ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নারায়ণগঞ্জ সদরে ডেঙ্গু সচেতনতায় প্রশাসনের র‍্যালী ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম


নারায়ণগঞ্জ সদরে ডেঙ্গু সচেতনতায় প্রশাসনের র‍্যালী ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম

নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন এবং সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে, ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় উপজেলার বিভিন্ন স্থানে প্রতি সপ্তাহে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

শনিবার সকালে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির। তিনি এই সময়ে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির গুরুত্ব তুলে ধরেন।

পরবর্তীতে শিয়াচর এলাকায় ওয়াপদা খালে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়ন বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে ১০০টি বৃক্ষরোপণ করা হয়। এই উদ্যোগটি পরিবেশ সংরক্ষণের পাশাপাশি খালের আশপাশের পরিবেশ উন্নয়ন এবং জনসাধারণের মধ্যে পরিবেশবান্ধব মনোভাব গড়ে তুলতে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে।

আরও পড়ুন: ইনানীতে ৪২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে আগুন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি

এ সময় জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, "ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু প্রশাসনের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, এ জন্য প্রয়োজন সবার সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ।" তিনি বাড়ির আশপাশ, ড্রেন, নালা ও খালে জমে থাকা পানি অপসারণ এবং মশার প্রজননস্থল নিয়মিত ধ্বংস করার ওপর গুরুত্ব দেন। পরিচ্ছন্নতা অভিযানকে অভ্যাসে পরিণত করার পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

এ সময় নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার এস এম ফয়েজ উদ্দিনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগের বিস্তার রোধে বাড়ির আশপাশ, ড্রেন, নালা, খাল ও অন্যান্য স্থানে জমে থাকা পানি অপসারণ এবং মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল নিয়মিত পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রশাসনিক উদ্যোগের মাধ্যমে এই ধরনের রোগ সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়; নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ, নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং সম্মিলিত সচেতনতা প্রয়োজন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিতকরণ ও ডেঙ্গুমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসনের এই ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে পরিবেশ সংরক্ষণে বৃক্ষরোপণ ও পরিচর্যার মাধ্যমে একটি সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর নারায়ণগঞ্জ গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কাম্য।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা প্রত্যাহার, নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আবু সাঈদ মো. কামরুজ্জামানকে বিপিপিএ সিইও হিসেবে একনেকের সহায়তাদানকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৬ পি.এম


আবু সাঈদ মো. কামরুজ্জামানকে বিপিপিএ সিইও হিসেবে একনেকের সহায়তাদানকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ

ঢাকা, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটির (বিপিপিএ) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আবু সাঈদ মো. কামরুজ্জামানকে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সহায়তাদানকারী কর্মকর্তা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এই বিষয়ে ১৫ অক্টোবর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ একটি পরিপত্র জারি করেছে, যা অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে।

কমিটি ও অর্থনৈতিক বিষয়ক অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব দ্বারা স্বাক্ষরিত পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে, একনেকের কার্যপরিধি এবং অন্যান্য বিষয় অপরিবর্তিত থাকবে।

প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একনেক দেশের সরকারি বিনিয়োগ ও উন্নয়ন প্রকল্প পর্যালোচনা এবং অনুমোদনের জন্য নিয়োজিত সর্বোচ্চ নির্বাহী কমিটি।

আবু সাঈদ মো. কামরুজ্জামানের রয়েছে উন্নয়ন প্রকল্প ব্যবস্থাপনা, সরকারি ক্রয় ব্যবস্থাপনা, ডিজিটাল রূপান্তর, সাইবার নিরাপত্তা ও প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন বিষয়ে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা।

তিনি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করছেন।

এছাড়া, তিনি দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন স্বনামধন্য প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে বক্তৃতা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

একদলীয় সংবিধান সংশোধন কমিটি বিলুপ্তি ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন : এনসিপির তিন দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৬ পি.এম


একদলীয় সংবিধান সংশোধন কমিটি বিলুপ্তি ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন : এনসিপির তিন দাবি

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) গণভোটের স্পষ্ট রায় বাস্তবায়ন এবং সরকারের গঠিত একদলীয় সংবিধান সংশোধন কমিটি অবিলম্বে বাতিল করার দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে। একইসঙ্গে, এনসিপি জানিয়েছে যে তারা সরকারের একতরফা সংবিধান সংশোধন প্রক্রিয়ায় অংশ নেবে না এবং এ বিষয়ে বিভ্রান্তিতে না পড়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছে।

