ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই অধ্যাপক সিন্ডিকেট সদস্য মনোনীত


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই অধ্যাপক সিন্ডিকেট সদস্য মনোনীত

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সিন্ডিকেটে সদস্য হিসেবে দুই শিক্ষককে মনোনয়ন প্রদান করেছে।

বুধবার (৮ অক্টোবর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

মনোনীত শিক্ষকরা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোশাররফ হোসেন এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন।

আরও পড়ুন: পাবিপ্রবির শিক্ষার্থী আহত, সাত দফা দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৫-এর ১৭(১)(চ) ও ১৭(২) ধারা অনুযায়ী, ওই দুই শিক্ষককে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ক্যাটাগরিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটে দুই বছরের জন্য সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. সুলতান আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে সংশ্লিষ্টদের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চুয়েটের ছয় শিক্ষক বিশ্ব সেরা গবেষকের তালিকায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৪৫ এম


চুয়েটের ছয় শিক্ষক বিশ্ব সেরা গবেষকের তালিকায়

যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও নেদারল্যান্ডসভিত্তিক প্রকাশনা সংস্থা এলসেভিয়ার বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষকের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। গত বুধবার প্রকাশিত স্ট্যানফোর্ড-এলসেভিয়ারের এই বৈশ্বিক তালিকায় চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ছয়জন শিক্ষক স্থান পেয়েছেন।

গত বছর চুয়েটের চারজন শিক্ষক এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছিলেন। এবার সেই সংখ্যা বেড়ে ছয়ে দাঁড়িয়েছে। এ বছর পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের তিনজন শিক্ষক, রসায়ন বিভাগের একজন, বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের একজন এবং যন্ত্রকৌশল বিভাগের একজন শিক্ষক তালিকায় স্থান পেয়েছেন।

তালিকায় স্থান পাওয়া শিক্ষকদের মধ্যে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. আশরাফ আলী সবার ওপরে রয়েছেন। তিনি ফলিত পদার্থবিজ্ঞান উপক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী গবেষকদের মধ্যে ১ হাজার ৪১৮তম অবস্থানে আছেন। তার প্রকাশিত গবেষণাপত্রের সংখ্যা ৮৮টি। একই বিভাগের অধ্যাপক মো. মহিউদ্দিনের ৮৭টি গবেষণাপত্র রয়েছে এবং তার বৈশ্বিক অবস্থান ৪ হাজার ৫৪১তম। অধ্যাপক মো. মুক্তার হোসাইনের ৮১টি গবেষণাপত্র রয়েছে এবং ফলিত পদার্থবিজ্ঞান উপক্ষেত্রে তার অবস্থান ৫ হাজার ১১৯তম।

রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ইউনুস আহমেদ সাধারণ রসায়ন উপক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী ৪২৬তম অবস্থানে রয়েছেন। তার প্রকাশিত গবেষণাপত্রের সংখ্যা ৩৪টি। অপরদিকে, বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক সামিত মজুমদার বিশ্লেষণাত্মক রসায়ন উপক্ষেত্রে ৯৪১তম অবস্থানে রয়েছেন, যার গবেষণাপত্রের সংখ্যা ২০টি।

এছাড়া, যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক মোস্তফা কামাল ভূঁইয়া নির্ভরযোগ্য শক্তিবিষয়ক উপক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী গবেষকদের মধ্যে ৭ হাজার ৩৫০তম অবস্থানে রয়েছেন। তার প্রকাশিত গবেষণাপত্রের সংখ্যা ৪৪টি।

শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষক নির্ধারণের ক্ষেত্রে গবেষণাপত্রের সংখ্যা ছাড়াও গবেষণার প্রভাব ও সাইটেশনকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। মোট সাইটেশন, এইচ-ইনডেক্স, সহলেখকের সংখ্যা বিবেচনায় নিয়ে সমন্বিত এইচএম-ইনডেক্স, একক লেখক হিসেবে প্রকাশিত গবেষণার সাইটেশন এবং প্রথম ও শেষ লেখক হিসেবে প্রকাশিত গবেষণাপত্রের সাইটেশন—এই ছয়টি সূচকের ভিত্তিতে গবেষকদের সি-স্কোর নির্ধারণ করা হয়।

