ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের জোটে কেন যোগ দেয়নি মিসর


সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের জোটে কেন যোগ দেয়নি মিসর

মিসর সৌদি আরব, তুরস্ক এবং পাকিস্তানের ত্রিদেশীয় প্রতিরক্ষা জোটে যুক্ত হওয়া থেকে বিরত রয়েছে। কারণ, তা হলো, ইসরায়েল এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) সঙ্গে নিজেদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের ভারসাম্য বজায় রাখার প্রয়োজন। আঙ্কারার টানা দুই বছরের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এবং মিসরকে জোটে অন্তর্ভুক্ত করার আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব থাকা সত্ত্বেও, কায়রো শেষ পর্যন্ত এই চুক্তি থেকে সরে দাঁড়ায়।

সৌদি আরবের মক্কায় গোপনীয়তার সঙ্গে একটি অনুষ্ঠানে তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে একটি ঐতিহাসিক নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তি ন্যাটোর ‘অনুচ্ছেদ ৫’-এর মতো যৌথ প্রতিরক্ষার নীতি অনুসরণ করে তৈরি করা হয়েছে। প্রাথমিক পরিকল্পনায়, শক্তিশালী সামরিক শক্তির অধিকারী মিসরকে এই আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোর অন্যতম মূল অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছিল। গাজা যুদ্ধবিরতি আলোচনা এবং আফ্রিকায় কৌশলগত অবস্থানের দিক থেকে আঙ্কারা ও রিয়াদের সঙ্গে কায়রোর নীতিগত মিল থাকলেও, চূড়ান্ত পর্যায়ে দেশটি চুক্তিতে সই করা থেকে পিছিয়ে যায়।

মিসরের এই সিদ্ধান্তের পেছনে কিছু সুনির্দিষ্ট কৌশলগত কারণে অবদান রেখেছে। প্রথমত, ইসরায়েলের প্রতিবেশী এবং যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে তেল আবিবের সঙ্গে বিদ্যমান কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষা করা কায়রোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই চুক্তিতে যোগ দিলে, মিসর ইসরায়েলের তীব্র রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক চাপের মুখে পড়তে পারে।

আরও পড়ুন: কাতারের শান্তি প্রস্তাব নাকচ, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন হামলার শঙ্কা

দ্বিতীয়ত, সম্প্রতি সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে তৈরি হওয়া আঞ্চলিক প্রতিযোগিতায় মিসর নিরপেক্ষ অবস্থান ধরে রাখার চেষ্টা করছে। এছাড়া, আবুধাবির কাছ থেকে বড় অঙ্কের আর্থিক সহায়তা পাওয়ার পাশাপাশি, আমিরাতের সঙ্গে মিসরের আলাদা প্রতিরক্ষা চুক্তিও রয়েছে। এই কারণে সৌদি-তুরস্ক অক্ষের দিকে ঝুঁকে পড়ে আমিরাতকে অসন্তুষ্ট করার ঝুঁকি নিতে চাননি কায়রো। তাছাড়া, ভারতের সঙ্গে উদীয়মান বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করা এবং কোনো একটি নির্দিষ্ট ভূরাজনৈতিক ব্লকে পুরোপুরি আবদ্ধ না হওয়ার নীতিও এই সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করেছে।

তবে, তুরস্ক কায়রোর এই অবস্থানকে সাময়িক হিসেবে দেখছে। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, কারিগরি ও কূটনৈতিক কিছু বিষয় মীমাংসা হলে ভবিষ্যতে মিসরও এই নিরাপত্তা জোটের অংশ হতে পারে। আনুষ্ঠানিক চুক্তি সই না করলেও, আঞ্চলিক অনেক বিষয়ে দেশটি ইতিমধ্যে এই জোটভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারীদের পিছিয়ে রেখে দেশের সুষম উন্নয়ন সম্ভব নয়: ডিসি ফরিদা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:১৩ পি.এম


