ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

এইচএসসিতে দুই বিষয়ে ফেল করেছে ৩ লাখ ৮২ হাজার ২১ জন


এইচএসসিতে দুই বিষয়ে ফেল করেছে ৩ লাখ ৮২ হাজার ২১ জন

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেও ফেল করেছেন ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন পরীক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ৩ লাখ ৮২ হাজার ২১ জন ইংরেজি ও আইসিটি বিষয়ে ফেল করেছেন।

ফল বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এবারের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন। তাদের মধ্যে ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন পাস করেছেন। আর ফেল করেছেন ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন।

ফেল করা পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ইংরেজি বিষয়ে ২ লাখ ৪৩ হাজার ৫২৮ জন এবং আইসিটিতে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৪৯৩ জন ফেল করেছেন।

আরও পড়ুন: জাবিতে পরিচালক নিয়োগে উত্তেজনা, ছাত্রদল উপাচার্যকে মুক্ত করল

এদিকে, ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। এটি ২০০৪ সালের পর সবচেয়ে কম পাসের হার। ওই বছর এইচএসসিতে পাসের হার ছিল ৪৭ দশমিক ৭৪ শতাংশ। এরপর থেকে পাসের হার আর কখনো এত নিচে নামেনি। এই হিসাবে, গত ২১ বছরের মধ্যে এবারের পাসের হার সবচেয়ে নিম্ন।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে ফল প্রকাশ করা হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন সারাদেশে ফল প্রকাশের ঘোষণা দেন। সেখানে ফলাফলের সারসংক্ষেপও তুলে ধরা হয়।

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, ফেল করা পরীক্ষার্থীদের আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেছেন, যে শিক্ষার্থীরা যে কয়টি বিষয়ে ফেল করেছেন, তাদের সেই বিষয়গুলোতে পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

আরও পড়ুন: ঢাবির ৮ শিক্ষার্থীকে হোসনে আরা হায়দার কোরাইশী ট্রাস্ট বৃত্তি প্রদান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এইচএসসিতে শূন্য পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৯১টি বেড়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০৪ পি.এম


এইচএসসিতে শূন্য পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৯১টি বেড়েছে

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় দেশের ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। গত বছর এই ধরনের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ২০২টি। ফলে, শূন্য পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৯১টি বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে, এবার ১৩৯টি প্রতিষ্ঠানের সকল পরীক্ষার্থী পাস করেছেন।

শনিবার প্রকাশিত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলের পরিসংখ্যানে এই তথ্য উঠে এসেছে।

শনিবার বেলা ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে পরীক্ষার ফল প্রকাশের উদ্বোধন করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এরপর শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট পরীক্ষা কেন্দ্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং খুদে বার্তার মাধ্যমে ফল প্রকাশ করা হয়।

এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ৭ হাজার ৬৪৯ জন এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৩৩ হাজার ১৪৯ জন। সারা দেশে ২ হাজার ৬৯১টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৬৯ হাজার ৯৭ জন। ওই বছর মোট পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ।

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় ২ জুলাই। পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা ছিল ৮ আগস্ট। তবে বন্যার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া হয়। পরে ওই বোর্ডের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়ে শেষ হয় ৯ সেপ্টেম্বর।

এএম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যশোরে এইচএসসিতে পাসের হার ৪৪.৯২%, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩২২৮ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০৫ পি.এম


যশোরে এইচএসসিতে পাসের হার ৪৪.৯২%, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩২২৮ জন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফলাফলে যশোর শিক্ষা বোর্ডের পাসের হার ৪৪ দশমিক ৯২ শতাংশ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই বছর বোর্ডটিতে জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ৩ হাজার ২২৮ জন শিক্ষার্থী।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এরপর ফলাফল একযোগে অনলাইন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রকাশ করা হয়।

যশোর শিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, খুলনা বিভাগের ১০ জেলার ৫৭০টি কলেজ থেকে মোট ১ লাখ ১২ হাজার ৭৯১ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে ৫০ হাজার ৬৬৮ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন।

বিভাগভিত্তিক ফলাফলে দেখা যায়, বিজ্ঞান বিভাগে ১৫ হাজার ১৬৭ জন, মানবিক বিভাগে ৩০ হাজার ১৯১ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৫ হাজার ৩১০ জন শিক্ষার্থী পাস করেছেন।

জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে ১ হাজার ১৭ জন ছেলে ও ৮৪১ জন মেয়ে, মানবিক বিভাগে ২৬৮ জন ছেলে ও ৮৯৭ জন মেয়ে এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৭৩ জন ছেলে ও ১৩২ জন মেয়ে রয়েছেন।

গত বছরের তুলনায় যশোর শিক্ষা বোর্ডে এ বছর পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে। গত বছর পাসের হার ছিল ৫০ দশমিক ২০ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৫ হাজার ৯৯৫ জন। এ বছর মাত্র তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা শতভাগ পাস করেছে। অন্যদিকে ১৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি।

অনলাইনে ফলাফল দেখবেন যেভাবে

শিক্ষার্থীরা https://eduboardresults.gov.bd এবং https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফলাফল জানতে পারবেন। এছাড়া যেকোনো মোবাইল অপারেটর থেকে ১৬১৪০ নম্বরে নির্ধারিত নিয়মে এসএমএস পাঠিয়েও ফল জানা যাবে।

ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন আগামী ১ নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে। শিক্ষার্থীরা অনলাইনে এ আবেদন করতে পারবেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

উল্লেখ্য, গত ২ জুলাই সারাদেশে একযোগে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ হয়। সারাদেশে ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নেন।

এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন। ২০২৫ সালে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সারাদেশে গড় পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। সে বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৬৯ হাজার ৯৭ জন শিক্ষার্থী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আলিম ও কারিগরিতে পাসের হার দুই বছরে কমেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০৬ পি.এম


