শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:২৩ এম
ভারতের উত্তর প্রদেশে প্রেমিককে বিয়ের দাবিতে ১৯ বছর বয়সী এক তরুণী প্রায় ১০০ ফুট উঁচু মোবাইল ফোনের টাওয়ারে উঠে যান। তিনি পরিবারের সদস্যদের বিয়েতে সম্মতি না দেওয়া পর্যন্ত টাওয়ার থেকে নামতে অস্বীকৃতি জানান। শেষ পর্যন্ত ভিডিও কলের মাধ্যমে প্রেমিকের সঙ্গে বিয়ের সম্পন্ন হওয়ার পর টাওয়ার থেকে নিচে নেমে আসেন ওই তরুণী।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানায় পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, উত্তর প্রদেশের বাহরাইচ জেলায় এ ঘটনা ঘটে। তরুণী সাহিবা বেগম, যিনি মেহক নামেও পরিচিত, প্রেমিক নূরুদ্দিনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে মায়ের সঙ্গে বিরোধের জেরে মোবাইল ফোনের টাওয়ারে উঠে যান। নূরুদ্দিনের বয়স ২১ বছর।
প্রেমিক নূরুদ্দিন তখন কাজের প্রয়োজনে প্রায় এক হাজার কিলোমিটার দূরে মুম্বাইয়ে অবস্থান করছিলেন। দুজনের বিয়ের ইচ্ছা থাকলেও উভয় পরিবারের পক্ষ থেকে তাদের সম্পর্ক মেনে নেওয়া হয়নি।
এদিকে, টাওয়ারে উঠে মেহক প্রায় চার ঘণ্টা অবস্থান করেন। তাকে নিরাপদে নিচে নামিয়ে আনতে স্বজন, স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সদস্যরা চেষ্টা চালান। বিয়ের দাবি পূরণ না হলে টাওয়ার থেকে লাফ দেওয়ার হুমকিও দেন তিনি।
খবর পেয়ে নারী পুলিশ সদস্যসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তারা বিভিন্নভাবে তরুণীকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। একই সঙ্গে বিরোধ মেটাতে মুম্বাইয়ে অবস্থানরত নূরুদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।
একপর্যায়ে স্থানীয় এক মুসলিম ধর্মীয় নেতা ভিডিও কলের মাধ্যমে তাদের বিয়ে পড়ান। মুম্বাই থেকে ভিডিও কলে যুক্ত হন নূরুদ্দিন। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর টাওয়ার থেকে নামতে রাজি হন মেহক। পরে নারী পুলিশ সদস্যদের সহায়তায় তাকে নিরাপদে নিচে নামিয়ে আনা হয়।
ঘটনার পর পুলিশ মেহক ও তার পরিবারের সদস্যদের থানায় নিয়ে কাউন্সেলিং করে। পরে মাকে সঙ্গে নিয়ে বাড়িতে ফিরে যান ওই তরুণী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মিথ্যা ঘোষণার মাধ্যমে পণ্য আমদানির প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা শুল্ক ফাঁকির একটি মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে। এর ফলে সরকার বছরে হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে। আমদানি-রফতানি বাণিজ্য এবং দেশের বাজার ব্যবস্থায় নানা জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে। গত ১৬ মাসে ৯০০টি পণ্য চালান পরীক্ষা করে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজ প্রায় ২০০ কোটি টাকা বাড়তি রাজস্ব আদায় করেছে। তবে, কম শুল্কের পণ্যের ঘোষণায় বেশি শুল্কের পণ্য আমদানির প্রবণতা এখনও নিয়ন্ত্রণে আসেনি।
চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজ ২৭০টি সন্দেহজনক আমদানি চালান জব্দ করে ৫৮ কোটি টাকা বাড়তি শুল্ক আদায় করেছে। পাশাপাশি, জরিমানা হিসেবে আদায় হয়েছে অন্তত ২০ কোটি টাকা। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ১ হাজার ৪৫১টি সন্দেহজনক চালানের ডেলিভারি লক করে। এর মধ্যে ৮৪৩টি ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়। এসব চালান পরীক্ষা করে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় ৫২ কোটি টাকা বাড়তি রাজস্ব এবং ৫৯ কোটি ৬৩ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। সব মিলিয়ে আদায় হয় ১১১ কোটি টাকা।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজের সহকারী কমিশনার শরীফ মোহাম্মদ আল আমিন জানান, গত ১৬ মাসে এআইআর, আনস্টাফিং ও জেটির পাঁচটি জোনে অভাবনীয় সাফল্য অর্জিত হয়েছে। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রায় ২০০ কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব আদায় সম্ভব হয়েছে। কাস্টমস আইন অনুযায়ী, আমদানি করা পণ্যের শতভাগ কায়িক পরীক্ষা করার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু পর্যাপ্ত জনবলের অভাব এবং সময়ক্ষেপণের কারণে বাস্তবে ৫ থেকে ৮ শতাংশের বেশি পণ্য পরীক্ষা করা সম্ভব হয় না। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে কিছু আমদানিকারক কম শুল্কহারের পণ্যের ঘোষণা দিয়ে বেশি শুল্কের পণ্য আমদানি করছেন।
ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ফোরামের চেয়ারম্যান এস এম আবু তৈয়ব মন্তব্য করেন, এতে সরকার রাজস্ব হারানোর পাশাপাশি বাজারেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। যারা নিয়ম মেনে শুল্ক পরিশোধ করে পণ্য আমদানি করেন, তারা অসাধু ব্যবসায়ীদের সঙ্গে অসম প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হচ্ছেন। ফলে সৎ ব্যবসায়ীরা নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। সম্প্রতি সাধারণ যন্ত্রপাতি আমদানির আড়ালে বিলাসবহুল গাড়ি আনার একাধিক চালান জব্দ করেছে শুল্ক গোয়েন্দা কর্তৃপক্ষ। চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক আকতার পারভেজ বলেন, এসব সিবিইউ গাড়ি তুলা হিসেবে ঘোষণা দিয়ে আমদানি করা হচ্ছে। কীভাবে এসব পণ্য বন্দর থেকে খালাস হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখার সময় এসেছে।
মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে আমদানিকারকের পাশাপাশি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টকেও দায়ী করা হচ্ছে। তবে এবার এ ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে কাস্টমসকে সহযোগিতা করছে কাস্টমস এজেন্ট কর্তৃপক্ষ। চট্টগ্রাম কাস্টম এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এস এম সাইফুল আলম জানান, কাস্টমসকে সহযোগিতা করা হচ্ছে। অনেক সময় আমদানিকারকরা ভুল এইচএস কোড ব্যবহার করে পণ্য আমদানি করায় সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েন। এমনকি তারা প্রতারণার শিকার হচ্ছেন।
চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে প্রতি অর্থবছরে ৪ থেকে ৫ লাখ কোটি টাকার পণ্য আমদানি হয়। এসব আমদানি থেকে ৮০ হাজার কোটি টাকার বেশি রাজস্ব আদায় করে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজ। কিন্তু গুটিকয়েক ব্যবসায়ীর মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য আমদানির কারণে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা বাজারে অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়ছেন। একই সঙ্গে সরকার শত কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে। বাজারে পণ্যের চাহিদা ও সরবরাহের হিসাবেও বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার দাবি করেছে ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুথি বাহিনী। এ ছাড়া হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা বৃদ্ধির ফলে বিশ্ববাজারে প্রভাব পড়েছে। শুক্রবারের শুরুতে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১১৫ ডলার ছাড়িয়েছে, যা সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কার কারণে ঘটেছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার গ্রিনিচ মান সময় ১টা ২২ মিনিটে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৮৬ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ বেড়ে ১১৫ ডলার ৭৪ সেন্টে পৌঁছেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম ৭২ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৭১ শতাংশ বেড়ে ১০২ ডলার ৭২ সেন্টে উঠেছে।
এটি টানা চতুর্থ মাসের জন্য ব্রেন্ট ও ডব্লিউটিআই—দুই ধরনের অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়ানোর ধারাবাহিকতা। অক্টোবর মাসে ব্রেন্টের দাম প্রায় ১৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে। অন্যদিকে, ডব্লিউটিআইয়ের দাম বাড়তে পারে প্রায় ১৫ শতাংশ।
হুথি বাহিনীর সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনায় হামলার দাবির পর তেলের বাজারে এই ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ইরান সমর্থিত হুথি বাহিনী জানায়, তারা সৌদি আরবের বিভিন্ন জ্বালানি স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। হামলার মধ্যে রয়েছে রাস তানুরা ও রাবিগ তেল শোধনাগার এবং আরামকোর আবকাইক স্থাপনা।
এদিকে, হরমুজ প্রণালির দক্ষিণে অনুমোদনহীন একটি পথ ব্যবহার করার সময় তিনটি তেলবাহী জাহাজ সমুদ্রে পেতে রাখা মাইন দ্বারা আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে এবং আগুন ধরে গেছে বলে দাবি করেছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী।
সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে অনিশ্চয়তা বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ নিয়ে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এই কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়ছে।