স্কোপাস ডেটাবেজে সংরক্ষিত বিশ্বের বিপুলসংখ্যক গবেষকের তথ্য বিশ্লেষণ করে দুটি মানদণ্ডের যেকোনো একটি পূরণকারী গবেষকদের শীর্ষ ২ শতাংশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর একটি হলো সি-স্কোরের ভিত্তিতে বিশ্বের শীর্ষ এক লাখ বিজ্ঞানীর মধ্যে থাকা। অন্যটি হলো নির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক উপক্ষেত্রের গবেষকদের মধ্যে শীর্ষ ২ শতাংশে অবস্থান করা। এ মূল্যায়নে বিজ্ঞানজগতকে ২২টি প্রধান ক্ষেত্র ও ১৭৪টি উপক্ষেত্রে ভাগ করে গবেষকদের অবস্থান নির্ধারণ করা হয়।

এ বছর বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের একাধিক গবেষকও এ বৈশ্বিক তালিকায় স্থান পেয়েছেন। ২০২৬ সালের একক বছরের গবেষণার প্রভাব বিবেচনায় দেশের ৮৮টি প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৩৪৭ জন গবেষক তালিকাভুক্ত হয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৪৮ এম


অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু

বিজ্ঞান

চতুর্থ অধ্যায় : উদ্ভিদের বংশ বৃদ্ধি

সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন

১।      ঢেঁড়সকে কেন নীরস ফল বলা হয়?

উত্তর : যেসব ফলের ফলত্বক পাতলা থাকে এবং পরিপক্ব হলে ত্বক শুকিয়ে ফেটে যায়, সেগুলোকে নীরস ফল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ঢেঁড়সের ফলত্বকও পাতলা এবং ফল পরিপক্ব হলে ত্বক শুকিয়ে ফেটে যায়, এজন্য একে নীরস বা শুষ্ক ফল বলা হয়।

২।      কচুগাছের প্রজনন প্রক্রিয়া কিভাবে সম্পন্ন হয়?

উত্তর : কচুগাছের প্রজনন স্টোলনের মাধ্যমে ঘটে। স্টোলন হচ্ছে কচুগাছের শাখাকাণ্ড, যা প্রজননের জন্য বিশেষভাবে পরিবর্তিত হয়। স্টোলনের অগ্রভাগে মুকুল উৎপন্ন হয়। উপযুক্ত পরিবেশে এই মুকুল বৃদ্ধি পেয়ে পূর্ণাঙ্গ কচুগাছ তৈরি করে। এইভাবে স্টোলনের সাহায্যে কচুগাছের প্রজনন সম্পন্ন হয়।

৩।      রাইজোমের অর্থ কী?

উত্তর : রাইজোম হচ্ছে মাটির নিচে ভূমির সমান্তরালে অবস্থিত একটি কাঠামো। এর পর্ব এবং পর্বসন্ধি কাণ্ডের মতো স্পষ্ট। পর্বসন্ধিতে শল্কপত্রের কক্ষে কাক্ষিক মুকুল জন্ম নেয়। এগুলো খাদ্য সঞ্চয় করে মোটা ও রসালো হয়ে ওঠে। অনুকূল পরিবেশে এই মুকুলগুলো বৃদ্ধি পেয়ে আলাদা উদ্ভিদ উৎপন্ন করে। যেমন—আদা।

৪।      পুষ্পমঞ্জুরি বলতে কী বোঝায়?

