ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নতুন করে গড়তে হবে ২০ হাজার ঘর, এখনো নিখোঁজদের খুঁজছে নেপাল


নতুন করে গড়তে হবে ২০ হাজার ঘর, এখনো নিখোঁজদের খুঁজছে নেপাল

নেপালের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় প্রায় ২০ হাজার ঘরবাড়ি নতুনভাবে নির্মাণের প্রয়োজন রয়েছে। বৃহস্পতিবার এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।

 

এদিকে, ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আটকা পড়া মানুষদের উদ্ধারের জন্য অভিযান চলছে।

আরও পড়ুন: কাতারের শান্তি প্রস্তাব নাকচ, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন হামলার শঙ্কা

বিশেষ করে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত কিছু সুড়ঙ্গে আটকে থাকা শ্রমিকদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন উদ্ধারকারীরা। গত সপ্তাহের ভয়াবহ দুর্যোগের পর ৪ হাজারের বেশি মানুষ এখনও নিখোঁজ রয়েছে।

গত ২৬ আগস্ট হিমবাহ ধসে বিপুল পরিমাণ বরফ, পাথর ও কাদামাটি নেমে আসে।

 

এতে চীনের তিব্বত সীমান্তবর্তী নেপালের দরিদ্র অঞ্চলগুলোতে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটে। অনেক বসতি ও গ্রাম পানির স্রোত ও ধ্বংসস্তূপে তলিয়ে যায়। বহু ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।

আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ

নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা

কর্তৃপক্ষের প্রধান ধর্মরাজ উপ্রেতি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, প্রাথমিক হিসাবে প্রায় ৭ হাজার ৫০০ ঘর সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে।

 

এসব ঘরের কিছু পানির স্রোতে ভেসে গেছে, আবার কিছু কাদা ও ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছে।

আরও পড়ুন: বিয়ের ১৫ দিনের মাথায় সড়কে প্রাণ গেল ইতালি প্রবাসী তানভীরের

তিনি উল্লেখ করেন, যেসব ঘর এখনও দাঁড়িয়ে আছে, সেগুলোর অনেকগুলো বসবাসের উপযোগী নয়। কর্তৃপক্ষের ধারণা, সব মিলিয়ে প্রায় ২০ হাজার ঘর নতুন করে নির্মাণ করতে হবে। এই দুর্যোগে এখন পর্যন্ত অন্তত ১ হাজার ২০৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। বরফ, কাদা ও পাথরবাহী প্রবল পানির স্রোত সীমান্তবর্তী বিভিন্ন শহর ও গ্রামের ঘরবাড়ি, সড়ক ও স্কুল ভাসিয়ে নিয়ে যায়।

 

এখনও ৪ হাজার ২০০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। এ ছাড়া হাজার হাজার মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন। জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত সুড়ঙ্গগুলোতে আটকে থাকা শ্রমিকদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

উদ্ধার অভিযানে যুক্ত এক সেনা কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, নিখোঁজ শ্রমিকদের জীবিত উদ্ধারের আশায় সুড়ঙ্গগুলোতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ক্ষমতা হারালেই কি গ্রেফতার হবেন নেতানিয়াহু?

তিনি আরও জানান, ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া ও চীনের বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় সব সুড়ঙ্গে তল্লাশি চলছে। ওই সেনা কর্মকর্তা বলেন, ‘জীবিতদের উদ্ধারের সামান্য সম্ভাবনা থাকলেও উদ্ধার অভিযান চলবে। আর কেউ জীবিত না থাকলেও মরদেহ উদ্ধারের চেষ্টা করা হবে।’

দক্ষিণ কোরিয়ার বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপ জানিয়েছে, একটি বিশেষ উদ্ধারকারী দল নেপালে পৌঁছেছে। দলটির সঙ্গে ড্রোন, প্রশিক্ষিত উদ্ধারকারী কুকুর, শব্দ শনাক্তকারী যন্ত্র, ভিডিও সরঞ্জাম এবং তাপ শনাক্তকারী ক্যামেরা রয়েছে। দলটি বাতার এলাকায় ঘাঁটি স্থাপন করেছে।

সেখানেই আপার ত্রিশূলী-১ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের একটি সুড়ঙ্গ রয়েছে। ওই সুড়ঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার নয়জন শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে। ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের পর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে আনার জন্য কাজ করছে নেপাল সরকার। দুর্যোগে অনেক মানুষ ঘরবাড়ি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হারিয়েছেন।

