আমির হোসেন তানভীর ফেনী প্রতিনিধি
মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:০৮ পি.এম
"ফেনী স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগ" এর পক্ষ থেকে অতি সম্প্রতি এক গুচ্ছ উপহার প্রদান সম্পন্ন হয়েছে।
কর্মসূচির আওতায় ফেনী পৌর এলাকার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের পাঠান বাড়ি রোডের হুদা মিয়া ভবনের পেছনের কলোনিতে এক গৃহকর্মীকে দেয়া হয়েছে একটি খাট। একইদিন বালি গাঁও ইউনিয়নের উত্তর মধুয়াই দারুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানার জন্য দেয়া হয়েছে এক বস্তা চাল ও এক বস্তা আলু। সেই সাথে ছাগলনাইয়া উপজেলার পূর্ব শিলুয়া গ্রামের একজন গৃহবধূর ঘর মেরামতে একটি ত্রিপল ও তার মেয়ের শিক্ষা উপকরণ ক্রয়ের জন্য দেয়া হয়েছে ২ হাজার টাকা উপহার। এসব উপহারে ব্যয় হয়েছে ২০ হাজার টাকা। উপহার হস্তান্তরকালে সঙগঠনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সহ সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম, মহিম উদ্দিন পৃথিবী ও সদস্য আসাদুজ্জামান দারা।
প্রসঙ্গত, জেলার অন্যতম মানবিক সঙগঠন ফেনী স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগ এর পক্ষ থেকে গত দুই বছরে ছোট -বড় মিলিয়ে অর্ধশতাধিক কর্মসূচি পালন করা হয়। এসব কর্মসূচিতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ১৩ লাখ টাকা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদকের বিরুদ্ধে চলমান সাঁড়াশি অভিযানে মাদারীপুরের কালকিনি ও সদর মডেল থানা এলাকা থেকে ২৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) মাদারীপুর জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ জানায়, জেলা পুলিশ সুপার মো. ফজলে এলাহীর নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একটি দল মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে গত সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কালকিনি থানার এনায়েতনগর এলাকায় কামাল সরদারের বাড়ির সামনে পাকা সড়ক থেকে মো. তুহিন সরদার (৩৪) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ১৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
অন্যদিকে, মাদারীপুর সদর মডেল থানার পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের বিসিক বাঁশহাটা খেয়াঘাটসংলগ্ন সজল টেলিকমের সামনে অভিযান চালিয়ে আলী শেখ (৫২) নামে আরেক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে ১০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, দুই অভিযানে মোট ২৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মাদারীপুর জেলা পুলিশ জানিয়েছে, মাদক, কিশোর গ্যাং, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক।
তায়েফ থেকে জেদ্দা যাওয়ার সময় ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনায় নিহত ৪ প্রবাসী বাংলাদেশির বিষয়ে তারা জানান, সৌদি আরবে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।
নিহতদের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হবে এবং তাদের পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সরকারি সহায়তা ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা হবে। তারা নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
গত সোমবার রিয়াদ-তায়েফ সড়কের রিদওয়ান ব্রিজ থেকে ৭ কিলোমিটার দূরে আল-হাওয়িয়াহর দিকে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। ঘটনাস্থলে চারজনের মৃত্যু ঘটে।
দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে করিম উদ্দিন, খালিদ মিয়া, আমিন মিয়া এবং শাহ আলম অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। দুর্ঘটনা-সংক্রান্ত আরবি নথি অনুযায়ী, নিহত চারজনের বাড়ি সিলেট বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে। এর মধ্যে করিম উদ্দিন ও খালিদ মিয়ার বাড়ি সিলেটের কানাইঘাট উপজেলায় অবস্থিত। বর্তমানে মরদেহগুলো আল-মুইয়্যাহ হাসপাতালে রাখা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের মা আমেনা বেগমের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী এক শোকবার্তায় মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা জানান। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
আমেনা বেগম আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীতে নিজ বাসভবনে বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ১০৩ বছর।