নারীদের পিছিয়ে রেখে দেশের সুষম উন্নয়ন সম্ভব নয়: ডিসি ফরিদা

ঢাকা, ১১ আগস্ট, ২০২৬ : নারীদের পিছিয়ে রেখে দেশের প্রকৃত ও সুষম উন্নয়ন সম্ভব নয়, এমন মন্তব্য করেছেন ঢাকা জেলা প্রশাসক মিজ ফরিদা খানম। তিনি বলেছেন, দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী। তাই নারীদের উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে হবে এবং তাদের স্বাবলম্বী করে তুলতে হবে। তিনি মনে করেন, নারী এগিয়ে গেলে পরিবার, সমাজ ও দেশ এগিয়ে যাবে।

আজ (মঙ্গলবার) ঢাকা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ইনস্টিটিউট ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইইডি)-এর উদ্যোগে আয়োজিত ‘এসপিআরই’ প্রকল্পের এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ঢাকার জেলা প্রশাসক আরও বলেন, উন্নয়ন কোনো একক বা স্বল্পমেয়াদি প্রক্রিয়া নয়। মানুষের জীবনে প্রকৃত ও টেকসই পরিবর্তন আনতে হলে দীর্ঘমেয়াদি, অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন প্রয়োজন। আর এই ধরনের উন্নয়নের অন্যতম প্রধান শর্ত হলো সমাজের পিছিয়ে পড়া নারীদের উন্নয়নের মূলধারায় নিয়ে আসা এবং তাদের স্বাবলম্বী করে তোলা।

তিনি উল্লেখ করেন, নারীদের শুধু সহায়তার ওপর নির্ভরশীল না রেখে, তাদের সক্ষম করে তুলতে হবে, যাতে তারা নিজেরাই নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সক্ষম হন। এজন্য প্রান্তিক নারীদের সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি বাস্তবমুখী দক্ষতা, প্রযুক্তি (আইসিটি), কারিগরি শিক্ষা এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণের সুযোগ দিতে হবে।

জেলা প্রশাসক প্রান্তিক নারীদের সরকারি ও বেসরকারি সেবা পাওয়ার সুযোগকে সহজ করার ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, আইনি সহায়তা ও স্বাস্থ্যসেবাসহ প্রয়োজনীয় সরকারি সেবাগুলো যেন কোনো জটিলতা ছাড়াই নারীদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া যায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।

নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, আয়মূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে নারীদের সরাসরি সম্পৃক্ত করতে হবে। সহজ শর্তে ঋণ ও তহবিল, উদ্যোক্তা সহায়তা এবং স্থানীয় ও অনলাইন বাজারে নারীদের উৎপাদিত পণ্যের বিপণনের সুযোগ তৈরি করা গেলে তাদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা আরও দ্রুত নিশ্চিত করা সম্ভব।

সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবার থেকে শুরু করে সমাজ ও স্থানীয় পর্যায় পর্যন্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারীদের মতামত ও নেতৃত্বকে গুরুত্ব দিতে হবে। পরিবেশ সংরক্ষণ, সামাজিক উন্নয়ন ও স্থানীয় সমস্যা সমাধানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, শুধু সরকারের একক প্রচেষ্টায় নারীর ক্ষমতায়ন ও প্রান্তিক জনগণের উন্নয়ন সম্ভব নয়। সরকারি প্রতিষ্ঠান, আইইডির মতো বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা, নাগরিক সমাজ এবং স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

ঢাকা জেলা প্রশাসন প্রান্তিক ও পিছিয়ে পড়া জনগণের কল্যাণ এবং নারী ক্ষমতায়নে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ধরনের জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও সমর্থন অব্যাহত থাকবে।

অনুষ্ঠানে তিনি সমাজের প্রতিটি নারীকে নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয়ে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। পাশাপাশি প্রান্তিক ও পিছিয়ে পড়া জনগণের উন্নয়নে কাজ করা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ১৯০৮টি মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:১৬ পি.এম


ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ১৯০৮টি মামলা

ঢাকা, ১১ আগস্ট, ২০২৬ : রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ ১ হাজার ৯০৮টি মামলা করেছে।

গতকাল (সোমবার) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এই মামলা করা হয়।