নেপালের জাতীয় জরুরি পরিচালনা কেন্দ্রের কর্মকর্তা ফণীন্দ্র পৌডেল বলেন, ‘মানুষ সবকিছু হারিয়েছে। অনেকের নাগরিকত্বের পরিচয়পত্র বা পাসপোর্টও নেই।’ দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোতে যতটা সম্ভব স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে শিশুদের পড়াশোনা আবার চালু করার ওপর। এ জন্য অস্থায়ী স্কুল চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন: হাসিনার পতনের আগে ইউনূসকে দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান করেন শফিকুল আলম

জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ জানিয়েছে, বন্যার এক সপ্তাহেরও বেশি সময় পরও অন্তত ২২ হাজার শিশুর নিরাপদ পানীয় জল, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি-সংক্রান্ত জরুরি সহায়তা প্রয়োজন।

ফণীন্দ্র পৌডেল বলেন, ‘আমাদের অগ্রাধিকার হলো স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে আনা। নিয়মিত ক্লাস শুরু না হওয়া পর্যন্ত শিশুদের অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে পড়ানো যায় কি না, আমরা তা বিবেচনা করছি।’ তবে শিশুদের ক্লাস নেওয়ার জন্য নিরাপদ ভবন খুঁজে পাওয়া বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষকরা। অনেক স্কুল ভবন বন্যা ও ধ্বংসস্তূপে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিকল্প জায়গায় পাঠদান চালু করার চেষ্টা চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্যোগ মোকাবেলায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত করা হচ্ছে : দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৩ পি.এম


দুর্যোগ মোকাবেলায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত করা হচ্ছে : দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী

দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার আলোকে ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত করার কথা জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ভূমিকম্পের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

 

ভূমিকম্পের আগেই প্রস্তুতি গ্রহণ করা জরুরি; যাতে দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম চালানো এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তা করা সম্ভব হয়।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরে ‘প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুত ভূমিকম্প বিষয়ক প্রশিক্ষণের’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ একটি দুর্যোগপ্রবণ দেশ। এখানে বিভিন্ন ধরনের দুর্যোগ নিয়মিত আঘাত হানে।

 

দুর্যোগের প্রভাব কমানোর জন্য বর্তমান সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছে।

অনুষ্ঠানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন বলেন, প্রশিক্ষণ একজন ব্যক্তিকে সম্পূর্ণ এবং অভিজ্ঞ করে তোলে। প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবীরা সুযোগ পেলে মানবতার সেবায় দ্রুত এগিয়ে আসবেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রেজওয়ানুর রহমান।

 

এছাড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামও বক্তব্য দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংসদে আরো ১০ স্থায়ী কমিটি গঠন, দায়িত্ব পেলেন যারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৭ পি.এম


সংসদে আরো ১০ স্থায়ী কমিটি গঠন, দায়িত্ব পেলেন যারা

জাতীয় সংসদে ১০টি নতুন স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের সাথে সম্পর্কিত। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম যখন কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেন, তখন তা কণ্ঠভোটে সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়।

 

নতুনভাবে গঠিত এসব কমিটিতে বিভিন্ন সংসদ সদস্যদের সভাপতি ও সদস্য হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে সভাপতি করে। কমিটির সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মো. আমিন উর রশিদ, মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, মোহাম্মদ ফরিদুল কবির তালুকদার, মোহাম্মদ আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ, মোহাম্মদ মজিবুর রহমান চৌধুরী, মোসাম্মৎ শামীমা সুলতানা, মোহাম্মদ গোলাম রসূল, এবং মোহাম্মদ রায়হান সাঈদী।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে মোহাম্মদ সেলিম ভূঁইয়াকে সভাপতি করে।

 

কমিটির সদস্যদের মধ্যে আছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. এহছানুল হক মিলন, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, মোহাম্মদ সেলিমুজ্জামান মোল্লা, মো. জাহাঙ্গীর আলম মিয়া, মোসা. তাহসিনা রুশদী, বীথিকা বিনতে হোসাইন, মোহাম্মদ মজিবুর রহমান, এবং আতিকুর রহমান মুজাহিদ।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে রকিবুল ইসলামকে সভাপতি করে। কমিটির সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, হাবিবুল ইসলাম, লুৎফর রহমান, মো. রুহুল আমিন দুলাল, মো. শহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান, মো. রফিকুল ইসলাম খান এবং মো. মতিয়ার রহমান।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীকে সভাপতি করে।