তিনি চার ছেলে, পাঁচ মেয়ে এবং অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দেশের কোনো জাতীয় মহাসড়কে থ্রি-হুইলার বা অটোরিকশা চলাচলের কোনো ধরনের আইনি সুযোগ নেই বলে পরিষ্কার জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহন এবং রেলপথ মন্ত্রী শেখ রাবিউল আলম।
তবে দেশের একটি বিরাট অংশের মানুষের জীবন-জীবিকা ও কর্মসংস্থান এই পেশার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকায় তাঁদের মানবিক দিক বিবেচনা করে ধাপে ধাপে একটি টেকসই ও শৃঙ্খলাবদ্ধ নীতিমালার মাধ্যমে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে নিশ্চিত করেন তিনি।
আজ রাজধানীর ধানমন্ডি লেকে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। সামাজিক সংগঠন ধানমন্ডি ইয়ুথ ক্লাব এই পরিবেশবান্ধব কর্মসূচির আয়োজন করে।
সড়ক মন্ত্রী জোরালো কণ্ঠে বলেন, ‘সরকার কোনোভাবেই মহাসড়কে অটোরিকশা চলাচলের পক্ষে নয় এবং এটি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণে ইতোমধ্যে একাধিক সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তবে অটোরিকশা ঠিক কোন পরিসরে চলবে এবং কোথায় কোনোভাবেই চলাচল করতে পারবে না—এ বিষয়ে সর্বজনগ্রাহ্য একটি সমন্বিত নীতিমালা চূড়ান্ত করা এখন সময়ের দাবি।’
তিনি বলেন, ‘আমরা জাতীয় মহাসড়কে অটোরিকশা চলাচলের সম্পূর্ণ বিরোধী। আমরা এটি দ্রুততার সঙ্গে নিয়ন্ত্রণ করছি। অটোরিকশা স্থানীয় বা ফিডার রোডে কীভাবে চলবে এবং মহাসড়কে এর অনুপ্রবেশ কীভাবে বন্ধ থাকবে—নীতিমালায় তার স্পষ্ট রূপরেখা প্রয়োজন।’
শেখ রাবিউল আলম জানান, অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে হাইওয়ে পুলিশ, বিআরটিএ এবং সড়ক ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত সকল স্টেকহোল্ডারের যৌথ সমন্বয়ে নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে। তবে সেই নীতিমালায় কোনোভাবেই জাতীয় মহাসড়কে অটোরিকশা চলাচলের আইনি অনুমোদন দেওয়ার সুযোগ থাকবে না।
হঠাৎ চরম সিদ্ধান্ত না নিয়ে কেন পর্যায়ক্রমে এ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে—তার ব্যাখ্যায় মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশের লাখ লাখ সাধারণ মানুষ সরাসরি এই পেশার সঙ্গে যুক্ত। তারাও আমাদেরই সমাজের অংশ। ফলে হঠাৎ একক সিদ্ধান্তে গাড়ি বন্ধ করে দিলে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। তাই শুধু যানবাহন বন্ধ করাই মূল সমাধান নয়; বরং বিকল্প কর্মসংস্থান ও শৃঙ্খলিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সমাধান খোঁজা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ‘অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণের কারণে যারা সাময়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন, তাদের জীবন-জীবিকা রক্ষায় সরকার সহানুভূতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি রাখবে। তাদের কীভাবে অনুমোদনপ্রাপ্ত কোনো স্থানীয় রুটের আওতায় আনা যায় কিংবা শৃঙ্খলার মধ্যে আনা যায়-সেটি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।’
পেশাদারিত্ব ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, নির্ধারিত কোনো আঞ্চলিক বা অভ্যন্তরীণ সড়কে অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি থাকলেও চালকের নূন্যতম ড্রাইভিং দক্ষতা ও বয়সের যোগ্যতা নির্ধারণ করা হবে। ফিটনেসবিহীন যানবাহন ও অপ্রাপ্তবয়স্ক চালকদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের কাজের পরিধি উল্লেখ করে তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের প্রধান কাজই হলো উচ্চমানের রাস্তা ও মহাসড়ক নির্মাণ, সম্প্রসারণ এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা। সে অনুযায়ী কাজ দ্রুততার সঙ্গে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
মহাসড়কের শৃঙ্খলা ফেরাতে এককভাবে শুধু সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় দায়ী নয় উল্লেখ করে শেখ রাবিউল আলম বলেন, হাইওয়ে ব্যবস্থাপনার সঙ্গে একাধিক মন্ত্রণালয়, দপ্তর ও হাইওয়ে পুলিশ জড়িত। সব পক্ষকে নিয়ে সমন্বিত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে মহাসড়কের কোনো বিশৃঙ্খলা বা অনিয়মের পুরো দায়ভার এককভাবে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের ওপর চাপিয়ে দেওয়া যৌক্তিক নয়; কারণ সার্বিক আইন প্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষের ভূমিকা এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অনুষ্ঠানে ধানমন্ডি ইয়ুথ ক্লাবের সভাপতি ও ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক শেখ খালিদ হাসান জ্যাকীর সভাপতিত্বে সংগঠনটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