সাব্বির হাসনাত, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
০৯:৫৬ পি.এম
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা, স্টার্টআপ ও ইনোভেশন কার্যক্রমকে গতিশীল করার লক্ষ্যে এবং দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে অ্যাকাডেমিয়া-ইন্ডাস্ট্রি লিংকেজ আরও শক্তিশালী করার জন্য সরকারি ও স্থানীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
এরই ধারাবাহিকতায় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক তাহ্মিনা আখতার আজ বাংলাদেশ মিল্কভিটার শাহজাদপুর কার্যালয়সহ সিরাজগঞ্জ যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক), সিরাজগঞ্জ কার্যালয় পরিদর্শন করেন। এই পরিদর্শনের সময় তিনি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা, কারিগরি ও দক্ষতাভিত্তিক প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ততা এবং স্টার্টআপ ও ইনোভেশন উদ্যোগকে উৎসাহিত করার বিষয়ে মতবিনিময় করেন।
এ সময় মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক তাহ্মিনা আখতার বলেন, প্রচলিত অ্যাকাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বাস্তবমুখী প্রশিক্ষণ, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, উদ্ভাবন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ তৈরি করা সময়ের গুরুত্বপূর্ণ দাবি। বর্তমান সরকারের অন্যতম শিক্ষা দর্শন শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ ও সফল উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কার্যকর অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে আগ্রহী। তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা এবং তাদের উদ্ভাবনী চিন্তাকে বাস্তব উদ্যোগে রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরের পরিকল্পনা রয়েছে। এরই লক্ষ্যে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে আগামী ১৪.০৮.২০২৬ তারিখ (শুক্রবার) জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের আয়োজনের তৃতীয় পর্বে বিকাল ৫:৩০ মিনিটে স্টার্টআপ এবং ইনোভেশনের জন্য অংশীজনদের সাথে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সম্মানিত সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন। এই অনুষ্ঠান চলাকালীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ-এর সমঝোতা স্মারক (MoU) চুক্তি স্বাক্ষর হবে।
পরবর্তীতে সিরাজগঞ্জের সম্মানিত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু-এর আমন্ত্রণে তিনি তাঁর কার্যালয়ে একটি সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। পরিদর্শন ও মতবিনিময়কালে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবদুস সোবাহান, অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান ও প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) নজরুল ইসলাম, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান জান্নাতুল মাওয়া মুন, সহকারী রেজিস্ট্রার আইন ও পিএস টু ভিসি (ভারপ্রাপ্ত) ড. আরমান শোভন এবং জনসংযোগ দপ্তরের সহকারী পরিচালক শাহ্ আলী উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইট ১৩৭ জন যাত্রী ও ৮ জন ক্রু নিয়ে ফুকেট থেকে দিল্লি যাচ্ছিল গত ৪ আগস্ট। ওড়িশার আকাশসীমায় অবস্থান করার সময় মাঝ আকাশে হঠাৎ করে বিমানটি তীব্র ঝাঁকুনি দিয়ে ৩০০ ফুট নিচে নেমে যায়।
প্রথমে এটি টার্বুলেন্স বা বাতাসের ঝাঁকুনি হিসেবে শনাক্ত করা হলেও পরে জানা যায়, গুরুতর যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এমনটি ঘটেছিল। নতুন তথ্য বলছে, ফ্লাইটের প্রধান পাইলট মারিজুয়ানা সেবন করেছিলেন। তিনি পরপর দুটি ড্রাগ টেস্টে পজিটিভ হয়েছেন। সেই কারণে তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
এআই২৩৭৯ ফ্লাইটের দুর্ঘটনায় বিমানে থাকা ১৩ জন যাত্রী এবং ৪ জন ক্রু গুরুতর আহত হন। এর মধ্যে দুজন ক্রু মেম্বারের ঘাড়ে এবং মেরুদণ্ডের নিচের অংশে মারাত্মক চোট লেগেছে। পরে বিমানটি দিল্লিতে নিরাপদে অবতরণ করলে আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়।
অনুসন্ধানে জানা যায়, বিমানের প্রধান পাইলট সে সময় তার আসনে উপস্থিত ছিলেন না, বরং কো-পাইলট দায়িত্ব পালন করছিল।