 

কমিটির সদস্যরা হলেন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, লুৎফুল্লাহেল মাজেদ, সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, আলহাজ জসিম উদ্দিন আহমেদ, মোছা. সুরাইয়া জেরিন, শওকত আরা আক্তার, মাছুম মোস্তফা এবং মোহাম্মদ আবু তালিব।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে কলিম উদ্দিন আহমেদকে সভাপতি করে। কমিটির সদস্যরা হলেন মো. আবুল খায়ের ভূইয়া, মো. তমিজ উদ্দিন, মো. হারুনুর রশিদ, মোবাশ্বের আলম ভূইয়া, মানসুরা আক্তার, মো. কেরামত আলী, সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালা ওবায়দুল্লাহ সালাফী।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে মো. আমানউল্লাহ আমানকে সভাপতি করে। কমিটির সদস্যরা হলেন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান, ইয়াসের খান চৌধুরী, নরসিংদী-৫ আসনের মো. আশরাফ উদ্দিন, জামালপুর-৩ আসনের মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবু, মো. মজিবুর রহমান, নিলোফার চৌধুরী মনি, ফাহমিদা হক, মো. শফিকুল ইসলাম এবং মোসা. নাজমুন নাহার।

 

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে মোহাম্মদ জি কে গউছকে সভাপতি করে। কমিটির সদস্যরা হলেন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, শেখ ফরিদুল ইসলাম, মো. জাহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, সরোয়ার আলমগীর, সুলতানা জেসমিন, মো. মাহবুবুল আলম, মো. আব্দুল আলীম এবং মো. আবুল কালাম আজাদ।

ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে নাসের রহমানকে সভাপতি করে। কমিটির সদস্যরা হলেন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, জয়নাল আবেদীন, সরদার সরফ উদ্দিন আহমেদ, শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন, এরশাদুল্লাহ, সুলতানা আহমেদ, মাহবুবুর রহমান বেলাল এবং মাহমুদুল্লাহ।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে রফিকুল ইসলাম জামালকে সভাপতি করে। কমিটির সদস্যরা হলেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ), মোহাম্মদ শামীম কায়সার আতাউর রহমান খান, নূরুল আমিন, নিপুণ রায় চৌধুরী, সুবর্ণা সিকদার, মো. নূরুল আমিন, মো. আবুল হাসান এবং মো. আব্দুল খালেক।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে সেলিমা রহমানকে সভাপতি করে। কমিটির সদস্যরা হলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন, রাশেদা বেগম হীরা, এবং বিলকিস বেগম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশীয় প্রসাধনীর বাজার এক বিলিয়ন ডলারের বেশি : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪০ পি.এম


দেশীয় প্রসাধনীর বাজার এক বিলিয়ন ডলারের বেশি : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম জানিয়েছেন যে, দেশীয় প্রসাধনী, ত্বকের যত্ন ও ব্যক্তিগত পরিচর্যার বাজার ইতিমধ্যেই এক বিলিয়ন ডলারের সীমা অতিক্রম করেছে।

তিনি উল্লেখ করেন, নগরায়ণ, ক্রমবর্ধমান মধ্যবিত্ত শ্রেণি এবং ডিজিটাল খুচরা ব্যবসার কারণে প্রসাধনীর এই বাজার ক্রমাগতভাবে প্রসারিত হচ্ছে।

 

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) আইসিসিবিতে রিমার্ক-হারল্যান গ্রুপের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত বাণিজ্য প্রদর্শনী ‘কসমেটিকা ঢাকা-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘১৬টি দেশের অংশীদারের উপস্থিতি কেবল বাণিজ্যিক সাফল্য নয়, বরং এটি নির্দেশ করে যে বাংলাদেশ বৈশ্বিক ব্যক্তিগত পরিচর্যার জন্য একটি বিশ্বাসযোগ্য কেন্দ্র হয়ে উঠছে। আমাদের দেশীয় প্রসাধনী, ত্বকের যত্ন এবং ব্যক্তিগত পরিচর্যার বাজার ইতিমধ্যেই এক বিলিয়ন ডলারের সীমা অতিক্রম করেছে এবং নগরায়ণ, ক্রমবর্ধমান মধ্যবিত্ত শ্রেণি ও ডিজিটাল খুচরা ব্যবসার সঙ্গে তা ক্রমাগত প্রসারিত হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘যখন একটি দেশ একটি কসমেটিক ব্র্যান্ড রপ্তানি করে, তখন এটি কেবল একটি ফর্মুলেশন বিক্রি করার চেয়েও বেশি কিছু করে।

