎস্য সংরক্ষণ আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বিশেষ করে কারেন্ট জালের মতো ধ্বংসাত্মক অবৈধ জাল ব্যবহারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

তিনি আরো বলেন, দেশীয় মাছের বিলুপ্তি রোধে গবেষণার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই)।

মন্ত্রী জানান, এখন পর্যন্ত বিএফআরআই পাবদা, গুলশা, শিং, মাগুর, ভেদা, বাটা, সরপুঁটি, ভাঙ্গনা, কালিবাউশ, মহাশোল, আইড়, চিতল, ফলি, কুচিয়া, টেংরা ও খলিশাসহ ৪১টি দেশীয় মাছের প্রজনন ও চাষ প্রযুক্তি উদ্ভাবন করতে সক্ষম হয়েছে।

তিনি সংসদকে আরো জানান, বর্তমানে বাংলাদেশে দেশীয় মাছের প্রজাতির সংখ্যা ২৬১টি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%