মোঃ একদিল হোসেন স্টাফ রিপোর্টার
১০:৫১ পি.এম
টাঙ্গাইলের সদর ও ঘাটাইল উপজেলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে মোট ১ গ্রাম হেরোইন ও ৫ গ্রাম গাঁজা জব্দ করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে গ্রেপ্তার তিনজনকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
রোববার (১১ অক্টোবর ২৬) টাঙ্গাইল সদর থানার কান্দাপাড়া এলাকার একটি স্থান এবং ঘাটাইল থানার পাকুটিয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন টাঙ্গাইলের দিঘুলিয়া বেপারীপাড়া এলাকার মো. হানিফ (৪০), কান্দাপাড়া এলাকার রিতা আক্তার (৩৫) এবং ঘাটাইল উপজেলার পাকুটিয়া গ্রামের মো. নাজমুল হোসেন শান্ত (২৪)।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, টাঙ্গাইল সূত্রে জানা যায়, পৃথক অভিযানে জব্দ করা মাদকের মধ্যে ১ গ্রাম হেরোইন ও ৫ গ্রাম গাঁজা রয়েছে। এ ঘটনায় তিনজনের বিরুদ্ধে তিনটি ভ্রাম্যমাণ আদালতের মামলা দায়ের করা হয়।
অভিযানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. সাইফুর রহমান এবং উপপরিদর্শক তপু খান ও মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম প্রসিকিউশন দাখিল করেন।
পরে টাঙ্গাইলের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাজমুস সাকিব, মোছা. ফারহানা আরেফিন জুঁই এবং কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নূরী তাসমিন ঊর্মির পরিচালনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত সাজা ঘোষণা করেন।
আদালতের আদেশ অনুযায়ী, হানিফ ও নাজমুল হোসেন শান্তকে তিন মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং রিতা আক্তারকে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি হানিফ ও রিতা আক্তারকে ৫০ টাকা করে এবং নাজমুল হোসেন শান্তকে ১০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, টাঙ্গাইলের সহকারী পরিচালক মো. আহসানুল কবির বুলবুল অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মাদকবিরোধী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর পুরান ঢাকার চকবাজার এলাকায় ‘মনজুর খান প্লাজা’ নামে পরিচিত সাততলা ভবনে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে, যা সংলগ্ন অন্য একটি ভবনে ছড়িয়ে পড়েছে। আগুনের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট কাজ করছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকাল ৫টা ৪ মিনিটে আগুন লাগার খবর ফায়ার সার্ভিসের কাছে পৌঁছায়।
ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার রাশেদ বিন খালিদ গণমাধ্যমকে জানান, প্রথমে সাততলা ভবনের ষষ্ঠ তলায় আগুনের সূত্রপাত ঘটে। খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। তবে ভবনের অভ্যন্তরে প্রচুর ধোঁয়া থাকায় ফায়ার ফাইটারদের জন্য আগুন নেভাতে সমস্যা তৈরি হয়।
তিনি আরও জানান, কিছু সময় পর আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও তা পাশের আরেকটি ভবনে ছড়িয়ে পড়ে।
এখনো পর্যন্ত আগুন লাগার কারণ, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অথবা হতাহতের বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারীর ক্ষমতায়ন, মর্যাদা ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় পরিবারভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। এ কর্মসূচির লক্ষ্য ও বাস্তবায়নপ্রক্রিয়া সম্পর্কে গণমাধ্যমকর্মীদের অবহিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জোবায়ের হাবিব।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলা পরিষদের মিনি কনফারেন্স কক্ষে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সার্বিক সহযোগিতা করেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ঝুমুর সরকার।
সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও মো. জোবায়ের হাবিব বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সফল করতে পরিবারের সঠিক আর্থসামাজিক তথ্য সংগ্রহ এবং যোগ্য উপকারভোগী চিহ্নিত করা জরুরি। এ জন্য তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে, যাতে সরকারি সহায়তা প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আলফাডাঙ্গা উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় এ কর্মসূচির আওতায় খানা জরিপ পরিচালিত হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে টগরবন্দ, আলফাডাঙ্গা ও বানা ইউনিয়নে তথ্য সংগ্রহ শুরু হবে। প্রথমে টগরবন্দ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে কার্যক্রম শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়নেও এ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ কে এম রায়হানুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান মিয়া আব্বাস, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তুষার সাহা, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. প্রভাস চন্দ্র সেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. নুর জামাল খসরু, পৌর বিএনপির সভাপতি মো. রবিউল হক রিপন, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামান মনির, পৌর বিএনপির প্রচার সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান কদর এবং উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক মো. নিয়ামত হোসেন পারভেজসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
সংবাদ সম্মেলন শেষে মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের মধ্যে ল্যাপটপ বিতরণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বর্ণিল আয়োজনে উত্তর জনপদের অনন্য বিদ্যাপীঠ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুরের ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। আজ সোমবার (১২ অক্টোবর, ২০২৬) সকালে প্রশাসন ভবনের দক্ষিণ গেটের সামনে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় দিবসটির আনুষ্ঠানিকতা।
দিবসটি উপলক্ষে সকালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন কমিটি ২০২৬ এর আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মোঃ ফেরদৌস রহমানের নেতৃত্বে ক্যাম্পাসে বর্ণিল আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন হলের প্রভোস্টসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ বর্ণিল শোভাযাত্রায় অংশ নেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে বেলুন ও পায়রা ওড়ানো হয়। বাদ্যের তালে তালে শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে শুরু করে শহীদ আবু সাঈদ চত্বর হয়ে ক্যাডেট কলেজের মোড় প্রদক্ষিণ করে ক্যাম্পাসে ফিরে এসে শেষ হয়।
শোভাযাত্রা শেষে স্বাধীনতা স্মারক মাঠে এক আনন্দঘন পরিবেশে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটা হয়। ইন্সটিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেল (আইকিউএসি)-এর পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ তাজুল ইসলাম, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক মোঃ মাসুদ রানা, প্রক্টর মোঃ ইসমাইল হোসেন, বিভিন্ন হলের প্রভোস্টসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকালে ১ নম্বর খেলার মাঠে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীগণের অংশগ্রহণে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এছাড়া বিকেলে স্বাধীনতা স্মারক মাঠে আলোচনা সভা এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোকসজ্জ্বাসহ নানাভাবে সাজানো হয় ক্যাম্পাস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