রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৫৬ পি.এম
বলিউডে নোরা ফাতেহী এখন নাচ ও অভিনয়ের জন্য পরিচিত। তবে এই অবস্থানে পৌঁছানোর জন্য তার পথটি সহজ ছিল না। ক্যারিয়ারের প্রাথমিক পর্যায়ে একাধিক গানের কাজে যুক্ত হলেও তিনি সময়মতো পারিশ্রমিক পেতেন না। সেই সময় ‘বিগ বস’-এ যাওয়ার প্রস্তাব আসে। নোরা শেষ পর্যন্ত একটি বিশেষ শর্তে সেই প্রস্তাবে রাজি হন।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী পুরনো অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেছেন। নোরা জানান, সে সময় তিনি বেশ কিছু গানের কাজ সম্পন্ন করেছিলেন। কিন্তু কাজ শেষ হলেও পারিশ্রমিক পেতে দেরি হচ্ছিল। প্রযোজকরা হয়তো তার এজেন্সিকে টাকা দিয়েছিলেন, কিন্তু সেই অর্থ তার কাছে পৌঁছাচ্ছিল না।
পারিশ্রমিক নিয়ে এই সমস্যার মধ্যে ‘বিগ বস’ থেকে ফোন আসে নোরার কাছে। তাকে অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে প্রথমে তিনি সরাসরি না করে দেন।কারণ, তখন রিয়ালিটি শো সম্পর্কে নোরার ধারণা খুব একটা ভালো ছিল না। তাই তিনি কর্তৃপক্ষকে নিজের আপত্তির কথা জানান। কিন্তু পরে তাকে ‘বিগ বস’-এর জন্য কত পারিশ্রমিক দেওয়া হবে, সেই তথ্য জানানো হয়। আর সেটিই নোরার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে।
তবে শুধুমাত্র পারিশ্রমিকের বিষয়টি নয়, ‘বিগ বস’-কে নিজের ক্যারিয়ারের জন্য কাজে লাগানোর পরিকল্পনাও ছিল নোরার। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, এই ধরনের জনপ্রিয় রিয়ালিটি শোয়ের মাধ্যমে দ্রুত দর্শকের কাছে পরিচিত হওয়া যায়।
নোরা ‘ওয়াইল্ড কার্ড’ প্রতিযোগী হিসেবে ‘বিগ বস’-এ প্রবেশ করেছিলেন। ফলে শোয়ে তার থাকার সম্ভাবনা খুব বেশিদিন ছিল না। তাই অল্প সময়ের এই সুযোগটিকে কিভাবে বড় কাজে লাগানো যায়, সেটাও ভাবছিলেন তিনি।
নোরার একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য ছিল—নাচের রিয়ালিটি শো ‘ঝালাক দিখলা যা’-এ অংশ নেওয়া। তাই ‘বিগ বস’-এ যোগ দেওয়ার আগে তিনি কর্তৃপক্ষের সামনে নিজের শর্ত রাখেন।
নোরা জানান, তাকে ‘ঝালাক দিখলা যা’-এও সুযোগ দিতে হবে। একই চ্যানেলের অনুষ্ঠান হওয়ায় শেষ পর্যন্ত তার সেই শর্ত মেনে নেওয়া হয়। এরপর ‘বিগ বস’-এ অংশ নেওয়ার পাশাপাশি ‘ঝালাক দিখলা যা’-এও তিনি জায়গা করে নেন।
২০১৫ সালের ডিসেম্বরে ‘বিগ বস ৯’-এ ওয়াইল্ড কার্ড প্রতিযোগী হিসেবে প্রবেশ করেছিলেন নোরা। ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে শো থেকে বাদ পড়েন। তবে অল্প সময়ের সেই উপস্থিতি তাকে দর্শকের কাছে আরো পরিচিত করে তোলে।
বিগ বস’-এ থাকাকালীন নোরা প্রিন্স নারুলার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করেছিলেন। দুজনকে প্রায়ই খুনসুটি করতে দেখা যেত। এমনকি প্রিন্স নোরাকে বিয়ের প্রস্তাবও দিয়েছিলেন।
পরে অবশ্য নোরার ক্যারিয়ার নিজের গতিতে এগিয়ে গেছে। অল্প সময়ের জন্য ‘বিগ বস’-এর ঘরে থাকলেও সেই অভিজ্ঞতা নোরার ক্যারিয়ারে নতুন সুযোগের দরজা খুলে দেয়। আর সেই যাত্রার শুরু হয়েছিল পারিশ্রমিক নিয়ে সমস্যার কারণে এবং নিজের ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নেওয়ার একটি কৌশল হিসেবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে মজুত প্রাকৃতিক গ্যাস ও তেল সম্পদ উত্তোলনের জন্য ইতালির বাণিজ্যিক কোম্পানিগুলোকে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) স্পিকারের কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাতের সময় ঢাকায় নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রোকে তিনি এই আমন্ত্রণ জানান।
দেশের চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবেলার জন্য উপকূলীয় অঞ্চলে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান ও কূপ খননের ওপর গুরুত্বারোপ করে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানান স্পিকার।