 

এটি নিয়ন্ত্রক মান, উদ্ভিদবিদ্যাগত ঐতিহ্য, বৈজ্ঞানিক দক্ষতা এবং যত্ন ও সৌন্দর্যের একটি সাংস্কৃতিক ধারণা রপ্তানি করে। এ কারণে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই প্রদর্শনীকে একটি কূটনৈতিক বাজার হিসেবে বিবেচনা করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের সামনে সুযোগটি কেবল আমদানির মাধ্যমে চাহিদা মেটানো নয়। বরং পুরো শৃঙ্খলটিকে স্থানীয়করণ করা, কাঁচামাল ও উদ্ভিদ নির্যাস, ফর্মুলেশন ও চুক্তিভিত্তিক উৎপাদন, ল্যাব থেকে ল্যাবরেটরি পরীক্ষা ও নিয়ন্ত্রক সম্মতি, টেকসই প্যাকেজিং এবং ব্র্যান্ড কাঠামো।

 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, তৈরি পোশাকে বাংলাদেশে ইতিমধ্যেই একটি প্রমাণিত শিল্প কাঠামো বিদ্যমান। পোশাক খাতের দ্বারা নির্মিত লজিস্টিকস, কমপ্লায়েন্স সিস্টেম, প্রাইভেট লেবেল উৎপাদন এবং বৈশ্বিক ক্রেতাদের সঙ্গে সম্পর্ক এখন একটি সংলগ্ন শিল্পে প্রয়োগ করা যেতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউখালীতে বিদায়ী ইউএনও মোঃ আসাদুজ্জামানকে বিদায় সংবর্ধনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রিয়াদ মাহমুদ সিকদার,কাউখালী প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪২ পি.এম


কাউখালীতে বিদায়ী ইউএনও মোঃ আসাদুজ্জামানকে বিদায় সংবর্ধনা

পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ আসাদুজ্জামানের বদলিজনিত বিদায় উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাইসুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে বিদায়ী ইউএনও মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, “কাউখালীতে দায়িত্ব পালনকালে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, সাংবাদিকসহ সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা পেয়েছি। এ উপজেলায় কাজ করার সময় মানুষের ভালোবাসা ও আন্তরিকতা সবসময় মনে থাকবে। সরকারি দায়িত্বের কারণে বদলি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তবে কাউখালীর মানুষের সঙ্গে গড়ে ওঠা সম্পর্ক ও স্মৃতি সবসময় হৃদয়ে থাকবে।
তিনি আরও বলেন, “উপজেলার উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। নতুন কর্মস্থলেও কাউখালীর মানুষের জন্য শুভকামনা থাকবে। আশা করি, এখানকার উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আনোয়ার হোসেন, কাউখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম আহসান কবির, উপজেলা কৃষি অফিসার সোমা রানী দাস, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুব্রত কর্মকার, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচ এম দ্বীন মোহাম্মদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাফিউল আজম দুলাল, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হাসান লিকসন, অধ্যক্ষ মাওলানা হোসাইন আহমেদ, হাফেজ মাওলানা এবাদত হোসেন, প্রধান শিক্ষক সামছুর রহমান মিজান, সুব্রত রায়, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান তালুকদার, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রাকিব তালুকদার, প্রেস ক্লাবের সভাপতি রিয়াদ মাহমুদ সিকদার, সাবেক সভাপতি তারিকুল ইসলাম পান্নু, ইউপি সদস্য আজম আলী, রুবেল রিয়াজি এবং পুরোহিত জ্যোতিময় রতন চক্রবর্তী প্রমুখ।
বক্তারা বিদায়ী ইউএনও মোঃ আসাদুজ্জামানের কাউখালীতে কর্মকালীন বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন। তারা বলেন, একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে তিনি উপজেলার সাধারণ মানুষের সঙ্গে আন্তরিকভাবে কাজ করেছেন। তাঁর কর্মদক্ষতা, দায়িত্বশীলতা ও মানুষের প্রতি সহযোগিতামূলক মনোভাবের কথা স্মরণ করেন বক্তারা। একই সঙ্গে তাঁর নতুন কর্মস্থলের সফলতা ও সুস্বাস্থ্য কামনা করেন তারা।
অনুষ্ঠানে বিদায়ী ইউএনওকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। এ সময় উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক, রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটির যৌথ সঞ্চালনা করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল হান্নান ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রফিক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%