বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৮:১১ এম
উপমহাদেশে ২২ বছরের টেস্ট সিরিজ জয়ের খরা কাটানোর উদ্দেশ্যে অস্ট্রেলিয়া আগামী বছরের শুরুতে ভারত সফর করবে। তবে সিরিজটি শুরু হওয়ার আগে, তারা প্রথাগত কোনো প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার পরিবর্তে আবারও একটি প্রশিক্ষণ ক্যাম্প আয়োজনের পরিকল্পনা করছে।
২০২৩ সালের সিরিজের আগে অস্ট্রেলিয়া কোনো ট্যুর ম্যাচ খেলেনি। তাদের বদলে প্রথম টেস্টের আগে বেঙ্গালুরুতে বিশেষভাবে প্রস্তুতকৃত স্পিন-সহায়ক পিচে অনুশীলন করা হয়েছে। সেই বছর নাগপুরে প্রথম ম্যাচে ভারত ইনিংস ও ১৩২ রানে জয়লাভ করে, এবং অস্ট্রেলিয়ার সেই সিদ্ধান্তটি কঠোর সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছিল।
ওই জয়টাই সিরিজের মোড় ঘুরিয়ে দেয়, আর শেষে ভারত ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতে বর্ডার-গাভাস্কার ট্রফি নিজেদের করে নেয়। প্যাট কামিন্সদের প্রধান কোচ অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ড জানিয়েছেন, ২১ জানুয়ারি নাগপুরে শুরু হতে যাওয়া সিরিজের প্রথম ম্যাচের আগে ভারতের পরিবেশ ও পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্য উপযুক্ত জায়গা খুঁজবে অস্ট্রেলিয়া।
ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার ওয়েবসাইট ‘ক্রিকেট ডট কম ডট এইউ’-কে তিনি বলেছেন, “আমাদের সামনে কয়েকটি বিকল্প রয়েছে। এর আগে আমরা সংযুক্ত আরব আমিরাতে গিয়েছিলাম এবং গতবার ভারতে এসে বেঙ্গালুরুতে অনুশীলন করেছি। তাই খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত বিষয়বস্তু কীভাবে সামলানো হবে, তার ওপর ভিত্তি করে আমরা এখন পরবর্তী পদক্ষেপের পরিকল্পনা করছি।”
২০০৪ সালের পর থেকে অস্ট্রেলিয়া ভারতে কোনো টেস্ট সিরিজ জিততে পারেনি। সেবার অ্যাডাম গিলক্রিস্টের নেতৃত্বাধীন দল ২-১ ব্যবধানে জয়ী হয়েছিল। ভারতে আসার আগে অস্ট্রেলিয়াকে অত্যন্ত ব্যস্ত সূচি পার করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে আগামী সপ্তাহে ডারউইনে বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই ম্যাচের হোম টেস্ট সিরিজ, এরপর অক্টোবরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ এবং ৯ ডিসেম্বর থেকে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে চার ম্যাচের হোম টেস্ট সিরিজ।
ব্রিসবেনে অনুশীলনের সময় পায়ের পেশিতে আঘাত পাওয়ায় ফাস্ট বোলার মাইকেল নেসার বেঙ্গালুরু সিরিজ থেকে বাদ পড়েছে। তবে কোচ ম্যাকডোনাল্ড জানিয়েছেন, পিঠের পেশির আড়ষ্টতা কাটিয়ে উইকেটকিপার-ব্যাটার জশ ইংলিসকে দলে পাওয়ার আশা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানকে কেন্দ্র করে কূটনৈতিক কার্যক্রম জোরদার হলেও কঠোর অবস্থান থেকে সরে আসছে না ইসরায়েল। দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইঙ্গিত দিয়েছেন, প্রয়োজনে ইরানের বিরুদ্ধে একাই সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে তার দেশ। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, ইরানকে কোনওভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না।
বুধবার তিনি বলেন, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কমান্ডার আহমাদ ওয়াহিদির সাম্প্রতিক বক্তব্যই তার গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নেতানিয়াহুর দাবি, ওই বক্তব্যে ইরান পারমাণবিক কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছার কথা স্পষ্ট করেছিল।
নেতানিয়াহু আরও বলেন, ‘ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।’ তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় মিত্র হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তবে দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য ইসরায়েল নিজেও প্রস্তুত রয়েছে। এই মন্তব্য বিশ্লেষকরা একক সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত হিসেবেই দেখছেন।
এদিকে, ইরানকে ঘিরে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চলমান রয়েছে। গত মঙ্গলবার কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতার আলোচনা বর্তমানে উন্নত পর্যায়ে পৌঁছেছে। উভয় পক্ষই খসড়া প্রস্তাব বিনিময় করেছে।
সাপ্তাহিক সংবাদ ব্রিফিংয়ে আল-আনসারি জানিয়েছেন, সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে। তাদের লক্ষ্য হলো একটি কূটনৈতিক সমাধানে পৌঁছানো এবং চলমান উত্তেজনা কমানো।
ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের সাম্প্রতিক পর্যায়টি শুরু হয় চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি। সেই সময় থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে। তেহরানের তথ্য অনুযায়ী, এই সংঘাতে তিন হাজারের বেশি মানুষ প্রাণহারিয়েছেন।
জবাব হিসেবে, ইরান দাবি করে যে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি থাকা আঞ্চলিক কিছু দেশে তারা হামলা করেছে। এসব হামলায় জর্ডান, বাহরাইন ও কুয়েতে মার্কিন সামরিক স্থাপনা ও সরঞ্জাম লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।
পরবর্তী সময়ে উত্তেজনা কমাতে কাতার ও পাকিস্তান মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। আলোচনা চলাকালীন গত ১৮ জুন একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এরপর স্থায়ী চুক্তির লক্ষ্যে আলোচনা এগিয়ে নিতে উভয় পক্ষ কাজ শুরু করে।
তবে হরমুজ প্রণালিতে সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং নৌ চলাচলের স্বাধীনতা নিয়ে মতপার্থক্যের কারণে আলোচনা পরে স্থবির হয়ে পড়ে। এরপর ৮ থেকে ২৪ জুলাইয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক হামলা আবারও শুরু হয়। দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা নতুন করে বৃদ্ধি পায়।