উত্তর : কাণ্ডের শীর্ষ মুকুল বা কাক্ষিক মুকুল থেকে উৎপন্ন একটি শাখায় ফুলগুলো বিশেষভাবে সাজানো থাকে। ফুলসহ এই শাখাকে পুষ্পমঞ্জুরি বলা হয়। পরাগায়ণের জন্য এর গুরুত্ব অপরিসীম। যদি এ শাখার বৃদ্ধি অসীম হয়, তবে তাকে অনিয়ত পুষ্পমঞ্জুরি বলা হয় এবং সসীম হলে তাকে নিয়ত পুষ্পমঞ্জুরি বলা হয়।

৫।      স্ব-পরাগায়ণ ও পর-পরাগায়ণের মধ্যে দুটি পার্থক্য উল্লেখ করো।

উত্তর : স্ব-পরাগায়ণ ও পর-পরাগায়ণের মধ্যে দুটি পার্থক্য নিম্নরূপ :

৬।      আলুকে কেন রূপান্তরিত কাণ্ড বলা হয়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর : যেসব কাণ্ড তাদের সাধারণ কাজের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদনের জন্য আকৃতিগত ও অবস্থাগত পরিবর্তন ঘটায়, সেগুলোকে রূপান্তরিত কাণ্ড বলা হয়।

আলুগাছ মাটির নিচে শাখার অগ্রভাগে খাদ্য সঞ্চয় করে স্ফীত হয়ে কন্দ তৈরি করে। এই কন্দ ভবিষ্যতে জননের কাজ করে। কাণ্ডের এ ধরনের রূপান্তরের কারণে আলুকে রূপান্তরিত কাণ্ড বলা হয়।

৭।      টিউবার বলতে কী বোঝায়?

উত্তর : টিউবার হচ্ছে এক ধরনের রূপান্তরিত কাণ্ড। কিছু উদ্ভিদে মাটির নিচের শাখার অগ্রভাগ খাদ্য সঞ্চয়ের ফলে স্ফীত হয়ে কন্দ তৈরি করে, এদের টিউবার বলা হয়।

টিউবার জননের কাজ করে। কন্দের গায়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গর্ত থাকে, যেগুলোকে চোখ বলা হয়। প্রতিটি চোখ থেকে একটি স্বাধীন উদ্ভিদ জন্ম নেয়। যেমন—আলু।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কেরানীগঞ্জে সড়কের পাশে নবজাতক উদ্ধার, দায়িত্ব নিলেন ইউএনও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৪৯ এম


কেরানীগঞ্জে সড়কের পাশে নবজাতক উদ্ধার, দায়িত্ব নিলেন ইউএনও

ঢাকার কেরানীগঞ্জে সড়কের পাশে কাপড়ে মোড়ানো রক্তমাখা একটি নবজাতক কন্যাশিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুক সদ্য জন্ম নেওয়া শিশুটির চিকিৎসা এবং সার্বিক দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে কেরানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে ইউএনও নবজাতকটির শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি শিশুটির চিকিৎসা ও পরিচর্যার দায়িত্ব নেন।

উপজেলা প্রশাসনের সূত্রে জানা গেছে, বুধবার ভোরে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার কালিন্দী ইউনিয়নের খাগাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। পরে পুলিশি সহায়তায় শিশুটিকে কেরানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে শিশুটির শারীরিক অবস্থা ভালো রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. নজরুল ইসলাম জানান, ফজরের নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে খাগাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে সড়কের পাশে কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় শিশুটিকে দেখতে পান। শিশুটির শরীরে রক্ত লেগেছিল। পরে তিনি স্ত্রী হেনা বেগমকে সঙ্গে নিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে পুলিশকে খবর দেন। এরপর পুলিশের সহায়তায় শিশুটিকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

কেরানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মিডওয়াইফ জয়া খন্দকার বলেন, হাসপাতালে আনার পর নবজাতকটিকে প্রাথমিকভাবে অক্সিজেন দেওয়া হয়। পরীক্ষা করে শিশুটির শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। বর্তমানে শিশুটি সুস্থ রয়েছে এবং আরও তিন দিন হাসপাতালে রেখে তার চিকিৎসা দেওয়া হবে।