এএম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথিদের সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনায় নতুন হামলার ঘটনা এবং হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে বাড়তে থাকা উত্তেজনার কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকালে লেনদেনের শুরুতে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৫ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শুক্রবার গ্রিনিচ মান সময় রাত ১টা ২২ মিনিটে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৮৬ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১১৫ ডলার ৭৪ সেন্টে পৌঁছেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ৭২ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৭১ শতাংশ বেড়ে ১০২ ডলার ৭২ সেন্টে দাঁড়িয়েছে।
এটি টানা চতুর্থ মাসের জন্য আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়তে যাচ্ছে। অক্টোবর মাসে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ১৪ শতাংশ এবং ডব্লিউটিআইয়ের দাম প্রায় ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে, সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। তাদের দাবি, দেশটির রাস তানুরা ও রাবিগ তেল শোধনাগারসহ আরামকোর আবকাইক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। এসব হামলার খবরের পর জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
হরমুজ প্রণালির দক্ষিণে অনুমোদনহীন একটি পথ দিয়ে চলাচলের সময় তিনটি ট্যাংকার সমুদ্রের মাইন দ্বারা আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে আগুন ধরে যাওয়ার দাবি করেছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহণপথ হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে এমন উত্তেজনা তেলের বাজারে অস্থিরতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের হুতিগোষ্ঠী সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থানে ছয়টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি করেছে, যার লক্ষ্য ছিল তেল স্থাপনা, বিমানবন্দর এবং একটি সামরিক ঘাঁটি।
হুতিগোষ্ঠীর সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান। আল-মাসিরা টেলিভিশনে এই বিবৃতিটি প্রচারিত হয়। চীনের বার্তা সংস্থা সিনহুয়া এই খবরটি জানিয়েছে।
ফ্রি প্রেস জার্নাল জানায়, ইয়াহিয়া সারিয়া জানান, সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে অবস্থিত রাস তানুরা তেল শোধনাগার এবং আবকাইক শহরে সৌদি আরামকোর স্থাপনা লক্ষ্য করে তিনটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। এছাড়াও, লোহিত সাগর উপকূলে অবস্থিত রাবিগ তেল শোধনাগারও হামলার লক্ষ্য ছিল।
তিনি আরও জানান, সৌদি রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের দাম্মাম শহরে কিং ফাহদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। তার দাবি, এই ড্রোন হামলার কারণে বিমান চলাচল ব্যাহত হয়েছে।
সারিয়া আরও দাবি করেন, সৌদি আরবের দক্ষিণ সীমান্তবর্তী নাজরান অঞ্চলে দেশটির সামরিক বাহিনীর একটি কমান্ড সেন্টারেও হামলা চালানো হয়েছে। ওই হামলায় সেনাসদস্য ও কর্মকর্তাদের হতাহত হওয়ার খবর রয়েছে।
এর আগে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানায়, হুতিদের ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রিয়াদের দিকে যাওয়ার সময় সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সেগুলো ধ্বংস করেছে। অন্যদিকে, হুতিরা দাবি করেছে, ইয়েমেনে তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় সৌদি বিমান হামলায় ২৭ জন নিহত হয়েছেন।
সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছিল, হুতিদের ছোড়া তিনটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা। এর মধ্যে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র রিয়াদ এবং একটি পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের দিকে ছোড়া হয়েছিল।
সাম্প্রতিক এসব হামলার ঘটনা ঘটেছে হুতি গোষ্ঠী ও সৌদি আরবের মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ার সময়ে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দুই পক্ষই একে অপরের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে পাল্টাপাল্টি হামলা চালাচ্ছে। ইয়েমেনে ২০১৪ সালের শেষ দিক থেকে সংঘাত চলছে।
ওই সময় হুতিগোষ্ঠী দেশটির রাজধানী সানা ও উত্তরাঞ্চলের বড় একটি অংশ দখল করে নেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৫ সালে ইয়েমেনের সরকারকে সমর্থন দিতে সৌদি আরবের নেতৃত্বে একটি সামরিক জোট দেশটিতে অভিযান শুরু করে। এরপর থেকে ইয়েমেনের সংঘাত আরো ছড়িয়ে পড়ে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