ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বাসায় ককাস অব আমেরিকার সদস্যদের মধ্যাহ্নভোজ


মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বাসায় ককাস অব আমেরিকার সদস্যদের মধ্যাহ্নভোজ

ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনের বাসভবনে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়, যেখানে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ‘ককাস অব আমেরিকা’র কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) মার্কিন রাষ্ট্রদূতের আমন্ত্রণে এই অনুষ্ঠানে তারা উপস্থিত হন। অনুষ্ঠানে বিএনপির সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন, অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী, সানজিদা ইসলাম তুলি, জামায়াতের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম (আরমান), মারদিয়া মমতাজ এবং এনসিপির আখতার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

নিপুণ রায় চৌধুরী ফেসবুকে সাক্ষাতের ছবি পোস্ট করে লেখেন, ‘বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনের বাসভবনে আমেরিকান ককাস-এর সদস্যদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ এক মতবিনিময় হলো। সুন্দর এই আয়োজনের জন্য তাঁকে এবং মার্কিন দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ। এমন সুযোগ পারস্পরিক সম্পর্ক ও বোঝাপড়াকে আরো দৃঢ় করে।’

আরও পড়ুন: ডেপুটি স্পিকার তরুণদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন

সানজিদা ইসলাম তুলি লেখেন, ‘এ ধরনের সৌহার্দ্যপূর্ণ সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় পারস্পরিক সম্পর্ক, সহযোগিতা ও বোঝাপড়াকে আরো গভীর ও দৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোগ প্রতিরোধমুখী হতে হবে স্বাস্থ্যব্যবস্থা: ডা. জুবাইদা রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৭ পি.এম


রোগ প্রতিরোধমুখী হতে হবে স্বাস্থ্যব্যবস্থা: ডা. জুবাইদা রহমান

প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান মন্তব্য করেছেন যে, বাড়ির নিকটে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা না থাকার কারণে মানুষকে চিকিৎসার জন্য দূর-দূরান্তে যেতে হয়। তিনি উল্লেখ করেন, স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে চিকিৎসাকেন্দ্রিক না রেখে রোগপ্রতিরোধমুখী করতে হবে। রোগ জটিল আকার ধারণ করার আগেই তা শনাক্ত ও প্রতিরোধের ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিজয় সরণির নভোথিয়েটারের একটি হলে ‘সাশ্রয়ী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ সম্প্রসারণ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের বাস্তবায়নে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ইনোভেশন ফেয়ারের অংশ হিসেবে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। শনিবার সকালে মেলার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নভোথিয়েটার প্রাঙ্গণে আয়োজিত মেলা সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য মেলা উন্মুক্ত থাকবে। এতে সার্বিক সহযোগিতা করছে স্পেলবাউন্ড কমিউনিকেশন্স লিমিটেড।

ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, সবার জন্য সাশ্রয়ী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক চিকিৎসা নিশ্চিত করার মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবাকে মৌলিক অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হবে। স্বাস্থ্যসেবাকে আধুনিক হাসপাতাল বা উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর চিকিৎসার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের কাছে, দেশের ৯০ হাজারের বেশি গ্রামে গ্রহণযোগ্য স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছানো উচিত। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীদের যেন চিকিৎসার জন্য দীর্ঘপথ পাড়ি দিতে না হয় এবং হামে আক্রান্ত শিশুদের অভিভাবকরা যেন বাড়ির কাছেই স্বাস্থ্যসেবা পান, সেই ব্যবস্থা করতে হবে।

ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, ডেঙ্গু বিষয়ে সচেতনতা কর্মসূচি জোরদার করতে হবে এবং হামের টিকাদানে মানুষকে উৎসাহিত করতে হবে, যাতে কেউ এসব সেবা থেকে বাদ না পড়েন। হৃদ্‌রোগ দেশে পঙ্গুত্ব ও মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। সহজ জীবনযাপনের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ এবং উন্নত চিকিৎসাসেবার সমন্বয় এই পরিস্থিতি পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে পারে।

ক্যানসার সচেতনতা কর্মসূচি আরো বিস্তৃত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। ডায়াবেটিসের চিকিৎসায় বাংলাদেশে আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যা দক্ষতার উদাহরণ তৈরি করেছে। তারপরও অনেক মানুষ নিজের অজান্তেই ডায়াবেটিস নিয়ে বসবাস করছেন।