আজ (মঙ্গলবার) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানান।

ট্রাফিক পুলিশ জানায়, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে রয়েছে ১০টি বাস, ১টি ট্রাক, ৫টি কাভার্ডভ্যান, ১৪টি সিএনজি এবং ৩৭টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৫৬টি মামলা।

ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে পাওয়া গেছে ১২টি বাস, ১৫টি ট্রাক, ৪টি কাভার্ডভ্যান, ১৩টি সিএনজি এবং ৭৪টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৫টি মামলা।

ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে রয়েছে ১১টি বাস, ১টি ট্রাক, ১৪টি কাভার্ডভ্যান, ৫৮টি সিএনজি এবং ১৩৫টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৭৭টি মামলা।

ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ৩৭টি বাস, ২৯টি ট্রাক, ১৫টি কাভার্ডভ্যান, ২৭টি সিএনজি এবং ৫৪টি মোটরসাইকেলসহ ২১৬টি মামলা হয়েছে।

অন্যদিকে, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে দেখা গেছে ২৪টি বাস, ৪টি ট্রাক, ৮টি কাভার্ডভ্যান, ৩৬টি সিএনজি এবং ৭৫টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৯২টি মামলা।

ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে মোট ৪০টি বাস, ২৮টি ট্রাক, ৪৩টি কাভার্ডভ্যান, ৪৮টি সিএনজি, ১৮০টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৪৫৩টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ২৮টি বাস, ৯টি ট্রাক, ৭টি কাভার্ডভ্যান, ৩৬টি সিএনজি এবং ৮৭টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৩৮টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে পাওয়া গেছে ৩৪টি বাস, ২টি ট্রাক, ৮টি কাভার্ডভ্যান, ৩১টি সিএনজি এবং ৭০টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২১৯টি মামলা।

অভিযানকালে মোট ৬৯৬টি গাড়ি ডাম্পিং এবং ৩৬৭টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বঙ্গভবন ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ সরকারি অফিসে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর নির্দেশনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:১৭ পি.এম


বঙ্গভবন ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ সরকারি অফিসে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর নির্দেশনা

ঢাকা, ১১ আগস্ট, ২০২৬ : বঙ্গভবন ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি অফিসে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বৃদ্ধির জন্য নতুন নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। আজ (মঙ্গলবার) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ওয়েবসাইটে এই নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

সেখানে জানানো হয়েছে যে, সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বঙ্গভবন, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, পরিকল্পনা কমিশন এবং অর্থ বিভাগে দাপ্তরিক কাজে ব্যবহৃত বিদ্যুতের সিংহভাগ সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে হবে। অন্যান্য সরকারি দপ্তরে ধাপে ধাপে সৌর বিদ্যুতের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

এই নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রাম সীমান্ত থেকে বাংলাদেশি যুবককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:২১ পি.এম


কুড়িগ্রাম সীমান্ত থেকে বাংলাদেশি যুবককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীর সীমান্ত এলাকার এক যুবককে আটক করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। যুবকের নাম আজিবর রহমান, বয়স ২৪ বছর।

আজিবর রহমান শিলখুড়ি ইউনিয়নের উত্তর ধলডাঙ্গার কাজিয়ার চর এলাকার নুরুল ওরফে বিনা মিয়ার ছেলে।

সোমবার (১০ আগস্ট) মধ্যরাতে, কাজিয়ার চরের দোনালার মাথা এলাকা সংলগ্ন ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করার সময় বিএসএফ তাকে আটক করে।

কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন ২২ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ মাহবুব-উল-হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়দের দাবি, সোমবার রাতে সীমানা পিলার ৯৮৮ এর নিকটবর্তী ভারতীয় ভূখণ্ডে যখন যুবক প্রবেশ করেন, তখন তিনি বিএসএফের সম্মুখীন হন। আটক হওয়া আজিবরকে ফিরিয়ে আনতে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।

এই প্রসঙ্গে লে. কর্নেল মোহাম্মদ মাহবুব-উল-হক মন্তব্য করেন, ‘বাংলাদেশের এক নাগরিক ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করলে বিএসএফ সেখানে তাকে আটক করে। আটক নাগরিককে ফিরিয়ে আনতে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%