আলিম ও কারিগরিতে পাসের হার দুই বছরে কমেছে

আলিম ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ধারাবাহিকভাবে হ্রাস পাচ্ছে। ২০২৬ সালের পরীক্ষায় মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে আলিমে পাসের হার ৬১ দশমিক ৭০ শতাংশে পৌঁছেছে। অপরদিকে, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি (ভোকেশনাল), বিএম ও ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষায় পাসের হার ৪৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ। গত দুই বছরের ফলাফলের তুলনায় উভয় বোর্ডেই পাসের হারে অবনতি লক্ষ্য করা গেছে।

শনিবার বেলা ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

এবার আলিম পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ৩ হাজার ২৫০ জন। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে এই সংখ্যা ১ হাজার ৮৮৬ জন।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২৪ সালে আলিম পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৯৩ দশমিক ৪০ শতাংশ। ওই বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৯ হাজার ৬১৩ জন। ২০২৫ সালে পাসের হার কমে ৭৫ দশমিক ৬১ শতাংশে দাঁড়ায়। জিপিএ-৫ পান ৪ হাজার ২৬৮ জন। এবার পাসের হার আরও কমে ৬১ দশমিক ৭০ শতাংশ হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ২৫০ জন। এর মানে, দুই বছরে পাসের হার ৩১ দশমিক ৭০ শতাংশ পয়েন্ট কমেছে। একই সময়ে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৬ হাজার ৩৬৩ জন হ্রাস পেয়েছে।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডেও পাসের হার কমার প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। ২০২৪ সালে এ বোর্ডে পাসের হার ছিল ৮৮ দশমিক ০৯ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৪ হাজার ৯২২ জন। ২০২৫ সালে পাসের হার কমে ৬২ দশমিক ৬৭ শতাংশে নেমে আসে। জিপিএ-৫ পান ১ হাজার ৬১০ জন। এবার পাসের হার আরও কমে ৪৯ দশমিক ৪৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। তবে জিপিএ-৫ বেড়ে ১ হাজার ৮৮৬ জন হয়েছে। গত বছরের তুলনায় পাসের হার ১৩ দশমিক ২৪ শতাংশ পয়েন্ট কমেছে এবং জিপিএ-৫ বেড়েছে ২৭৬ জন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন। এর মধ্যে আলিম পরীক্ষার্থী ৯২ হাজার ৯০৫ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থী ১ লাখ ৭ হাজার ৯৬৪ জন। দুই বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২ লাখ ৮৫০ জন।

আলিম পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র ৫২ হাজার ১১ জন এবং ছাত্রী ৪০ হাজার ৮৯৪ জন। ৪৬১টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সার্বিক ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, আলিম ও কারিগরি—উভয় ধারাতেই পাসের হার ধারাবাহিকভাবে কমছে। বিশেষ করে কারিগরি শিক্ষায় পাসের হার ৫০ শতাংশের নিচে নেমে আসা উদ্বেগজনক। অন্যদিকে, কারিগরি বোর্ডে জিপিএ-৫ কিছুটা বেড়েছে, তবে আলিমে তা হ্রাস পেয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহী বোর্ডে এইচএসসির পাসের হার ৪৫.০৬ শতাংশ, এক বছরে কমেছে ১৪.৩৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:০৬ পি.এম


রাজশাহী বোর্ডে এইচএসসির পাসের হার ৪৫.০৬ শতাংশ, এক বছরে কমেছে ১৪.৩৪

রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে এ বছরের এইচএসসির পাসের হার ৪৫.০৬ শতাংশে নেমে এসেছে। করোনা মহামারির কারণে ২০২০ সালে অটোপাসের পর এটি পাসের হার হিসেবে সর্বনিম্ন। শনিবার বেলা ১১টায় বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ইফফাত জেরীন ফলাফল প্রকাশ করেন।

প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, বোর্ডের ১ লাখ ৪১ হাজার ৯৩৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৩৫৬ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন। তাদের মধ্যে ৬১ হাজার ৮৯৪ জন পাস করতে সক্ষম হয়েছেন।

বিভাগের আট জেলার ৭৪৩টি কলেজের পরীক্ষার্থীদের জন্য ২০৮টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ছেলেদের পাসের হার ৩৭.৭১ শতাংশ, যেখানে মেয়েদের পাসের হার ৫৩.০৩ শতাংশ।

জিপিএ-৫ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। এবারে বোর্ডের মোট ৪ হাজার ৫২০ জন পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে, যার মধ্যে ১ হাজার ৯৬৫ জন ছেলে এবং ২ হাজার ৫৫৫ জন মেয়ে।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক জানান, পরীক্ষা চলাকালীন ৩১ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিভাগের আট জেলায় মাত্র ৯টি কলেজ শতভাগ পাসের সাফল্য অর্জন করেছে, অন্যদিকে ৩৯টি কলেজের কোনো পরীক্ষার্থী পাস করতে পারেনি।

২০২০ সালে শতভাগ পাসের পর ২০২১ সালে ৯৭.২৯ শতাংশ, ২০২২ সালে ৮১.৬০ শতাংশ, ২০২৩ সালে ৭৮.৪৬ শতাংশ, ২০২৪ সালে ৮১.২৪ শতাংশ এবং ২০২৫ সালে ৫৯.৪০ শতাংশ পরীক্ষার্থী পাস করেছে।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ইফফাত জেরীন মন্তব্য করেন, "শিক্ষার্থীরা খাতায় যেমন লিখেছে, সেভাবেই নম্বর পেয়েছে। কাউকে বাড়তি নম্বর দেওয়া হয়নি। তাই সামগ্রিক ফলাফলে প্রভাব পড়েছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%