স্পিকার বলেন, "বাংলাদেশের সঙ্গে ইতালির অকৃত্রিম বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে ইতালি বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ইতালির সম্পর্কের সূচনা হয়।" তিনি উল্লেখ করেন, "বাংলাদেশের অভিবাসীদের জন্য ইতালি সবসময় উদারতা দেখিয়ে আসছে।"
তিনি আরও জানান, "ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ইতালি বাংলাদেশি রপ্তানি পণ্যের বৃহৎ গন্তব্য।"
স্পিকার জানান, "সর্বশেষ অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুনরায় গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। সংসদীয় গণতন্ত্রের বিস্তারের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে বিশ্বের গণতান্ত্রিক দেশগুলোর সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে।" তিনি বলেন, "ইতালি বাংলাদেশি অভিবাসীদের নিরাপদ ও আইনগত মাইগ্রেশনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।" পাশাপাশি, "রোহিঙ্গা সংকটে তাদের পুনর্বাসনের জন্য প্রতি বছর ইতালির সরকার বড় ধরনের আর্থিক সহায়তা বাংলাদেশকে দিয়ে থাকে।"
প্রতিরক্ষা ও বাণিজ্য প্রসঙ্গে স্পিকার উল্লেখ করেন, "ইতালি বাংলাদেশের সশস্ত্র প্রতিরক্ষার জন্য প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার।" তিনি জানান, "ইতালির বিভিন্ন মেশিনারি যন্ত্রপাতি বাংলাদেশের বাজারে পর্যাপ্ত পরিমাণে পাওয়া যায়।" স্পিকার আশা প্রকাশ করেন, "ইতালি ও বাংলাদেশের মধ্যে প্রচলিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সামনে আরও কৌশলগতভাবে বিস্তার লাভ করবে।"
ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো বলেন, "বাংলাদেশ ইতালির পুরোনো বন্ধু।" তিনি উল্লেখ করেন, "বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় ইতালির সরকার সবসময় দৃঢ় সমর্থন দেয়।" তিনি জানান, "বাংলাদেশ ও ইতালির সংসদের মধ্যে সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠন ও সংসদীয় প্রতিনিধির সফর বিনিময়ের মাধ্যমে সংসদীয় কূটনীতির বিস্তারে ইতালির সরকার অত্যন্ত আগ্রহী।" তিনি আরও জানান, "বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, চামড়াজাত পণ্য ও সিরামিকপণ্য প্রতি বছর প্রচুর পরিমাণে ইতালিতে রপ্তানি হয়ে থাকে।"
সাক্ষাতে উভয়েই সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠন, চলমান রোহিঙ্গা সংকট সমাধান, জ্বালানি সংকট নিরসনে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান এবং কূপ খননের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। এ সময় স্পিকার বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় মজুতকৃত গ্যাস ও তেল সম্পদ উত্তোলনে ইতালির বাণিজ্যিক কোম্পানিকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানান।
বৈঠকে ইতালির দূতাবাসের কূটনৈতিক প্রতিনিধি এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী দক্ষিণ-পশ্চিম বেলুচিস্তান প্রদেশের করাচি-চামান মহাসড়কে অভিযান পরিচালনা করে ৫ জন সন্ত্রাসীকে হত্যা করেছে। পাশাপাশি, সন্ত্রাসীদের গোপন আস্তানা থেকে ২৩ জন অপহৃত ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়েছে।
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর জনসংযোগ দপ্তর আইএসপিআর এক বিবৃতিতে জানায়, ফিতনা-আল-হিন্দুস্তান গোষ্ঠীর সদস্যরা পাকিস্তান এক্সপ্রেসওয়ে নামক ওই সড়কে একটি চেকপোস্ট স্থাপন করে। তাদের উদ্দেশ্য ছিল অপহরণ, চাঁদাবাজি এবং যানবাহন ছিনতাই করা। ১৮ ও ১৯ সেপ্টেম্বর তারিখে, অনেক মানুষ সন্ত্রাসীদের এই চৌকি পার হওয়ার সময় বিপদে পড়েন।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে ২৩ জন অপহৃতকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। এ সময় সন্ত্রাসীদের সঙ্গে গোলাগুলিতে তাদের প্রাণহানি ঘটে। নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ওই এলাকা থেকে ছয়টি ট্রাক, তিনটি বাস, দু’টি গাড়ি এবং বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরকও জব্দ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)-এর অধীনে ডিপ্লোমা ইন প্রাইমারি এডুকেশন (ডিপিএড) বোর্ড, ময়মনসিংহ ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে ছুটির তারিখ পরিবর্তন করেছে।
আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের পরিবর্তে দেশের পিটিআইসমূহে ছুটি ২৩ সেপ্টেম্বর পালন করা হবে।
এ তথ্য জানানো হয়েছে ডিপিএড বোর্ডের উপপরিচালক (মূল্যায়ন) এ কে এম মনিরুল হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে, যা ১৭ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নেপ থেকে প্রেরিত পিটিআইসমূহের ছুটির তালিকা-২০২৬ অনুযায়ী ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহমের ছুটি ২৪ সেপ্টেম্বর নির্ধারিত ছিল।
তবে, চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় চলতি বছর এই ছুটি এক দিন আগে, অর্থাৎ ২৩ সেপ্টেম্বর পালন করা হবে।
এই কারণে ২৩ সেপ্টেম্বর দেশের পিটিআইসমূহ বন্ধ থাকবে। পরের দিন, ২৪ সেপ্টেম্বর পিটিআইসমূহে কার্যক্রম যথারীতি চলবে।
বিজ্ঞপ্তিতে দেশের সব পিটিআই সুপারিনটেন্ডেন্টকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে বিজ্ঞপ্তির অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত মন্তব্য করেছেন যে, রোগতত্ত্ব ও রোগ নিয়ন্ত্রণ গবেষণা ইনস্টিটিউট, (আইইডিসিআর) দেশের সীমিত সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করে জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে একটি দৃষ্টান্ত হতে পারে।
তিনি রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মহাখালীতে আইইডিসিআর অডিটোরিয়ামে ‘বাংলাদেশ এফইটিপি কনফারেন্স ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
‘মাঠপর্যায়ের রোগতত্ত্ব চর্চা জোরদারকরণ’ শীর্ষক সম্মেলনটি আয়োজন করেছে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) এবং ফিল্ড এপিডেমিওলজি ট্রেনিং প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ (এফইটিপি-বি)। সম্মেলনে সেফটিনেট, এমফনেট, ইউনিসেফ ও ইউএস সিডিসি সহযোগিতা করছে।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আইইডিসিআর একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে দীর্ঘকাল ধরে দেশের এপিডেমিওলজিক্যাল জনবলের প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। বিশেষ করে ফিল্ড এপিডেমিওলজি ট্রেনিং প্রোগ্রাম (এফইটিপি) একটি অত্যন্ত সফল উদ্যোগ। এই কর্মসূচির স্নাতকরা দেশের পাশাপাশি বিদেশের বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছেন এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।
ড. এম এ মুহিত তরুণ গবেষক, শিক্ষক ও বিশেষজ্ঞদের সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, দেশে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন। যদিও অনেক ভালো প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান রয়েছে, তবে সমন্বয়ের অভাবে সীমিত সম্পদের পূর্ণ সদ্ব্যবহার হচ্ছে না। এই ক্ষেত্রে আইইডিসিআর একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে।
সম্মেলনে প্রদর্শিত বৈজ্ঞানিক পোস্টার ও গবেষণাপত্রের প্রশংসা করে তিনি বলেন, এগুলো আন্তর্জাতিক মানের। বাংলাদেশের বাস্তব সমস্যা ও বিপুল জনগণের স্বাস্থ্যঝুঁকির কেন্দ্রবিন্দুতে এসব গবেষণা পরিচালিত হয়েছে, যা সবচেয়ে ইতিবাচক দিক। সম্মেলনে আইইডিসিআরের পরিচালক ড. কাজী আহমেদ জাকির সভাপতিত্ব করেন এবং সায়েন্টিফিক কমিটির চেয়ারম্যান ড. এস এম বাকী বিল্লাহসহ বিভিন্ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