স্বাস্থ্য খাতে সরকারি বিনিয়োগ ধীরে ধীরে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথাও জানান ডা. জুবাইদা রহমান। একই সঙ্গে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে বলেও তিনি জানান। এ ক্ষেত্রে নারী স্বাস্থ্যকর্মীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, এসব স্বাস্থ্যকর্মী মানুষের রোগ শনাক্তকরণ (স্ক্রিনিং), মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা, স্বাস্থ্যশিক্ষা এবং দীর্ঘস্থায়ী রোগ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন।

ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, ‘রোগ প্রতিরোধ নিরাময়ের চেয়ে উত্তম’—আমরা প্রায়ই এ কথা বলি। আর সেটিই সত্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে ইতিবাচক ফলের আশা : মার্কিন রাষ্ট্রদূত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৮ পি.এম


বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে ইতিবাচক ফলের আশা : মার্কিন রাষ্ট্রদূত

ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন আশা প্রকাশ করেছেন যে, বাংলাদেশ যদি পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তির (অ্যাগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড) আওতায় তার প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন করে, তাহলে আগামী ৩০ বছর এবং তার পরেও বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যিক সম্পর্কের আরো ইতিবাচক ফলাফল দেখা যাবে।

তিনি শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচ্যাম) প্রতিষ্ঠার ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ বাণিজ্যিক সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার ৩০ বছর পূর্তিতে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশকে অভিনন্দন। গত ৩০ বছর ধরে অ্যামচ্যাম বাংলাদেশ যেমন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের একটি নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে কাজ করেছে, তেমনি আমি আত্মবিশ্বাসী যে পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ তার প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন করলে আগামী ৩০ বছর এবং তার পরেও আমরা আরো ইতিবাচক ফল দেখতে পাব।’

অনুষ্ঠানে অ্যামচ্যামের বর্তমান ও সাবেক নেতৃবৃন্দ, সদস্য প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, সরকারের নীতিনির্ধারক, কূটনীতিক, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দসহ অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক সম্পর্ক এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগে অ্যামচ্যামের তিন দশকের অবদান স্মরণে এ আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুরু হয়। পরে প্রদর্শিত হয় অ্যামচ্যামের ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে নির্মিত স্মারক প্রামাণ্যচিত্র ‘৩০ ইয়ার্স অব মেকিং পসিবিলিটিজ পসিবল’।

স্বাগত বক্তব্যে অ্যামচ্যাম বাংলাদেশের সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল তিন দশক আগের একটি স্বপ্ন থেকে ব্যবসা, বিনিয়োগ ও বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক অংশীদারির একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্মে পরিণত হওয়ার পথে অ্যামচ্যামের যাত্রা তুলে ধরেন। তিনি চেম্বারের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সাবেক নেতৃবৃন্দের দূরদর্শিতা, নেতৃত্ব ও অবদানের জন্য কৃতজ্ঞতা জানান।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি আগামী দুই বছরের একটি সুস্পষ্ট জ্বালানি রোডম্যাপ, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ, মেধাস্বত্ব অধিকার ও সাইবার নিরাপত্তায় অধিকতর মনোযোগ এবং নিয়ন্ত্রক সংস্কারের কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে অ্যামচ্যাম ও এর সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোর বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তি, জ্ঞান ও সক্ষমতাকে আরো সক্রিয়ভাবে কাজে লাগাতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে অ্যামচ্যাম বাংলাদেশের সহসভাপতি ও মেটলাইফ বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলা উদ্দিন আহমদ বিভিন্ন খাতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ‘অ্যামচ্যাম এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ চালুর ঘোষণা দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুইজারল্যান্ডে ২১ দিনের সফরে ভারতীয় দম্পতির খরচের হিসাব প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৮ পি.এম