হঠাৎ বিমানের স্বয়ংক্রিয় অটোপাইলট সিস্টেম বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। একইভাবে বিমানের তিনটি স্বাধীন হাইড্রোলিক সিস্টেমের মধ্যে জটিল ত্রুটি দেখা দেয়। ককপিটে মাত্র ১ মিনিটে ৯টি সতর্কবার্তা আসে। বিমানের নাক হঠাৎ উপরের দিকে উঠে যাওয়ায় উচ্চতা হারানোর সংকেত সক্রিয় হয়। পরিস্থিতি সামলাতে যখন ম্যানুয়াল নিয়ন্ত্রণ নেওয়া হয়, তখন বিমানটিকে সোজা করতে গিয়ে তীব্র ঝাঁকুনিতে সেটি ৩০০ ফুট নিচে নেমে যায়। বিমানের তীব্র গতিতে নিচে নামার সময় ভেতরে সাময়িকভাবে ‘নেগেটিভ গ্র্যাভিটি’ বা ঋণাত্মক মাধ্যাকর্ষণ তৈরি হয়।
ফলে ককপিটের জিনিসপত্র এবং সিটবেল্ট না বাঁধা যাত্রীরা শূন্যে ভেসে উঠে ছিটকে পড়েন।
ঘটনার পর দিল্লির বিমানবন্দরে পাইলটদের রুটিন ডোপ টেস্ট করা হলে দেখা যায়, বিমানের প্রধান পাইলট মারিজুয়ানা বা গাঁজা সেবনের পরীক্ষায় পজিটিভ হয়েছেন। তিনি পরপর দুটি ডোপ টেস্টে পজিটিভ রিপোর্ট পেয়েছেন। তবে এভিয়েশন নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানিয়েছে, মাদক সেবনের রিপোর্ট পজিটিভ হওয়া এবং ওই মুহূর্তের অক্ষমতা এটা দুটি ভিন্ন বিষয়। ঘটনার পেছনে এটি কি মূল কারণ তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
ভারতের এয়ারক্র্যাফ্ট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো এবং ফ্রান্সের বিমান দুর্ঘটনা তদন্ত সংস্থা যৌথভাবে এয়ারবাসের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে নিয়ে ঘটনাটির তদন্তে নেমেছে। ডিরেক্টরেট জেনারেল অব সিভিল এভিয়েশন জানিয়েছে, অভিযুক্ত পাইলটকে আপাতত বিমান ওড়ানোর দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১০ জন কর্মকর্তাকে নতুন কর্মস্থলে বদলি করা হয়েছে। এই কর্মকর্তাদের মধ্য আটজন পদ মর্যাদার কর্মকর্তা রয়েছেন, যার মধ্যে পাঁচজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং পাঁচজন সহকারী পুলিশ সুপার।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষরিত পৃথক প্রজ্ঞাপনে এই রদবদলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, জাতিসংঘ মিশন থেকে ফিরে সম্প্রতি পুলিশ সদর দপ্তরে রিপোর্ট করা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইশতিয়াক আহমেদকে বরগুনা জেলা পুলিশের সদর সার্কেলে বদলি করা হয়েছে।
অন্যান্য আদেশে পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জাকারিয়া রহমানকে শরীয়তপুরে, পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী মো. সালাহউদ্দিনকে চাঁদপুরে বদলি করা হয়েছে। চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমানকে কুমিল্লায় এবং রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. শরিফুল আলমকে রংপুরে বদলি করা হয়েছে।
এ ছাড়া সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের মধ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার সাগর সরকারকে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনে (পিবিআই) ন্যস্ত করা হয়েছে।
ময়মনসিংহ এসএএফের সহকারী পুলিশ সুপার তাহমিনা আক্তারকে ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর সার্কেলে বদলি করা হয়েছে। ময়মনসিংহের ফুলপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. রাকিবুর রহমানকে রাজবাড়ী জেলার পাংশা সার্কেলে বদলি করা হয়েছে।
একই আদেশে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার সিরাজ উদ দৌলাকে হাইওয়ে পুলিশে এবং রাঙামাটি জেলার রাজস্থলী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. নুরুল আমিনকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) বদলি করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১১ আগস্ট, ২০২৬ : পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, এমপি বলেছেন, তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্পে পরিবেশগত প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি। তিনি এ বিষয়ে উল্লেখ করে বলছেন, শিল্পের বাস্তবতা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে কার্যকর এবং সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