সম্প্রতি, নতুন করে আলোচনা তৈরির পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। কাতার জানিয়েছে, দুই পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনাও এখনও রয়ে গেছে। তবে সেই সময়েই নেতানিয়াহুর সর্বশেষ বক্তব্য ইঙ্গিত করছে যে, আলোচনা চলাকালীন ইসরায়েল সামরিক বিকল্পও খোলা রাখতে চাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দখলদার ইসরায়েল গাজা থেকে আটক ২৪ ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে।
আত্মর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি (আইসিআরসি) জানিয়েছে, ইসরায়েলের কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর গাজায় ফিরে যেতে ওই ২৪ ফিলিস্তিনিকে সহায়তা করা হয়েছে।
সংস্থাটি জানায়, মুক্তি পাওয়া বন্দিদের কেরেম আবু সালেম ক্রসিং থেকে খান ইউনিসের নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়।
ফিলিস্তিনি বন্দি অফিস জানাচ্ছে, এই বন্দিরা গাজার বিভিন্ন শহর ও শরণার্থী শিবির থেকে এসেছিলেন। এদের মধ্যে বেশ কয়েকজন বৃদ্ধ ব্যক্তিও রয়েছেন।
এদিকে, এই মুক্তির ফলে হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি চুক্তির অধীনে গাজায় ফিরে আসা বন্দির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৬৩৬ জনে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর থেকে ফিলিস্তিনিদের ব্যাপকভাবে আটক শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। গাজা যুদ্ধ শুরুর পর থেকে অধিকৃত পশ্চিম তীর, পূর্ব জেরুজালেম এবং গাজা উপত্যকা জুড়ে হাজার হাজার ফিলিস্তিনিকে নির্বিচারে আটক করা হয়।
মানবाधিকার সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে কেবল পশ্চিম তীর ও জেরুজালেমেই ১৮ হাজারের বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছে। পাশাপাশি, গাজার বিভিন্ন এলাকা থেকে সামরিক অভিযান চালিয়ে হাজার হাজার মানুষকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। তাদের অনেকের ওপরই পরবর্তীতে চরম নির্যাতন ও অমানবিক আচরণের অভিযোগ ওঠে। বর্তমান যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় ধাপে ধাপে মুক্তি পাওয়া বন্দিরা মূলত ওই সময়েরই ভুক্তভোগী।
তথ্যসূত্র : আল-জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বিভিন্ন জেলায় দুপুরের সময় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো বাতাস বয়ে যেতে পারে বলে আবহাওয়া অফিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
সাথে সাথে বৃষ্টির অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিরও আশঙ্কা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত আবহাওয়া অধিদফতর থেকে এই সতর্কবার্তা প্রকাশ করা হয়।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এসব এলাকায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
তাই এসব অঞ্চলের নদী বন্দরের জন্য ১ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত প্রদর্শন করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বাজারে সর্বশেষ সমন্বয়ে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। সেদিক থেকে, আজ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকলের কাছে স্বর্ণের নতুন দামেই বাজারে এই মূল্যবান ধাতুটি বিক্রি হচ্ছে। সর্বশেষ শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকালে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে স্বর্ণের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। সেদিনের সমন্বয়ে ভরিতে মূল্যবান ধাতুটির দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকায়। এর পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৩ হাজার ৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৭৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজুস উল্লেখ করেছে যে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের পূর্বের নিয়ম বহাল থাকবে। উল্লেখ্য, গত ২৮ জুলাই সকালে সবশেষ স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন। সেদিন ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকায় রাখা হয়েছিল। এ ছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১০ হাজার ৯৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮১ হাজার ২০০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৮ হাজার ১৬ টাকা ছিল, যা কার্যকর হয়েছিল ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টাতে। চলতি বছরের এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৯৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যেখানে দাম ৪৭ দফা বেড়েছে, ৪৯ দফা কমেছে এবং ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় হয়েছিল। সেখানেও ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর ২৯ বার কমানো হয়েছিল। যদিও স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে, দেশের বাজারে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৬০৭ টাকায়। এছাড়াও, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৭৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ২ হাজার ৮৫৮ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে। চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৬০ দফা রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। যেখানে দাম ৩০ দফা বেড়েছে এবং বাকি ৩০ দফা কমেছে। ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যা মধ্যে ১০ বার বেড়েছিল এবং মাত্র ৩বার কমেছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