সুইজারল্যান্ডে ২১ দিনের সফরে ভারতীয় দম্পতির খরচের হিসাব প্রকাশ

সুইজারল্যান্ড ভ্রমণ অনেকের কাছে একটি স্বপ্নের মতো। তবে, দেশটিতে ঘুরতে গেলে থাকা, যাতায়াত, খাবার এবং বিভিন্ন পর্যটন কার্যক্রমে কতটা খরচ হতে পারে, তা নিয়ে ভ্রমণপ্রেমীদের মধ্যে আগ্রহ থাকে। সম্প্রতি, ভারতের এক ভ্রমণকারী দম্পতি তিন সপ্তাহের সুইজারল্যান্ড সফরের মোট খরচের হিসাব প্রকাশ করেছেন। তাদের ২১ দিনের ভ্রমণে মোট খরচ হয়েছে ৭ লাখ ৫০ হাজার ভারতীয় রুপি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৯ লাখ ৬৮ হাজার টাকা।

হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ভ্রমণ কনটেন্ট নির্মাতা প্রকৃতি অরোরা ও আশিষ কুমার তাদের সুইজারল্যান্ড সফরের বিস্তারিত ব্যয়ের হিসাব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন। এই দম্পতির ভ্রমণে থাকা, যাতায়াত, খাবার, বিভিন্ন কার্যক্রম এবং অন্যান্য খরচ অন্তর্ভুক্ত ছিল।

দম্পতির সবচেয়ে বেশি খরচ হয়েছে থাকার জন্য। ২১ দিনে তারা ছয়টি জায়গায় অবস্থান করেছেন। এর মধ্যে ছিল এয়ারবিএনবি, হোম এক্সচেঞ্জ এবং একটি হোটেল। প্রতি রাতে তাদের থাকার জন্য গড়ে খরচ হয়েছে ১৭ হাজার ভারতীয় রুপি, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ২১ হাজার ৯০০ টাকা।

যাতায়াতের ক্ষেত্রে তারা বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করেছেন। ১৫ দিনের ফ্লেক্সি সুইস ট্রাভেল পাসের জন্য তাদের খরচ হয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার ৭০০ ভারতীয় রুপি, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ১ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। এই পাসের মাধ্যমে ট্রেন, বাস ও নৌযাত্রার পাশাপাশি গন্ডোলা ব্যবহারের সুযোগ এবং বিভিন্ন কার্যক্রমে ছাড় পাওয়া যায়।

 

এছাড়া, বার্নিনা এক্সপ্রেসের ফার্স্ট ক্লাসের জন্য তারা অতিরিক্ত ১৮ হাজার ভারতীয় রুপি খরচ করেছেন। বাংলাদেশি টাকায় এর পরিমাণ প্রায় ২৩ হাজার টাকা।

বিভিন্ন পর্যটন কার্যক্রম ও অভিজ্ঞতার পেছনে তাদের খরচ হয়েছে আরও ৯৭ হাজার ৩০০ ভারতীয় রুপি, যা প্রায় ১ লাখ ২৬ হাজার টাকা। এর মধ্যে ছিল আলপাইন কোস্টার, গ্রিন্ডেলভাল্ড ফার্স্টের বিভিন্ন কার্যক্রম এবং অ্যাপেনজেলে বাইক চালানোর মতো অভিজ্ঞতা।

খাবারের খরচও কম ছিল না। তারা রেস্তোরাঁয় নিয়মিত খাওয়ার পরিবর্তে বেশিরভাগ সময় সুপারমার্কেট থেকে বাজার করে রান্না বা প্রস্তুত খাবার খেয়েছেন। ২১ দিনে দুজনের খাবারের পেছনে খরচ হয়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ভারতীয় রুপি, বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১ লাখ ৯১ হাজার টাকা।

 

সব মিলিয়ে, তিন সপ্তাহের সুইজারল্যান্ড সফরে তাদের মোট খরচ হয়েছে ৭ লাখ ৫০ হাজার ভারতীয় রুপি বা প্রায় ৯ লাখ ৬৮ হাজার টাকা। এর মধ্যে থাকা ও যাতায়াতেই সবচেয়ে বড় অংশ ব্যয় হয়েছে।

খরচ কমানোর জন্য এই দম্পতি কয়েকটি পরামর্শও দিয়েছেন। তাদের মতে, তুলনামূলক কম খরচে থাকার জন্য হোম এক্সচেঞ্জ ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রতিদিন রেস্তোরাঁয় না খেয়ে সুপারমার্কেট থেকে প্রস্তুত খাবার ও প্রয়োজনীয় পণ্য কিনলেও খরচ কমানো সম্ভব।