ইউএনও মো. উমর ফারুক বলেন, শিশুটিকে পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। তার চিকিৎসা ও নিরাপত্তার বিষয়টি আমরা গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। শিশুটির ভবিষ্যৎ যেন অনিশ্চিত না হয়, সে জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।

এদিকে নবজাতকটির পরিচয় ও পরিবারের সন্ধান পেতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে। শিশুটিকে কে বা কারা পরিত্যক্ত অবস্থায় রেখে গেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রকৃত অভিভাবকের সন্ধান পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শিশুটির দায়িত্ব নেওয়ায় কেরানীগঞ্জের ইউএনওকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের প্রত্যাশা, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পরিচর্যার মাধ্যমে শিশিটি নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে উঠবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিরসরাইয়ে হাসপাতালে লিফটেই সন্তানের জন্ম, মা-শিশুকে বিনামূল্যে চিকিৎসা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৪৯ এম


মিরসরাইয়ে হাসপাতালে লিফটেই সন্তানের জন্ম, মা-শিশুকে বিনামূল্যে চিকিৎসা

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পৌঁছানোর পর লিফটেই সন্তানের জন্ম দিয়েছেন এক নারী।

এই ঘটনা ঘটে বুধবার (৭ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বারইয়ারহাট পৌরসদরের বিএম হাসপাতালে।

প্রসূতি প্রিয়াঙ্কা রায় উপজেলার ২ নম্বর হিঙ্গুলী ইউনিয়নের পূর্ব হিঙ্গুলী গ্রামের মিলন রায়ের স্ত্রী।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, রাতের বেলায় পেটে ব্যথা নিয়ে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে হাসপাতালে আসেন প্রিয়াঙ্কা। লিফটের মাধ্যমে ওপরে উঠার সময় হঠাৎ তাঁর প্রসববেদনা শুরু হয়। পরিস্থিতি বুঝতে পেরে চিকিৎসক ও নার্সরা লিফটেই তাঁর প্রসবের ব্যবস্থা করেন। পরে নবজাতককে এনআইসিইউতে এবং প্রিয়াঙ্কাকে মহিলা ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। প্রসবের পর মা ও নবজাতকের শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল না। পরে স্বজনদের খোঁজ না পেয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিভিন্নভাবে যোগাযোগ করে প্রিয়াঙ্কার স্বামী মিলন রায়ের সন্ধান পায়। তবে নবজাতকের অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় বৃহস্পতিবার সকালে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিএম হাসপাতালের আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্সে শিশুটিকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। এসময় মা ও শিশুর পরিস্থিতি দেখতে হাসপাতালে যান উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সাবরিনা লিনা, মিরসরাই পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মোহন দে এবং হাসপাতাল ডেভেলপমেন্ট শাখার মোশাররফ হোসেন।

জানা গেছে, পরিবারটির আর্থিক অসচ্ছলতার কথা জানতে পেরে চিকিৎসার পুরো দায়িত্ব নেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। মা ও শিশুর চিকিৎসা, ওষুধ, খাবারসহ যাবতীয় খরচ বিনামূল্যে বহন করছে হাসপাতালটি।

বিএম হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. ওসমান গণি ভূইয়া রাহাত বলেন, নবজাতক ও মায়ের শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল না। নবজাতককে হাসপাতালের এনআইসিইউতে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে মা অনেকটা সুস্থ। তবে শিশুর অবস্থা শঙ্কামুক্ত না হওয়ায় তাকে চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরিবারটির আর্থিক অবস্থা ভালো না হওয়ায় মা ও শিশুর চিকিৎসা, ওষুধ, খাবারসহ সব খরচ আমরা বহন করছি।

মিরসরাই উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সাবরিনা লিনা বলেন, খবর পেয়ে রাতে হাসপাতালে গিয়ে কর্তৃপক্ষকে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়। পরে নবজাতককে উন্নত চিকিৎসার জন্য চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মা ও শিশুর চিকিৎসা বিনামূল্যে করছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%