পরিবেশ অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আজ মঙ্গলবার তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্পখাতের পরিবেশগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলি নিয়ে আয়োজিত পর্যালোচনা সভায় তিনি এ বিষয়ে মন্তব্য করেন। সভায় তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্পের পরিবেশগত ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান লিখিত প্রস্তাবে এসব বিষয়সহ শিল্পখাতের পরিবেশগত অনুবর্তিতার বিভিন্ন কারিগরি ও বাস্তব চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন।
পরিবেশমন্ত্রী আরো বলেন, দেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও রপ্তানি আয়ে তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তিনি এ প্রসঙ্গে উল্লেখ করেন, একই সঙ্গে এই শিল্পের উৎপাদন প্রক্রিয়াকে আরও পরিবেশবান্ধব, সম্পদ-সাশ্রয়ী এবং টেকসই করতে পরিবেশগত আইন ও বিধিমালার যথাযথ অনুসরণ নিশ্চিত করা জরুরি। পরিবেশ রক্ষার লক্ষ্য অক্ষুণ্ন রেখে শিল্পের বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে যৌক্তিক এবং বিজ্ঞানভিত্তিক সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, পরিবেশ সুরক্ষার সঙ্গে শিল্পের টেকসই উন্নয়নের সমন্বয় জরুরি। পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি গ্রহণ, পানি ও অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদের দক্ষ ব্যবহার এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি বাস্তবায়নযোগ্য লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে ধাপে ধাপে তা অর্জন করার আহ্বান জানান।
তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্পখাতের পরিবেশগত অনুবর্তিতা আরও শক্তিশালী করতে মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর, শিল্প সংগঠন ও অন্যান্য অংশীজনের মধ্যে আলোচনা এবং কারিগরি সমন্বয় অব্যাহত থাকবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম।
অন্যান্যের মধ্যে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ, পরিবেশ অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মঙ্গলবার দুপুরে ফ্যামিলি কার্ড শুমারিতে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদে জনবল নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে নিয়োগ বঞ্চিতরা গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে ভাংচুর করেছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান ভাংচুরের বিষয়টি তার কার্যালয়ে নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্বঘোষিত কর্মসূচির আওতায় মঙ্গলবার দুপুর ১টার সময় অনিয়মের অভিযোগ জানাতে উপজেলা চত্বরে বিক্ষোভ করেন ক্ষুব্ধ জনগণ। তারা এমনকি নিয়োগের প্রকাশিত ফলাফল বাতিলের দাবি জানান। এক পর্যায়ে তারা উপজেলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় ইউএনওর কার্যালয়ে ভাংচুর চালান। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, তারা উপজেলা কার্যালয়ের চেয়ার-টেবিলসহ ফুলের টব এবং জানালার গøাস ভাংচুর করেছে। পুলিশ তাদের সরানোর চেষ্টা করলেও তা ব্যর্থ হয়। এ ভাংচুরের ঘটনায় নেতৃত্ব দেন ফুলছড়ি উপজেলার যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বলে জানা গেছে।
এই বিষয়ে জানাতে গিয়ে ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, দুপুরের সময়ে একদল বিক্ষুব্ধ যুবক তার কার্যালয়ে ভাংচুর চালায়। কেন ভাংচুর করা হয়েছে এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি এবং তারা কারা, আমরা জানার চেষ্টা করছি।’ বিক্ষোভকারীদের ফ্যামিলি কার্ডের জনবল নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি দাবি করেন, ফ্যামিলি কার্ডের জনবল নিয়োগে অনিয়ম বা দুর্নীতির সম্পর্কে তিনি অবগত নন। তাদের বিষয়টি জানানো হয়নি বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, তারা স্বচ্ছতার সাথে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করার চেষ্টা করেছেন।
ফুলছড়ি ছাত্রদলের আহ্বায়ক জয়নাল আবেদিন জয় এই ঘটনায় বলেন, ইউএনও যে রেজাল্ট (সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগ ফলাফল) প্রকাশ করেছেন, তাতে বহু ফ্যাসিস্ট জড়িত রয়েছে। এর প্রতিবাদে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ করেছি। সেখানে বিএনপির অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। কারা ভাংচুর করেছে তিনি জানেন না। তবে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ভাংচুরের সাথে বিএনপি বা অঙ্গ-সংগঠনের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