এছাড়া, সুইস ট্রাভেল পাস বা হাফ ফেয়ার কার্ড ব্যবহারের পরামর্শও তারা দিয়েছেন। সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন স্থানে থাকা বিনামূল্যের পানির ফোয়ারা ব্যবহারের জন্য সঙ্গে পুনর্ব্যবহারযোগ্য পানির বোতল রাখার কথাও তারা উল্লেখ করেছেন। কম দামে প্রয়োজনীয় বাজার করতে লিডল বা মিগ্রোস এম বাজেটের মতো সুপারমার্কেট ব্যবহারের পরামর্শ তাদের।

 

তাদের আরো পরামর্শ হলো, এমন আবাসন বেছে নেওয়া ভালো যেখানে অতিথিদের জন্য স্থানীয় বিভিন্ন সুবিধা ব্যবহারের পাস দেওয়া হয়। এতে আলাদা করে কিছু পর্যটন কার্যক্রমের খরচ কমানো সম্ভব হতে পারে।

তবে, ভ্রমণকারীদের জন্য বাস্তব খরচ ভিসা, বিমানভাড়া, ভ্রমণের সময়, থাকার ধরন ও ব্যক্তিগত পছন্দের ওপর নির্ভর করবে। তাই এই হিসাবকে সুইজারল্যান্ডে ২১ দিনের ভ্রমণের একটি উদাহরণ হিসেবে দেখা যেতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ ফ্রান্সের সঙ্গে বৈধ শ্রম অভিবাসন বাড়াতে চায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৯ পি.এম


বাংলাদেশ ফ্রান্সের সঙ্গে বৈধ শ্রম অভিবাসন বাড়াতে চায়

বাংলাদেশ ফ্রান্সের সঙ্গে বৈধ ও নিয়মিত শ্রম অভিবাসনের সুযোগ বৃদ্ধি করতে চায়। ঢাকা একই সঙ্গে দুই দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সহযোগিতাকে আরো জোরদার করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছে।

রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে ফ্রান্সের তিন সিনেটরের একটি প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাতে এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতও উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে বাংলাদেশ-ফ্রান্স সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। বিশেষভাবে দুই দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

ফ্রান্সের সিনেটের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরো গভীর করার আগ্রহ প্রকাশ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি আন্তঃসংসদীয় ইউনিয়ন (আইপিইউ) কার্যক্রমের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ ও মতবিনিময় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।

শামা ওবায়েদ ফ্রান্সে বাংলাদেশের রপ্তানি বহুমুখীকরণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তিনি বিশেষ করে ওষুধ, চামড়া, সিরামিক ও পাটজাত পণ্যের মতো খাতে রপ্তানি বৃদ্ধির সুযোগের কথা উল্লেখ করেন। এসব খাতে আরো বেশি ফরাসি বিনিয়োগের আহ্বান জানান তিনি।

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে ফ্রান্সের অব্যাহত সহযোগিতার প্রশংসা করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, শিক্ষা, সংস্কৃতি, অভিবাসন ও শ্রমিক চলাচলসহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন।

বৈঠকে বাংলাদেশের কর্মীদের কারিগরি ও বৃত্তিমূলক দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ বৃদ্ধির বিষয়ে দুই পক্ষ একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে একমত হন। একই সঙ্গে বৈধ ও নিয়মিত শ্রমিক চলাচলের আরো সুযোগ তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

শামা ওবায়েদ অনিয়মিত অভিবাসন ও মানবপাচারের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি অনিয়মিত অভিবাসন প্রতিরোধে ফ্রান্সের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার জন্য বাংলাদেশের প্রস্তুতির কথাও জানান।

বৈঠকে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন, নারীর ক্ষমতায়ন এবং বহুপক্ষীয় সহযোগিতা সহ বিভিন্ন আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ইস্যু নিয়েও মতবিনিময় করা হয়। দুই পক্ষ বহুপক্ষীয় বিভিন্ন ফোরামে পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।

বৈঠকে দুই পক্ষ আশা প্রকাশ করে যে, সংসদীয় প্রতিনিধি দলের পারস্পরিক সফর বাংলাদেশ-ফ্রান্স সম্পর্ককে নতুন গতি দেবে এবং দুই গণতান্ত্রিক দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও অংশীদারি আরো শক্তিশালী করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%