শনিবার রাজধানীতে অনুষ্ঠিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে দলের পক্ষ থেকে তিনটি সুনির্দিষ্ট দাবি তুলে ধরা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির প্রধান তিনটি দাবি হলো:

১. অবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে।

২. একদলীয় সংবিধান সংশোধন কমিটি বিলুপ্ত করে অবিলম্বে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ গঠন করতে হবে।

৩. একদলীয় সংবিধান সংশোধন কমিটিতে এনসিপি অংশগ্রহণ করবে না; এ বিষয়ে বিভ্রান্তি না হওয়ার জন্য সকলকে আহ্বান জানানো হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে দলের মূল বক্তব্য তুলে ধরেন সদস্যসচিব আখতার হোসেন এমপি। তিনি বলেন, সংসদীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনার ভিত্তিতে সব দলের সম্মতিতে একটি ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ গঠনের রূপরেখা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সরকার সেই প্রক্রিয়াকে পাশ কাটিয়ে একদলীয় প্রক্রিয়ায় সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠন করেছে, যা গণভোটের রায়ের সঙ্গে চরম প্রতারণা ও সংস্কার নস্যাতের চক্রান্ত।

এনসিপির রাজনৈতিক পর্ষদ সদস্য ও যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, রাজনৈতিক পর্ষদ সদস্য সালেহ উদ্দিন সিফাত, যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন এবং যুগ্ম সদস্যসচিব ফরিদুল হকও সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পীরগঞ্জে কৃষি উৎপাদিত ফসল গ্রামীণ সড়কের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৬ পি.এম


পীরগঞ্জে কৃষি উৎপাদিত ফসল গ্রামীণ সড়কের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করছে

রংপুরের পীরগঞ্জে কৃষকরা পতিত জমিতে সবজি ও মসলা জাতীয় ফসল চাষ করে বাড়তি আয় অর্জন করছেন। এসব ফসলের সবুজ সমারোহে সড়কের দুই পাশের দৃশ্য মনোরম হয়ে উঠেছে, পাশাপাশি অব্যবহৃত জমি কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছেন চাষিরা।

উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের কিছু গ্রামীণ সড়কের পাশে এখন শিম, কুমড়া, লাউ, পেঁপে, তিলসহ বিভিন্ন ধরনের ফসলের চাষ হচ্ছে। এতে কৃষকের আয় বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং গ্রামীণ জনপদের সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

শনিবার দুপুরে সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গ্রামীণ সড়ক পরিদর্শন করা হলে দেখা যায়, রাস্তার দুই পাশে থাকা ফাঁকা জমিতে কৃষকরা বিভিন্ন ধরনের সবজি ও মসলা জাতীয় ফসল চাষ করছেন। কোথাও সবুজ পাতায় জমি ছেয়ে গেছে, আবার কোথাও মাচায় বেড়ে উঠছে লাউ ও শিমের গাছ। রাস্তার পাশে এসব ফসলের ক্ষেত পথচারীদের নজর কাড়ছে। অল্প জায়গা কাজে লাগিয়ে ফসল উৎপাদনের এই উদ্যোগ স্থানীয় কৃষকদের জন্য বাড়তি আয়ের সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

খালাশপীর এলাকার কৃষক রফিকুল ইসলাম জানান, রাস্তার পাশের ফাঁকা জমি ফেলে না রেখে চাষাবাদের আওতায় আনলে বাড়তি আয় করা সম্ভব। এসব জমিতে সবজি ও মসলা জাতীয় ফসল উৎপাদন করা যায়। এতে জমির ব্যবহার নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি কৃষকের আর্থিক সুবিধাও হয়। পরিকল্পিতভাবে চাষাবাদ করতে পারলে এ ধরনের জমি থেকে আরও ভালো ফলন পাওয়া সম্ভব।

খয়েরবাড়ি এলাকার অটোরিকশাচালক শামীম মিয়া বলেন, রাস্তার দুই পাশে বিভিন্ন ধরনের ফসল চাষ করায় সড়কগুলো দেখতে সুন্দর লাগছে। একই সঙ্গে কৃষকরাও বাড়তি আয় করছেন। গ্রামীণ সড়কের পাশে সবুজ ফসলের ক্ষেত দেখে ভালো লাগে। তবে রাস্তার স্বাভাবিক চলাচল যেন ব্যাহত না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখা প্রয়োজন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বর্ষা মৌসুমসহ বিভিন্ন সময়ে উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের কিছু কিছু সড়কের দুই পাশে তিল, আদা, রসুন, পেঁয়াজ ও হলুদের মতো মসলা জাতীয় ফসলের পাশাপাশি শিম, কুমড়া, লাউ ও পেঁপেসহ বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করা হয়। মৌসুম ও জমির উপযোগিতা অনুযায়ী কৃষকরা এসব ফসল নির্বাচন করেন। এতে স্বল্প পরিসরের জমিও উৎপাদনমুখী হয়ে উঠছে।

সচেতন মহলের লোকজন বলছেন, রাস্তার পাশে চাষাবাদের ক্ষেত্রে কিছু বিষয়েও সতর্ক থাকা প্রয়োজন। সড়কের নির্ধারিত সীমানা, পানি নিষ্কাশনের নালা এবং যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলের জায়গা দখল করে ফসল চাষ করা উচিত নয়। একই সঙ্গে রাস্তার মাটি কাটা বা সড়কের অবকাঠামোর ক্ষতি হয় এমন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকা জরুরি। এসব বিষয়ে সচেতনতা বজায় রেখে চাষাবাদ করা হলে কৃষক ও সাধারণ মানুষ উভয়েই উপকৃত হবেন।

পীরগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী আসাদুজ্জামান বাপ্পি জানান, ফাঁকা রাস্তার দুই পাশে কৃষকরা স্বল্পমেয়াদি ফসল চাষ করে বাড়তি আয় করছেন। এতে রাস্তার কোনো ক্ষতি হচ্ছে না। রাস্তার উন্নয়নকাজ করার সময় সেখানে কোনো ফসল থাকবে না বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সব মিলিয়ে পীরগঞ্জের গ্রামীণ সড়কের দুই পাশে সবজি ও মসলা জাতীয় ফসলের চাষ কৃষকদের বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি করেছে। একই সঙ্গে সবুজ ফসলের সমারোহে সৌন্দর্য বাড়ছে গ্রামীণ জনপদের। অব্যবহৃত জমিকে কাজে লাগিয়ে কৃষকদের এই উদ্যোগ স্থানীয় কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৪২ বছর বয়সে মারা গেলেন বিসিবির কোচ মোসাদ্দেক হোসেন ছোটন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৬ পি.এম


৪২ বছর বয়সে মারা গেলেন বিসিবির কোচ মোসাদ্দেক হোসেন ছোটন

বাংলাদেশ ক্রিকেটে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কোচ মোসাদ্দেক হোসেন ছোটন মাত্র ৪২ বছর বয়সে মারা গেছেন। ১৭ অক্টোবর তাঁর মৃত্যুর খবর প্রকাশিত হয়। তবে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এখনও নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি।

মোসাদ্দেক হোসেন ছোটন ঢাকা মেট্রো দলের সহকারী কোচ হিসেবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অধীনে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তাঁর কোচিং ক্যারিয়ারে তিনি দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের সঙ্গে দীর্ঘ সময় ধরে যুক্ত ছিলেন। বাংলাদেশের ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে খেলোয়াড়ি জীবনে তাঁর ক্রিকেটের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। পরবর্তীতে কোচিং ও ক্রিকেট সংগঠনের বিভিন্ন দায়িত্বে যুক্ত হয়ে তিনি স্থানীয় ক্রিকেটে একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করেন।

ঢাকা মেট্রোর কোচিং স্টাফের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে, ছোটন দলের খেলোয়াড়দের অনুশীলন, ম্যাচ প্রস্তুতি এবং মাঠের কৌশলগত কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছিলেন। ঘরোয়া ক্রিকেটে কোচ হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি তিনি ক্রিকেটারদের উন্নয়নে যুক্ত ছিলেন। তরুণ ক্রিকেটারদের সঙ্গে নিয়মিত কাজ করা এবং প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটের জন্য তাদের প্রস্তুত করা ছিল তাঁর কাজের একটি বড় অংশ।

মাত্র ৪২ বছর বয়সে তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে বাংলাদেশ ক্রিকেটের কোচিং অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঢাকা মেট্রোর বর্তমান ও সাবেক ক্রিকেটার, কোচিং স্টাফ এবং ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করছেন। ঘরোয়া ক্রিকেটে একজন কোচ হিসেবে তাঁর অবদান এবং ক্রিকেটারদের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা সতীর্থ ও শিষ্যদের স্মৃতিতে দীর্ঘকাল বেঁচে থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%